Thursday, 31 July 2014

....... নি

ক্লান্তি ক্ষমা চায়নি ,
প্রেম ক্রুসে শেষ নিশ্বাস ফেলেনি।
কত কিছু স্মৃতি বেঁচে থাকেনি,
যদি ও আপস এ বিবাদ মেটেনি।
এবং, যদিও, অথবার দ্বন্দে তাল কাটেনি।
 সমালোচনায় সমাধান মেলেনি।
মৃত্যুর কাছে ভয় পাইনি
এখনো ক্লান্তি ক্ষমা চায়নি।


Wednesday, 30 July 2014

এরকমই

ওই সব আপত কালীন মুহুর্তে , ভাবনারা জ্বলে 
ওঠে মোমবাতির মত। তখন আমি বলবনা বলবনা 
করেও বলে ফেলি , স্বাভাবিক নিয়মে পৃথিবী চললেও 
আমার ছায়াপথ আলাদা , কিছুটা অস্বাভাবিক , যদিও তোমাদের 
দৃষ্টির পরিসীমা নির্ভেজাল নয়,সততা  অভিনয়ে....

ওই সব যুদ্ধকালীন মুহুর্তে , চিন্তারা  শান  দেয়  অভুক্ত 
শরীরে খিদের মত। তখন শত বারণ থাকলেও 
অভিযোগের তীর তাক করি নিরুপায়  অভিমানে 
জোড়াতালি দেওয়া সমাজের গায়ে , বাস্তুদোষ এ ;
সর্বংসহা  অন্ধকারে নখের টুকরো চাঁদ জাগে .......

ওই সব মৃত্যুকালীন মুহুর্তে , উপলব্ধিরা গভীর হয়ে ওঠে 
দার্শনিকের মত। হঠাত করে স্পষ্টতর হয়  ভীর   থেকে 
সরে যাওয়া শ্রেয় ,যদিও প্রেয়  নয়।  ঘৃনা অথবা ভয় 
আলাদা করে রাখে মৃতুকে দিনযাপনের মায়ায় ;
উচ্ছিষ্ট দিনের বিরতিতে অনুশোচনা  প্রক্ষালক প্রাযস্চিত্তে .....

Tuesday, 29 July 2014

শাস্ত্র জ্ঞান

 মোহো -
স্বপ্ন দেখছি রোজ , শুন্যে র বুকে ঘর বাড়ি ,
বাড়ছে পাঁজরে চাহিদার কার্ভ , এক সুত্রে সবই আমার।
চেনা ছকে চলতে গিয়ে গিয়ে হাঁফিয়ে উঠে খুঁজতে বেরিয়েছি 
আরেকটা দেশ [অবশ্যই মধ্যবিত্তের নয়] ,
তোমার বুক ;অল্প চেনা তেই  অনেক কিছুই আজ আমার মুঠোয়। 
 
কাম -
অন্যথায় আমরা দুজনে একক,অভিসারী দৃষ্টিতে সমুদ্র সমান 
ভালবাসা , আলিঙ্গনে নোনতা ব্যস্ততা,- হুবহু তৈরী করছি 
ঠিক যেমনটা শাস্ত্র  বুঝিয়ে দিয়েছে সেই কোন কালে ;
দ্বার আগলে ঢেউ।  সঙ্গী  পাগল বাতাস , 
আঁকড়ে ধরা ছবি , দৃষ্টিহীন সম্বন্ধে উষ্ণতার স্পর্শ। 

লোভ-
অসাধারণ সব মহার্ঘ্য রাতে  হিসাব করছি 
খ্যাপা  ষাঁড় এর লাফালাফি, কাল,আজ , আগামী র সূচকে 
বাজি রেখেছি যাবতীয় সঞ্চয়। একা ঘরে মুক্তি খুঁজি ,
দেওয়ালের  ওপারে পাস ফেরে তৃষ্ণা ; মরে মরুক আক্ষেপে। 
আমার আছে পাওয়ার নেশায় ভাসা , সমুদ্রের ঢেউ এ বাদামের খোলায়। 

মাত্সর্য  -
যখন দেখি চারপাশে সবাই কেমন পাল্টাচ্ছে নিজেকে 
রঙে , ঢঙে , মোবাইলে , ট্যাবে, ছবিতে , বিশ্বাস কর ,
নিজের ওপর ঘেন্নায় কুঁকড়ে যাই। যা কিছু কেনা যায় , 
সব ই তো তোমাদের হাতে।
তবে আমি  বা কেন  নই ? ইস যদি আমিও ....



মদ -
 ভেবে নিতে পারো  যা খুশি , যা শুনেছ  
বিশ্বাস করছ , করতেই পার , আমার কিছু কি এসে যায় ?
প্রতিবারের মতই তো ফিরবে আমার কাছেই , জানা কথা ,
তাও কেন চোখ রাঙানো ? আস্পর্ধা র বাড়াবাড়ি , অযথা ন্যাকামি ?
ভুলে যাও কেন , সবটাই তো আমার , নির্ভরতায় পোষা প্রাণী হওয়া  এখনো  কি বাকি ?


 ক্রোধ 
তুমি আর আমি মোটেই  এক নই। 
একসাথে থাকা মানে এই নয় নিয়ম মানা ....
আদেশ করছ কাকে ? আসলে তো সবটাই      
তোমার খেলা।ভুল বুঝিও  না, আমি সব জানি। 
একটা ভুলের মাশুল গুনছি , আগুনে জ্বলছি। 

 *********************************
 সংযমী  সত্বায়  শ্রদ্ধাস্পদ শাস্ত্রজ্ঞানী।






Monday, 28 July 2014

যুদ্ধের আঙ্গিনায়

গানের মতো  সন্ধ্যে নামলে তোমাকে প্রনাম করি। 
কাজলে সাজিয়ে চোখ , সমর্পনে কিছু কিছু অপটু অঞ্জলি 
গুছিয়ে দিলাম পুণ্য শোক।

মানবিক হাওয়া য়  ভেসে বেড়ানো 
পোড়া  ধুপের উত্সবে সামিল দেব কন্যারা ভীষণ  যুদ্ধের পর 
নতুন করে সাজছে।

মুছে  দিতে  জরায়ুতে যুদ্ধের ঘ্রাণ 
বন্ধ্যা হলো  মৃত সৈনিকের স্ত্রী; সভ্যতার ঘরে হানা দেওয়া লুঠেরা 
দৃষ্টি ফেরায়  ভদ্র মানুষের তথাকথিত বিবেকে।


জীবিত এবং মৃতের কথোপকথনে জ্বলছে তেপান্তর ,

নৈবেদ্যর থালায় ছেঁড়া ফুলের পাপড়ি, প্রতিশোধের 
দেবতা অভিযানে, লাশকাটা ঘরে  উদ্দাম  উল্লাসে   ....

গভীর আলোচনায় বাদি -বিবাদি
সভ্য ঔপনিবেশিকতায়   ঠোকরানো  এপিটাফে। 






কবিতার জন্ম

একটু অন্ধকারের মায়ায় পরক্ষে  খুঁজলাম কবিতা।
আবেগকে দীর্ঘক্ষণ আলিঙ্গন করে মুক্তি দিয়ে লিখতে 
বসেছি প্রতক্ষ্য স্বপ্নের কুটুম্বিতা। সম্ভাবী  আলাপে যে লুকিয়ে ছিল 
এত কথা, জানতে পারিনি। দেখা হওয়ার  পর নিঃশব্দে  কাটলো 
অ -সুখের বিহ্বলতা , আচম্বিতে চিলেকোঠায় বৃষ্টিফোঁটা। 
ভাষা সর্বস্ব  জীবনে ক্লান্ত খাতার পাতায় আঙ্গুল বুলিয়ে 
পরভোজী চিহ্ন  এঁকেছি।  প্রতিবেশী বিবর্ণতা ভরিয়েছিল 
নিকোনো উঠোন।  আপাতত চাপা  আছে পেপার ওয়েটে 
নীতিকথার পান্ডুলিপি। বৃশ্চিক দংশালে  শরীরে কল্পনার আঁকিবুকি। 
খুঁজে পাওয়া গেলো  প্রত্নতাত্ত্বিক শিলালিপি। অবধ্য  অধিকারে
বারবার অদৃশ্য রক্তপাতে ,মাঝরাতে কবিতার উঁকি !

Sunday, 27 July 2014

SOME WAYS TOWARDS ABSENCE

As if I want to forget the diurnal course of love!
On the ride of extravagance, ignoring the pillow
In the blue tinged bed room, engaged  in fight
Against the nightmares and devastation of jarring plight
I divide equally the fractured selves of translucence.

Night knows everything -warmth, hunger, desire and waiting.
Under the tides of stretching moonlight, I behold  at the trapped tears
Looking for the ease of stillness and quietude, twisted substitute
For concluding trepidation; perpetual motionless sight
Which stares at the remembrances of  clustered nothingness.

Now, it is the moment for transient  breath, crumbling spirit.
Hours of eternal distance ,determining the aim of naked hatred,
Fasten the resolutions of blames against unexplained objectives
Of leaving suddenly the ways of survival-the  arena of  light.
Though, the moments, breaching the faiths, earn ambivalence.

In bestiality and unscrupulousness, love topples  losses incandescence !





 .


জন্মদিনে

তোকে দেখে যে সূর্য্য হাসে তা আমি বলবনা। 
তবে তোর  হাসিতেই তো পেলাম সুন্দরের সংজ্ঞা। 
তুই মানবী , অশ্রু তে ঝরে পরে দৈবী  সত্বা। 
তুই বিভ্রমে আকুল হয়ে খুঁজিস এলোমেলো ইচ্ছা দের। 
ফুলের রামধনু আঁকিস মৌনতায় , মুগ্ধ বিকেলে। 
রাতের ব্যালকনি তে জাগিয়ে তুলিস আশাবরীর মহল ,
মুছে নিয়ে রোজকার অদৃষ্টের কালোছাপ। 
এক ফোঁটা  আকাশ জানালায় নামে  কবিতা হয়ে ,
দাঁড়ি , কমা , সেমিকোলনের বন্ধনীতে সিন্দুক করে 
জমিয়েছিস  লবনাক্ততা ।  প্রতিদিনের ভুলের বৃত্তে 
গড়ে নিয়েছিস গোছানো সংসার। না মেটা ক্ষুধায় 
কুড়িয়ে নিলি কাব্যময়তার ছবি , বাস্তবিকই তোর  অহংকার। 
 ভালো থাকার মাঝে ভালবাসার উপসংহার।


 

Saturday, 26 July 2014

বেড়ে ওঠার পর

তখন আমি আরো বড় হয়ে যাব।
ভিড়ের মাঝে মিশে থেকে ভিড় ফুঁড়ে
জেগে উঠবে মাথা , গলা বাড়িয়ে  দেখে নেব
অপরাধ , হিংসার ছাঁচে ঢালা নীল  জন্ম, শরীর গলা ইতিহাস
আগুন ঝলসানো আকাশে মেঘ হয়ে উঁকি দেবো।
তখন আমি তোমার থেকেও বেশি অভিমানী হব।
যতটা অভিমান গচ্ছিত রেখেছ উপার্জনের পর.....
বিন্দু বিন্দু, টিপ টাপ আশ্লেষে আয়োজনে ত্রুটি তো রাখোনি।

অথচ তুমি জাননা বড় হচ্ছি আমিও। 
দেখাতে পারি আমিও স্বর্গের সিঁড়ি। 
দামোদরের কালো তটে  বিষন্ন  মনোলগ এ  অস্ত্র 
শানাচ্ছে ক্ষোভ এবং প্রতারণা । 

দগ্ধ হতে হতে বড় হয়ে গেছি  ......

নিবিড়  করে পেয়ে গেলাম ঘোর  হতাশা। 
বড় হয়ে গেছি , বুঝিয়ে দিলো  মহাকাব্যে 
সীতা  , দ্রৌপদীর  সহনশীলতা  !






মুখ এবং মুখোশ

মুখ আর মুখোশ  মিলে  গেলো।
সমীকরণে পরে থাকলো শুন্য।
মুখ দেখতে চাই না এখন ,
মুখোশ টা  ঢের  ভালো।
নগ্ন মুখ আকর্ষনীয়  নয়
সাজানো মুখে প্রতিফলিত অন্ধকারে
অবিকৃত মোহো।  মুখ ঢেকে নিলাম
মুখোশে তাই , শেষবারের মতো।  

সাজানো আবর্তে

"তোমার ছবি বেশ সুন্দর" , চিরকুটে জানালে তুমি। 
আচ্ছা ছবির থেকে জীবন্ত মানুষ কি কম ভালো ?
ছবিতে ঘাম নেই, কান্না নেই, বুনো গন্ধ নেই। 
দোষ  চোখে পরবেনা, দেখা যাবেনা দৈনন্দিন চড়া দাগের সীমা।
রোজকার নালিশ অথবা খুঁত গুলো এড়ানো বেশ সোজা। 

শুধু মাত্র এক ঢাল কালো চুল ঢেকেছে পিঠ ,
তোমার কল্পনার বাসা এলিয়ে পরেছে কাঁধের ওপর।
হাসি ছড়াচ্ছে  সদ্দ্য স্কেলিং করা incisors  থেকে canine 
মাপ মতো  দৈর্ঘ্য প্রস্থে। ভঙ্গিমাতে তুমি খুঁজে পেলে আপ্যায়ন। 
"আচ্ছা তুমি খুব ফর্সা না?" অধর্য্য প্রশ্নে, জানবার অদম্য ইচ্ছায়
তুমি জানতে চেয়েছিলে, না নিজের উত্তর নিজেই পাবে এনিয়ে 
আত্মবিশ্বাসী ছিলে , সেটা স্পষ্ট হয়নি।

এপারে বসে ভেবেছি  আসলে সবটাই তো ফটোশপ এর ষড়যন্ত্র। 
তোমার কাছে ফর্সা হওয়া নিয়মতান্ত্রিক প্রবাদ।

প্রোফাইল পিকচার এ ধুলো পরবেনা। 
বারবার পাল্টাচ্ছি রূপ , বহুরূপী আমি 
দুনিয়ার সামনে নিজেকে ঢেকে রেখেছি....
বিজ্ঞাপনের  রং মিশিয়ে। শূন্যস্থানের ব্যাপ্তি অনেক বড়। 
ফেসবুকে সেতু সেরকম ই এক ছবির হাসি , 
ধ্যানমগ্ন প্রহেলিকায়  প্রসংশা  কুড়াচ্ছি  রোজ। 
সাজানো জগতে জীবন্ত আমি 'র  ছবি মূল্য পাচ্ছে  বেশ বেশী ই।



Friday, 25 July 2014

তুলনামূলক

আমি কিন্তু তোমার মতোই !

একা একা বাঁচি -কফির কাপে ,
বইয়ের পাতায় , ট্রেনের জানালায়।
 আমি কিন্তু হাসি -একচিলতে
ঝুলে থাকা হাসি ঠোঁটের কোনায়
চিবুকে , তবে উপেক্ষার নয়।
আমি কিন্তু আঁকি - গাছপালা ,
পাহাড় , নদী , ঝরনা কে বাদ দিলে
আর যা কিছু পরে থাকে-
 ঈশ্বরের  বাগানে উপলব্ধ নয়।

এ যাবৎ  সব ছিল তোমার মতোই আমার।

গতবছর এই দিন থেকে আমি কাঁদতে শিখেছি .....
ভালবাসতে বাসতে রেড ওয়াইন নিয়ে বোদলেয়ার
শিরায় শিরায়।  ঝাঁপিয়ে বৃষ্টি আসে আমার বুকে।
স্থাবর  অন্ধকারে অনাসক্ত হয়ে থাকতে পারলাম কই  ?



আমি কিন্তু তোমার মত নই !

PAINTED SKY


Wednesday, 23 July 2014

NONCHALANCE

Irony lies in the fact that in front of news channels  , chatting with friends or eating sumptuous dinner in buddy's house, we stare at the mangled bodies, limbs torn apart, smeared with blood and dust. Can the civilization differentiate between chewing vigorously chicken leg piece and watching news from the war front passively, eating food and sipping drink? does the civilization deserve it?

অস্নেহে

যখন তখন ইচ্ছে হয় তোমার বাড়ি পৌঁছে  চমকে দিতে। 
অনাহুত , অনভিপ্রেত হলাম ই বা , ব্যথা লাগুক অযাচিত 
উপেক্ষায়।  ছোটো  ছোটো  আল্হাদেরা পোষা নরম বিড়াল।  
গুটি সুটি  মেরে দলা পাকাচ্ছে  রোমশ কষ্ট। 
যখন তখন মাথা খারাপ হলে টের  পেয়ে সবাই ,
 কেমন যেন তাকায় সন্দেহ নিরসনের আকাঙ্খায় । 
আমি বুঝিনা, মনোভিষ্ট র দৌড়ে  পাল্লা দিয়ে ছুটি।
জন্মভূমি যখন বধ্যভূমি , সম্পর্করা ঋণের দায়ে দেউলিয়া .....
 অবশ্য  তখনও  একটা লবনাক্ত  চুমুর অপেক্ষায় অন্ধকারে!
দাহ্য  কবিতায় শরীরের নিস্কৃতি , ভুলের ফাঁকতাল গলিয়ে দূরদৃষ্টি 
দিয়ে দেখে নিলাম তত্ববধায়ক ভবিষ্যতের  স্তব্ধতা । 
বিশুষ্ক দৃষ্টি তোমার , অনবদ্য আত্মকেন্দ্রিক নির্লিপ্ততা।






JUSTIFYING

 Few pages are remained to be turned. 
 Some passages need further explanation too.
In conversation we must seek for eloquence.
In pursuit of the landscape with winding river 
Or dozing while listening to the song at the bar,
Those undisclosed curves in black desire for consideration
When the sagging hopes measure the fathom of contemplation.

It's least significant to prioritize the words of dream.
In dying ember, sparks groan in hope to be fuelled up .
The secrets of letting dissolve the affliction in smile 
Can never be written or taught in classroom or museum.
So, the pages are still there, mute, undisclosed, unobserved.
You can only murmur the lullaby to the silent drifted currents
Of insomniac conscience and nothingness of lamentation,
Or get hold of crumbling freedom and crystalline salvation.



Tuesday, 22 July 2014

মোহো

তোমাকে ভালোবেসে  হাজার  বছরের পথ পেরিয়েছে এক কবি। 
তোমার সুখে- অসুখে মন খারাপ করা কবিতায় শাড়ী র  আঁচলে 
মেঘলা বিকেল এঁকেছে আপনভোলা নগর। 
তোমাকে ছেড়ে যাবেনা -তাই সুনীলের কবিতায় 
সদ্দ্য কলেজ পেরোনো যুবক জানালার পাশে। 
তোমার আকাশে রামধনু বারবেলায় বিবোধিত। 
পর্যবেক্ষণে দিগন্তরালে একা চিলের চক্কর।
নিরবলম্বন  উপস্থিতি তোমার , এক কবির কলমে 
আজন্মে হাহাকার।ফিরে পাওয়ার  ব্যর্থ্য চাহিদার 
কী  দুঃসহ প্রকাশ। অবয়বহীন দম্ভে রোজ তুমি বাঁচ;
দুক্ষান্বিত কবিতার  মায়ারাজ্যে তোমার ফরমানে 
মধ্যরাতে সাধ্যাতীত প্রচেষ্টায় কল্পনার নিবেশনে 
মুচলেকা দিলাম , ভালোবেসে একতরফা ,
নিজের মধ্যে গুমড়ে  থেকে কবিতা লেখার ,
প্লাবনের  দীর্ঘশ্বাসে  আইন ভাঙ্গার।


ঘুম ভাঙ্গার পরে

 ঘুম ভাঙ্গছে  একক চেতনায় , চেনা ছবিতে 
রং দিলাম ঢেলে , পাওয়া গেলো  দিন রাত্রির 
ছেঁড়া ছেঁড়া  রঙ্গিলা বাক্যালাপ।  গোধুলির ফিরে যাওয়া পথের 
পটে আঁকা   ইতিহাস, বাদবাকি গল্প হয়ে গেঁথে যাওয়া 
ধোঁয়াশা রা দোলনায় দুলছে তোমার  অপেক্ষায়। 
 যতক্ষণ না ঘুমন্ত তর্ক রা জাগছে 
অথবা প্রত্যয়িত যুক্তি এসে কড়া  নাড়ছে  দরজায় ,
ঠোঁট মুচড়ে হেসে উঠি শঙ্খিনী র ছায়ায়। 

LIFE, PAIN AND CHALLLENGE

The life, oozing out of the books,
The life, flashing like the thunder in darkness,
The life, emerging out, from  the cup of cognition,
Utter the verdict of ever going impeachment.

The pain,breathing celebrations and extravagance,
The pain,bubbling up  from strenuous advancement,
The pain, breaking the core of heart into thousand pieces
Whisper the essence of terrible lonliness.

The challenge, summoning thunder,
The challenge, begetting the segregated self,
The challenge, writing the contradictions,
Covet for the delayed deliverance.

 

Monday, 21 July 2014

WAITING FOR.........

I'm waiting here  like the blank page .
Breathing in silence; to the darkness
I write the intimate pain, -the hours of
Lust and the minutes of lost daylight.
Forging the strangeness with the voice,
That whispers the memories of song, 
That has transgressed the law and order 
Of olden days by echoing the sadness 
Along with keeping together  the instinct, that
Need to be explained against the ethics or metaphysics.

I have lived many years, through many summers 
Burgeoned with leaves and flowers.
Yah, I can still remember  the crabs on the shore,
Running towards the waves of frothy ocean ,
Or the turtles, hiding under the swollen beach
For desired warmth, expectation and to leave
The future amidst unknown.

The endless beating up of the windy night,
The tiny sparkles of the stars, and thrifty moonshine,
Carry the tomb in the chest of shadowy darkness forlorn.
Upon the blurring line between  the salt and shore,
Planting the hope of death and oblivion,
I wait.like the paper, to be written by the 
Hands of  smooth sleep, till the end of the blinding 
Treachery ,drifted belief and  restless invasion.


 

Sunday, 20 July 2014

সুমন এবং অঞ্জন এর কাছে

 "হরিপদ একজন সাদা মাটা  ছোটো  খাটো  লোক"-খুঁজে পেলাম তাকে , কাল দুর্গাপুরের সিটি সেন্টার এস.ডি. ও  অফিসের একতলায় একজনকে দেখলাম বসে আছেন।  দেখে মনে হলো অঞ্জন দত্ত যা বর্ণনা করেছেন।  ঠিক সেরকম কেউ একজন আমার সামনে উপবিষ্ট। এটা  হয়ত আমার খারাপ অভ্যাস যে কোনো একটা নির্দিষ্ট চরিত্র সম্পর্কে শুনলে বা পড়লে , তাকে বাস্তব জীবনেও খোঁজার চেষ্টা করি , আর এটাও  ঠিক যে সেরকম কাউকে পেয়ে গেলেও বেশ ভালো লাগে। 
তবে কবীর  সুমনের "প্রথমত আমি তোমাকে চাই " তা বলার মত কাউকে দেখিনি , যদিও "নাগরিক কবিয়াল" আমার সামনে হেঁটে চলে বেরিয়ে গান শোনাচ্ছে রোজ , শুধু ভালবাসার জন্যই ভালবাসতে চাওয়ার গান। 

"আমার জানালা দিয়ে একটু খানি আকাশ ", আমি রোজ যখন দেখি , বিকেলে স্কুল থেকে ফেরার পথে , মনের কানভাসে এঁকে ফেলি রং তুলি নিয়ে মেঘদের ভাসমান অস্তিত্যে  রঙের বিচ্ছুরণ।  প্লাটফর্ম এ বসে থাকা পাগল "বিস্মরণে মগ্ন ", তাকেও অবিস্কার করি নতুন করে , তার জগৎ আলাদা , নিজস্ব ভঙ্গিতে সে জগতে তার বিচরণ , কিছু কিছু কথা শুনে  উপলব্ধি হয় , আসলে পাগল অভিধায় ভূষিত যাকে করছি , সেকি সত্যি পাগল, না স্বাভাবিকতার মোড়কে  লুকিয়ে রাখা দন্দমূলক আমরা ই ?......প্রশ্ন বারবার ঘুরে ফিরে এসে বিদ্ধ করে। 


কিন্তু খোঁজা শেষ হচ্ছে না সেই মানুষ কে যে বলবে -"হাল ছেড়োনা বন্ধু বরং কন্ঠ ছার জোরে /দেখা হবে তোমায় আমায় অন্য গানের ভোরে " .
অতএব চলুক সন্ধান প্রতিদিনের মতই , সন্ধানী চোখে , বাক্যালাপে চিরন্তন আশার  সংলাপে । 
 


 

 
 

A FLEETING THOUGHT

even the forbidden fruit has been devised by the omnipotent god, so why Satan has been blamed or Eve and Adam were uprooted from Paradise?
moral- making scapegoat is the easiest way of defense mechanism,even God is not an exception.


 

Saturday, 19 July 2014

ছিলাম

থমকে গেছে রাতের শহর , সময় বন্দী অনিবার্যতায়। 
কান্নার সুর প্রগাড়  হয়ে গল্প বলছে প্রথম পরিচয়ের। 
তোমাকে নদী করে পেতে চেয়েছিলাম, স্রোত মাপতো 
শরীর।  থিসিস  এ অকাল বিদায়  , মৃত্যুর চক্ষুদান। 
অন্ধকার থাকুক তবে শোনাতে গান, হাতের তালুতে 
হালের কড়া  পরেছে , নৌকা বাঁধা ঘাটে , শেষ না 
হওয়া অভিযান লিখছে  স্বেচ্ছা নির্বাসনের গান। 
মুখচোরা ভাঁটায়  ডুবছে কাপুরুষ মনস্তাপ, 
সন্তাপ- তোমাদের গেরস্থালিতে বড্ড ই বেমানান।

Friday, 18 July 2014

দন্ডিত

করুনা  চাইছিনা , লিখতে বসে মিলাচ্ছি 
যোগ্য মানানসই শব্দের সমাহার। 
আমি অপরাধী , সত্যি  নগ্ন করে  
দেওয়ার পর ,দন্ড মাথায় নিতে বসে আছি 
কর্কশ মেঝের ওপর।  মিথ্যা শিখব সশ্রম কারাদন্ডে। 
আটপৌরে নিস্তরঙ্গ বেশে আমন্ত্রণে আমি 
নানারকম আঁকিবুকি কাটছি ভাতের থালায়।
এঁট পাতে বেমক্কা স্পর্ধা ; স্ফীত পেট ,  জরায়ু 
তে রক্ত গড়ে নিচ্ছে গল্প , অলীক  স্বপ্ন। 
ফাঁকা বিচারে শাস্তি  উপার্জন ,অন্ধকারে 
কয়েদখানায় ভালবাসতে নেই  বারন। 
লিখছি ,যদিও  না মিলাতে পেরে শেষমেশ
জলের কবিতায় , গভীরতার গল্পর ছদ্মবেশ।





Thursday, 17 July 2014

উদারীকরণ

ও আচ্ছা, তাহলে আপনি চুপ থাকুন।
কথার জাল প্রতিদিন ছড়িয়ে তর্ক জিতেছেন। 
দেখুন চেয়ে যে গল্প গুলো আঁকছেন কবি সেজে 
অন্তমিলে , প্রেমিক প্রেমিকার বস্তা পঁচা কাব্যে 
যে কেউ একজন শহীদ  হয়ে যাচ্ছে সেই আদিকাল থেকে। 
কেন বলুন তো প্রেম মানেই উড়াতে হবে ত্যাগের ধ্বজা ?
 কে বলেছে প্রেম চলে নির্দিষ্ট  অভিধান মেনে ?
যদি ভেবে  থাকেন , তবে ভুল করেছেন।
প্রেম আসলে চলে না, দৌড়ায় না, বা লাফায় ও না!
মোলায়ম  তুলতুলে অনভূতি রা যখন বালিশ জড়িয়ে পাশ ফেরে 
প্রেম সকাল সন্ধ্যে সহজেই বিস্তার করে তার পসরা।
প্রজন্মান্তরে খুচরো  পণ্যের সাজানো বাজারে
প্রেম বিকোচ্ছে  হরদম ,নেশার চোখে পড়ছে না ধরা। 

নতুন করে সাজান তর্ক , উদারনীতির তত্ত্ব অনুযায়ী -
প্রেম আদপেই খোলা বাজারের 
চাহিদা এবং জোগানের  ভারসাম্যে- ট্রাপিজর খেলা।





Wednesday, 16 July 2014

দূরের এবং কাছের তুমি

আমার কাছে তুমি হাইওয়ে তে দেখা বিজ্ঞাপনের কাট  আউট।
জীবিত আছ জানি , তবে প্রাণহীন।
অবিকৃত চওড়া হাসি  অমলিন ;
সাবলীল ভঙ্গিতে তোমার শাড়ী ঝরাচ্ছে  আলো!
সিগনালে লাল হলে আরো কাছে  নেমে এসে  তুমি
স্পষ্ট কর ভরাট কাব্য। 
কিকরে বলে দাও জানিনা ,
দোল খেতে খেতে আমার কানে কানে -
পোশাকি বিনিময় সহজলভ্য .
অন্যমনে ঠাঁই  দিয়েছি  পরম সুন্দর নীরবতা ,
শুরু করি দিনযাপনে কান্না কাটি ভাগ করে নেওয়ার পালা। 
আঁচল এ শিল্প নৈপুন্যে শ্রুতিলিখন,ছায়াশরীর নির্ভরতা । 

সিগনাল এখন সবুজ, আরো, আরও দুরে সরে যাচ্ছ তুমি। 
দিগন্তের ওপারে সুখ আছে তোলা , আর কত পথ গেলে 
পেয়ে যাব নিজস্ব ঘরবাড়ী , মাধুকরী চিন্তারা ?
এবং বিবর্তনবাদের পূর্বেকার তুমি অথবা পারমার্থিক সহৃদয়তা। 


Tuesday, 15 July 2014

যদিও

আমাকে  তুমি বলেছিলে -
"এত ভাবছ কী  বসে , ঘুমহীন চোখে ?"
আসলে ভাবনারা চোখে নিস্চিন্ত্যে দুলতে পারে,
ক্যাঙ্গারু শাবক হয়ে তারা দিন কাটায় ,
আমার সাথে সাথে চলে ফেরে , অবশ্য  ঘুমাতে 
দেয় না যদিও। 

আমাকে তুমি ডেকে ছিলে -
"চলে এসো , আর অত দূর যেও না "
আমি তো  কাছেই  আছি ,তবে  সংসার ছেড়েছি ;
এখন তো নাম মাত্র প্রয়োজনে কাছে আসা 
রোজকার সাদা শার্ট ,বাজারের থলির ময়লা 
ধুলে যায়না যদিও। 

আমাকে তুমি ভালবেসে কথা  দিয়েছিলে -
"রাত বাড়লেও, বাড়বেনা বিরহ "
আমিও তো দিয়েছিলাম প্রতিশ্রুতি। 
প্রথম প্রথম আর সব কিছু ভালোর মত 
ভালবাসা নতুন ছিল ,সময় পেরোনো পর 
পুরনো  ভলোবাসা বাড়ছে না যদিও। 




 

জিরাফ

জিরাফের কাছে ভাষা চেয়োনা।
আমাকে খুঁজলে দেখতে পাবে চিড়িয়াখানা র  
দরবারে। প্রতিদিন তো দেখছ  বাসে , রাস্তায়। 
সরেস  দৃষ্টি এড়ায়  না মাপজোক।
  চুপিসারে ভেবে  নিতে ভুল করোনা 
আজ রাতে তোমার ঘুম আসবে কি?
আমার তো ভয় অবধারিতই , নাকি তোমরাই পাচ্ছ  ভয় ?
 আমার মুখেও ভাষা  নেই , আসলে এটা  অভ্যাস 
বহু পুরনো। এসব সত্বেও  কৌশল ভুল হয়না। 
ছায়ার মতোই বোবা  করে রেখে দিয়েছ !



আরে জাননা জিরাফ আর মেয়ে মানুষ কোনো 
কথা বলতে পারে নাকী ?

 
 




 

Monday, 14 July 2014

তুমি থাকছ বাকিদিনের মতই

নয় পুরোপুরি কাঁদ, নয় মুখের  ওপর থেকে মন খারাপের চাদর সরাও।
অনেক রাত এভাভে একাকী কেটেছে , যখন জানালা ছিল সঙ্গী
মনখারাপের , ভালো না থাকার এলোমেলো চিন্তারা  চোখ রাঙিয়ে
বলে যেত কতক টা  ভালবাসা lacto basilicas এ আচ্ছাদিত।
মাঝেমধ্যে অবশ্য অযথা চিত্কার করেছ তুমি গাড়ি চাপা পরা কুকুরটার মতই।
মানুষের তুলনায় কুকুর গাড়ি চাপা কম পরে যদিও।
আজ রাস্তার আলো  জ্বলেনি। তবুও তুমি কাঁদতে
পারছনা , মুখের ওপর অনুশোচনা জমিয়ে রেখে শাস্তি  দিচ্ছ ?
চেয়ে নাও না বালিশ জোড়া ঘুম , আমার চল্লিশ চোখে চালসে -
এখনো বলছি মন খারাপের চাদর উড়িয়ে কান্না নামাও মূলত
মুক্ত হতে -যেকোনো মূল্যে  অন্ধকার ভুলে যেতে ।



Sunday, 13 July 2014

ইচ্ছা প্রলম্বিত

আমি সূর্যাস্তের রং মেখে দাঁড়ালাম
পাহাড়ের ওপারে,নগ্নতায়।  অন্ধকার নামছে ছুটে চলা
ট্রেনের মতোই ,;অন্ধ হঠাত দৃষ্টি পেলে যেমন চেতে পুটে  নিতে চায়
সমস্ত জগত সংসার, আবার ফিরে আসা প সংসার ভুলে
প্রেমে চিত্কার করি শেখানো  পরকিয়া কবিতা।
প্রতিদিন ভালো না থাকার যন্ত্রণার লেখচিত্র আঁকতে বসে দেখি
আমার সন্তান ও আঁকছে ঘর বাড়ি , পাহাড় , নদী , রাখালিয়া পথ
৩ কামরার ফ্ল্যাট বাড়িতে চড়াই নেই।
তাই নিস্পাপ প্রশ্ন খোঁজে উইকিপেডিয়ার ছবি।
স্কুলে শেখানো  পাঠ  পেরিয়ে মাঠের ছবি এঁকেছিলেন কোনো শিল্পী।
অনুকরণ প্রতিকৃতি তে বেঁচে আছে পটভূমি , যদিও কৃত্রিম।
আমিও স্পর্ধা নিয়ে বাঁচি , দোসর সিগারেট।
কংকাল এক রূপী , ভিন্নতায় ঘৃনা অথবা অভিশাপের ছায়া সংকেত।



Saturday, 12 July 2014

কোথায় দাঁড়াই

কোথায় দাঁড়াই  বলো ?
দিন হয়েছে শেষ ,
মাটি আপাতত ভিজে।
চোরাবালি গ্রাস করেছে
বাতাস, মাঠ , পথ , ঘাট।
চৌকাঠে  হিংস্র শাসন চেনাচ্ছে
স্বাধীনতার সীমান্ত সংক্ষিপ্তসার।
চেয়েছিলাম দু দন্ড  দাঁড়ানোর মতো মাটি।
আরো কিছু উদাসীন দুপুর
পাখির ডানার  তলায়
লুকানো অন্ধকার।  ঠিক
যখন সন্ধ্যা নামছে তুলসী মঞ্চের
ছায়া তে ,মা'র মুখে অর্ধেক মায়াবী আলো
লেগে থাকা স্তব্ধতা।
দরকার ছিলনা কোনো নেশা র ঘুম।
অপ্রয়োজনীয় তত্পরতা , অকারণ বিষাদে
প্রতিদ্বন্দী  হয়ে ওঠা , বন্ধুত্বর অবসান।
বারান্দায় মুখ বাড়িয়ে দেখা 
আকাশে ,পূর্ব পুরুষের তর্পনে কৃষ্ণ তিল ,
কুশান্গুরীয় চির -বিচ্ছেদের মন্ত্র।
চেয়েছিলাম একটুকরো আকাশ;
সংক্ষিপ্ত সময়ের মাঝে 
অনায়ত্ত অভ্যাসে সমকোণী পথে

সকরুণ বিহ্বলতা; 
দুঃস্বপ্নের  ক্ষত লুকিয়ে  নির্জনতায় হাঁটা।

বলোতো  কোথায় দাঁড়াই   জড়িয়ে নিয়ে 
অবিন্যস্ত নিসঙ্গতা?


FORGIVING

The awful eternal bond, invisible, inextricable shines in darkness.
When the words fail to describe, letters loss the power to frame,
When the mind fails to set out for labyrinthine escape,
There we find the root, gnarled and coiled   ;
 Thousands years have already been elapsed.
The worn out leaves can't be crushed in the cider press .
Only tears can bind the chord, the invisible bond between;
The power  packed king in  the fairy tale,
The stolen gems from the midnight's dream 
In tear - begetting madness, to consecrate the dead ,
I was there to witness, the exchange of justice and bribe,
Along with the shadow, strange and wrecked,
Forgiving the made up tales and stories of love and sacrifice.



 


 

Friday, 11 July 2014

প্রকান্ড সততা

শিখতে পারিনি  আধুনিকতার পাঠ ,অশান্ত যুগে র উপযোগী সংলাপ।
ভাবতে গিয়ে দেখালাম, সততার সমার্থক মানে পিছিয়ে পরেই থাকা । 
দৃশ্য দেখেও না দেখে  তুমি গিলছ ভাতের দলা ,
 অস্তিত্যহীন ধারাভাস্যে  কান পেতে  অথচ কি অবলীলায় চুমুক দিলে 
চায়ের কাপ এ। লিখেছিলে  বেশ কিছু সমলোচনা জনপ্রিয় দৈনিকে ,প্রশংসা  জুটেছে 
বটে, মাত্রারিক্ত বার বেজেছে android  র সুর ।আপাতত বিরোধী পক্ষে তোমার উদ্বৃত্ত স্বর। 
ফুঁসে উঠেছ চেনা রোষে  আগের বারের মতোই, অথচ কি আশ্চর্য্য দেখো -
 পাল্টাচ্ছে দিন, বদলে নেওয়া রঙে , ছোপালে  নিজের শুভ্র বসন 
মানুষ থাকবে বলে। সত্যি মানুষ, মিথ্যা মানুষ , অমানুষের দলে  ,
[আমিইই শুধু] না- মানুষ হয়ে রয়েই গেলাম দিনবদলের কালে। 



 

Thursday, 10 July 2014

এখনো বেঁচে আছি

এক বার বাঁচার ইচ্ছা এক সমুদ্র মৃত্যুর মাঝে  ,
বারবার জীবনের মানে মূল্যহীন  প্রমানিত। 
জেনেছি প্রাজ্ঞ নীতি কথা, জীবন মানে কষ্ট প্রলম্বিত,
দুঃখের  সমাহারে নিমজ্জিত ক্ষনিকের আনন্দ বার্তা। 
 মৃত্যু আসলে জীবনের পরিবাহী, বিচ্ছেদ সমাহর্তা।
সমাক্ষ রেখা নিরক্ষ অভিসারী , অভিমান অনাহুত ,
 সমাধানে তাই মৃত্যু রেখেছি, সাজিয়ে শয্যা রাজিত।
জানি সমাধান আছে , সহজেই অনুমেয়।
বাঁচতে চাইছি তবুও জেনে জীবন নয়তো নমনীয় । 
তাই বেঁচে থাকছি এখনো নিয়ে   বোঝাটা বড্ড  ভারী। 
মৃত্যুর মুখে লাগাম পরিয়ে সহস্র ক্রোশ  হাঁটি।

Wednesday, 9 July 2014

চেনা গল্পে

ইতিমধ্যে তারা পৌঁছে গেলো   স্টেশন এ।
মধ্যরাতে বাঁকা চাঁদের অপলক হাসিতে দুলতে দুলতে
মেঘ সরে সরে যাচ্ছিল ; চেনা পথ, আরো চেনা বসতী ,
শেওলা  বাঁধানো পুকুর ঘাটে , রেল লাইন পেরিয়ে
চাঁদভাসি রাতের খোলায় সহবাসে মিশছিল জন্ম মৃত্যু
আদিগন্তে।  দীর্ঘায়িত ছায়ায় ঘর গেরস্থালি কাটাচ্ছে অবসর
ক্লান্ত দিনের পর। এই ভাবে এক ঝুরি সুখ পুকুরের জলে ডুবিয়ে নিয়ে
কোঁচড় ভরেছিলো  তারা , যাত্রা শুরুর আগে।

প্রেম ময় জীবন হাতড়ে  গভীরতায় ডুবেছিল ওরা;
ওরা মানে আর পাঁচটা ছেলে মেয়ের মত  স্বপ্নাবিষ্ট চোখ
দু জোড়া , খিদের দাবি অপান্গ্তেও।  ধরা পড়ছে  মন্তাজ সুখ সম্বলিত দিনের।
সুরম্য ভবিষ্যত।  যদিও নিন্দায় পুড়বে  মুখ।  তবুও অন্ধকারে প্রস্থান।  
কিছু প্রেম জন্মাচ্ছে রোজ প্লাটফর্ম র ভিড়ে ,কিছু যাচ্ছে জলাঞ্জলি 
বিচ্ছেদের কবরে। ওরকম আরেকটা গল্পে
অক্লেশে ভালবাসা দৌড়াচ্ছে শেষ লোকাল ট্রেনে!


বৃষ্টি মাখা কবিতা

আমার মুঠোয় বৃষ্টি এলো রঙিন স্বপ্ন নিয়ে। 
রং মাখিয়ে পাল্টে দিলো  নতুন জীবন দিয়ে।
দিন খানেকের ধুলো বালি, খুচরো  যত তাপ,
মুছিয়ে দিয়ে পাঠিয়ে দিলো নতুন দিনের ডাক। 
মেঘ ভাঙানো জলের ফোঁটা য় জাগলো নতুন প্রাণ,
বর্ষা এলো , জানালা ঘিরে, প্রাণ খোলা গান। 
মাঝ দুপুরে কষ্ট -ঠাসা প্রশ্ন যত ছিল,
বৃষ্টি দিল ছুটি তাদের চিরদিনের মত। 
একলা আমি ছাদের ধরে, বৃষ্টি মুঠোয় নিয়ে,
ইচ্ছা যত ছিলো , ছুটি দিলাম তোমায় চেয়ে
অনেকদিনের  বিরতিতে পেলাম অক্ষর  ,
লিখে দিলাম সবুজ পাতায় চেনা উত্তর ।  



Tuesday, 8 July 2014

শান্তিপূর্ণ বিপ্লব

খুব শান্ত সহজ ভাবে বুঝিয়ে দিলাম
আমি অরাজনৈতিক , বেপরোয়া জীবনে
হাতে রয়েছে যদিও, বসন্ত বাতাস আপাতত
ভল্টে  বন্দী অস্ফুট। বাসর সজ্জায় কামনার  গন্ধ
রজনী গন্ধায়  জড়িয়ে খোঁপায় গুন্জেছি  কৃত্রিম
ভালবাসার শিহরণ।  তারপর ও আমি নৈতিক।

অভিমান নেই , কোটি লক্ষ মানুষের ভিড়ে
আমি একা , যাবজ্জীবন  সংসারী.........
ভাবের ঘরে আঁকড়ে বাঁচি ভন্ডামি , দ্বায়িত্য বোধে
আড়াল  সন্তাপ, সিঁদুরে মেশানো
ক্ষমা, ঘেন্না , পাপ , হাতের তালুতে অনাগত ভবিষ্যতের
রাজপথ, নৈর্বেক্তিক প্রশ্ন চুমুক দিয়ে গলাধকরণের পর
বলি আমি অসহায়। অপর্যাপ্ত অনুশোচনায় আমৃত্যু সংশয়।

আমি আর ভুল করিনা, ভুল লিখিনা  হলুদ মাখা হাতে। 
অভস্ত্য আলাপে হাসি, কান্না গোপন  রেখেছি অপরিচিত 
করে।  আমি সত্য বাদী।  সহজ সরল, করুনা  ভেজা
অরাজনৈতিক মুখোশে চতুরতার আড়ালে 
লুকানো সন্ত্রাসের বস্তা সেলাই করছি ;

যাবজ্জীবন চব্বিশ বছরেও শেষ হয়নি। 





Monday, 7 July 2014

সুখের ভাষা

আমার কাছে সুখ আছে।
শরীর জোড়া এক মাঠ সুখ
ভরপুর।  সুখের বিছানায় দিয়েছি মেলে
অসুখের পালক , নিভু  আঁচে শুকিয়ে নিয়েছি   ।
অসম্ভভ ভাবে তোমাকে চেয়েছি
জংলা পাহাড়ের শীর্ষে ...অতিবাহিত
কাল বুনো জমিতে ছড়াচ্ছে  প্রশমন ;
ক্লান্তির ঘুম পেরিয়ে ভুল ভ্রান্তি রা
আপাতত ঝুলিতে নিশ্চিত।
সুখের কাছে পবিত্রতা ফিকে !
নিবিড় সুখ রাজহাঁস র গ্রীবা।
 জড়ালাম আঙ্গুলে, ঝিনুকের সন্তান
মুক্তোতে স্বস্তি আসুক একচালা ঘরে।


শৈল্পিক নির্বুদ্ধিতা

 ঘুমের কাছে থাক না কিছুটা সত্যি।
সেসব অশান্ত কিছু বার্তা , আমাকে দিয়েছিলে
মাঝ রাতে ; চাদরে মুখ ঢেকে
প্রমান করি আমি ঘুমাচ্ছি, অন্যান্য দিনের মতোই
সব কিছু ঠিক ঠাক , পিল কিম্বা হিসেবী বিশ্বাস।

আসলে অনেক দিন ঘুম নেই।
মুহুর্তে দেখি নাইট  বাল্ব র আলোতে
মাকড়সা বাসা  বাঁধছে , আমার বলতে ইচ্ছা করে
ভাঙ্গন তো আসবেই।
শাসন, শোষণ এ টিকে যাওয়া ঘরে
তুচ্ছ মাকড়সা  অগাধ বিশ্বাসে বুনে চলে জাল।

সাধ্যাতীত মানিয়ে নেওয়া ;
পেরিয়ে গেছে মাপকাঠি , 
পাশে শুয়ে  মনে পরে অন্য মুখ।
আমি তার্কিক নই , লজ্জা মাখিয়ে চোখ সরিয়ে নি।
অটুট সংসারে শৈল্পিক জোড়াতালি।
রন্ধ্রে রন্ধ্রে ক্ষোভ , প্রতিদিন বাড়ছেই,
সম্মোহনের  জাদু বাস্তবতা তাবিজ করেছি।
আরো ৬ মাসে বাড়বে দুরত্ব।
নিন্দা, ঘেন্না ধুয়ে নেওয়ার পরও কিন্তু
পিছু ছাড়বেনা নির্বুদ্ধিতা!

মাকড়সা বাসা বেঁধে যাবে।
যদি কিছু হয়-এই ভেবে 
পাশা পাশি রাত কেটে যাবে ,
সত্যি জানবে বালিশ , ফিসফিস  রাতের চাদরে।

Sunday, 6 July 2014

আসলে কি?

বিদ্যুতের খুঁটিতে হেলান দিয়ে দাঁড়াও -
জ্বলবেনা , তার ছুঁলে মৃত্যু অনিবার্য্য।

জীবনচক্রে সুদর্শন চক্রের ভূমিকা নগন্য।
কৃষ্ণ অসীম শক্তিশালী।
শ্রাদ্ধের পিন্ড খাদ্য নয়।
ভার্চুয়াল আপেক্ষিক সত্য।

হোমের আগুন নিভলে
কপালে মাখি ভস্মের দাগ।
বলির শোনিতের সহিংসতায়
রাঙিয়ে প্রতিপন্ন ছদ্ম অহিংসতা।


আঁকড়ে বাঁচি অসহায়তা -
জটপাকানো সম্পর্কে অদ্ভূত নীরবতা।
বিবদমান সত্তাদের আস্ফালনে
জান্তব কেনাবেচা।

সাধারণত আমরা সবাই মেকী  মানুষ ।
ক্ষেত্র বিশেষে পশু অথবা অপদেবতা।




নির্জনতার সংলাপ

ভাবনারা লাগামছাড়া হয়ে বাঁচবে। 
তোমার  কপাল ছুঁয়ে। 
পাশ ফিরলে দেখতে পাব স্থির দৃষ্টিপটে 
লেখা আছে অনেকটা কাব্যময় রাত। 
গভীরতার মোড়কে তোমার আশ্বাস।
প্রতি পদক্ষেপে সচেতন চিন্তার প্রতিফলন ;
মুহূর্ত নির্বাক।চলমান আর সব !
বেঁধে নিলাম অগোচরে তোমার নিশ্বাস-
গীটার  , ডায়েরি , শুকনো গোলাপ এ 
প্রশ্ন উত্তর লেখা আছে ঐতিহাসিক সময়ের।
অযত্নে ঝরে পরা সোহাগী আমন্ত্রণে ,
ভিড় রাস্তায়, ট্রাফিকে বা ট্রেনে, 
ফাঁসুরের  বিদীর্ণ বিবেকে, বুলেটের উচ্ছারণে 
জন্মানো মৃত্যুর অবয়বে 
গোপনে, প্রকাশ্য অস্থিরতায় যুযুধান 
প্রতিপক্ষের কাছে ভাবনারা কথা 
বলে যায় , আক্ষেপের সুরে। 
তোমার প্রেম জোনাকি র ওড়া উড়ি 
অগাধ অতীতে , বিপন্ন বর্তমানে। 
 
 

যাঁরা হঠাত করেই খাওয়াতে চায়

  হাঁটু মুড়ে বসো, মুড়িমাখা হাতে দেবো- ঝাল মুড়ি। চিবিয়ে চিবিয়ে খাবে সাথে আচারের টুকরো আম। পা ছড়িয়ে বসো তারপর, মেলে দাও গল্পের শাড়ি। অবাক বিস্...