Sunday, 14 May 2017

মায়ের গল্প


একবার লক্ষী ঠাকুর তার পেঁচা কে একটা মুক্তোর মালা দিয়ে বললেন "পেঁচা তোর চোখে যে সব থেকে সুন্দর তুই এটা তাকে পরিয়ে দিবি"।
পেঁচার তো মহা আনন্দ।এ আবার এমন কি কঠিন কাজ।এক দিনের মধ্যেই শেষ করে ফেলব।পেঁচা ভাবলো মনে2।

এরপর পেঁচা তার যাত্রা শুরু করলো। বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ড ঘুরলো।কিন্তু কাউকেই তার ঠিক সুন্দর বলে মনে হচ্ছেনা। পেঁচা ভাবলো মহা বিড়ম্বনা তো।কি করা যায়। এই নিয়ে পেঁচা যখন বিস্তর চিন্তা মগ্ন হঠাৎ ওর মনে পড়েছে ওর ছানা কে ও ফেলে রেখে এসেছে ,দেখার কেউ নেই।

পড়িমরি করে পেঁচা ছুটলো তার ছানা কে দেখতে।এসে দেখলো ছানা না খেতে পেয়ে কাঁদছে।পেঁচা সঙ্গে সঙ্গে খাবার জোগাড় করে নিয়ে এসে ছানার মুখে তুলে দিল। পেটভরে গেলে ছানার মুখে ফুটলো তৃপ্তির হাসি।

তখন পেঁচার মনে হলো তার ছানার সেই হাসির থেকে পৃথিবীতে আর এর বেশী কোনো সুন্দর কিছু নেই।

তাই শেষমেশ সেই মুক্তোর মালা তার বাছার গলায় পরিয়ে বললো

"আমার ও সোনা ,চাঁদের ও কণা, ভুবনে তুলনা নাই রে।"

Monday, 8 May 2017

এপার ওপার

বড়ো  হাসপাতালের কাঁচ ঢাকা জানালার ফাঁক গলে বাসা বাঁধে পায়রা।
বন্ধ জানালার হিমায়িত শীতের ওপাড়ে দুই শালিখ বসে
ঠুকে দেয় কাঁচ।

এদিকে বেডে চলে রক্ত ,অক্সিজেন, স্যালাইন।
অবশ শরীরে জ্ঞান নামে ফোঁটায় ফোঁটায়।
মুখে মাস্ক,চোখে ঘোর ,সময় পেরোয় গলি পেরোনো
বিড়ালের মতো।
ইশারা ভাষা হয়ে জানে যা যা হারিয়েছে কেউ।

বিকেল আসে,কাল তোমার ছুটি বলে কেউ।

কিছু বিচ্ছেদ উদ্বেগ ওষুধ ইনজেকশন এর ঝাঁজেও
ঘর বাঁধে শালিখ চড়াই।
সাদা চাদর এর জমাট ঠান্ডা মুক্তি খোঁজে ওদিকের আকাশে।

জিওন কাঠি কেবল রাধাচূড়া ফুল।

যাঁরা হঠাত করেই খাওয়াতে চায়

  হাঁটু মুড়ে বসো, মুড়িমাখা হাতে দেবো- ঝাল মুড়ি। চিবিয়ে চিবিয়ে খাবে সাথে আচারের টুকরো আম। পা ছড়িয়ে বসো তারপর, মেলে দাও গল্পের শাড়ি। অবাক বিস্...