Tuesday, 30 April 2019

প্রার্থনা

আমাদের প্রার্থনা গুলো কে এসো ভাগ করে নি।
যেসব প্রার্থনা ঈশ্বরের কানে পৌঁছায় না ,সেগুলো নিশ্চয়
ঈশ্বরের বিচার্য নয়।
বরং সেই সব না প্রার্থনা রা রাস্তায় ঝরে পড়ার আগে
কুড়িয়ে নি চলো।
তারপর মাখিয়ে দি  ভালোবাসায়, বন্ধুতায়।
একেক করে সব রোগ গুলো সেরে যাবে এই আশায়।
একা ঈশ্বর এর সিংহাসনে মানুষ না হয় বসুক।
মানুষের মানবিক হওয়ার যোগ্যতা ঐশ্বরিক হওয়ার
থেকে কিন্তু কিছু কম নয়।
প্রার্থনা গুলো কেকের মতো কেটে নিয়ে পৌঁছে দিয়ে
ফেরার পথে দেখবে কোনো মৃত মানুষ নবজাতকের
কাছে , বেঁচে ফেরা সৈনিকের কাছে রেখে গেছে
জল,আলো ,বাতাস। গচ্ছিত নয়, ভোগ দখলের অধিকারে।
প্রার্থনা এরকমই হোক ,তোমার উচ্চারণে আমার
বেঁচে থাকার প্রতিশ্রুতি।
ভাগ করে নিতে আমাদের সদিচ্ছা অথবা স্বপ্নগুলি।

Wednesday, 27 March 2019

এটাও চৈত্র

একটা চৈত্র এক সময় বসন্ত দিয়েছে।
আরেকটা এনেছিল বিপ্লব।
অন্য চৈত্র দিয়েছিল প্রেমিক প্রেমিকাকে লবণের স্বাদ।
আবার সেই চৈত্রই কখন যেন
একলা হয়ে কাঁদিয়েছিলো।

হাওয়া হালকা হচ্ছিল সেইসব দিনে,
যে সময় গুলো গলি পথ ধরে
কড়া নেড়েছিলো ঘুন ধরা দরজায়।
সাহস জুগিয়ে ছিল আবৃত মুখে।
ভাষা পেয়েছিল তারা , কবিতার মুখরতায়।
এরপর পাক খেতে সেই হাওয়া ভারী হলো ধুলো কালি বিষ নিঃশ্বাসের স্থূলতায়।

সেই চৈত্র ফিরে এলো আবার।
না কোনো প্রেমের ইশারায় নয়।
জ্বলে যাওয়া ঠোঁট বা শব এর
বিভৎস্যতায়।

Sunday, 17 February 2019

পোল

ইলেক্ট্রিক তার গুলো পোলের ওপর গা এলিয়ে দিয়েছে। বিপজ্জনক  লেখা প্রতি টি পোল বয়ে নিয়ে যাচ্ছে বিদ্যুতের সংকেত। চূর্ণী বিকেল বেলায় মেয়েকে প্রত্যেকদিন খেলতে নিয়ে এসে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে দেখে স্তম্ভ গুলোকে। উচ্চতা বরাবরই ওকে ভাবায়।যেমন ভাবাত বিকীর্ণ। 6ফুট 1ইঞ্চি লম্বা বিকীর্ণ র গায়ে জড়িয়ে থেকে ও পৌঁছত অলীক দেশ বা তেপান্তর পেরিয়ে সুউচ্চ শিখরে।
আলোর নিচে কালো থাকার মতোই প্রতিটা ভালোর আড়ালে লুকিয়ে থাকে statutory warning। বিকীর্ণ ছিল কিছুটা সেরকম। অসাধারণ রূপবান বিকীর্ণ র যথার্থ প্রতিফলন কুর্চি, চুর্নিও মাঝে মাঝে অবাক হয়ে দেখে মেয়ের মধ্যে প্রবাহিত বিকীর্ণ র প্যাটার্ন। বিকীর্ণ র ফোনের ও প্যাটার্ন লক ছিল। খোলার চেষ্টা করেছিল ও । পেরেওছিলো। কিন্তু সব প্যাটার্ন এর ই কিছু বিপজ্জনক অনুচ্চারিত অনুলেখনি থাকে। হ্যাঁ, তার হাত পুড়েছিল।
পোল গুলোকে সে দেখে, ছোঁয় না। তবুও বারবার কাছে যায়। হাত ফিরিয়ে নেয় আবার। কে জানে আবার যদি সে হয় বিদ্যুতের শিকার।

যাঁরা হঠাত করেই খাওয়াতে চায়

  হাঁটু মুড়ে বসো, মুড়িমাখা হাতে দেবো- ঝাল মুড়ি। চিবিয়ে চিবিয়ে খাবে সাথে আচারের টুকরো আম। পা ছড়িয়ে বসো তারপর, মেলে দাও গল্পের শাড়ি। অবাক বিস্...