Tuesday, 27 December 2016

বাবা

যে পথে হাঁটতেন বাবা
সে রাস্তায় আসি বিশ্রাম নিতে।
কোনো কোনো পথ সড়ক না
হয়ে গলি হয়ে যায়।
বাবাকে খুঁজে পাই বারবার।
গলির মোড় যেখানে রাস্তায় মেশে
একটা শ্বেত টগর ,ফুলে জড়িয়ে রাখে নিজেকে।
ঠিক যেমন আমার বাবা গায়ে জড়িয়ে
রাখতেন বেশ পুরোনো ঘিয়ে রঙা কাশ্মীরি শাল।

বাবা অপেক্ষায় থাকেন জানালার পাশে;
অচেনা সড়কের গতি ফুরালে
ক্লান্ত পিঠের আশ্রয়।
সেই ফুলধরা গাছ হয়ে-ছায়ার অঙ্গীকার।

Sunday, 25 December 2016

যে রকম দেখছি

ঈশ্বর হাসেন
মানুষের অভিনয়ে।
কবি লেখেন
চরিত্রের নিরাময়ে।
অ-সুখ ,ক্ষোভ
বিক্রি হয়
দৈনন্দিন সংলাপে।

Friday, 23 December 2016

পাল্টে নেওয়ার পর

মাঝে মাঝে চোখও পর্ণমোচী হয়।
বদলায় দৃষ্টি।

অসম্পৃক্ত ভাবনার আড়ালে
ক্ষুধাতুর কাতরতা অবনত।
আরও বেশ  কিছু চিন্তারা ঝরে যায়।
বিরতি নিলো ভালোবাসারা-
উন্মুক্ত কিছু পড়ে থাকা ক্ষত।

Tuesday, 20 December 2016

এগিয়ে চল

ঢেউ এর ভাঁজে আলো মিশলে
রং গোলা জল।
জলে লুকিয়ে গল্প সহস্র কোটি বছর।
যতদূর যেতে যেতে তরঙ্গ শেষ হয়
ততখানি পথ হাঁটছি রোজ- সময় অসময়।
বারুদ ঠাসা জীবন পিং পং বল।
জলের অভিসারে বরং একটু এগিয়ে চল।

ঢেউয়ের সাপেক্ষে জীবন বাঁচুক।
প্রাণ ফেরাক কোলাহল।

Saturday, 17 December 2016

To the Birthday Boy:My Hubby

And the moment is near
Knocking on the door.
The candles illuminated
Shinning like the stars
That cometh on the sky
With thousands hopes.
The trinkets of life
Jingling with passion
And myriads reflection
That make the prism
Of every bit , winking endlessly
For ushering you into
The vast vista of eternity
By bestowing you
With the new promises handful.
The segment of time,
Tiny lines of distance
And the fragrant mist
Of the kisses to be cherished
With you along.the only you
Whose days will be renewed
With the flavour of peace
Love and prosperity.
And here me to say

HAPPY BIRTH DAY TO YOU!

Friday, 16 December 2016

জরুরি

জন্ম নিক নিঃশব্দ প্রতিবাদ।
ডিজেল পোড়া শ্বাসের হোঁচটে নয়।
ধুয়ে নিলে ফুসফুস কবিতার জন্ম দেয়।
ভালোবাসার অভিমান,খিদের নয়;
খিদের মতোই প্রতিরোধ স্পষ্ট হোক
দুঃসাহসের কাঠগড়ায়।

এখন

মিঠে রোদে মন পোড়ে।
বাকি ভালোবাসা গুলো...
আগুন জ্বেলো কাশফুলে
কুঁড়ে ঘরে নিভু আঁচে।
  ঋণ বেঁধেছি আঁচলের খুঁটে।
বুকে কুয়াশার চাদর মুড়ে
তাকিয়েছি বারবার-
সাজানো জীবন ছেড়ে
ফাঁক গলে খুঁজে নিতে
উত্তাপের সমাহার।

Monday, 5 December 2016

বিকেলে

দিনের আলো শুকোলে
ক্লান্ত কুয়াশারা নেমে আসে।
ধুলোর ঝালোরে হাই তোলে নিয়ন।
ধোঁয়ার চাদর মুড়ে দেয় গলি।
শ্বাপদ শিশুরা ঘুমায়
থমকায় ট্রাক।সোনালী ইশারায়
কয়েক বিন্দু শিশির
জমে।পাতায় চোখে অথবা
আরো গভীর কোথাও।

রূপান্তর

কিছু কিছু মৃত্যু জীবন কে থামিয়ে ভীষণ জীবন্ত হয়ে ওঠে।
তর্ক বিতর্ক ছাপিয়ে জমে ওঠে ফুল।
শ্বাস প্রশ্বাস ইতিহাস হয়ে ওঠার পর
সাহিত্য খোঁজে দর্শন।
তারপর রূপকথা -অবিশ্বাস আধো বিশ্বাস।
প্রবাদ প্রতিম , মূর্তি হয়ে দাঁড়ায় চৌরাস্তার মোড়ে।
সূর্যের অবস্থানে ছায়া গলে পড়ে
পূবে, দক্ষিণে ,পশ্চিমে।
সেখানে আমি ,তুমি ,সে -আশ্রয় নেয়।
কিন্ত ছায়ার জন্ম রোধী রোদ
মূর্তির মাথার উপরে এলে
ক্লান্ত ভিখারিও ত্যাগ করে স্ট্যাচু র কঙ্কাল।

শহরের মিছিল ঝলসায় পাদদেশে।
নেতার বয়ান শানাচ্ছে বর্তমান।

হা -ঘরে জনতার চোখে নেতার জন্ম হয়।
মন্ত্রী ঘুমালে   মূর্তির আবির্ভাব।
দৃশ্যতই  দৈনিক ভাবলেশ হীনতায়।

Wednesday, 23 November 2016

বয়স এর আলাপ

বয়স বাড়ছে বুঝতে পারি
এখন তোমার ফোন আসা
ভীষণ ভীষণ দরকারি।
বাঁধন গুলো জড়িয়ে দিলো
দুঃখ হাসি রাগ।
মায়া ,বড্ডো মায়ার লেপে
ঘুমিয়ে পড়া রাত।
সময় যখন শেষ হয়েছে
অপেক্ষার শুরু।
এভাবেই থাক বাকি জীবন
লুকোনোর আরেকটু ছল ছুতো।

Wednesday, 26 October 2016

দৃশ্য এবং দৃষ্টি

দৃশ্য পুরোনো -
পুরাতনের পুনরাবৃত্তি ঘটে বারবার
ধূসর পাতা, ধোঁয়াটে গন্ধ , সূর্য্য ভোলা আকাশ।
বাগানের কোনায় ছোট্ট ফুল, কফি কাপে চুমুক-
নিভে যাওয়া ক্ষোভ, আলাদা দাঁড়ানোর জায়গা কই?অগত্যা গতিহীন দ্বীপ।
ঢেউয়ের আওয়াজ আসে, জল পা ভেজায় না।
শুধু ধুলো জমে পরতে পরতে
টেবিল, চেয়ার, ভাতের থালার মাঝে।

দৃশ্য না পাল্টালেও দৃষ্টি পাল্টে দেখলে
পেতে পারো নিরপেক্ষ জিরো আওয়ার।

Thursday, 20 October 2016

পরিবর্তনের পর

পাল্টে ফেলেছি ঘর,আসবাব, পর্দার কাপড়।
খুঁজে নিয়ে দোকান, কিনেছি অনেক সুখ।
খুব সাধারণ জীবন থেকে মুক্তি নিয়েছি আগেই-
অনুভূতিরা ভোঁতা হয়েছে ক্লান্তি মাখা চোখ।

একেকটা বেড়ার তাবিজ বেঁধে গর্ব করছি রোজ।
কাকডাকা ভোর পেরোনো সকাল কুসুম রঙা রোদ।
অনভ্যাসে হারিয়ে গেছে নাছোড়বান্দা শিশির,
কেবল দশ সংখ্যাটাই রাখছে আমার হদিশ।

কথাগুলো সব ফুরিয়ে গেছে,বাক্যরা যান্ত্রিক।
বনসাই আছে ঘরের কোণায়, ভীষণ আত্মকেন্দ্রিক।
সেলফি জীবন, নাবালক প্রেম ,পরিণত বোঝাপড়া-
বাড়ছে খেদ এবং মেদ এবং শুন্যতারা

Tuesday, 11 October 2016

শুভ বিজয়ায়

চুঁয়ে পড়া জল
বিন্দু বিন্দু জমে
ঘট ভরে যায়।
হঠাৎ প্লাবন আসে।
মুখ ভাসে ।
চেনা মা দর্পনে
প্রতিবিম্ব কাঁপে।
ঝাপসা চোখ
ফিরে তাকায়
আগামী বছরের পানে।

এই ক'দিন

যে যেমন পারছে নিচ্ছে কুড়িয়ে
প্রেম,আনন্দ, আলো, বুক ভরা গান।
খুচরো খুচরো সময় গীটারের তার
পুজো আসে, পুজো যায়
জৌলুসে কোলাহলে রাত পেরিয়ে দিন এসে বলে
"কতটুকুই বা সঞ্চয়,কতটাই বা খরচ,
মাঝে শুধু ব্যবধান দিন কতক।"
সেখানে শুধু এলোমেলো আনন্দরা ইস্ত্রি হয়ে যায়,
পাটভাঙা মুহূর্তেরা যে বাকি তিনশ দিনের,
বছরভরের তহবিলে সঞ্চয়ী বাঙালি
তুলে রাখে মাধুকরী -
বাকি দিন গুলো যে বং এ দের জন্যে।

Monday, 3 October 2016

Concentration Camp

Within the confinement of  four walls,
Within the periphery of province
Across the border of the States
Everywhere there is the eternal
Concentration camp.

And within myself ,there is several shadows confined within the morals and precepts.
Nowhere to go, neither a place to exhale, only to sigh
Within this concentration camp.

কারুর অপেক্ষায়

ভিজে কাপড় শুকোতে দিয়েছি।
দুপুর গড়িয়ে বিকাল।
অবুঝ সন্ধ্যে ধার করেছি,
আচমকা বাতাস বেখেয়াল।
গুঁড়ো গুঁড়ো হাওয়ায়
জমাট বাঁধছে গল্প।
আরেকটা প্রেম হাতছানি দেয়
শাড়ী লিখছে কবিতা স্বল্প।
এটুকুই থাক, টুকরো শ্বাস
বাসা বাঁধুক বুকে।
আলতো চুমু এঁকে দিলাম
রাতভাসি চোখে।

Saturday, 1 October 2016

প্যারাডক্স

যে লোকটার কারখানা বন্ধ তাকে জিজ্ঞাসা করলে জানবে শুধু অক্সিজেন নয়,তার জীবনে কার্বন ডাই অক্সাইড বাঁচার রূপরেখা আঁকে।

বন্ধ কারখানার চিমনি থেকে ধোঁয়া বেরোয় না।
এদিক ওদিকের সবুজ অক্সিজেন ছড়ায়।

কিন্তু খিদে মেটায় কি?

অনেকের কাছে বিষ টাও যে বাঁচার জন্য ভীষণ জরুরী।

Tuesday, 27 September 2016

পিতৃপক্ষ 3

বাবা হওয়ার পর মানুষ কেমন ভীতু হয়ে যায়।
স্পষ্ট কথা ইঙ্গিতে পরিণত মনস্কতায় রূপ পায়।
অল্প স্বল্প পরিসরে নিজেকে গুটিয়ে নেয়    আস্ফালন
বাবা জানে চেনা গন্ডি কেটে সন্তান আগলানো।
অথবা ভাঁজ পরা শার্ট কোঁচকানো।
পরিচয়ের ভাষা বাসগৃহে কড়া নাড়ে,
বন্দী পুরুষ বাবা হয়ে যায় রক্তের সম্ভাষণ এ।
বাবার জগৎ শেষ হয়েছে মাঝরাতে ভাঙা ঘুমে।

বাবা নিজেই জানেনা অন্ধকারের ছায়া আর কতই বা প্রলম্ব হবে।
ইচ্ছেমতন চাহিদা রা এলোমেলো অবসন্ন হয়ে তোষকের তলায় লুকোবে।
ছোট আঙ্গুলগুলো মুঠোর দেওয়ালে এলিয়ে পড়ার পরেও বাবা জাগে
অবয়বে নয় ,গোপনে আরো গভীর কোথাও বাবা
দলিল লেখে -স্থাবর অস্থাবর ইচ্ছের তালিকায় অজস্র কাটাকুটি।

ভালোবাসা মাখা অপূর্ণতারা তর্পণ এ বাসা বাঁধে।
বাবাদের কথা প্রজনমান্তরিতে -সব বাবারাই জানে।


Monday, 26 September 2016

ট্রানজিশন

তুমি বেঁচে থাকতে চাও।
শহুরে সভ্যতা তোমায় শিখিয়েছে হায়েনার হাসি,
শ্বাপদের লক্ষ্য;পুতুলনাচের মুদ্রা নকল করা মজলিস। সমস্তটাই পাল্টে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে কত ছবি আঁক বা কবিতা।
স্তবের প্রতি ছত্রে ছত্রে আত্মবিক্ষনের কপট ভঙ্গিমা।

তুমি যে ভালো নেই-সকাল বেলায় তোমার ভারী ফুলো চোখে করা যেন লিখে দিয়ে গেছে।
ক্লোরিন জল ছিটিয়ে বাঁচতে চাও রোজ কৃত্রিমতায়। কল্পনার পেঁজা আকাশ তোমার জন্য নয়।মায়াবী দেওয়ালের ওপারে বন্ধু খুঁজে নাও
স্বমেহন স্বত্তার নির্গমনের অছিলায়।

এরকম তো কথা ছিলনা।
কাগজ পোড়া ছাই তো জমছেনা কোথাও।
মেসেজ ইনবক্সের কথা দগ্ধ করে-
মোছার পরেও ধরে রাখে হার্ড-ডিস্ক
যেখানে ধরা আছে সমস্ত নগ্নতা।
তোমার অভ্যন্তরে লুকানো আর্কিটাইপের ভয়,
রুক্ষতা ,জান্তব ব্যর্থতা, আত্মবিস্মৃতির গোপনীয়তা।

তাই তুমি পা টিপে টিপে আড়ি পাত...
ভয়ঙ্কর জিগিষায় মাদক মিশিয়ে গিলছ শূন্যতা।
ঈশ্বর পরিহাসময় ভেবে একেকটা তাস ফেলেছো
আর অপেক্ষা করেছ টেক্কার।
যৌনতার কাছে জিতে গিয়েও হেরে গেছো।
বিনিময় দরদাম দিয়ে জোড়া ধড় মুণ্ডু ছিঁড়ে
দৌড়েছ। তারপর তো খবরের কাগজে লিখেছিল-
"অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তির মৃতদেহ উদ্ধার ডাউন লাইনে।" কিন্তু কোথাও লেখা ছিলনা কেন
শেষে তো তুমি মানুষ হতেই চেয়েছিলে,
কোনো শ্বাপদ কি আত্মহত্যা করে কখোনো?

Monday, 19 September 2016

পিতৃপক্ষ -2

কালো ঢেউ তোলা রাতে,জঠরে জল বাড়ে।
ক্রমাগত বিন্দু বিন্দু করে।
আশা,গল্পকথার প্রাণীর নড়াচড়া।
ছোট অপেক্ষারা বিলীয়মান-
চিড় ধরা পথে জীবন নামলো শয্যায়
জীবনের হাত ধরে।

কাঠের আগুন,তপ্ত জল কাহিনী লেখে
ভাত ফোটার। ধোঁয়ায় ফ্যানের মাখো মাখো
ঘ্রাণ বুক ভরে নেওয়া।
খিদে প্রকান্ড বাস্তব-জীবন সম্মোহন!
নিয়ন্ত্রিত আঁচে বাঁচার খোরাকি;রসদে যাপন।

সেই আগুন,পরিধি বিস্তৃত।
দৈর্ঘ্যে সাড়ে তিন, প্রস্থে আড়াই।
এখানে ধোঁয়ার গন্ধে বিচ্ছেদ ভর করে।
ফুলকিরা স্বাধীন,ভিন্ন রূপে ফিরে আসে আগুন
আয়ুর শেষে জল ধোয়া ছাই।

Sunday, 18 September 2016

পিতৃপক্ষ



নৌকো বাঁধা ঘাটে।
বৈতরণী পারাপার-
স্তব্ধতা বালুচরে।
তিল বিন্দু চিল, ভীত বাতাস।
পত্রজ তরঙ্গ মেশা
স্মৃতির ইতিহাস।

নিভু প্রদীপের আঁচে
দর্পণে ছায়াভাস।

Thursday, 15 September 2016

দূষণ

নোংরা কালো বিচ্ছিরি ধোঁয়া?
মুখ ঢাকছ রুমালে!
নিঃশ্বাসে বিষ মিশল তবু-
যতই থাকো খেয়ালে।
আদপে সব বিষাক্ত তাই
মুখ ঢেকেই বা করবে কি?
মিথ্যা শোনা অভ্যস্ত কানে
কান চাপা দাও দেখি।
ঝুড়ি ঝুড়ি রোজ মিথ্যা ওড়াও
প্রকাশ্যে বা গোপনে।
দূষিত যখন অভ্যন্তর
মুখ ঢাকা কেন রুমালে।

Thursday, 8 September 2016

You and Me

Let us go then
To keep the promise
The sacred vows
Of love,something more
To cherish our dream
That has been woven
Together.
Lips upon lips
And the soul burning with
Desire,- fumes of sparks
Within the cloud that suddenly bursts...

Let's go there in the land of
Reverie to delve into the mine of
Eternity that exists forever

Saturday, 3 September 2016

শিরোনামে

যুদ্ধ কিংবা কূটনীতি
কালোটাকা অথবা দুর্নীতি-
শিরোনামে মহামানব ,
বিস্ফোরণে তুমি আমি।
রাজ্য ওয়ারী খবর পেরিয়ে
দেশ ব্যাপী ডামাডোল।
বিশ্বযুদ্ধ পরিস্থিতি
ভীষন গন্ডগোল।
মাথা মোচড়ানো শিশুর শবে
জমাট কালচে রক্ত
সভ্যতা আসলে দ্বন্দ্ব মূলক
বাস্তব বড় শক্ত।
প্রতিশ্রুতিও আছে,
টাকে চুল যাবে গজানো।
দাম্পত্য হবে মধুর আরো
সস্তা অফারে কাম্য।

ঝালমুড়ি শেষে কাগজের ঠোঙা
ডাস্টবিনে পায় ঠাঁই।
যা কিছু খবর বাসী হলে পরে
স্তূপীকৃত ডাঁই।

খবরে নেই তোমার আমার রোজকার ঝগড়া।
শিরোনামে যায়না  দেখা ছোট ছোট কান্নারা।
খবর ফুরালে নতুন খবর খুঁজবে দেশবাসী।
আমি তুমি শিরোনামে নেই ,কখনো হবোনা বাসী।

Tuesday, 23 August 2016

সকালে সুস্থই তো ছিল

হঠাৎ করে যারা মারা যায় তারা মৃত্যুর পূর্বে সুস্থই থাকে।
তবুও মরে যায় অজানিতে।
ওই যে শোরুম এর নতুন গাড়িটা র মতোই ঝকঝকে -
সাজানো খাবারের লোভ সামলাতে না পেরে
দু ফোঁটা নোলা হঠাৎ পড়ে যাওয়ায় অপ্রস্তুত তুমি কেমন যেন কুকুর হয়ে যাও।অসুখ সেরকমই লুকিয়েছিল শরীরে বা আরও গভীর কোথাও।
তারপর ঠিক সামলাতে না পেরে লুকোচুরি খেলে অসুখ  এলো শ্বাদন্ত নিয়ে।
সুস্থ  তুমি ছিলেনা আসলে।

Wednesday, 17 August 2016

রোজ বাস এ

তুমিও যেখানে রোজ ,আমিও তাই
এক বৃত্তে দেখি আর হাঁটি....
পৌঁছাচ্ছি না যদিও কেউ
গন্তব্য আছে ঠিক করাই।
দ্রুততম পায়ে বাসের সিঁড়ি
ধাক্কা লাগছে অসতর্কতায়।
আড়চোখে দেখানো সিট
নামবে কেউ সামনে তাই।
খুচরো ঝগড়া ,একটু sorry
আর অনেক চাপা বিরক্তি।
এগোচ্ছিনা কেউ ,বাড়ছে গল্প
হাসির দৈর্ঘ্য -সান্ত্বনা ব্যাস এতটাই।

Monday, 4 July 2016

দাঁড়িপাল্লা

সব্জী মাপার মতো ওজন করি অভিমান,
কতটা ক্ষোভ জমলো?
নিঃশ্বাস প্রশ্বাসে, জাহাজবন্দি ইতিহাসে
আদপে কতটা খেদ থাকলো।
বাক্সবন্দি রাগ,ফ্রেম বন্দি হাসি-
পাশাপাশি দাঁড়িপাল্লায় রাখো,
আয়তন ভিন্ন, ভর যে একই।
তুমি ছাড়ছ কিছু রোজ
আমার ও বছরগুলো বিনির্মিত।
শহীদ অথবা গিনিপিগ সেজে নিরপরাধী ।
প্রতিপক্ষ জুডাস; অনেক ক্লান্তি পেরোনো
রাত বিনিময় চায়-দাঁড়িপাল্লায় দুটো মানুষ-
পারস্পরিক দোষারোপ-
ঘুরপথে দুজনেই ক্ষমা চায়।

Monday, 13 June 2016

Humidity

Walking in dream
I ve counted the  drops
Of song.
In murmur a million words
Have been scaled
And weighed...
Before I speak
Deeply with the sighs
Of firewood.
Brushing up the
Memories ,finally
I ve calculated...

The sweat upon my lip
The drops of rain beneath the widow seal
And the tears on the screen

Are playing together
Secretly-telling the tales
Of salty humidity.

Saturday, 4 June 2016

কবিতার দরদাম

কবিতা আশ্রয় পেয়েছিল
খরচের খাতার পিছনের পাতায়।
হিসেবের সমান্তরালে শব্দের জাল।
বেসুরো রাস্তায় বিছিয়েছিলো ছায়াপথ।
একটা খেলা চলছিল বেশ।
তেল ,নুন,লঙ্কা, চালের দর রান্নাঘর পেরিয়ে
শোবার ঘরে অন্য একটা ঘর-অবিন্যস্ত দুপুর-
বেঁচে থাকার রসদ।অন্য ভাবে
অস্তিত্ব যাপন।মাসের শেষ বা শুরুর
সাপ-লুডোর ফাঁস গলিয়ে কালচে
কার্নিশে বেঁচে থাকা সবুজ ফার্ণের মতো
কবিতা টিঁকেছিলো রোজনামচায়।

শব্দ খরচ হলে কথা বাড়ে,কবিতা নয়।
অক্ষর জুড়ে বাঁধানো লেখার মিনে কাজে
ধাত্র তোমার চর্চিত চিন্তন।
অর্থ বর্ষ পেরোলে পুরোনো কাগজের দিস্তায়
খরচের খাতার স্থান।কবিতা বিকোয় দরদাম এ।
পুরোনো খাতার দামে ভাবনারা দাঁড়িপাল্লায়-

তুচ্ছ আঁকিবুঁকি এখন কাগজের ঠোঙায়।

Tuesday, 31 May 2016

বাঙালি এবং পর্দা

বাঙালি দের পাশের বাড়ির পর্দার প্রতি আগ্রহ টা চোখে পড়ার মতো।যদিও নিজের বাড়ির জানালা পর্দা দিয়ে বেশ পরিপাটি করে মুড়ে রাখে অধিকাংশ বাঙালি।কিন্তু অন্যের পর্দার ওপারে উঁকি দিয়ে অন্যের সংসারে র ফাঁক ফোকর খোঁজার ব্যাপারে বাঙালির চিরকাল আগ্রহ কিন্তু হাস্যকর হলেও বেশ এডভেঞ্চারস।
পর্দা প্রীতি র পাশাপাশি নিজেকে আড়ালের চেষ্টা তার সাথে অন্য কারুর অস্তিত্বের গোপন ডেরায় চোখ কুঁচকে তাকানো নিতান্তই নিরামিষ নয়।

রিপুর আড়াল আবডালে র নিঃশব্দ চলাচলের সাক্ষী পর্দা  যদিও নেহাত ই ভিজে বিড়ালের মতো জানালায় মিইয়ে থাকে।কখনো প্রেয় কখনো বা শ্রেয়।

বিপদ টা অন্য জায়গায়।একবার ঝড় দিলে আর সময়মতো জানালা না বন্ধ করলে ধুলোবালি আর পরশ্রীকাতরতা মাখামাখি হয়ে ঘর নষ্ট করে। আবার নষ্টনীড় এর বাসা টি যখন জন্ম লাভ করে গুটি গুটি পায়ে হাঁটতে শুরু করে অমনি পর্দা র আড়াল অনিবার্য্যতা লাভ করে।ইস্ট সিদ্ধি কার্যসিদ্ধি র মাঝের স্পেসে পর্দা অবশ্যই বাঞ্চনীয়।

বাঙালি বাঁচে পর্দায়
পান আর জর্দায়
পরচর্চা  ...
(পরকীয়ায়?)😜

Monday, 30 May 2016

পুনরাবৃত্তি

বাজারের দর বাড়ুক।
বেড়ে চলুক চিৎকার।
দেখছ কেমন খেলেছি খেলা
মগজ টি যে বেশ পরিষ্কার।
ফেলেছি টাকা ,সময় ও দিলাম
বাদ দিইনি কোনো কিছুই।
ট্রাডিশন টাও রেখেছি ধরে
যদিও নয় আদ্দিকেলে।
সৎ বলতে যা বোঝো তা
দেখলে পাবে আমাকেই।
যুধিষ্ঠির থাকলে পরে
স্বর্গে যেতাম এক ছুটে।
হাঁ করে তাকিয়ে আছো
বিশ্বাস কি হচ্ছেনা এর পরে?

বউ হলো দ্রৌপদী আমার।
ধর্ম আছে আমার পাশে।
পাশা খেলা নেই যদিও
জুয়া আছে ময়দানে।
পড়বে নতুন মহাভারত
android আর স্মার্টফোনে।

Friday, 27 May 2016

ওপাড়ে

বেড়ে গেছে আণবিক কণ্ঠরোধ।
পারমাণবিক হয়েছে সভ্যতা-বহু আগেই।
ইলেকট্রন প্রোটন রা সাইদ এর বাইনারি!
আমি সেজেছি নিউট্রন।
যদিও ঋণাত্মক আদপে।
ধাক্কা খাচ্ছে ধারণারা দেওয়ালে ।
প্রতিহিংসারা ধন্যাত্নক সজীব পর্দার ওপারে।

Thursday, 26 May 2016

দ্বন্দমূলক ছন্দমূলক

একটা হাত জানালা খোঁজে।
অন্য চোখ আটকায় পরিসীমা।
মেঘ যদিও নামছে বেশ দ্রুত
বৃষ্টি এসে মিলালো সীমানা।

সেই চোখটি র ঘুম নেই আজ
অবাধ্য ছাঁট নাড়ছে কড়া-
বিপদ ভারী আসলো বটে
কী বিড়ম্বনায় পড়া!

হাত নামলো স্বপ্ন ছুঁতে
জলে এঁকে আল্পনা।
মুহূর্তেরা আসলো কাছে
সঙ্গে নিয়ে ফিরলো গুমোট কথা।

সেই চোখটি ক্লান্ত এখন
ধূসর পাঁচিল দেখে।
হাতের মাঝে বৃষ্টি গোলাপ
সিক্ত রেখায় ঢেকে।

এক ঘরেতে পাশ ফেরে
চোখ ,অন্যতে হাত জাগে।
চোখের শাসন ফুরিয়ে গেলে
হাতের কলম বাঁচে।

সঙ্গে তুমি

সঙ্গে তুমি থাকো।
বৃষ্টিস্নাত বিকেলে চায়ের
কাপের মতো।
সঙ্গে তুমি আছো
গাছের ডালে আটকে
থাকা শেষ পাতাটির মতো।
সঙ্গে তুমি চলো,
পিছিয়ে পড়ার আগে
দুই হাত টা ধরো।
সঙ্গে তুমি বেঁচো
ঠোঁটের হিসেব বুঝিয়ে দিতে
রং তুলিটা ধরো।

Wednesday, 11 May 2016

দৃশ্যতই

ভয় পেয়েছি,যখন টিভি তে দেখেছি চোখ
খোবলানো লাশ।
থমকে গেছি দেখে কি করে দ্রুত রক্ত ওঠে
মুখে ;
বালুচরে আটকানো ঝিনুক উঁকি মারে
বরফি কাটা জানালার ওপারে।
জল দিয়ে মুছে ফেলা বাস্তব ইতিহাস হয়ে
প্রমান দিয়েছে জটিল কুটিল প্রশ্নের।
এত শাড়ী,সালোয়ার ছিঁড়ে ফেলেছে ঔপনিবেশিকতার মহামারী-প্রমানের অভাবে
সবই বেকসুর খালাস।
সব দেখেই চলেছি আমি।

সভ্যতার মর্গে চোখ খোলা জীবন্ত লাশ।

Monday, 18 April 2016

হাতের সাজ

একটা হাতে অনেক সাজ।
রং বেরং এর চুড়ি।
ঊল্কি একেছি দাম দিয়ে
মন ভোলানো ভারি।

অন্য হাতে  থাকুক শুধু
আরেকটি মুঠো .বিশ্বাস থাক
আঙ্গুল ছোঁয়া; সময় অসময়ে
আশ্বাসে বাচা মুহুর্তের খড়কুটো .

Tuesday, 19 January 2016

বিনিময় নয়

ঠিক সেই আনন্দ পাওয়া হয়ত মুশকিল।
আমি বলতে চাইছি বিনিময় নয়।
প্রতিবার 'দেওয়া'কিন্তু 'নেওয়া ' চায়।
অন্তত প্রত্যাশা র ব্যাপ্তি খামে বন্ধ রাখো;
মুঠোয় রেখেছি আশ্রয়
মধ্যবর্তী এক মুখী চিন্তার এটো ঠোট.
ঝুল বারান্দায় চড়ুই এর বাসা- পালক
খড় কুটো অবিন্যস্ত. ঘর বান্ধার পর
আবার গ্রিহ হীন হলে জানি কামড়ে ধরবে
শুকনো চউকাঠ:ফুসফুস টেনে নেবে ঘরের
গন্ধ .অতীতের অক্সিজেনে তুমি জীবন্ত হবে
কোনো এক দুপুরের বিরতি তে .
ফিরে পাবে আঙ্গুলে জড়িয়ে জাওয়া
দন্দবিহীন খোলা মাঠ ;আমারও ফাকা ফুসফুস .
ভরে নেবো সমান রং .
বিনিময় বাদ দিয়ে মিশে জাবে দিন
রাতের পরিসীমা,
আগামী অতীত অথবা বর্তমান.

Monday, 18 January 2016

Repay


Let me be like the cloud
to stretch my wings
hovering over the earth.
to look into the debts old enough,
and pay those with the hesitation
of staying cursed!

Emptiness and memories

Memories are dripping
on the window seal.
I ve settled the exchange between
brimming desire and empty empathy.
the freckles of sunrays dancing
upon the troubled time...
you've hold mine lips
with unexpected rigidity.
and fear of being known
haunts me like the display of terror
on the screen of empty reality.
and I am alive among the yawning
of million stupidity.

যাঁরা হঠাত করেই খাওয়াতে চায়

  হাঁটু মুড়ে বসো, মুড়িমাখা হাতে দেবো- ঝাল মুড়ি। চিবিয়ে চিবিয়ে খাবে সাথে আচারের টুকরো আম। পা ছড়িয়ে বসো তারপর, মেলে দাও গল্পের শাড়ি। অবাক বিস্...