একটা চৈত্র এক সময় বসন্ত দিয়েছে।
আরেকটা এনেছিল বিপ্লব।
অন্য চৈত্র দিয়েছিল প্রেমিক প্রেমিকাকে লবণের স্বাদ।
আবার সেই চৈত্রই কখন যেন
একলা হয়ে কাঁদিয়েছিলো।
হাওয়া হালকা হচ্ছিল সেইসব দিনে,
যে সময় গুলো গলি পথ ধরে
কড়া নেড়েছিলো ঘুন ধরা দরজায়।
সাহস জুগিয়ে ছিল আবৃত মুখে।
ভাষা পেয়েছিল তারা , কবিতার মুখরতায়।
এরপর পাক খেতে সেই হাওয়া ভারী হলো ধুলো কালি বিষ নিঃশ্বাসের স্থূলতায়।
সেই চৈত্র ফিরে এলো আবার।
না কোনো প্রেমের ইশারায় নয়।
জ্বলে যাওয়া ঠোঁট বা শব এর
বিভৎস্যতায়।