Sunday, 23 December 2018

RAC

Instead of exchanging their whatsapp number both the passengers of Howrah bound  RAC of  third AC of Puri Express left their respective id thread of FB knowing well that if things would  go alright with the passags of time ,definitely the number will not be an issue.

After say three and half months now they talk on whatsapp too.

It's over one year, the guy tries to pick the  best according to the weight of his purse for her. The gal decides to buy a dslr to capture the pros and cons of their living together.

But now ,Adjusting the lens she gauges the distance between them ;the guy has decided he will never opt for an RAC as sharing for once even always can not be equal...

Saturday, 22 December 2018

Destined

I know it ...
That too will be lost
In the gutter
Or somewhere it'll be buried
Forever.
water will wash away the stain.
The wound cant be erased.

Though I can etch flower
On the blotch .Perhaps
A tattoo-
The wound turned into an art.

To The Sun

You promise me everyday before sinking down
The promise to see me again tomorrow.
With your warmth i feel myself composed.
Loved kissed caressed and soothed.
The rays that fill the bucket of my hope,
Or the silent ways upon which you rest.
The flickering pulse of eternal bliss
That will go on till my last breath...
Oh Sun let me say a word
Bless me to see you tomorrow
Before Death comes...
Shower on me , as I will rest on mother Earth.

The Voice

Yes I do scream.
I scream aloud.
Whisper has lost the power.
Even not murmur.
That can protest.
Not the meek and mild
As I was once thought to be.
After my birth , more the don'ts
've been tagged, less the do's.
At the very age of nine.
I cry in fear to see the drops
Only seen when my mother hand
Got cut while doing house hold work.
Hush ,says mom ,"now you are  grown up enough
You should know how to hide that patches
Of monthly affair."
But I fainted, pained not knowing how
Since the cramps can not be subdued with
Womanly gestures.

Yes I do scream now.
That day when you made love
It too caused pain though giving pleasure.
But I was mute , since your hand was not
Caressing but retires hopelessly
Just a few minutes after everything has been done.

Yes I do scream now.
That day when my blood,mixed with
The opaque caged in the uterus ,grew gradually
Within the swollen womb.and suddenly
Fall on the floor putting numerous questions to be asked by the twitching brows or
Cracked lips or shaggy jwas of an elder one.
Swallowed so many times ,instead of
Opening the lacrimals to show
How lonely i was.

Yes I do scream now.
In dream.
So you can't call me Hysteriac.

Wednesday, 21 November 2018

ভয় পাই

আমি ভয় পাই।
হ্যাঁ ঠিকই শুনেছেন।
ভয় আমার শিরায় শিরায়
দৌড়ে কখন যে অবশ করে
দিয়ে যায় স্নায়ু।
হ্যাঁ ভয়, যে ভয় পেতে শুরু করেছিলাম
সে ভয়ের ছায়াগাছ টা ডালপালা মেলে
দুদ্দারিয়ে অন্ধকারে বেড়ে উঠেছে।
তার কলশপত্রির মতো পাতা
চেপে ধরে আমার টুঁটি।
এক লহমায় একটু
ঘরঘরে আওয়াজের পর স্তব্ধতা-
সেই ভয় টা আজ কাল আমার
সমস্ত অনাক্রম্যতাকে গুঁড়ো করে
ভেঙেচুরে ফেলে দিয়েছে ।

সংখ্যায় প্রকাশ করবে এমন মাপ কোথায়?
স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক নীচে
নেমে যাওয়া আবেগকে।

সত্যি কি ভয়ঙ্কর ভয় বলুন তো।

ঠিকই ধরেছেন ,এটা যে একা হয়ে যাওয়ার ভয়।

Monday, 24 September 2018

এরপরেও



যখন ফাঁকা হাত শূন্যতা মাপে
বলে দেয় তুমি ঠিক কতটা একলা
সেই মুহূর্তে আঁজলা ভরে তুলে নিয়ো জল
প্রতিফলনে পাবে তোমার চেহারা।
একা নও তুমি।
 যখন চোখের কোনে চিকচিকে জলের রেখা
উপচে পড়বে, কখনো দেখছো তার স্বাদ?
হ্যাঁ নোনতা।ভীষণ নোনতা।
তাহলে ভাবছো কেন জীবন টা মিষ্টি?
সে আশা টাই যে করা বৃথা।
  যখন বুকের মাঝে গভীর শ্বাস।
দীর্ঘ্যস্বাস হয়ে বেরোয় ,ঠিক সেই সময়ে
কব্জির শিরা চেপে ধরলে বুঝবে কি ভীষণ
স্রোত তোমার শরীরে চলছে তো চলছেই।

তারমানে দাঁড়ালো যে তুমি মৃত নও।
একাকিও না। তোমার সাথে তোমার ছবি আছে।
ছন্দবদ্ধ আওয়াজে তোমার অস্তিত্ব।

এরপরও কী বলবে সব টাই ফাঁকা, তোমার বলে কিছু নেই?

@পিকিন

Sunday, 19 August 2018

ছবি কবিতারা পর্ব 2

কুয়াশা মাখা জানালার ওপারে ছিল দিগন্ত বিস্তৃত ধান ক্ষেত।
ফিরছিলাম আমরা।
তোমার হাত আমার কোলে।
যেন বহুযুগের চেনা কোনো বন্ধুর ছোঁয়া।
গল্প আঁকছিলাম জানালায়।তুমি দিয়েছিলে রং।
 এভাবেই জমেছিল ফেরার পথের নীরব কথোপকথন।দ্যাখো ফিরে এসেছে আবার সেই দিন ঠিক এক বছর পরে। চলনা হারাই আরো একবার নিজেদের কুয়াশা মাখা গল্পের ভিড়ে।

Wednesday, 15 August 2018

ঘুম ডাকে

রাতে হঠাৎ হঠাৎ ঘুম ভেঙে গেলে অজান্তেই মোবাইলে হাত চলে যায়। ডাক্তার নিষেধ করেছেন বারবার। তবুও কেমন একটা অভ্যাস এ পরিণত হয়েছে। 35 বছর বয়সেই ঘুম তাকে ছেড়ে যাচ্ছে এই ভাবনাটা মেনোপজ হওয়ার থেকেও ভয়ঙ্কর। পাশে রাখা জলের বোতল খুলে শুয়েই সে মুখে কিছুটা জল ঢালে,কিছুটা গড়িয়ে পড়ে বালিশে। ভালোই হয়।ঠান্ডা অনুভূতি টাও যদি ঘুম আনতে পারে।
আজ রাত 2টো নাগাদ ঘুম ভাঙলে সে দেখে ফ্ল্যাটের জানালা দিয়ে দূরে dsp এর ধোঁয়া রাতের আকাশ কে লালচে করে দিয়েছে। এত বড় কারখানার আলো, ফ্লাইওভার এর লাম্প পোষ্ট , nh2 এর রাত জাগা ট্রাকের আলো।সব আলো অনেক অনেক দূর থেকে জ্বলতে থাকে। বেড রুমের অন্ধকারে আলো গুলো আরো উজ্জ্বল বলে মনে হয়।
ঘুমের ওষুধ সে খায় না। ডাক্তার দিতে চেয়েছিলেন।ও না করে দিয়েছে। ওষুধ খেয়ে ঘুম ডেকে আনার মধ্যে যেন কোনো গৌরব নেই। বরং এখন যা পরিস্থিতি তাতে ওর কাছে এই আধ ঘুম জাগরণ আস্তে2 গা সওয়া হয়ে উঠেছে। প্রতিদিন রাতের বেলা দুর্গাপুর শহর খোলস ছাড়ে। ঘুমের আড়ালে ঢাকা পরে সে শহর এর তলায় লুকিয়ে থাকা আরো অনেক রূপ তার ফুটে বেরোয়। লালচে অন্ধকার,হলদে আলো আর রাস্তায় নতুন লাগানো led chain ।একেক দিকে একেক রকম আলোর চরিত্র রা ঠিকরে পড়ছে রাস্তায়.।কিন্তু ফ্লাই ওভার এর নিচে র জায়গাটা আলো নেই বলে এত উঁচু জায়গা থেকে দেখা যায়না। মোবাইল হাতে নিয়ে ফেসবুক খুলে সে একবার নোটিফিকেশন বার চেক করে।কিছুই নেই। হোয়াটস এপ এ কিছু গ্রুপ মেসেজ ঢোকে। সে খোলে না। বরং মোবাইল পাশে সরিয়ে জানালা দিয়ে আলোর বিন্দু গুলি দেখতে থাকে। একসময় আকাশ কালো থেকে ধূসর হয়। একটু একটু করে ধূসর আলো জেগে ওঠে ,হাউসিং এ র গাছে পাখি র ঘুম ভাঙা ডাকে তার চোখ বন্ধ হয়ে আসে।

কাল থেকে বিছানা টা সে জানালার ঠিক পাশে সরিয়ে এনেছে। রাতের আলো শেষ হলে পাখির ঘুম ভাঙলে তার রাত শুরু হয়। মোবাইলে র পাখির ডাক এলার্ম টার আর দরকার হচ্ছেনা। ভোরের ক্যানভাস এ দিনের প্রথম ছবি সে এঁকে চলে সুপ্তির টানে। বুঝিবা ঈষৎ হাসি ঝুলে থাকে আধ খোলা ঠোঁটের ফাঁকে।

খ্যাপামির যত কিছু



মাঝে মাঝে গলা ছেড়ে গান গাই।
আবার পাগলের মতো নাচতে গিয়ে হোঁচট খাওয়ার মজাই আলাদা।
ছন্দ ছাড়া কবিতার শিকড় তুলে তাকে গদ্য বানিয়ে উঁচু গলায় তুলে আছড়ে ফেলে
তার দফা রফা করে যদিও শিল্পী হইনা, কিন্তু বেশ
হালকা ভাব আর ফুরফুরে মন হয়।

খাতার পিছনের পাতা গুলোতে ওই যে পেন দিয়ে কি সব কিমভূত কিছু হাত পা মাথাওয়ালা দাগ দি
অথবা আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে চোখে মোটা কাজল লাগিয়ে লিপস্টিক ঠোঁটে ঢেবরে দিয়ে
হা হা হা হা হা হা,হি হি হি হি হি।
মা বলে কি বিশ্রী, ভূতের মতন আর কী।

তখন মনে হয় , নাহ মরিনি, এখনো বেঁচে আছি।

টুকরো টাকরা

সকাল থেকেই আকাশের মুখ ব্যাজার। কাল অনেক রাত অব্দি টুপ টাপ বৃষ্টি র পিয়ানো তে ভুলে যাওয়া পুরোনো সুর মনে করিয়ে দিয়েছে। রাত গভীর হওয়ার সাথে সাথে অনুভূতির কৌণিক বিন্দুরা বারবার খুঁচিয়ে তুলেছে সেই 16 বছর বয়স কে। বৃষ্টি মানে আদ্যন্ত রোমান্টিসিজম এর ভাব কে পণ্য করে তোলার প্রচেষ্টা নিতান্তই বুর্জোয়া বলে 32 বছর বয়সে এসে অবহেলা করে ছুঁড়ে ফেলতে পারলাম না। সে এলো , অনেকদিন পর হারানো 16 বছর। বুঝলাম যত দিন যাচ্ছে পুরোনো মদের মতো তার গুন বেড়ে চলেছে।ক্রমশ মহার্ঘ্য হচ্ছে কারণ টা সেই একই।আজ থেকে 16 বছর আগে ও সে ছিল সহজলভ্য।দিন দিন তার পথ হয়ে উঠেছে অগম্য।
16 তে বুদবুদের মতই অনেক মুখ ভেসে বেড়াতো।সচেতন অচেতন অর্ধচেতনে একতরফা প্রেমের কড়া নাড়া। কিন্তু 32সে এসে বারবার atm এর ব্যালান্স চেক করার প্রবণতায় সেই সব কোথায় যে পালালো উড়ে।
কাল রাতে অনেকদিন পর ফিরে পেয়েছিলাম আবার। বিবাহিত জীবন মানেই হিটলারি নিয়ম এই ভাবনা কে কখনই সমর্থন যোগ্য বলে মনে করিনি। জীবন সঙ্গীও মনে করেন না। দুজনে একসাথে থাকতে পারিনা। বেশিরভাগ দিন থাকে অপেক্ষায়। তবুও ওই যে পড়ে পাওয়া চোদ্দ আনার মতো মাসে 4 টি দিন পাই নিজেদের কে সঙ্গ দেওয়ার ,তার মাঝেও অবলীলায় দুজনে দেখে চলি বিপরীত সৌন্দর্যের আকর্ষণ।চলে হাসি মত বিনিময় নি সংকোচে।
তাতে মনে হয়না সম্পর্কে অবনতি হয়।বরং বন্ধুতা বাড়ে।
কাল রাতে যখন 16 বছর কে ফিরে পেলাম , বুঝলাম না মরিনি এখনো ভিতরে। তবে সেই বুদবুদ গুলো আর নেই। পরিবর্তে গাঢ় স্বাদ,গভীর ঝিম ধরানো- জীবন সঙ্গীর সাথে কাটানো 3 বছরের মধ্যে সেই সব দিনগুলো গোপন কুঠুরিতে রাখা দামী মদ।
Oh for a draught of vintage that hath been cooled in deep delved earth.
সম্পর্ক আরো পুরোনো হোক তোমার সাথে। নাহ স্বামী হিসেবে নয়। প্রেমিক হিসেবে ।কর্তৃত্বে নয়, উস্কে দেয়া আবেগের সাথে। অপেক্ষায় আছি।

হঠাৎ ফেরত পাওয়া 16 বছর তোমাকে দিতে ।বর্ষা যাপনে।

তিনটে বালিশ



বালিশের সাথে বিলাসিতা শব্দ টা বেশ যায়। বিশেষ করে আমার সাথে।নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারে বিছানার গদির বিলাসিতা না পেলেও বালিশ কিন্তু পেয়েছি। মাথার বালিশ,পাস বালিশ থেকে কোল বালিশ হওয়ার যাত্রাপথ সেই জন্মের 8 দিন থেকে শুরু হয়ে বত্রিশ বছর অব্ধি present perfect continuous.একের পর এক ধাপ পেরিয়েছি ,আর কোলবালিশ টাও ঠিক সেরকম।
বালিশের প্রতি দুর্বলতা আমার বেশ বেশী। তবে এর সাথে সাম্প্রতিক অতীত এর কোনো ঘটনার সাথে তুলনা টানা কিন্তু বৃথা।
3টে বাঁদর যেমন জীবনের নৈতিক শিক্ষা,তিনটে বালিশ ও আমার জীবনে তাই। আরামের 3তে স্তর।আয়োজন, উপভোগ, নিদ্রা।
বলা বাহুল্য আমার মাতৃ দেবী যারপরনাই বিরক্ত হয়ে আমার সাধের কোল বালিশ দুটো কেড়ে নিয়েছিলেন এক রাতে। তারপর ঘুম ভাঙলে দেখা যায় মাথার বালিশ এর অবনমন ঘটে সেটি হাতের পাসে, আর পা টি ঘুমের ঘোরে এমন বেঁকে গেছে যে সকালে উঠে কাই কেত্তন। মা বুঝলেন এ নেশা যাওয়ার নয়।

যায় ও নি। তবে মাঝে2 বিরক্ত প্রকাশ করে ফেলেন মা। আয়োজন, উপভোগ স্তর কে সুগভীর সুপ্তি তে পথ চিনিয়ে নিয়ে যাওয়া, দুঃখের বিকিরণ কে শুষে ঘুমপাড়ানিয়া হয়ে চোখে ভর করা বা মাঝে2 কর্তা র সাথে বালিশ নিয়ে মেকি যুদ্ধ- সবেতেই অনায়াস যাওয়া আসা।বালিশের কোলে মাথা রেখে যৌবনের গন্ধ শুষে নেওয়া।

বালিশ বাস্পমোচনের মতোই নেসসারি ইভিল
বালিশে  অনাবিল বিলাসিতা।

জটিল হিসেব

ছোট ছোট ঘটনা গুলো বরাবর আমার মন কে ছুঁয়ে যায়। রাস্তায়,বাসে ,ভিড়ের মাঝে যে সব না দেখা গল্প রা জন্মায় তাদের কথা বলতে গিয়ে মনে হয় এতো আমার নিজেরই কথা। আজ স্কুল থেকে বাড়ি ফিরছিলাম।যথারীতি ভিড় বাস।কেবিন এ কোনোরকমে জায়গা পেয়েছি। পানাগর বাস স্ট্যান্ড থেকে আরো অনেকের সাথে উঠলো একজন সদ্য বিবাহিতা ,তার স্বামী এবং শাশুড়ি মা।
ভিড় বাস।জায়গা নেই। রাজবাঁধ আসলে 2টো সিট ফাঁকা হলো।একটি কেবিন এ অন্য টি সামনের সিটে।শ্বাশুড়ি মা কেবিন এ বসলেন। বধূটি প্রথম সারির প্রথমে। স্বামী বউটির পাশে দাঁড়িয়ে।শ্যামলা সদ্য বিবাহিতা যুবতীর চওড়া সিঁদুর, গয়না আর লাজুক মুখ অবনত ,মাঝে মাঝে একবার আড়চোখে কর্তা কে দেখে নেওয়া।
আমাদের nh2 তে বেশ কিছু বাম্প আছে। ঝাঁকুনি অবধারিত। এর মধ্যে স্বামী টি ঝাঁকুনি খেয়ে হাত রেখেছে বউটির কাঁধে। একটু হাসি খেলে যায় দুজনের মুখে। ইতিমধ্যে শাশুড়ি মা র ব্যাপারটা পছন্দ হলো কিনা জানিনা,উনি বারবার ডাকছেন পুত্র কে কারণ মুচিপাড়া তে সিট ফাঁকা হবে।কিন্তু পুত্র চুপ। এদিকে মায়ের ডাক।ওদিকে তাকিয়ে দেখি বউটির হাত আলতো করে ছুঁয়ে আছে স্বামীর জিন্সে।

পিছনে বারবার ঘাড় ঘুরিয়ে শাশুড়ি মা দেখছেন আর ডাকছেন তার পুত্র কে বারবার। যথারীতি মুচিপাড়াতে বাস কিছুটা ফাঁকা হলো। কেবিন ও খালি হলো। কিন্তু বউটির পাশের সিট খালি হবে সিটি তে। স্বামী ঠায় দন্ডায়মান।

কেবিনে মা এর মুখ কিছুটা বিষন্ন পড়ন্ত বেলায়। হয়তো বা একটু রাগ বা বিরক্তি। একটাই কথা চাপা স্বরে -মাথা খারাপ ,নয় কেউ এভাবে সিট ছেড়ে দেয়।"

সম্পর্কের দ্বন্দ্ব, অধিকার ,ভালোবাসা গুলো কেন যে এত তাড়াতাড়ি  জট পাকানো আর ঘোলাটে হয়ে যায়!

পড়ে পাওয়া 4

বৃষ্টির জমা জলে ঝপাং ঝপাং।
 গরমে ঘামাচিরা মেখে নিতো নাইসিল।
পাউডার শেষ হলে কৌটো জমানো খুচরো ,
তার মাঝে একটা সিঁদুর মাখা ষোলোআনা।
কতটা মূল্যবান ছিল ধুলোমাখার বেলা।
অবেলায় নেগেটিভ ফিল্ম এ রোদের ফিল্টার।
 সাদা টেপে ছোট ছোট নকশি ফুল তোলা বাগান।
কল্পনাতে কত শত অভিযান।

হারিয়েছি অনেক যার সবটাই ভালো।
আমার শৈশব তুমি হাত ধরে চলো।

চল্লিশ পেরিয়ে



এখন আমি চল্লিশ পেরোনো।
এখন আয়নায় বেশি করে মুখ দেখি।
না না চোখের তলায় কোনো রেখা আসতে দিচ্ছিনা।
চকচকে মুখে ঠিকরোয় কোহিনূর দ্যুতি।

আমি চল্লিশ পেরিয়ে শুনেছি আবার বছর ষোলোর
ডাক। না পাওয়া ইচ্ছে গুলো নিচ্ছি জড়িয়ে,
আগুন ঝরানো বাঁক।
 হিংসুটে আছে কিছু কত কথাই যে বলে।
পাত্তা দিই নি যদিও কখনো
ওগুলো যে সব মিছে।

আমি নিজেকে সাজাচ্ছি আবার, দৌড়াতে হবে আরও।
নিজের ছায়া কে কেন যে তবুও দেখায় শুধুই কালো।
অবয়বে ভাসে আত্মজা, চোখে অবুঝ গ্লানি।

প্রতিদ্বন্দ্বী এখন আমার ছায়া
অথবা আমার সাথে আমি।

Meaningless

Sometimes life sucks...And compels one to tread on the memories of  past. The past that has become the scar- healed with a mark. Amidst smile and love, it peeps and says
"I ve not left you ,and will never."
Memories why are you so cruel.
Is it really a bless or curse for humans
To have the capacity to remember.
If i were left unconscious ,erased of memories, reprogrammed.

Come on mind don't be so pathetically ridiculous!

পড়ে পাওয়া 3

ইনভিজিলাসন ডিউটি দিচ্ছি। এদিক ওদিক ক্লাস এই ঘুরছি।যাকে বলে চূড়ান্ত একঘেয়েমি। ঘুম যাতে না আসে তার জন্য হাঁটা হাঁটি চলছে। আমার আজ যে ঘরে গার্ড ছিল সেই ঘরে সবাই ছাত্রী।অতীব শান্ত মেয়েরা। বাক্য খরচ করতে হয়নি। বারবার বাথরুম যাওয়ার হিড়িক ও নেই। এমনি ভালোই লাগে।
যাইহোক বোরিং ব্যাপারটা তো কোনো মতেই যাওয়ার নয়। হঠাৎ চোখ পড়ল ক্লাসের সামনে বারান্দার কার্নিশে।ভিতরের দিকে। এক জোড়া কপত কপতি। ভাবলাম প্রেমালাপ।তা ভালো।এই বসন্তে পাখিদের প্রেম দেখে মনে আনন্দ লাগে বৈকি বিশেষত যখন আমার প্রিয় মানুষটি নিজের কর্মস্থলে আমার থেকে 450 km দূরে হাত পুড়িয়ে রান্না করে খাচ্ছেন। ভাবলেও কষ্ট।বিরহ ,কষ্ট, চোরা ব্যাথা সব মিলিয়ে মিশিয়ে মাঝে2 চোখের কোন ভিজিয়ে দেয়।
একটু বেশি আবেগ প্রবন হয়ে পড়েছি। ফিরে যাই কপোত কপতি র কথায়। 1মিনিট পর পর পুরুষ বিচিত্র গ্রীব উড়ে যায়। ব্যাপারটা কি হচ্ছে আরেকটু দেখলাম। নাহ প্রেম নয়। তার থেকেও কিছু বেশি ।দায়িত্ব বোধ। প্রেমিক থেকে বাবা হবার এই মধ্য বর্তি পর্যায়ে সে গড়ে নিচ্ছে নতুন বাসা। তার স্ত্রী সেই কাঠকুটো পাতা ঘাস পরম যত্নে সাজাচ্ছে। বেশিক্ষন দেখতেও পারছিনা। গার্ড দেবার মাঝে একটু একটু। আমার সাথে যে sir ছিলেন উনি এসে আমাকে রিলিফ দিলেন। আমিও এই সুযোগের অপেক্ষায় ছিলাম। মন দিয়ে দেখলাম পায়রা দম্পতির বাসা বাঁধা ভবিষ্যতের জন্যে।

অপেক্ষা করছিল আরো বিস্ময়। পুরুষ পায়রা টি ওই কাঠের টুকরো পাতা বয়ে আনার ফাঁকে দু একবার ছুঁয়ে দিছিলো ঠোঁট তার স্ত্রীর।আবার উড়ে যাওয়া, স্ত্রীর বাসা বাঁধা...

দাম্পত্য প্রেম বোধ করি এভাবেই স্বপ্নের কাছে নাড়া বেঁধে এগোয়। অথবা আগামীর মুখ পৃথিবীকে দিয়ে যাবে তার দায় বদ্ধতায়।

পড়ে পাওয়া 2

প্রতি রবিবার 3 বছরের ছোট্ট ছেলেটা বাবার সাথে যেত মাংসের দোকানে। প্রায় 4 বছর ধরে গিয়েছিল আর শিখেছিল কোথায় আঘাত করলে মুরগি খুব বেশি ছটফট না করে চোখ বন্ধ করে চিকেন হয়ে যায়।

ছেলেটি আপাতত জেলে।খুনের বিভৎস্যতা খবরের পাতায়।

আমরা কেউ ওদের নই



প্রতিবাদ করতে পেরেছিল সুজেট।
শেষ চেষ্টা করেছিল নির্ভয়া
আটকাতে ক্ষুধার্ত হাত।
না,আসিফা জানতো না প্রতিবাদ
বা প্রতিরোধ।
নিতান্ত কচি আঙ্গুল পুতুল ছুঁয়ে দেখেছিল।
পুরুষাঙ্গ নয়।

গলা মোম হাতে পড়লে মোমবাতি মিছিলে
হাত কাঁপে। আলো সরে যায়।
মুখে কালো কাপড় বেঁধে মৌন থেকে
দখল করা যায় কাগজের প্রথম পাতা।
তারপর তো কত নদী ,নালা পেরিয়ে
বিচার থমকায় নাবালকের কোঠায়।

তখন ভদ্র মানুষ হঠাৎ করে তিন বাঁদর
হয়ে ওঠে। মানবাধিকার টাধিকার কি
সব যেন গজিয়ে ওঠে ঝাঁকিয়ে দেয় বিবেকের
ঝুঁটি। মৃত্যু নয়,বাঁচার অধিকার যে সবারই।

আসিফা শেখেনি বাঁচা কাকে বলে।বা লড়াই।
আমরা সুশীলরা যারা একটু ইশ আহারে ওমা
মেয়েটা আমারই মেয়ের বয়সী বলে জিভ চুকচুক করি
হয়তো মিছিলে হাঁটি কিসের তাড়নায় সেটাও
তো স্পষ্ট নয়।

আমরা নাকি মানুষ! মানবিক হতে হয়।
হ্যাঁ এটা ঠিক মানুষের মতো দেখতে
বটেই। আসিফা মানুষ ছিলোনা।
মানবাধিকার ওর জন্য নয়।

দৌড়ানো

একশো বছর হাঁটার পর ক্লান্ত নই।
দুহাতে রেখেছি বন্ধুতা মুঠোভর্তি।
শ্রমন এর ঝুলি তে যা যা থাকে
দিনযাপন এর রসদ-বৈভবে নয়।
শরীরে জমেছে ক্লেদ,মনে ক্রোধের স্ফুরন।
হাঁটবো তবুও,দিন শেষে প্রজন্ম ফুরিয়ে
গিয়ে নতুন জন্মের সলতে তে ছুঁয়ে দেবে-
শেষ অথবা শুরু মাঝে থাক বাঁচার আগুন।

পড়ে পাওয়া

মাকে নিয়ে আজ এসেছিলাম মিশন হসপিটাল এ।জরুরি কিছু টেস্ট ছিল ইকো ecg ইত্যাদি। মায়ের সিরিয়াল নম্বর আসলে মা গেল ভেতরে। আমি বসে আছি। যথারীতি চোখ ঘুরছে এদিক ওদিক। চোখ গেল এক দম্পতির দিকে। পাকা চুলে সিঁদুর পরা জেঠিমা প্রায় খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে এলেন। পিছনে ওনার স্বামী। ভাবলাম এই জেঠিমার নিশ্চই হাঁটুর ব্যাথা বা নির্ঘাত আর্থ্রাইটিস এর চিকিৎসার জন্য এসেছেন। ওনার হাত কাঁধ ছুঁয়ে ছিল জেঠুর হাত।
কিছুক্ষন পর আমার সন্দেহ তা ভুল প্রমাণিত হলো।না এক্ষেত্রে জ্যেঠিমা নয়, জ্যেঠুর সমস্যা। পক্ককেশ মানুষটি যথেষ্ট দুর্বল। এক জায়গায় বসে পড়লেন।আর ওনার সহধর্মিনী এক এক করে সব ফর্মালিটি গুলো সারছিলেন। সব সেরে এসে একটা হাত স্বামীর কাঁধে রেখে বললেন "বসতে হবে, দেরি হবে একটু"।সেই জেঠুর দৃষ্টি তখন মেঝেতে।কথা বলতে কষ্ট হচ্ছে বুঝলাম। একবার শুধু তাকালেন ,চোখে ক্লান্তি বা কষ্টের রেখা বলিরেখার ভাঁজে ফুটে উঠেছে।
জেঠিমা জল এর বোতল খুলে কিছুটা ওনার মুখে ঢেলে দিলেন।
সহধর্মিনী র সাথে অপেক্ষায়।দীর্ঘ নয় যদিও, তবুও বয়সের কাছে সেটাই বেশ পরিশ্রম এর ব্যাপার।
আমার মা বাবা কেও রোজ দেখি। সংসারের খুঁটি নাটি নিয়ে তর্ক বিতর্ক এর মাঝে একটা আগলে রাখার ভাব। দুজনের দুরকম।
আমি চেষ্টা করি পাশে থাকার। কিন্তু এই দম্পতি
বারবার আশ্বাস দিয়ে যাচ্ছেন দৃষ্টি তে

সাহচর্য, নাকি শুধুই পাশে থাকা অথবা বহু বছরের নির্ভরতার আশ্বাস।

অবোধ্য



পাড়ার মোড়ে বিড়ি খাওয়া ছেলের দলের দিকে তাকিয়ে 3 বছরের বাচ্ছা ভাবে -মুখ দিয়ে ধোঁয়া বেরোনো কি সহজ।

যে মেয়েটি সদ্য সাইকেল চালানো শিখেছে তার নয় বছরের স্কার্ট হাওয়ায় উড়লেও প্রথম গতির কাছে তা অগোচর।

বছর দশের কিশোরী তেরোর কিশোর র দিকে একটু বেশি বেশি করে তাকায় ।কেন জানিনা তাকাতে ভালো লাগে তাই।

কিছু কথা গোপনে থেকে বড় করে দেয় আঠেরোর জ্বালাময়ী ঠোঁট।

ত্রিশ পেরিয়ে এসে সাংসারিক বধূটি এখনো সমুদ্র পারি দিতে চায় নতুন বন্দরের লাইট হাউসের টানে।

ষাট পেরোনো চোখ খোঁজে দশ তেরোর  গণিতের পুরোনো মলাট-ভাঁজধরা ঘুনের গন্ধ জড়ানো ইতিহাস।

অবোধ্য সব যাচ্ছেতাই ভীষণ ভালোলাগা অথবা ভালোবাসার হিসাব।

ছবি কবিতা রা

ছবি কবিতা 1
তোমার রঙে আমার পৃথিবী হলো রঙিন।
রাঙিয়ে দিয়ে যেয়ো বারবার।
মনের গভীরে রয়েছে যে ক্ষত
তাকে প্রলেপ দেয় তোমার ছোঁয়া।
তুমি এরকমই থাকো আমায় ঘিরে।
তোমার চোখে আমার বেঁচে থাকা।
ছবি কবিতা 2
আরো একবার পাশাপাশি।
বহুদিন পর।
অচেনা পথে ভয় নেই ।
চেনা আঙুল ছুঁয়ে থাক মন।
ছবি কবিতা 3
এভাবেই যদি তরঙ্গের দোলায় ,
ভেসে যেতাম বহু দূরে
থাকতে কি তুমি সেথায়,
আগলে নিয়ে বাহুডোরে?
ছবি কবিতা 4
এখনো বিকেল আসে রোজ।
এখনো রোদ মাখি গালে।
চোখ দুটো দেখে চলে রাস্তার বাঁক।
এখনই পাবো জানি দেখা তোমার আভাস।
নীল তুমি ভালোবাসো,আমি তাই লাল।
দূরের আকাশে মেঘ বেগুনি রং খোঁজে,
ঠোঁটে ভাসে নিঃশব্দ বাতাস।
ছবি কবিতা 5
আমার চোখ খোঁজে তোমার পথ।
একটু অবসরে,আমার চিন্তনে ভেসে ওঠো বারবার।
তোমার ফেলে রাখা মুহূর্তের শব্দরা ঘিরে থাকে।
আমার একলা ছায়াপথ ।

ভরা বর্ষায়

পায়ে লাগা জল ছিটিয়ে ঘাসে মুছে নি বরং।
স্নানের বিন্দুরা অসম জলকণা।
বৃষ্টি স্নানের রেষারেষি শেষে ভিজে ঠোঁটের আবদার।
দেখো পড়ন্ত বিকেলে এভাবেই ভালোবাসবো।
ঠিক যেন সেই তিন প্রহর পেরোনো তেরছা চোখ
যেভাবে ধুয়ে নেয় সব অসমান ঝগড়া ঝাটি।
আমাদের বিকেল ,অঙ্কুরোদগমের
আশায় ,নখের খোঁচায় তোলা এক ঝাপটা ভিজেমাটি।

প্রতিশ্রুতি

বাস থেকে নামতে গিয়ে বাঁ পা টা একটু হোঁচট খেলো। সামলে নিলো সে। আজ সে স্কুটি নিয়ে আসেনি।কারণ ডাক্তার দেখানো। বেশ কিছুদিন ধরেই চিকিৎসা চলছে তার।এক গাদা হরমোন ওষুধ খাওয়ার নীট ফল চুল ওঠা, ঘুম ভাব হঠাৎ করে মাথা ঘুরে যাওয়া। প্রকৃতির স্বাভাবিক নিয়মে মা না হতে পেরে অগত্যা চিকিৎসকের শরণাপন্ন। ব্যাপারটা তার বা তার স্বামীর কাছে ততটা depressive নয় ,যতটা ভাবা হয়। তবুও সে কষ্টকর চিকিৎসা গুলো কেন যে নিচ্ছে তার সঠিক কারণ সে নিজেই বোঝেনা।
নার্সিং হোমের চেম্বার এ ডাক্তার এর জন্য অপেক্ষা।কাজের জায়গা থেকে ছুটির কিছুটা আগেই সে বেরিয়ে এসেছে। নার্সিংহোমের সামনে এসে তার চোখে পড়ে জটলা। একটা ট্রাক দাঁড়ানো। সঙ্গে2 সে বুঝে নেই যে কারুর আয়ুর রেশন কার্ড এর বরাদ্দ ফুরিয়েছে। ট্রাকে বডি তোলা হয়েছে , বেরিয়ে যাবে । ট্রাক স্টার্ট হতেই কেউ হরি ধ্বনি শুরু করে। কেউ একজন ছিটিয়ে দেয় সাদা খই। উড়ে উড়ে যায়।রেখে যাওয়া ,ফেলে যাওয়া পথের শেষ দান খেয়ে বাঁচে কাকের জীবন।

সে দেখে চলে যাওয়ার পথ, কাকদের উল্লাস , সমবেত হরি ধ্বনি। বুঝিবা মৃত্যুর ওপর ভর করেই জীবন দাঁড়িয়ে থাকে, বেঁচে থাকে ক্ষুধার আকুতি। প্রতিটা খই এর দানা মৃতের তরফে বাঁচার প্রতিশ্রুতি।

ফুলশয্যা

ফুলশয্যা

সপ্তম বিবাহবার্ষিকী। ধরিত্রী এলবাম নামিয়ে বিয়ের ছবি গুলো দেখছিল। প্রতিবার দেখে। কৃষ্ণ এখনো ফেরেনি কাজ থেকে। একটু দেরি হবে। রাতে একসাথে ডিনার করবে বলে আগে থেকেই টেবিল বুক করেছে।
এলবাম টা খুললেই কত ঘটনা পুরাঘটিত বর্তমান হয়ে ওঠে। সাত পাক, অগ্নিসাক্ষী, সিঁদুর দান থেকে ফুল শয্যার খাটের ছবি শুধু দুজনের। এখনো তারা দু জন তিন জন হয়নি। ফ্রেমে বন্দি হয়নি কোনো নতুন নরম মুখ।
প্রতি বছর বিবাহ বার্ষিকী তে কৃষ্ণ নিয়ম করে ওকে সারপ্রাইস দেয়। সবসময় ওর চেষ্টা ও ভালো থাকুক।হাসি মুখে থাকুক। একের পর এক চেষ্টা যখন ধরিত্রী কে শক্ত করে তোলে, ওর হাসি মুখ ফেটে চৌচির হয়, কৃষ্ণ কিন্তু ঠিক বুঝে যায় কি ভাবে ভিজিয়ে দিতে হয় স্নেহের পরশে। অনেক খানি নিশ্চিন্ত, তবুও কি শান্তি মেলে? একবার ঘড়ির দিকে সে তাকায়।হ্যাঁ তাদের বিয়েটা ছিল গোধূলি লগ্নে।

ডিনার শেষে ঘরে ফিরে এলো ওরা।নাহ সারপ্রাইস কৃষ্ণ এখনো দিলোনা। মনের কোণে একটা প্রশ্ন উঁকি দিয়ে যায়।তবে কি কৃষ্ণ...নাহ, কি জানি। ভেবে ও চুপ করে যায়। ঘুম না আসলেও নিয়ম মতো বিছানায় ও যায়। লাইট নিভিয়ে দেয়।কৃষ্ণ ড্রয়িং রুমে কি সব কাগজ নিয়ে বসেছে। ধরিত্রী জানে ওগুলো অফিসের দরকারি কাগজ। মনে হয় খুব দরকারি।না হলে সচরাচর ও অফিসের কাগজ বাড়িতে নিয়ে আসেনা।

ঘড়ির কাঁটা প্রায় পনে 12টা। কৃষ্ণ এসে বেডরুমের লাইট জ্বালায়। একটু বিরক্ত হয় ধরিত্রী। কিন্তু চুপ করে থাকে। কৃষ্ণ এসে গালে আলতো চুমু দেয় ওর। চোখ ঢেকে দিয়ে বলে সারপ্রাইস। চোখ খুললে দেখে একটা ফর্ম। একটা adoption agency র। কিছুটা দ্বিধা নিয়ে ধরিত্রী অস্ফুটে বলে নিজের তো আর নয়। কৃষ্ণ হোহো করে হাসে। বলে 'নিয়ম মতো কাগজ বানালে সেই baby টাও তোমার নিজের।'কিন্তু' 'না কোনো কিন্তু নয়, আমিই বা তোমার নিজের কে ছিলাম, রেজিস্ট্রি র কাগজ টা তে সাইন করেছিলাম বলেই না তোমার বাবা নিশ্চিন্তে আমার হাতে তোমার হাত টা তুলে দিয়েছিল।পাগল একটা'।
কৃষ্ণ এই কথা বলে ওকে জড়িয়ে ধরে। ও কেঁপে ওঠে। কি সহজে কৃষ্ণ বুঝিয়ে দেয় আপন বলে কেউ হয়না,আপন করে নিতে হয়, নিতে জানতে হয়। এই জন্যই সে সখা, স্বামী বা তার ও বেশি কিছু মনে হয়।

জীবনের নিশ্চিন্ত ফুলশয্যা বোধ হয় তার জীবনে আজই আলিঙ্গন করে যায়।

Thursday, 1 February 2018

টিশার্ট

এক এক টা ভালোবাসা  রোদে মেলে দি।
ক্লিপ আটকে দি, এলোমেলো হাওয়া যাতে উড়িয়ে না নেয়।
ভেসে থাকে হাওয়ায়, এদিক ওদিক ।
বিকেলে স্কুল থেকে ফিরে শুকনো কাপড় তুলে নিয়ে আসার সময় দেখি পড়ন্ত রোদে তোমার
টিশার্ট শুকিয়েছে।তবে কলারের কাছে আধ ভেজা।
সেখানে এখনো মিশে সাবানের গন্ধের সাথে ডিওডোরেন্ট।
তখন হয়তো তুমি ট্রেনে, ঘুম চোখে নেমে আসে বিকেলের ছায়া।
ক্লান্ত শরীর কে টেনে নিয়ে যাও ল্যাব এ।
বিশ্বাস করো ওই ভেজা গন্ধের আদরে কেটে যায়
ছটা দিন।
আলমারি থেকে জামাকাপড় নামাই তোমার। অনেক গুলো রান্নার মাঝে খুব তাড়াতাড়ি।
ধোয়া কাপড়ে আবার মিশবে তোমার ঘাম, ডিও।

যা রেখে যাও তুমি প্রতিবার ।
আমাকে যা প্রেমিকা করে রাখে তোমার অপেক্ষার।

যাঁরা হঠাত করেই খাওয়াতে চায়

  হাঁটু মুড়ে বসো, মুড়িমাখা হাতে দেবো- ঝাল মুড়ি। চিবিয়ে চিবিয়ে খাবে সাথে আচারের টুকরো আম। পা ছড়িয়ে বসো তারপর, মেলে দাও গল্পের শাড়ি। অবাক বিস্...