Saturday, 5 July 2014

চিরন্তন

অপমান তোলা থাক , আপাতত শুধু  ভালোবাসো 
একমুখী স্তব্ধতার পাতায় এঁকে দিয়ে চুম্বন।
সমস্ত কষ্ট পাঠিয়ে দিছি মিউজিয়ামএ 
কাঁচের শোকেসে অবিকৃত মমি করে  রেখে দেবো 
অনিদ্রা,  ভুল বোঝা বুঝি , অসম্পৃক্ত কথামালা। 
 বাঁধা পরে গেছি জীবনের কাছে; প্রকান্ড ভালবাসা 
অতীত হলেও শুকনো ডালপালা তো পাঁজরের হাড়ে 
লিখেছে কাব্য , চিরন্তন উদাসীন মায়াময় চোখের। 
তত্পর তীর্থে গমন এ পুণ্য সঞ্চয় অনিবার্য্য যদিও 
পরিমাপ অজানা , অনিশ্চিত স্বর্গলাভ ,মনোযোগহীন 
উপেক্ষা কে দিলাম ছুটি , অন্তত কিছুটা সময় থাকুক 
ভালবাসা -বাসি , বাসী জীবনে কেন্দ্রাতিগ প্রতিরোধ 
কারুণ্যের দাপট অথবা সহানুভূতিতে  গৃহত্যাগী মহাপুরুষ 
তুমি ;এমনকি জানা আছে কেউ চাঁদের মতো  মুখ নিয়ে 
ভালবাসার প্রতিশ্রুতি দেয় না। পলাতক প্রেমে খোঁজে অজুহাতের 
নিরাপদ আশ্রয়।পকেটে নুড়ি , দ্বিখন্ডিত বিশ্বাস ,দার্শনিক আঁধার 
মিশিয়ে আপাতত কেবল ভালোবাসো , আদ্রতার পূর্ণচ্ছেদ
আঁকড়ে দুটো ছায়া কবিতার কোলে , ইতিহাস নকশি কাঁথা-
খড়কুটো  আঁকড়ে বাঁচা  লোড শেডিং এ তীব্র আলিঙ্গন;
ভালবাসা পেলো  অন্ধকারের ভাষা, সীমিত সময়ে ভুলে ছিলাম 
আমি নির্বাসিতা  -আবার তিরিশ বছর পরে অবসাদের ভিড় 
এড়িয়ে   লেখা  অযান্ত্রিক ভালবাসা র  দাহ্য  কবিতা।

No comments:

Post a Comment

যাঁরা হঠাত করেই খাওয়াতে চায়

  হাঁটু মুড়ে বসো, মুড়িমাখা হাতে দেবো- ঝাল মুড়ি। চিবিয়ে চিবিয়ে খাবে সাথে আচারের টুকরো আম। পা ছড়িয়ে বসো তারপর, মেলে দাও গল্পের শাড়ি। অবাক বিস্...