Wednesday, 31 December 2014

ON THE EVE OF ANOTHER NEW YEAR

The unexpected jerks and quirks leaving the clue 
Of dwindling heart ,the hatred of being lonely,covered with 
Floating scraps and halting breath may be not good enough to
Say -eat up the dregs of life ,running behind the storm at midnight.

While throwing words  against the wall of moments immune to love,
I've found myself in the limbo pent up . yes, there is granny to tell the
Fractured tales,  the annals of swollen uterus, with a chuckle-expression dubious.
The craziness of the sunken eyes murmur the note of the days spent or seconds ,yet 
To be unveiled. with equal smile she covers the wounds of thousand years.

The circle comes to full, after the midnight. after some excuses suddenly 
I've discovered the language of the descending night ,telling the mirth of 
Despair, swallowing the twisted tale of truth and moonshine. the twilight 
Captures the journey towards another Ithaca with the recorded emptiness
Of the horizon, crimson ,deferring the secret of existence, for another millennium.
 


Tuesday, 30 December 2014

টুকরো কথা -২

আজ ছুটি থাকলেও অফিসে কাজের জন্য যেতে হয়েছিলো। ছিলাম একাই প্লাটফরম এ বসে...মানে চেনা সেরকম কেউ ছিলনা।যাইহোক বসেছিলাম বেশ। পাশের  একজন ভদ্রলোক তার জুতো  পালিশ করাচ্ছেন।  মনে হলো ওনারা দুজন পূর্ব পরিচিত।আমি শ্রোতা হয়ে তাদের কথোপকথন শুনছি। যিনি জুতো  পালিশ করছেন বেশ একগাল হেসে বললেন "বাবু,ছেলেটা মাধ্যমিক  দিচ্ছে  এবার। পাস করে গেলে আমার মতো  পালিশ করতে হবে না , ওকে আমি পড়াব ,একটা টেস্ট পেপার কিনে দিয়েছি। দেখি কি করে। "

ভাগ্যিস হীরক রাজা র কথা উনি শোনেন নি -"লেখা পড়া  করে যে , অনাহারে মরে সে "

শিক্ষিত  বুদ্ধিজীবী ছত্রাক সম সমাজের বুকে মাথা উঁচু করে বাঁচতে চাওয়া গুল্ম , মহীরুহ হবে তো ?



Saturday, 27 December 2014

পড়ন্ত বিকেলবেলায়

শুনব   না বলেও  শুনে ফেলছি রোজ ,চারিদিকে মৃত্যুর মনোলগ। 
হত্যার শব্দ যান্ত্রিক -ধাতব। শিক্ষিত  বাঁদর  জানে তেলা বাঁশে  উঁচুতে ওঠার মন্ত্র।
প্রতিদিন  তোলপাড়এ   নীতি শিক্ষার ডুগডুগি বাজাতে আষাড়ে গল্প - লেখক মিডিয়া , দেখছি  মূর্খ্য -
স্থানীয় সংবাদ , জাতীয় খবর হয়ে ওঠার রাস্তায় রক্ত জমাট। ধোঁয়া  উড়ছে প্রতিবাদী ঠোঁটে।
শীতকাল তো দিব্বি ভালোই -খবরে, কবরে , আগুনে!সিদ্ধিলাভ সহজ  , নিরপেক্ষ নির্বানে।



Saturday, 20 December 2014

টুকরো কথা

রোজ শনিবার এর মতই আজ ফিরছিলাম আপ জম্মু ত্বাই  এক্সপ্রেস ট্রেন এ। রিসার্ভড কম্পার্টমেন্ট এর একজনের সিট এ বসেছি। দিব্বি ভালো জায়গা, জানালার পাশে। ঘুম ঘুম আসছে।সামনে বসা অল্পবয়সী যুবক , এক ঝলক দেখেই বুঝেছি সামরিক বাহিনীর লোক। যাইহোক যথেষ্ট ভদ্র ব্যবহার। এর মধ্যে আমার তো অভ্যাস মত হালকা ঘুম আসছে। হঠাত দেখি ওয়াইন এর গন্ধ।চোখ খুলে দেখি সেই যুবক যথা রীতি পান এ ব্যস্ত। অদ্ভুত লাগলো , খারাপ ভাবলেও ভ্রুক্ষেপ করলাম না। কারণ তার সিট এই আমি বসে আছি। কে ছাড়তে চায় ওই আরামের জায়গা। যাকগে আমার তো কোনো ক্ষতি হচ্ছে না. উচ্ছনে যাওয়া ছেলে পুলের দল  সব।
ইতিমধ্যে ট্রেন পানাগড় চলে এসেছে। যুবক তির মোবাইল এ হঠাত ফোন , যা আঁচ করলাম তাতে বুঝলাম মা ফোন করে কাঁদছে , এদিকে ছেলের চোখেও জল।  আমি ভাভ্লাম বাহ বেশ ভালো melodrama .
ফোন এ কথা বলা শেষ করার পর হঠাত সেই  যুবক টি হিন্দি তে আমাকে বললো  -"দিদি আপ বুরা নাহি মান রাহী হ্যায় তো , ময়ান  পি রহা হু। " আমি তো একটু চমকালাম এ বলে কি।  মুখে বললাম "নাহি জি, আপকি ফিয়াক্র কি কি বাত নাহি ".. হঠাত করে দেখলাম ছেলেটার চোখে জল।  আর্মি তে ৮ বছর রয়েছে , ঘর বাড়ি ছেড়ে। ১মাসের ছুটি শেষ. আবার কাজের জায়গায় ফেরা। এই দিন তা নাকি তার কাছে অসম্ভভ কষ্টের।মা বাবা কে ছেড়ে যাওয়া। ফ্যামিলি কে ছেড়ে যাওয়া। নিজেই বলে ফেল্লো  ফোর্স এ যত আত্মহত্যা র ঘটনা ঘটে প্রায় সবটাই  এই frustration  থেকে।
স্কুল এ জব করি জেনে বললো  "লাকি হো  আপ , পরিবার কে সাথ ওআক্ত বিতাতি হো ".

শেষে নামার সময় বললো  "দিদি আগার আপকো বুরা লাগা তো ময়ান মাফি মান্গ্তা  হু ".তখন পরিবার ছেড়ে যাওয়ার কষ্ট চোখে।
কথায় কথায় জানালো ফেব্রুয়ারী তে ওর বিয়ে।  ওর জীবন ভালো কাটুক।

এই দীর্ঘ্য ৮ বছর ট্রেন যাত্রার জীবনে আরো কিছু নতুন অভিজ্ঞতার সঞ্চয় হলো।

 এরা আছে বলেই আমরা নিশ্চিন্তে ঘুমাতে যেতে পারি।
 বিচিত্র জীবন , নানা ঘটনা আঁচর ফেলে যায়। ..
কষ্টকর হলেও জীবনের নানা বাঁক  গুলো কে ছুঁয়ে যায় এই ট্রেন। লাইন এর প্রতি টা  বাঁক  এর মতই।

Tuesday, 16 December 2014

FOR THOSE WHO NEVER SAID GOOD BYE

That was the day, when the door promised some new moments, yet to be seen...
The seconds were tickled with dream-between  the breath the wink.
Long was the path-, journey was deferred,sometimes despair crept in
And perched lips sang the dirge, when the guns rattled and the rose beat  the funeral drum.

There were the others , seeking for blood; Some of them laid dead while the others cheered.
When the sin,chasing behind, tore the drooping eyes, moaning became faulty, as nothing was there
To be meditated, and haughtiness begot shame on civilized  face. Only the dead rose from the cell
To expiate and tell -fanaticism only fan the flames of crimson eyes, setting the books  ablaze.

That was not the hour to brood, or the minute to feel sad. The corpses demanded justice
And angles were waiting to fill the bucket to wash away the stain. None can write the truth
Except the hands, raised to save themselves from  the bullets; history will bear the thread
Of massacre on the pages. And what can't be sung or can't be undone, needs revision.....

As the dead, never says good bye and the solitude speaks of nothing but death and sublimation!






Tuesday, 9 December 2014

সামান্য কথা


তোমার অন্ধকার , আন্তর্জাতিক শুন্যতা, কঠিন জমাট আবেগ 
ছিঁড়ে ফেলে আচমকাই বলে ফেলি , -"অন্য ভাষায় দিয়ে গেলাম দুর্বোধ্য 
স্তব্ধতা। " তোমার খবর পাচ্ছি রোজ রাজ পথে।বিরতি   গিলে নিচ্ছে 
রামধনু , চায়ের লিকার , জরুরী  কফি কাপ। তোমার ঠোঁটে আলোর 
জোওয়ার , ভূত এ পাওয়া পুরনো পিয়ানোর সুর , সমুদ্রের বর্ণমালা 
পরিচয়ে কয়েক মুহূর্ত ভুল করা ডুয়েট , কাফের ছিলে না তুমি। 
নিয়ম বেঁধেছে ছোটা , বন্ধ ঘরে ধুলোর আল্পনা। 
বাকি সব ভালোবাসা  জন্ম মৃত্যুর সীমারেখা , নাগরদোলা -
এই তো  আছি , ঠিক আছি , ভালো আছি; তলিয়ে দেখলে 
দেখতে পাবে , নটী র দলিলে রাত পোকাদের গান;
ভুলে যাওয়া ভালো, দেওয়াল  উঠলে স্বভবতই হাহাকার ! 
দৃশ্যতই অযাচিত টুঁটি টিপে ধরা উল্লাস-তবুও আশ্বাস  বিরুদ্ধ সংলাপ .

 


Wednesday, 26 November 2014

ফাঁকা গল্প

প্রতিবার ওলট-পালট হওয়া স্বপ্ন। ..
ঝরা পাতায় যদি আঁকা যেতো প্রতিদিন !
সেই তোবরানো গল্প কানে কানে বলে দিতাম ;
রক্তাক্ত পথ মাঠের আলে 
তুমি এঁকে দিয়েছিলে রেখাচিত্র অশরীরী। 
তারপর হঠাত উধাও..........

ছুঁড়ে ফেলে দেওয়া যেতো  যাতা মিনিট গুলো। 
ভেঙ্গে ফেলো আমার কবর !
আরেকবার বলে দাও -মাঝরাতের কথা , অথবা ব্যথা,
অথবা চুম্বন.......অথবা মন্ত্র -মহাভিনিস্ক্রমন !

Sunday, 23 November 2014

QUESTION -[A REMBRANCE]

it is spontaneous, somehow elusive...it's life that begets illusion.
and death survives, becomes triumphant over life....
but LIFE goes on with its myriad prismatic slides-where the light illumines or blinds our eyes....
with flickering hope, amidst the debris of separation, sadness and melancholy, who can say within a bit of pulse,
whether we'll be able to see tomorrow or next birth.
that's the enigma of life-its essence, its goodness -----IT'S MYSTERIOUS!

Tuesday, 18 November 2014

একচিলতে

আছে তো অনেক কিছুই খন্ডিত , আংশিক। 
বারবার একই দিকে চেয়ে থাকার নৈশব্দ।
অনেক অসুখ জমিয়েছি  , ডাস্ট বিনে উজাড়  
ট্যাবলেট স্ট্রিপ।  প্রেম ঘুম পাড়ায় না।  শুধু হেঁটে যাও;
পাহাড়িয়া পথের অসম্পূর্ণতা নিভন্ত বিকেলে ঋণ করে-
দিয়ে যায় শোধ রোজের সকাল।
বিছানা জোড়া ঘুমে করজোড়ে মুক্তি চেয়ে নিলাম।
ঘূর্ণাবর্তের কেন্দ্রে ভাত মাখি চটকে দৈনন্দিন উপকথায়।
ভীড় এড়িয়ে চোখ বুজি।নিসর্গ আঁকি স্বপ্নের ঈশারায়।

Friday, 14 November 2014

গল্পের মতন

আমার মৃতদেহ আমি খুঁজে পাই হঠাত লুকিয়ে থাকা ভয়ে ;
এরকম হতেই পারে , কিন্তু কবিতা জানালা বেয়ে আসেনা। 
মনে হওয়া  এবং তার থেকে আরো আশ্চর্য ভুল ভাঙ্গা 
রাজনীতির অঙ্গ নয়।  সু সময়  স্বাধীনতা আনে , নিরাপদে 
নেমে আসে ভালবাসা।  খাঁজকাটা দেহ বিকোনোর পর আপদ বিদায় !
খুব কাঁদতে ইচ্ছা করলে চোখ জ্বালা করে।আমার দেহে এপিটাফ -মেকি সন্তাপ।
 এদিকে কপট লেখক প্রেমের উপন্যাসে কাকোবন্ধ্যা  প্রেমিকাকে  পাঠিয়ে দিলো  দার্জিলিং ....
শহরতলি, জন্মের মহামারী ,  ক্রীতদাসী,হাত তালি । 

বেশ কিছু রসদ এ বোঝাই গল্পের গাড়ি। 

  

Sunday, 9 November 2014

Rambling Murmur

Give me the realm where hopes roam,
And dreams whisper in loving words.
Take me away to the vale,
Where the rainbow laughs

And desires bloom from despair!

Saturday, 8 November 2014

আমাকে ভালো বোলো না !

সেদিন বলেছিলে -"তুমি বেশ ভালো  ,
আজকাল যা দেখছি , তার থেকে তুমি ঢের ভালো " .
সেই প্রথম অসহ্য লেগেছিলো সাজিয়ে রাখা ভালোমানুষির রূপ।
 এই ভালোমানুষী রূপটা তৈরী করেছি 
পরম যত্নে ,সচেতনতায় ; কিছুটা আদর্শের ফোড়ন এ ছোকে 
নিয়ে দিব্বি সাঁতলেছি নৈতিকতা , মূল্যবোধে বাঙালিয়ানা।
 ........................................................................

কনসেনট্রেনসন ক্যাম্প এ র বধ্যভূমি ,প্রতিফলন -প্রতিসরণের কাটাকুটি ;
বিঁধছে তীর , পাপবিদ্ধ শরীর , পবিত্র মুখোশ , খন্ডিত সভ্য -স্বরূপ। 
....................................................................................

নিজেকে চিনছি , আলোকবর্ষ দৌড়ে করেছি পার। 
রোজনামচার গলার দড়ি , আদপে আমি খারাপ , নষ্ট মেয়ে !
আপাদমস্তক আক্ষেপে দীর্ণ , কি ভীষণ শরীরী।  



মনখারাপের দিন পেরিয়ে

গুনে গুনে আটদিন পেরিয়েছে। 
সাত রাত আকাশ গলে যাবার পর 
নতুন মাটি কামড়ে আজকের সকাল ঠিক 
বেরিয়ে এলো মেঘ চেরা গলা দিয়ে টুপ করে। 
এখন আমরা হাঁটতে পারি , প্রশ্ন উত্তর গুলো 
যেগুলো জমে গেছে মৃতের শহরে, ফেলে দিতে পারি। 
সন্দেহ - স্বীকারোক্তির মাঝে কিছুটা স্বপ্ন  কাঁধে মাথা রাখে ....
আগামী সুখের  দর্পনে পরিমিতি। 
মুঠো বন্দী রুমালে অপার্থিব গোধূলি -ধোঁয়া মাখা রাতের খুনসুটি -আড়ি। 


Monday, 3 November 2014

পরজীবী

 অনেক কিছুই হতে গিয়ে হয় না। 
যেমন আমার উল্টো পথে হাঁটা। 
মরালি  ইমমরাল তুমি নও। 
ছাঁকনিতে এথিক্স  র দলা 
তলানিতে আবেগের জীবাশ্ম। 
তুমি বাসর ঘরে নার্সিসাস। 
হাংরি জেনারেসন সত্যি বলেছে। 
নির্গমনের ডাক শরীর জুড়ে,
স্বপ্ন কুড়ে খাচ্ছে ডেভিড !

 যুদ্ধে যাব যখন হলই না ,
এবং অতীত rewind  করে অস্পষ্ট ছবি
ফিরিয়ে দিলো না বৃষ্টি ভেজা ঘাস। 
অনেক কিছুই না হবার মাঝে 
চিত্কার করি , ঘুমের ভাঁজে -অন্তত জীবিত ;
বলা বাহুল্য যদিও স্বপ্নেরা পরগাছা।

 

Wednesday, 29 October 2014

সভ্যতার কাছে

আমি কথা বলি একা , একলা মেয়ের ঘরে 
স্বাধীন চিলেকোঠা। আমি শ্রম দি , যদিও শ্রমিক 
হওয়া মানা। শব্দ -বন্ধ- জব্দ  ভূগোল ,ইতিহাস চেনা গলি:
হাড় -হাভাতে সময় কাটছে, জানালা ফেরতা  ইচ্ছের নীল পরী। 
বেঁচে উঠি বারবার , হারিয়ে ফেলেও আগলে রেখেছি স্বপ্নের 
গুটি পোকা।  তোমার জন্য প্রজাপতি না হই , রেশমে শঠতা ঢাকা। 
আমি একাই গান গাই , খাঁচাটা এখনো শুন্য হয়নি ,
প্রশ্ন গুলো আড়ালে গেছে;  ভাষণ , প্রতিশ্রুতি -ভীষণ সত্যি। 
উলঙ্গ রাজারা প্রকাশ্যে নাচে -গান গায় সাম্যের। 
আদিম মানুষ উষ্ণতা খোঁজে , যুধিষ্ঠির সাজে কূটনীতি। 
একলা প্রশ্ন, নীরবতা অথবা  অবোধ্য শিলালিপি। 

অন্তত  একটিবার ঝড় হয়ে বাঁচি -   স্বাধীনতার আরও কাছা -কাছি
 

Monday, 27 October 2014

নিঃশব্দের আড়াল

একপ্রকার অপেক্ষায় তোমায় লেখা। 
পর্দা জুড়ে আশার প্রতিশ্রুতি ,
যতটা দেখতে পাচ্ছি আলো -আঁধারী  সন্ধ্যে বেলায় ,
মুখ ফিরে তুলে নি ধুলো আর জমাটি বাঁশির  সুর। 
 মাইক এ ঘোষণা হবে আরো কিছু পর -
কোনো নিরুদ্দিস্টের  সন্ধানে। 
গোলাপ শুকিয়ে লাল মাটি রিক্ত পাহাড়ে। 
 

Saturday, 25 October 2014

আকাশী-নীল শার্ট

তোমার রং এ তোমাকে খুঁজে পাই। 
আকাশের নীল লেগে থাকুক পাশ বালিশে। 
তোমার রঙ এ সেজেছে বিকেল 
এত ভাঙ্গা-চোরার পরেও তোমার-আমার অন্ত-মিল 
আমার ছুটি তোমার কাছে। 
একটু পারফিউম নীল শার্ট এ। 
বুক-পকেটে রুমাল রেখেছো ,
ওড , লিরিক পেরিয়ে লিখতে শুরু করেছি 
দৈনন্দিন মহাকাব্য।
 

Wednesday, 22 October 2014

ছায়ান্ধকার এবং আমি

অনেক আলোর মাঝে অন্ধকার। 
কাগজের চতুর্ভুজ ,ছায়া সামন্তরিক। 
আলো অন্ধকার কে চায়। 
ঠিক যেমন চাইছি তোমাকে।
মঞ্চের পাশের আবছায়ায় 
জোয়ার ভাঁটা মাখে আবেগ। 
সেটা ভালবাসা নয়। 
নিটোল মুখের সাথে দেখা হয় বারবার। 
আর বচ্ছর চলচ্চিত্র উত্সব ছিলো। 
এবার রাজনীতির ইস্তেহার। 
নারীবাদ তাপ নেয় ক্লিভেজে। 
জানালা ছুঁয়ে হাজার তারা। 
কথা দেওয়া শেষ হলে ভুলে যেতে হয়। 
আগুন জ্বালালে দমকল। পোড়ালে  অহংকার !
ব্যাকগ্রাউন্ড এ শপিং মল ,
মরালিটি উপড়ে  শীত ঘুম , 
প্রেম- অপ্রেম -সাঁতারে সমান্তরাল।

Tuesday, 21 October 2014

এই তো দেখছ

আমার শোকে কেঁদোনা .মাঝ রাস্তায় দাঁড়িয়ে শোক সভা 
বেমানান। স্পষ্টতই কষ্ট। অসপষ্ট- হাঁফ ছেড়ে পালন নীরবতা  । 
ফীড ব্যাকে আফশোষ।  জটিল  ন্যাকামির বিচিত্র ভালো মানুষ ।  
"আমার পরাণও যাহা চায় তুমি তাই " -নির্গুণ হাহাকার।
................................................................................
চৌরাস্তায় এক্সিডেন্ট , খবরের শবদেহ -সন্ধানে রিপোর্টার।  


 

Monday, 20 October 2014

মা 'কে


 সবাই দেখে তোমার রূপ। আর পাঁচ জনের দৃষ্টি তে তুমি সুন্দর ঠিক ই 
নতুন আলোর মাঝে এক পশলা ফুলকি। .আঁচল এ ভালবাসার কারুকাজ।
সময় ফাঁকি দিয়ে যাওয়ার পর যখন তলিয়ে দেখি অতীত 
আর স্বপ্নে বুনি অনাগত ভবিষ্যত , অথবা এক লহমা চাহনি ...
তুমি ফিরে এস বারবার। কবিতার পাতায়। শব্দের মায়াবন্ধনে। 
তোমার চক্ষুদানে কল্পনা মেলেছে রামধনু।
জং ধরা অন্হিক গতির বাঁকে ঈশারায় ছড়িয়ে দাও সুরের বিন্দু। 
তোমার ছোঁয়ায় বাঁচুক নিঃশেষিত পৃথিবী। 

 

আড়ালে

তোমার অলস ভালবাসায় জড়িয়ে রাখো ভোরের শিশির।
সন্তাপের অজ্ঞাত আগুন জ্বালানোর আগে অনেকেই চলে যাবে।
পিছুটানে একলা ব্যালকনি।  তুমি অসামান্য অভিমানে ভর 
দিয়ে সরীসৃপ হও নি এখনো ; তাই এক কুঁচি জ্যোতস্না দেখে 
হেসে ফেলো। অন্দরমহলে আদি ঢেউ পৌঁছায়না। 
তাতে কি হলো ? দিন আসবে , রাত পুড়বে সোনালী জলে। 
একেকটা কবিতার বৃতি ফুটিয়ে রঙিন ফুল আঁকবে মুঠোফোনে। 
আশ্বিনের দুপুরে সামান্য কিছু আফসোস দেখে পারস্পরিক সম্পর্কের বিনির্মানের 
ইতিহাস জাফরির জানালায় লিখে দেবে আলোর বরফি। 
ধরে নেওয়া x  আর হাতে রইলো এক' র কাছে আপাদমস্তক বিকিয়ে দাওনি!
 অন্তত কিছুটা সকাল ময়লা হয়নি ।ডাক নামে ভালবাসা , আংশিক অভিমানী। 

 

 




Thursday, 16 October 2014

বর্ষা যাপন

সবচেয়ে সস্তা অভিনন্দন। ছোপ ধরা হাসির সুত্রপাতে 
কবিতার পটভূমি খাপ খায় না।  সুন্দর ফাঁকি তে উত্তীর্ণ  যৌথ যাপন। 
দূরে  সরে গিয়েও এঁটো  পাত  রোজ আধ ময়লা ন্যাতা  দিয়ে মুছি শুকনো 
করে।  ছিম-ছাম জীবনে বাহুল্য বর্জিত দাম্পত্য কলহ। 
একসাথে থাকা র পর হঠাত মনে হলো ব্যাপারটা কি অতিপ্রাকৃত 
না আধি  ভৌতিক ? 
 অন্য রকম কি বলতে পারো  একে ? 

মুষলধারে বৃষ্টি নামার সময় ছাতা ধরলে  ,
রাস্তার পাশে  ২ কাপ চায়ে চোখ পড়লো  হঠাত!
এতো  কিছুর পর .........? কবিতা অথবা প্রপাত ,
নিয়োজিত নিক্ষেপ  , নাগরিক কোলাহল  , নিদারুন বার্ষিক গতি -
পুরনো ছবির মতো  ম্যাড়মেড়ে  দৈনিক একসাথে থাকাটাও 
কি ভীষণ  দামী!

Saturday, 11 October 2014

আত্মজা

আমাকে কেউ ভয় পেতে দেখেনি।  ভাঙতেও না। 
আর্তনাদ চাপা দিয়ে সাঁতার কেটে পৌঁছেছি  কথা র দ্বীপে। 
তারপর সব চুপ হয়ে গেলে কবিতায় কেঁদেছি। 
ঝুল ঝাড়া দেওয়ালে এঁকেছে সবুজ ঘর , কালচে পাখি ,
কমলা রোদ, আমারই  আত্মজা। ইন্চি মাপের কব্জায় ওর  যাওয়ার 
সময় আসতে আসতে আরো ২ বচ্ছর  নীরবতা পালন করে 
নেবো। অতঃপর  ফিরিয়ে দেবো আমার মায়ের কথা। ...জন্মান্তরের 
আলো -আঁধারী।  কুড়োনো  শেষ রাত পাশ বালিশের আদরে। 
শরীর থেকে কবিতা হওয়ার অন্তর্বর্তী পথে জলরঙ  এ ভরে যাবে আঁকা বাঁকা contour . 
এখন আমি প্রবন্ধ লিখি ,  মিথ ভাঙি পেন এ।  
২ বছর পরে উত্তরাধিকার -কবিতার ,আত্মজার মায়াঘেরা চোখে।

Tuesday, 7 October 2014

অন্যরকম

বিকশিত দন্ত .....
কোঁচকানো  তদন্ত ....
মধ্যবিত্ত! বাজারে  হন্তদন্ত ......


বীর -পুরুষ

 তুমি বীর , রাজপথে , মিছিলে পাশাপাশি হাঁটার সময়
আরচোখে বিপ্লবের দৈর্ঘ্য মাপত  প্রসংশার  ফিতে।
তুমি নায়ক , মাঝ মাঠের বক্তৃতায় অবিসংবাদী।
ভাব -লেশ হীন ভয়শূন্য বুকের প্রতিফলন প্রতিধ্বনিত হয়েছিল
উদ্বেলতায়।  দুপুর বেলায় আশ্রয় খোঁজা পাখির চোখ
তোমার শরীরের সাথে বড্ড বেমানান।
পড়ে নিয়েছিলাম আমি , অনুবাদে ভালবাসা , অন্তর্ভেদে পুরুষকার।
প্রত্যাখানে আদর্শবাদী , জাগরণে নাইট বাল্ব .



Saturday, 4 October 2014

হিঃ হিঃ হিঃ

দুগ্গা ঠাকুর তেরাত্তির কাটিয়েই আমাদের কাঁদিয়ে চলে গেলেন। কিন্তু শিব বাবাজির যে মহানন্দ।কারণ

হোম ডেলিভারি র ঘ্যাঁট এর ঝামেলা চুকলো। 

গতিপথে

দরকার আসলে তোমার।  এবং আমার ও!
মার্চ মাসের রাত অথবা  CNN -I B N .
সৌন্দর্য  মাপবে ,তাই আলাপচারিতা দ্রুত। 
ফেরার সময় এগোচ্ছে মেগাসিরিয়াল শুরু  হবে বলেই। 

শুন্য স্থানে বসিয়ে দেওয়া যাক pizza , cola
 চুম্বক 'র কাছে সোনা নিস্প্রয়োজন। 


Thursday, 2 October 2014

ঘরে ফেরা

আগামী কাল বিজয়া দশমী , আজ নবমী নিশি।  একটা বছরের অপেক্ষা। আরো কিছু দিন চলে যাওয়া।  কাজে ফিরে যাওয়ার সময়। যে যার মতো  পথ চলা.......অথবা এড়িয়ে যাওয়া।  দিনের শেষে বিছানায় আড্ডা, গল্প, খুনসুটির উপকরণ সেই রোজকার মতোই তলানিতে। শুধু  দিন যাপনের মায়া নাকি চূড়ান্ত absurd  একটা অস্তিত্বের কাছে পরাজিত হয়ে মেনে নেওয়া যে , যাইহোক জীবনটা সুন্দর। অথবা ঢোঁক গিলে বলে চলা নির্ভুল সংলাপ।

দুর্গাপুজো  বাঙালি জাতির উত্সব বললে তার ব্যাপ্তি কে খাটো  করা হয়।  আবার শাস্ত্র অনুযায়ী মাত্রই শক্তির আরাধনা তো সেই নারী জাতির প্রতি সন্মান প্রদর্শন।  সৃষ্টির আদি মাতা যেমন ইভ , সেরকমই দেবী কালিকাও আদি মাতা বা এনসিয়েন্ট crone . কিন্তু দূর্গা যেন চির নতুন, বলা বাহুল্য দূর্গা সেই শক্তি যিনি প্রত্যেকটা নারীর মধ্যে বিরাজমানা। তাই তিনি নারী শক্তির মূর্ত প্রতীক।

শাস্ত্র  নিয়ে আমার জ্ঞান নেই. তাই সেই নিয়ে আলোচনা করাটা আমার পক্ষ্যে সেই অন্ধের হস্তি দর্শনের মতোই হবে. কিন্তু এই দুর্গাপুজো  আমার কাছে এক অন্য মাত্রা বয়ে আনে।  এই পুজো একদিকে যেমন শাস্ত্র নির্ধারিত, আচার অনুসারী , আবার অত্যাধুনিক ও. এই উত্সব আমাদের ঘরে ফেরার উত্সব। নিজেদের শিকড়  কে চেনার সুত্র। এক পরিবারে আবার নিজেদের প্রায় ভুলে যাওয়া স্বজনদের কে কাছে টেনে নিয়ে পরিপূর্ণতার উত্সব। সেখানে সংসারে মেয়ের ফেরা টা   অনিবার্য্য , আবার অনস্বীকার্য্য ঐকান্তিকতা ।  তাই এই উত্সবের মধ্যে লুকিয়ে থাকা ঘরে ফেরার টান কে উপলব্ধি করাতেই রয়েছে সার্থকতা, ঐহিক জীবনের পুরিপুর্ণতার আস্বাদন।

আগামী কাল বিজয়া দশমী , সেই দিন টিকে মনে রেখে -


তারা রা দৃশ্য -অদৃশ্য হতে হতে পেরিয়ে যাবে আরো একটি রাত. 
মুখ চোরা  বোবা শব্দের আঁকা আল্পনা মোছার দিন। 
এত কিছু সাজ  শহর সেজেছে , আলো  মাখা মাখি রাত। 
সকালের চোখ মুছিয়ে দেওয়া শিশির , পদ্ম মধু.....
সন্ধ্যে নামার আগে পাখিদের উড়া -উড়ি। 
কালো জলে প্রতিমার রামধনু।

Wednesday, 1 October 2014

যদি এমনটাই হবে

আরেকটু ছুটে নিলাম ...মেঘ এর সাথে। 
 তোমার জন্য পাঠাচ্ছি 
মেঘ ছেঁড়া আকাশ, রোদের উঁকি। 
শুকিয়ে নিয়ো  কান্নাগুলো। 
পাল্টে নিয়ো  রাজ্যপাট ,
জন্ম নিয়ো  আগুন হয়ে ,
মুছে দিতে ক্ষতর  ছাপ। 
কেতাবি জীবন এ বিলাস 
মঞ্চে নাট্যকারের চরিত্র ,
নাচে কলের পুতুল , 
জাল টেনে অবসর তোলে 
ড্রয়িং রুম , জানি তবুও হারাবে 
 অনিবার্য অবকাশ।
ফিরিয়ে দিও জীবনের পালে 
এক সমুদ্র টাটকা বাতাস।

 

Tuesday, 30 September 2014

অন্য মা

এতো সব কিছু তোমার জন্যই। 
শিউলী  ফুল, ভোরের শিশির 
তোমার কাছে মেললো  ডানা। 
তোমার  প্রত্যেকটা সকাল নেমে আসে যখন 
অভিশাপ  হয়ে ,তুমি দেবী হয়ে জেগে ওঠো। 
নিঃস্ব , রিক্ত হয়ে প্রমান কর  সবাই তোমার 
দয়া ই চায়।

চোখের জল তোমাকেই মানায়। 
তৃতীয় নয়নে আগুন জ্বেলোনা মা গো !
তুমি কাঁদো বারবার , শত বছর ধরে। 
শুধু হাসতে ভুল না , এত কান্নার পরেও। 
তুমি দ্যাখোনি , প্রভু যীশু  হাসেন?. ..ক্ষমা করেন ;
তাই যীশু  বেঁচে থাকেন অন্তরে। 
জুডাস  কিন্তু রয়েই যাবে বিশ্বাস ঘাতকের দলে ,
ক্ষমাহীন অপরাধে।
তোমার কান্না শিশির হয়ে ভিজিয়ে দিক শুকনো মাটি,
ইঁট , কাঠ পাথরের অন্তরালে। 

 

Saturday, 20 September 2014

আজকে [যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র দের ওপর পুলিশি নির্যাতনের প্রতিবাদে ]

ইমোসন  যদি  ভালবাসতে শেখায় , ডি.এন.এ  জানে যুদ্ধ জিততে  কি করে হয়..
লাভের গুর আগলে বসে থাকো , পা নাচিয়ে ছড়াছ  মৃত্যুর ভাইরাস।
রাত কাটিয়ে সংবাদ পত্রে উপিস্থিতি জানাও সদর্পে।  আমার বেলায় শুধুই  পেইড নিউস!
মার্কা মারা তকমায় আমি দেশদ্রোহী। জঞ্জাল ঠেকাতে ধুয়ে মুছে সাফ করে দিচ্ছো
প্রতিপক্ষ্য।  বাদী -বিবাদীর দন্দে  সেজে থাকো  নির্বিবাদী। 
মুখ লুকালে কোথায় , তুমি নাকি  সাধু-বাদী ; রক্তের এক এক ফোঁটায়   লেখা "আমরা প্রতিবাদী"
******** #হোককলরব******

Wednesday, 17 September 2014

অল্প কিছু

 মুঠোভর্তি আকাশের গুঁড়ও ,গয়নায় তারার ঝিকমিক। 
রাত নেমেছে কার্নিশ বেয়ে ,আগুন পোকার মরণ ঝাঁপ। 
মেশাচ্ছি  নদীর বুকে ,মেঘলা বাতাস।  
একটুখানি  ভালোবাসবো , তোলা  থাক  না  দীর্ঘ্যশ্বাস। 
তোর  জন্য  নিভিয়েছি মোমবাতি। 
জানি তুই নিস্তব্ধতায় ধরা দিবি। 
এবার  ফুটেছে চাঁদ , মাঝ আকাশে 
মেঘেদের  মেসেজ এ  আলো  ছায়া  স্মাইলি। 
একটা সুখের ঠিকানা  পেয়ে যাবি  ,
অলি গলি পেরিয়ে, বড় রাস্তার মোড়  এড়িয়ে,
ল্যাম্প  পোস্টের  হলদে গভীরতা মাখা  চাবি।
তুলে দিলাম  সিন্দুকে  , আকাশের  কাছে লেখা  চিঠি।  



 

যা দেবে

আমাকে  কান্না দিও না , যেন ভালবাসতে পারি।
আমাকে ঘুম দিও না , যেন দেখতে পারি। 
আমাকে চার দেওয়ালে  কবর দিও না। 
আমাকে একটা আকাশ দিও , যেন ডানা মেলতে পারি....... 
লাট খাওয়া ঘুড়ি  হওয়ার  আগে আরো কিছুটা উড়তে পারি ........

 

Tuesday, 16 September 2014

হাতে রইলো .......

 পুরোনো   কাগজের পাতায় তৈরী ঠোঙ্গায় ,
ঝালমুড়ি চপ চানাচুরে সন্ধ্যা গুলো দিব্বিই বিকোয়। 
কিছুটা লজ্জা ঢাকতে খবর খুঁজি , 
 সময়ের লিপি , সাইক্লোন , ভূমিকম্প অথবা ইমার্জেন্সি। 
আদর, উষ্ণ বন্ধুত্ব ,  বশীকরণ। 
অবর্থ্য ফল ফলবেই , টুকে নিন নম্বর , জ্যোতিষীর মুঠোফোন মুঠো ফোন। 
আঁকড়ে নিয়ে লজ্জা ঢাকি সময়ের  কাছে, কাগজে। 
সভ্যতার হজমিগুলী , মার্ডার র অফিস  কপি। 
যুদ্ধাস্ত্র শানাচ্ছি সুখী দাম্পত্যে,
বেছে নিলাম  পরকিয়া , নিস্ফলা মগজে। 




bechhe newa porokiya ,nisfola mogoje!

Sunday, 7 September 2014

ইত্যাদি

পরীক্ষায় চেনা প্রশ্ন , উত্তর ছিলো  পেনের  নিব এ। 
সংজ্ঞা ভারী  ভারী , দিব্বিই টুকেছি আত্মবিশ্বাসে। 
স্মৃতি নির্ভরতা নিশ্চিত করেছে জিজ্ঞাসা চিন্হের সন্দেহ। 
পাতার পর পাতায়  জমেছে থীয়রী , দার্শনিক কচকচানি, বিনির্মাণে 
বিজয়িনী ;
 উত্তর পত্রে পূর্ণমানে সংকট।   উদাহরণ  ভুলে গিয়েছি
চিন্তায়  অপরিসীম তত্পরতা , মুখ রক্ষায় অন্তজ  "ইত্যাদি, ইত্যাদি ".
 


Saturday, 6 September 2014

শব্দ -এলোমেলো

অচেনা ঠিকানায় পাঠালাম চেনা বৃষ্টির ছাঁট। 
ঘুমিয়ে পরলেও শুনবে মেঘ ভাঙ্গা ডাক। 
জানালার কাঁচে জাগবে সারারাত,
মোড়ের  মাথায় মন খারাপের আঁচ। 
নরম ঠোঁটে  কাছে কান্না দিয়েছো  বাঁধা। 
আরো কিছু দিন , তারপর সব ভুল , চেনা জীবন 
পেরিয়ে  আলেখ্যতে  গোলক ধাঁধাঁ। 


Thursday, 4 September 2014

জাহানম্মে

সেলাম ঠুকে সেলামি দিয়েছি ,
গুনতিতে বাদ  যায় নি ছোট্ট  হিসাবও। 
 ভুল করে না ক্যালকুলেটর , 
ব্যালান্স শীট এ যোগ বিয়োগে 
সুদের হিসাব মিলছেনা।
আসল ভুল তো অন্য কোথাও লুকিয়ে-
ডিএনএ জানে বিস্ফোরণের ফুলকি। 
এখন ওয়াইনের গ্লাসে ফেরত দিচ্ছি  নজরানা। 
জটিলতায় ইন্টেরোগেসন ,আবাহনে জ্বলন্ত নিশ্বাস।
কামনায় হাহুতাশ। ধার ধারছে  কে ?
চিলেকোঠায় সাম্যবাদ .

Wednesday, 3 September 2014

আঘাত এবং ক্ষতিপূরণ

মাঝরাতের আড়াল ভেঙ্গে দেওয়া জীবিত ভালবাসায় 
বেঁচে উঠি সহস্র বছর পর। একবার হলেও সাইরেন দের গানে 
ক্লান্তি কাটিয়ে নিভৃতে অসুখ সারিয়ে  নীতির শিকল গলিয়ে 
পেরিয়েছি ফাঁক ফোকর। ভয়ের আলখাল্লা খুলে তোমাকে দিলাম চুমু ;
শরীরী যন্ত্রণায় জেনেছি পাপ পুণ্য দাঁড়ি পাল্লায় সমান সমান। 
ঈশ্বর  এবং শয়তানের টাগ  অফ  ওয়ারের নো  ম্যানস ল্যান্ড এ  
ভালবাসা এদিক ওদিক কাঁটাতারে মুখ তুলে দেখে নেয়  সীমান্ত প্রহরীর 
বুলেটের গতি , বেয়নেটের ধার। ইকিরমিকির  ফন্দি ফিকির আঁটা শাস্তি যোগ্য 
অপরাধের বিচারে গুরুত্ব পাওয়া আইনের  নকশা কোরো!
 অথবা ইচ্ছে গুলোকে কবরে পাঠানোর ষড়যন্ত্রে  বোলো  আমেন। 
ভালোবেসে ঝুঁকি নিয়ে হুন্ডি দিলাম অন্ধকারে। 
কান্নায় ভেঙ্গে পড়ার  আগে হিসাব মিলিয়ে নিও। 
পেয়ে যাবে কিছু  রসদ বাঁচবার , ভালবাসার , ভরসার,
আরো কিছু বছরের ক্ষতিপূরণ , অথবা জল , রক্তমাখা হাত ধোয়ার।  

Monday, 1 September 2014

এনাটমি র ক্লাসে

এনাটমি শেখাচ্ছে হৃতপিন্ডের  উত্তেজিতা  , সংকোচনশীলতা .
হৃদ্চক্রের বৃত্তে ঘটনা থেকে দুর্ঘটনা  ঘটার মধ্যবর্তী , অন্তর্বর্তী 
সিস্টল  ডায়াষ্টলের ছন্দবিচ্যুতি। শারীরবিদ্যার  ক্লাসে বিউটিফুল মিথ 
ভেঙ্গে শব  সাধনা, উপকরণে  গ্লাভস  ,তীক্ষ্ণ ছুরি ,ফরমালিন। 
কতদিন পরে মানুষ এর কাছে মানুষ লাশ হয়ে ওঠে ?
এনাটমি বলে দেয় ভাইটাল  ক্যাপাসিটি কতটা সাহস জোগায়  ,
প্রতিদিন বাড়ি ফেরার সময় ব্যস্ত্য মেট্রো তে শ্বাসরোধ 
এর পরেও দিব্বি  বেঁচে থাকার অকারণ ।  

মধ্যবিত্ত মেরুদন্ডি জীবনবোধে  এনাটমি খোঁজে। 
জ্বলে পুড়ে  ঋণ রেখে খুঁটে নেয় নখ। 
অলৌকিক ঠিকানার সংক্রমণ ছড়ায় দ্রুত।  
উত্তর খুঁজতে যায় না এনাটমি ,এত মানুষ আশাহত কেন?

Saturday, 30 August 2014

প্রেমিক এবং একটি কবিতা

তুমি বিরল প্রেমিক , শুন্যে গল্প আঁকো , অশান্ত ঈশান কোনের 
ধুলো ঝড়  চিঠি লিখেছে তোমার প্রেমের। যুদ্ধচেতনায় সারমেয় কুল 
কি প্রবল পরাক্রান্ত। রাস্তায় যানজটে গালাগালি, ঠেলাঠেলি। 
রোজ ই  ফুসফুসে কমছে আত্মবিশ্বাস  , জিভ দিয়ে 
নিকোটিন ঠোঁটে সৌন্দর্য্য জরীপ  কর বেওয়ারিশ বিকেলে। সুবোধ 
সেজে যদিও  রাখো পুষে রাগ , adrenalin  আগল দিয়ে। 
এটিএম দিচ্ছে উগরে মহার্ঘ্য কাগজ। 
তখন তুমি মহাপুরুষ একাকী। ভালবাসার অবাক চিহ্ন
ভিক্ষার ঝুলিতে বইতে বইতে আক্ষেপ করে কবিতা লেখা শেষ করে 
হাই তোলো অনুভূতি জড়িয়ে।  দৌড়াতে গিয়ে থমকে যাও; 
গচ্ছিত জীবনের দাবী  বুকের ভিতর হাপর হয়ে সাহস যোগায়। 
অকপট আবেগ টপ টপ ঝরে পরে , আমাকে শিখিয়ে দিও কি 
করে বাঁচবো , খোলামুখ সম্পর্কে ধ্বস নামছে দ্রুত ; পাত্সংস্থানে 
ভূমিকম্প ছিঁড়ে ফেলে রোজনামচা। 
বাস্তবিকই কি প্রেমের কাছে গুটি পায়ে অতিক্রান্ত বিষন্নতা? 
শুন্যে লিখে দিও আবার শেষের কবিতা।


Friday, 29 August 2014

নির্ণয়

মেমোরী কার্ডে ধরা মুগ্ধতায় অবস্থান বদলাচ্ছে ভাসমান 
শুন্যতা। উড়তে থাকা অন্ধকারের ডানায়  বিলীন হয় আঁচড়র 
শব্দ।  তুমি রয়েছো  নিরুদ্দেশে , অবশেষে বৃষ্টি নামলো  কবিতা হয়ে। 
সুখ গুলো মুঠো ভরে  কুড়িয়ে নিয়েছি মাঝ রাতে; বাকি থাকলো 
পর্যায় সারণী , রসায়নের ফর্মুলায় ত্রুটি বিচ্যুতি গবেষণা। 
পিপড়ে রা সাংকেতিক সমাজতন্ত্রে ক্লিনিকালী  সঠিক ,
প্রেসক্রিপসন এ N -TEN ,ভীষণ  ভালবাসা সুদেমূলে  পিতৃতান্ত্রিক।

Thursday, 28 August 2014

প্রয়োজন ফিরে যাওয়া

সস্তা ব্যথা জমিয়ে নামতা  গুণছ মাঝবয়সে প্রাত্যহিক ব্রাশ এ ,
কৌতুহলে , অনুভবে ,শুন্যতায়। সীমানা পেরোয়  নি কোনোদিন  ই 
ব্যাঙ্ক ব্যালান্স , দাম্পত্য  খাটের চৌহদ্দী। সংঘাতে অশ্বথামা হত ইতি [গজ],
সেলামিতে অনির্দিষ্ট ইচ্ছারা  বিসর্জিত।  কেউ কাউকে না ভোলার প্রতিশ্রুতি 
দিয়ে বেমক্কা ভুলে যাওয়া অঙ্গীকার।  বিপ্লবের আশায় গুণছ দিন 
যদি da  যেতো  বেড়ে এক লাফে অথবা বিচ্ছিরি সম্পর্ক গুলোর  শিকড় 
উপড়ে  চালচুলোহীন হয়ে একধারে নিস্কন্টক অস্তিত্বর  সম্বল এ ঘাড়  গুঁজে 
শুষে  নিতে হাওয়ার রক্তক্ষরণ। আড়ি -ভাব , মনস্তাপ , চেনাঅচেনা 
ধাঁধায়,  ধার বাকি খেরোর খাতায় অন্তত পটভূমি তৈরী করা যেতো 
উদ্বাস্তু কল্পনাদের ক্যাম্প।  জরুরী  অবস্থায় মিছিলে হাঁটবে তো ?
চলভাষে ব্যস্ততার মাঝে অথবা ক্লান্ত খবরে সূর্যদয়ের  শ্লোগান। 
স্বার্থপর হিসাবী পদক্ষেপে নোঙ্গর ফেলেছো , নিস্ক্রিয় অভীপ্সায়  
আলগোছে সামলাচ্ছ ঠুনকো  রাতের গ্লাস। মৃতজীবী ছায়ায় সুসংহত 
ক্ষেপনাস্ত্রে দার্শনিক বিরম্বনা। আরো একবার নগ্নতায় ঢাকুক তোমার 
পৃথিবী ,শিখে নিও দীর্ঘায়িত অন্ধকারে কুন্ডলিনীর অশ্রুত সংলাপ।

Wednesday, 27 August 2014

সন্ধানে

 আমাকে ডেকেছিল শঙ্খচিল জীবনানন্দের পাতায়।
অন্য মনে হেঁটেছি  লক্ষ্য বছর। 
সত্যি  হাঁটি নি আদেও !
শুধু ভেবেছি ; নরম বিকেলে ভরন্ত কবিতার মতো ই 
গুছিয়ে রেখেছি বালির কনা। করবীর পাপড়িতে আলতো  ছাপ রেখে 
গেছে মুগ্ধতা। আসলে অযথা মায়ায় তোমায় ফিরে পাওয়ার বিভ্রমে 
ঈশ্বরের  উত্তর খুঁজে চেনা ছকে সমাধান অলীক  বীজগণিত। 
সমস্ত শর্ত নির্বিশেষে ঢেউ এর ডাকে রসকলি ঝিনুকের রং এ ;
মৃত্যুর কাছে জন্ম ঋণ শোধ করা।  আল্পনা আঁকছে চির ধরা রঙিন মেঘ। 
এখন নদীর নতুন পথ খোঁজা।

Thursday, 14 August 2014

SO AGAIN WE LOVE

It's nothing for me to have the moon, pale and masked.
As The spiritual you hides desires , interest creeps up 
To decipher the unknowable truth of introduction and interest.
When the wind gallops on the feet, closely i inspect the heart
Of the earthly you that dances on the floor on moving waltz.
Celebrating the raptures with eyes sparkling and naked lips,
The ocean reflects light of deepest brightness in fabled silence .
So, let us paint  together the April days , dipped into substantial touch.
Only the wise can built the castle of love with fiery wonder.
 

Wednesday, 13 August 2014

স্বীকারোক্তি ইচ্ছার

এত ভুল আসলে হয়েই যায় , নির্বিচারে চুমু খেয়ে।
খুব বেশি বলে ফেললাম কি ? যে কোনো সময় দুরুন্ত ঝড়  আছড়ে  পড়েছে
সমুদ্রের তীরে,  অববাহিকায়। শুধু তোমাকেই সাহস করে বলতে পারি
ক্ষমা না চেয়ে, আরো বহু বছর ভুল করে যাব এই ভাবে।
তুমি যেন ঠিক সব কিছু রেখেছো লুকিয়ে । কুলুঙ্গিতে স্বপ্ন গুলো সাজানো আছে।
দুঃ সংবাদ আগে ভাগে টের  পেয়ে যাওয়ার মতই আন্দাজে
 নিচ্ছ ধরে প্রতারণা। দ্বি প্রহরে salesman  ভাঙিয়েছে স্বপ্ন ঝালানো ঘুম ,
লজ্জার প্রতিবর্ত ক্রিয়ায় একাই হেসেছ বারবার।
এরকমই কোনো দুপুরে চক্ষুদানের  কল্পনা। আরো কতবার জঞ্জালে
ঢেকে দেবে শিহরণ ? রঙ এ ঠাসা বাক্স, অপেক্ষায় ক্যানভাস।
পোর্ট্রেট এরকমই হোক- নষ্ট অভিমানের অহংকারের পলাশ ।


Monday, 11 August 2014

TIED DOWN

i was there,beside the river ,
waiting for the move, 
across the stream, 
on the feverish motion.
dipping the feet,
 in the current, 
to feel the pulse 
of echoing vein, 
that contains the
 unsullied passion.
now the trance is
over.and sadly i
discover,that my boat
 is tied to the shore.
the dream can 
only weave the desires,
generating despair.
 so,now I'm waiting
 for the minute of 
eternal voyage,
 in rotten ecstasy
 and subdued hunger.

নিয়মের চোখে

আমাকে বলে দেওয়া নিয়ম আর শেখানো  নীতিকথা শাসন 
করে চলেছে অনন্তকাল। নিরুপায় সমাজ ছোটো  হচ্ছে রোজ আসিডে ,ধর্ষণে,
খুনে। চোখ ভর্তি খিদে নিয়ে গোগ্রাসে গিলছ তুমি; সভ্যতার মুকুটে 
ভদ্রতার পালকে লুকিয়েছো  ইচ্ছার গুহা। লজ্জা শুধুই তাই একা আমারই!
 ইতিমধ্যে নিয়ম বসাচ্ছে  কার্ফেউ। জমাট বাঁধা জীবনে বিলাপ প্রস্থান প্রত্যাশী । 
কাটিয়ে দিয়েছ সহস্র বছর গবেষণায়,আহ্বানে  সুন্দর আগামী।
 বলতে পেরেছ সংগ্রামের ইতিহাসে রক্ত কতটা দামী।
জীবনকে ছুঁড়ে ফেলেছ কি অবলীলায় মহাকাশে, মাঝ দরিয়ায় !
সময়এর  রুমালে মুছে গেছে যুদ্ধ, ধুয়ে গেছে মৃত ছায়ারা।
বেঁচে যাওয়া ,পড়ে  থাকা বাসী রীতিনীতি  র  অতন্দ্র পাহারা ,
জীবন্ত জীবাশ্মের উচ্ছিস্ট দাফন  দিয়ে অন্ধ সেজে ভন্ডামি 
নিয়মতান্ত্রিকতার উর্ধে  শাসনের জোড়াতালি , সাংবিধানিক সিংহাসনে মহাপুরুষ মহাজ্ঞানী। 

Friday, 8 August 2014

একটু থামুন

আসলে আপনি দেখছেন অনেক কিছুই যদিও ,বাদ যাচ্ছে বেশ কিছুও। 
 অনেক তো দৌড়ালেন ,শেষে হাঁফিয়ে বসে মুখ ঢেকেছেন। ...
ওই ঘেমো  মুখ আর ভিজে যাওয়া শার্ট লেপ্টে গেছে ; 
তখন আশা করেছেন এক মুঠো হাওয়া ধুয়ে যদি দিয়ে যেতো  ক্লেদ।

আপনি দেখেন  হাইওয়ে র  অভিমুখ ,জড়িয়ে নিয়ে অপার সুখ। 
নির্দিষ্ট  ঠিকানা বরাদ্দ জীবনে, ভুল হওয়া মানা। স্বপ্ন গুলো এলার্ম হয়ে 
আপনাকে জাগিয়ে দেয়  । সামান্য খুদের মতো    জীবনে 
ভেঙ্গেছেন বারবার।  ...বরন্চ দৃষ্টি পাল্টে নিন। 

কত সহজ, একবার ফিরে তাকানো সবুজ মাঠে, রামধনু আঁকা আকাশে ;
এলোমেলো রং মাখা মেঘে।দেখুন না তারার গয়না ভরা রাতের শরীর , 
ঘন হয়ে আসা চাঁদের আলো। একটু থামুন , ফিরে দেখুন ,
একা হয়ে যাওয়ার আগে  , চেনা শহরের অচেনা আবরণ। 



 
 

Tuesday, 5 August 2014

কবিতার পর

প্রেমে পড়তে সময় লাগেনি। 
যখন একটা হৃদয়ের অলিন্দে রক্ত প্রবাহ বাড়ে,
শুন্যতা ভরে দেওয়া দিবা  স্বপ্ন গুলো ছোটা  ছুটি
করে , হঠাত নিরবতা ভেঙ্গে গেছিলো  ঠিক সে মুহুর্তে। 
আলো মানে না কোনো সিগনালের  রঙ। 
ভীষণ সত্যি  মনে হওয়া রূপকথারা দিশাহীন ,
কর্তব্যে র তাগিদে মস্তিস্কের  অতন্দ্র বিরোধিতায়
বাঁধ  দিয়েছে অলিন্দ নিলয়। 
পরিধি র কাছে প্রশ্নপত্র হাতে শেষের কবিতা। 

প্রেমে মুক্তি পেতে বড্ড দেরী হয়ে গেলো
সমস্ত গোলাপ, পলাশ , বসন্ত বাতাস ফিরে গেছে 
যে যার মতই ; প্রবন্ধ লিখছে নাস্তিক আত্মবীক্ষায়   ।


Sunday, 3 August 2014

বন্ধু কে

ভাত, শাক , মাছের ঝোলে মাখা রোজকার 
থালায় ঠিক জানা যায়না তুমি থাক কোথায় ?
উঠোনের আতা  গাছের ফাঁকে অথবা পুকুর পাড়ে 
শ্যাওলা পরা  জলে , জং ধরা  জানালার  ফিসফিসানি........
ঘুমের কাঁধে মাথা রেখে নিরুদ্দেশে তুমি এবং ছক  ভাঙা 
জীবন। প্রয়োজন ছিল সেইসব দিনের প্রশ্ন উত্তর। 
উদ্বায়ী যাযাবর আনন্দে গলি পেরিয়ে রাজপথে ,
অন্যমনে  চিরকুটে লেখা জীবনমুখী তোমার ঠোঁটে 
পেলো  ডানা ; অস্থিরতায় ব্যাখ্যা ঝরা পাতার। 
আসুক নেমে অন্ধকার , বারবার; নষ্ট বাতাসে 
সরলতা খাটো  হচ্ছে রোজ। জীর্ণতায়  উড়ছে উত্পাটিত 
ভালবাসা।  ম্যানগ্রোভ এ  শ্বাসমূল নোনতা অস্তিত্বে বাঁচে;
ঠিক তোমার মতই জীবনের কথা বলা শামুক খোল ওড়ে । 
অলৌকিক  আঙ্গিকে জোনাকীরা ভাবগভীর, সুড়ঙ্গে  নদী
লুকিয়ে ফেলেছে  স্রোত , সভ্যতার পূর্বে ফিরে গেছ তুমি।  

Saturday, 2 August 2014

প্রামান্য নথি এবং গবেষণা

আমি একটা সময় ভালোবেসেছি ,
সেটা বলা নির্লজ্জতা , সোনালী মাটির বুকে অন্ধকার নামার পর 
বলা যাবে ,  অনায়াসে বলে দেওয়া 
যাবে ঐতিহাসিক ক্ষমাহীন অপরাধ। 
বিস্ময়ের ওপারে তুমি বিশ্লেষণে আতস কাঁচে র নিচে 
নাড়া চাড়া করে মেপে নেবে সিদ্ধহস্তে। 
জার্নালে টুকে যাবে তথ্য , ত্বত্তের মিনারে কারুকাজ। 
লড়াই  করে জিতে নেবে ছাপানো অক্ষর।
অসহ্য প্রতিযোগিতায় বিজয়ী ঘোষিত , হাসি মুখে ছবি। 
শুন্য পাতা গুলো জমিয়ে তুমি লিখবে বই। 
ইতিহাসের শিক্ষায় আমি পাগল , গবেষণায় তুমি অসম্ভব গুনী। 
অন্ধকারের বীজে  আলোর মতো , 
কিছুটা ধাঁধায়  কফিন বন্দী উপেক্ষা; ব্রেকিং নিউস এ আগামী।


 


Thursday, 31 July 2014

....... নি

ক্লান্তি ক্ষমা চায়নি ,
প্রেম ক্রুসে শেষ নিশ্বাস ফেলেনি।
কত কিছু স্মৃতি বেঁচে থাকেনি,
যদি ও আপস এ বিবাদ মেটেনি।
এবং, যদিও, অথবার দ্বন্দে তাল কাটেনি।
 সমালোচনায় সমাধান মেলেনি।
মৃত্যুর কাছে ভয় পাইনি
এখনো ক্লান্তি ক্ষমা চায়নি।


Wednesday, 30 July 2014

এরকমই

ওই সব আপত কালীন মুহুর্তে , ভাবনারা জ্বলে 
ওঠে মোমবাতির মত। তখন আমি বলবনা বলবনা 
করেও বলে ফেলি , স্বাভাবিক নিয়মে পৃথিবী চললেও 
আমার ছায়াপথ আলাদা , কিছুটা অস্বাভাবিক , যদিও তোমাদের 
দৃষ্টির পরিসীমা নির্ভেজাল নয়,সততা  অভিনয়ে....

ওই সব যুদ্ধকালীন মুহুর্তে , চিন্তারা  শান  দেয়  অভুক্ত 
শরীরে খিদের মত। তখন শত বারণ থাকলেও 
অভিযোগের তীর তাক করি নিরুপায়  অভিমানে 
জোড়াতালি দেওয়া সমাজের গায়ে , বাস্তুদোষ এ ;
সর্বংসহা  অন্ধকারে নখের টুকরো চাঁদ জাগে .......

ওই সব মৃত্যুকালীন মুহুর্তে , উপলব্ধিরা গভীর হয়ে ওঠে 
দার্শনিকের মত। হঠাত করে স্পষ্টতর হয়  ভীর   থেকে 
সরে যাওয়া শ্রেয় ,যদিও প্রেয়  নয়।  ঘৃনা অথবা ভয় 
আলাদা করে রাখে মৃতুকে দিনযাপনের মায়ায় ;
উচ্ছিষ্ট দিনের বিরতিতে অনুশোচনা  প্রক্ষালক প্রাযস্চিত্তে .....

Tuesday, 29 July 2014

শাস্ত্র জ্ঞান

 মোহো -
স্বপ্ন দেখছি রোজ , শুন্যে র বুকে ঘর বাড়ি ,
বাড়ছে পাঁজরে চাহিদার কার্ভ , এক সুত্রে সবই আমার।
চেনা ছকে চলতে গিয়ে গিয়ে হাঁফিয়ে উঠে খুঁজতে বেরিয়েছি 
আরেকটা দেশ [অবশ্যই মধ্যবিত্তের নয়] ,
তোমার বুক ;অল্প চেনা তেই  অনেক কিছুই আজ আমার মুঠোয়। 
 
কাম -
অন্যথায় আমরা দুজনে একক,অভিসারী দৃষ্টিতে সমুদ্র সমান 
ভালবাসা , আলিঙ্গনে নোনতা ব্যস্ততা,- হুবহু তৈরী করছি 
ঠিক যেমনটা শাস্ত্র  বুঝিয়ে দিয়েছে সেই কোন কালে ;
দ্বার আগলে ঢেউ।  সঙ্গী  পাগল বাতাস , 
আঁকড়ে ধরা ছবি , দৃষ্টিহীন সম্বন্ধে উষ্ণতার স্পর্শ। 

লোভ-
অসাধারণ সব মহার্ঘ্য রাতে  হিসাব করছি 
খ্যাপা  ষাঁড় এর লাফালাফি, কাল,আজ , আগামী র সূচকে 
বাজি রেখেছি যাবতীয় সঞ্চয়। একা ঘরে মুক্তি খুঁজি ,
দেওয়ালের  ওপারে পাস ফেরে তৃষ্ণা ; মরে মরুক আক্ষেপে। 
আমার আছে পাওয়ার নেশায় ভাসা , সমুদ্রের ঢেউ এ বাদামের খোলায়। 

মাত্সর্য  -
যখন দেখি চারপাশে সবাই কেমন পাল্টাচ্ছে নিজেকে 
রঙে , ঢঙে , মোবাইলে , ট্যাবে, ছবিতে , বিশ্বাস কর ,
নিজের ওপর ঘেন্নায় কুঁকড়ে যাই। যা কিছু কেনা যায় , 
সব ই তো তোমাদের হাতে।
তবে আমি  বা কেন  নই ? ইস যদি আমিও ....



মদ -
 ভেবে নিতে পারো  যা খুশি , যা শুনেছ  
বিশ্বাস করছ , করতেই পার , আমার কিছু কি এসে যায় ?
প্রতিবারের মতই তো ফিরবে আমার কাছেই , জানা কথা ,
তাও কেন চোখ রাঙানো ? আস্পর্ধা র বাড়াবাড়ি , অযথা ন্যাকামি ?
ভুলে যাও কেন , সবটাই তো আমার , নির্ভরতায় পোষা প্রাণী হওয়া  এখনো  কি বাকি ?


 ক্রোধ 
তুমি আর আমি মোটেই  এক নই। 
একসাথে থাকা মানে এই নয় নিয়ম মানা ....
আদেশ করছ কাকে ? আসলে তো সবটাই      
তোমার খেলা।ভুল বুঝিও  না, আমি সব জানি। 
একটা ভুলের মাশুল গুনছি , আগুনে জ্বলছি। 

 *********************************
 সংযমী  সত্বায়  শ্রদ্ধাস্পদ শাস্ত্রজ্ঞানী।






Monday, 28 July 2014

যুদ্ধের আঙ্গিনায়

গানের মতো  সন্ধ্যে নামলে তোমাকে প্রনাম করি। 
কাজলে সাজিয়ে চোখ , সমর্পনে কিছু কিছু অপটু অঞ্জলি 
গুছিয়ে দিলাম পুণ্য শোক।

মানবিক হাওয়া য়  ভেসে বেড়ানো 
পোড়া  ধুপের উত্সবে সামিল দেব কন্যারা ভীষণ  যুদ্ধের পর 
নতুন করে সাজছে।

মুছে  দিতে  জরায়ুতে যুদ্ধের ঘ্রাণ 
বন্ধ্যা হলো  মৃত সৈনিকের স্ত্রী; সভ্যতার ঘরে হানা দেওয়া লুঠেরা 
দৃষ্টি ফেরায়  ভদ্র মানুষের তথাকথিত বিবেকে।


জীবিত এবং মৃতের কথোপকথনে জ্বলছে তেপান্তর ,

নৈবেদ্যর থালায় ছেঁড়া ফুলের পাপড়ি, প্রতিশোধের 
দেবতা অভিযানে, লাশকাটা ঘরে  উদ্দাম  উল্লাসে   ....

গভীর আলোচনায় বাদি -বিবাদি
সভ্য ঔপনিবেশিকতায়   ঠোকরানো  এপিটাফে। 






কবিতার জন্ম

একটু অন্ধকারের মায়ায় পরক্ষে  খুঁজলাম কবিতা।
আবেগকে দীর্ঘক্ষণ আলিঙ্গন করে মুক্তি দিয়ে লিখতে 
বসেছি প্রতক্ষ্য স্বপ্নের কুটুম্বিতা। সম্ভাবী  আলাপে যে লুকিয়ে ছিল 
এত কথা, জানতে পারিনি। দেখা হওয়ার  পর নিঃশব্দে  কাটলো 
অ -সুখের বিহ্বলতা , আচম্বিতে চিলেকোঠায় বৃষ্টিফোঁটা। 
ভাষা সর্বস্ব  জীবনে ক্লান্ত খাতার পাতায় আঙ্গুল বুলিয়ে 
পরভোজী চিহ্ন  এঁকেছি।  প্রতিবেশী বিবর্ণতা ভরিয়েছিল 
নিকোনো উঠোন।  আপাতত চাপা  আছে পেপার ওয়েটে 
নীতিকথার পান্ডুলিপি। বৃশ্চিক দংশালে  শরীরে কল্পনার আঁকিবুকি। 
খুঁজে পাওয়া গেলো  প্রত্নতাত্ত্বিক শিলালিপি। অবধ্য  অধিকারে
বারবার অদৃশ্য রক্তপাতে ,মাঝরাতে কবিতার উঁকি !

Sunday, 27 July 2014

SOME WAYS TOWARDS ABSENCE

As if I want to forget the diurnal course of love!
On the ride of extravagance, ignoring the pillow
In the blue tinged bed room, engaged  in fight
Against the nightmares and devastation of jarring plight
I divide equally the fractured selves of translucence.

Night knows everything -warmth, hunger, desire and waiting.
Under the tides of stretching moonlight, I behold  at the trapped tears
Looking for the ease of stillness and quietude, twisted substitute
For concluding trepidation; perpetual motionless sight
Which stares at the remembrances of  clustered nothingness.

Now, it is the moment for transient  breath, crumbling spirit.
Hours of eternal distance ,determining the aim of naked hatred,
Fasten the resolutions of blames against unexplained objectives
Of leaving suddenly the ways of survival-the  arena of  light.
Though, the moments, breaching the faiths, earn ambivalence.

In bestiality and unscrupulousness, love topples  losses incandescence !





 .


জন্মদিনে

তোকে দেখে যে সূর্য্য হাসে তা আমি বলবনা। 
তবে তোর  হাসিতেই তো পেলাম সুন্দরের সংজ্ঞা। 
তুই মানবী , অশ্রু তে ঝরে পরে দৈবী  সত্বা। 
তুই বিভ্রমে আকুল হয়ে খুঁজিস এলোমেলো ইচ্ছা দের। 
ফুলের রামধনু আঁকিস মৌনতায় , মুগ্ধ বিকেলে। 
রাতের ব্যালকনি তে জাগিয়ে তুলিস আশাবরীর মহল ,
মুছে নিয়ে রোজকার অদৃষ্টের কালোছাপ। 
এক ফোঁটা  আকাশ জানালায় নামে  কবিতা হয়ে ,
দাঁড়ি , কমা , সেমিকোলনের বন্ধনীতে সিন্দুক করে 
জমিয়েছিস  লবনাক্ততা ।  প্রতিদিনের ভুলের বৃত্তে 
গড়ে নিয়েছিস গোছানো সংসার। না মেটা ক্ষুধায় 
কুড়িয়ে নিলি কাব্যময়তার ছবি , বাস্তবিকই তোর  অহংকার। 
 ভালো থাকার মাঝে ভালবাসার উপসংহার।


 

Saturday, 26 July 2014

বেড়ে ওঠার পর

তখন আমি আরো বড় হয়ে যাব।
ভিড়ের মাঝে মিশে থেকে ভিড় ফুঁড়ে
জেগে উঠবে মাথা , গলা বাড়িয়ে  দেখে নেব
অপরাধ , হিংসার ছাঁচে ঢালা নীল  জন্ম, শরীর গলা ইতিহাস
আগুন ঝলসানো আকাশে মেঘ হয়ে উঁকি দেবো।
তখন আমি তোমার থেকেও বেশি অভিমানী হব।
যতটা অভিমান গচ্ছিত রেখেছ উপার্জনের পর.....
বিন্দু বিন্দু, টিপ টাপ আশ্লেষে আয়োজনে ত্রুটি তো রাখোনি।

অথচ তুমি জাননা বড় হচ্ছি আমিও। 
দেখাতে পারি আমিও স্বর্গের সিঁড়ি। 
দামোদরের কালো তটে  বিষন্ন  মনোলগ এ  অস্ত্র 
শানাচ্ছে ক্ষোভ এবং প্রতারণা । 

দগ্ধ হতে হতে বড় হয়ে গেছি  ......

নিবিড়  করে পেয়ে গেলাম ঘোর  হতাশা। 
বড় হয়ে গেছি , বুঝিয়ে দিলো  মহাকাব্যে 
সীতা  , দ্রৌপদীর  সহনশীলতা  !






মুখ এবং মুখোশ

মুখ আর মুখোশ  মিলে  গেলো।
সমীকরণে পরে থাকলো শুন্য।
মুখ দেখতে চাই না এখন ,
মুখোশ টা  ঢের  ভালো।
নগ্ন মুখ আকর্ষনীয়  নয়
সাজানো মুখে প্রতিফলিত অন্ধকারে
অবিকৃত মোহো।  মুখ ঢেকে নিলাম
মুখোশে তাই , শেষবারের মতো।  

সাজানো আবর্তে

"তোমার ছবি বেশ সুন্দর" , চিরকুটে জানালে তুমি। 
আচ্ছা ছবির থেকে জীবন্ত মানুষ কি কম ভালো ?
ছবিতে ঘাম নেই, কান্না নেই, বুনো গন্ধ নেই। 
দোষ  চোখে পরবেনা, দেখা যাবেনা দৈনন্দিন চড়া দাগের সীমা।
রোজকার নালিশ অথবা খুঁত গুলো এড়ানো বেশ সোজা। 

শুধু মাত্র এক ঢাল কালো চুল ঢেকেছে পিঠ ,
তোমার কল্পনার বাসা এলিয়ে পরেছে কাঁধের ওপর।
হাসি ছড়াচ্ছে  সদ্দ্য স্কেলিং করা incisors  থেকে canine 
মাপ মতো  দৈর্ঘ্য প্রস্থে। ভঙ্গিমাতে তুমি খুঁজে পেলে আপ্যায়ন। 
"আচ্ছা তুমি খুব ফর্সা না?" অধর্য্য প্রশ্নে, জানবার অদম্য ইচ্ছায়
তুমি জানতে চেয়েছিলে, না নিজের উত্তর নিজেই পাবে এনিয়ে 
আত্মবিশ্বাসী ছিলে , সেটা স্পষ্ট হয়নি।

এপারে বসে ভেবেছি  আসলে সবটাই তো ফটোশপ এর ষড়যন্ত্র। 
তোমার কাছে ফর্সা হওয়া নিয়মতান্ত্রিক প্রবাদ।

প্রোফাইল পিকচার এ ধুলো পরবেনা। 
বারবার পাল্টাচ্ছি রূপ , বহুরূপী আমি 
দুনিয়ার সামনে নিজেকে ঢেকে রেখেছি....
বিজ্ঞাপনের  রং মিশিয়ে। শূন্যস্থানের ব্যাপ্তি অনেক বড়। 
ফেসবুকে সেতু সেরকম ই এক ছবির হাসি , 
ধ্যানমগ্ন প্রহেলিকায়  প্রসংশা  কুড়াচ্ছি  রোজ। 
সাজানো জগতে জীবন্ত আমি 'র  ছবি মূল্য পাচ্ছে  বেশ বেশী ই।



Friday, 25 July 2014

তুলনামূলক

আমি কিন্তু তোমার মতোই !

একা একা বাঁচি -কফির কাপে ,
বইয়ের পাতায় , ট্রেনের জানালায়।
 আমি কিন্তু হাসি -একচিলতে
ঝুলে থাকা হাসি ঠোঁটের কোনায়
চিবুকে , তবে উপেক্ষার নয়।
আমি কিন্তু আঁকি - গাছপালা ,
পাহাড় , নদী , ঝরনা কে বাদ দিলে
আর যা কিছু পরে থাকে-
 ঈশ্বরের  বাগানে উপলব্ধ নয়।

এ যাবৎ  সব ছিল তোমার মতোই আমার।

গতবছর এই দিন থেকে আমি কাঁদতে শিখেছি .....
ভালবাসতে বাসতে রেড ওয়াইন নিয়ে বোদলেয়ার
শিরায় শিরায়।  ঝাঁপিয়ে বৃষ্টি আসে আমার বুকে।
স্থাবর  অন্ধকারে অনাসক্ত হয়ে থাকতে পারলাম কই  ?



আমি কিন্তু তোমার মত নই !

PAINTED SKY


Wednesday, 23 July 2014

NONCHALANCE

Irony lies in the fact that in front of news channels  , chatting with friends or eating sumptuous dinner in buddy's house, we stare at the mangled bodies, limbs torn apart, smeared with blood and dust. Can the civilization differentiate between chewing vigorously chicken leg piece and watching news from the war front passively, eating food and sipping drink? does the civilization deserve it?

অস্নেহে

যখন তখন ইচ্ছে হয় তোমার বাড়ি পৌঁছে  চমকে দিতে। 
অনাহুত , অনভিপ্রেত হলাম ই বা , ব্যথা লাগুক অযাচিত 
উপেক্ষায়।  ছোটো  ছোটো  আল্হাদেরা পোষা নরম বিড়াল।  
গুটি সুটি  মেরে দলা পাকাচ্ছে  রোমশ কষ্ট। 
যখন তখন মাথা খারাপ হলে টের  পেয়ে সবাই ,
 কেমন যেন তাকায় সন্দেহ নিরসনের আকাঙ্খায় । 
আমি বুঝিনা, মনোভিষ্ট র দৌড়ে  পাল্লা দিয়ে ছুটি।
জন্মভূমি যখন বধ্যভূমি , সম্পর্করা ঋণের দায়ে দেউলিয়া .....
 অবশ্য  তখনও  একটা লবনাক্ত  চুমুর অপেক্ষায় অন্ধকারে!
দাহ্য  কবিতায় শরীরের নিস্কৃতি , ভুলের ফাঁকতাল গলিয়ে দূরদৃষ্টি 
দিয়ে দেখে নিলাম তত্ববধায়ক ভবিষ্যতের  স্তব্ধতা । 
বিশুষ্ক দৃষ্টি তোমার , অনবদ্য আত্মকেন্দ্রিক নির্লিপ্ততা।






JUSTIFYING

 Few pages are remained to be turned. 
 Some passages need further explanation too.
In conversation we must seek for eloquence.
In pursuit of the landscape with winding river 
Or dozing while listening to the song at the bar,
Those undisclosed curves in black desire for consideration
When the sagging hopes measure the fathom of contemplation.

It's least significant to prioritize the words of dream.
In dying ember, sparks groan in hope to be fuelled up .
The secrets of letting dissolve the affliction in smile 
Can never be written or taught in classroom or museum.
So, the pages are still there, mute, undisclosed, unobserved.
You can only murmur the lullaby to the silent drifted currents
Of insomniac conscience and nothingness of lamentation,
Or get hold of crumbling freedom and crystalline salvation.



Tuesday, 22 July 2014

মোহো

তোমাকে ভালোবেসে  হাজার  বছরের পথ পেরিয়েছে এক কবি। 
তোমার সুখে- অসুখে মন খারাপ করা কবিতায় শাড়ী র  আঁচলে 
মেঘলা বিকেল এঁকেছে আপনভোলা নগর। 
তোমাকে ছেড়ে যাবেনা -তাই সুনীলের কবিতায় 
সদ্দ্য কলেজ পেরোনো যুবক জানালার পাশে। 
তোমার আকাশে রামধনু বারবেলায় বিবোধিত। 
পর্যবেক্ষণে দিগন্তরালে একা চিলের চক্কর।
নিরবলম্বন  উপস্থিতি তোমার , এক কবির কলমে 
আজন্মে হাহাকার।ফিরে পাওয়ার  ব্যর্থ্য চাহিদার 
কী  দুঃসহ প্রকাশ। অবয়বহীন দম্ভে রোজ তুমি বাঁচ;
দুক্ষান্বিত কবিতার  মায়ারাজ্যে তোমার ফরমানে 
মধ্যরাতে সাধ্যাতীত প্রচেষ্টায় কল্পনার নিবেশনে 
মুচলেকা দিলাম , ভালোবেসে একতরফা ,
নিজের মধ্যে গুমড়ে  থেকে কবিতা লেখার ,
প্লাবনের  দীর্ঘশ্বাসে  আইন ভাঙ্গার।


ঘুম ভাঙ্গার পরে

 ঘুম ভাঙ্গছে  একক চেতনায় , চেনা ছবিতে 
রং দিলাম ঢেলে , পাওয়া গেলো  দিন রাত্রির 
ছেঁড়া ছেঁড়া  রঙ্গিলা বাক্যালাপ।  গোধুলির ফিরে যাওয়া পথের 
পটে আঁকা   ইতিহাস, বাদবাকি গল্প হয়ে গেঁথে যাওয়া 
ধোঁয়াশা রা দোলনায় দুলছে তোমার  অপেক্ষায়। 
 যতক্ষণ না ঘুমন্ত তর্ক রা জাগছে 
অথবা প্রত্যয়িত যুক্তি এসে কড়া  নাড়ছে  দরজায় ,
ঠোঁট মুচড়ে হেসে উঠি শঙ্খিনী র ছায়ায়। 

LIFE, PAIN AND CHALLLENGE

The life, oozing out of the books,
The life, flashing like the thunder in darkness,
The life, emerging out, from  the cup of cognition,
Utter the verdict of ever going impeachment.

The pain,breathing celebrations and extravagance,
The pain,bubbling up  from strenuous advancement,
The pain, breaking the core of heart into thousand pieces
Whisper the essence of terrible lonliness.

The challenge, summoning thunder,
The challenge, begetting the segregated self,
The challenge, writing the contradictions,
Covet for the delayed deliverance.

 

Monday, 21 July 2014

WAITING FOR.........

I'm waiting here  like the blank page .
Breathing in silence; to the darkness
I write the intimate pain, -the hours of
Lust and the minutes of lost daylight.
Forging the strangeness with the voice,
That whispers the memories of song, 
That has transgressed the law and order 
Of olden days by echoing the sadness 
Along with keeping together  the instinct, that
Need to be explained against the ethics or metaphysics.

I have lived many years, through many summers 
Burgeoned with leaves and flowers.
Yah, I can still remember  the crabs on the shore,
Running towards the waves of frothy ocean ,
Or the turtles, hiding under the swollen beach
For desired warmth, expectation and to leave
The future amidst unknown.

The endless beating up of the windy night,
The tiny sparkles of the stars, and thrifty moonshine,
Carry the tomb in the chest of shadowy darkness forlorn.
Upon the blurring line between  the salt and shore,
Planting the hope of death and oblivion,
I wait.like the paper, to be written by the 
Hands of  smooth sleep, till the end of the blinding 
Treachery ,drifted belief and  restless invasion.


 

যাঁরা হঠাত করেই খাওয়াতে চায়

  হাঁটু মুড়ে বসো, মুড়িমাখা হাতে দেবো- ঝাল মুড়ি। চিবিয়ে চিবিয়ে খাবে সাথে আচারের টুকরো আম। পা ছড়িয়ে বসো তারপর, মেলে দাও গল্পের শাড়ি। অবাক বিস্...