Tuesday, 27 December 2016

বাবা

যে পথে হাঁটতেন বাবা
সে রাস্তায় আসি বিশ্রাম নিতে।
কোনো কোনো পথ সড়ক না
হয়ে গলি হয়ে যায়।
বাবাকে খুঁজে পাই বারবার।
গলির মোড় যেখানে রাস্তায় মেশে
একটা শ্বেত টগর ,ফুলে জড়িয়ে রাখে নিজেকে।
ঠিক যেমন আমার বাবা গায়ে জড়িয়ে
রাখতেন বেশ পুরোনো ঘিয়ে রঙা কাশ্মীরি শাল।

বাবা অপেক্ষায় থাকেন জানালার পাশে;
অচেনা সড়কের গতি ফুরালে
ক্লান্ত পিঠের আশ্রয়।
সেই ফুলধরা গাছ হয়ে-ছায়ার অঙ্গীকার।

Sunday, 25 December 2016

যে রকম দেখছি

ঈশ্বর হাসেন
মানুষের অভিনয়ে।
কবি লেখেন
চরিত্রের নিরাময়ে।
অ-সুখ ,ক্ষোভ
বিক্রি হয়
দৈনন্দিন সংলাপে।

Friday, 23 December 2016

পাল্টে নেওয়ার পর

মাঝে মাঝে চোখও পর্ণমোচী হয়।
বদলায় দৃষ্টি।

অসম্পৃক্ত ভাবনার আড়ালে
ক্ষুধাতুর কাতরতা অবনত।
আরও বেশ  কিছু চিন্তারা ঝরে যায়।
বিরতি নিলো ভালোবাসারা-
উন্মুক্ত কিছু পড়ে থাকা ক্ষত।

Tuesday, 20 December 2016

এগিয়ে চল

ঢেউ এর ভাঁজে আলো মিশলে
রং গোলা জল।
জলে লুকিয়ে গল্প সহস্র কোটি বছর।
যতদূর যেতে যেতে তরঙ্গ শেষ হয়
ততখানি পথ হাঁটছি রোজ- সময় অসময়।
বারুদ ঠাসা জীবন পিং পং বল।
জলের অভিসারে বরং একটু এগিয়ে চল।

ঢেউয়ের সাপেক্ষে জীবন বাঁচুক।
প্রাণ ফেরাক কোলাহল।

Saturday, 17 December 2016

To the Birthday Boy:My Hubby

And the moment is near
Knocking on the door.
The candles illuminated
Shinning like the stars
That cometh on the sky
With thousands hopes.
The trinkets of life
Jingling with passion
And myriads reflection
That make the prism
Of every bit , winking endlessly
For ushering you into
The vast vista of eternity
By bestowing you
With the new promises handful.
The segment of time,
Tiny lines of distance
And the fragrant mist
Of the kisses to be cherished
With you along.the only you
Whose days will be renewed
With the flavour of peace
Love and prosperity.
And here me to say

HAPPY BIRTH DAY TO YOU!

Friday, 16 December 2016

জরুরি

জন্ম নিক নিঃশব্দ প্রতিবাদ।
ডিজেল পোড়া শ্বাসের হোঁচটে নয়।
ধুয়ে নিলে ফুসফুস কবিতার জন্ম দেয়।
ভালোবাসার অভিমান,খিদের নয়;
খিদের মতোই প্রতিরোধ স্পষ্ট হোক
দুঃসাহসের কাঠগড়ায়।

এখন

মিঠে রোদে মন পোড়ে।
বাকি ভালোবাসা গুলো...
আগুন জ্বেলো কাশফুলে
কুঁড়ে ঘরে নিভু আঁচে।
  ঋণ বেঁধেছি আঁচলের খুঁটে।
বুকে কুয়াশার চাদর মুড়ে
তাকিয়েছি বারবার-
সাজানো জীবন ছেড়ে
ফাঁক গলে খুঁজে নিতে
উত্তাপের সমাহার।

Monday, 5 December 2016

বিকেলে

দিনের আলো শুকোলে
ক্লান্ত কুয়াশারা নেমে আসে।
ধুলোর ঝালোরে হাই তোলে নিয়ন।
ধোঁয়ার চাদর মুড়ে দেয় গলি।
শ্বাপদ শিশুরা ঘুমায়
থমকায় ট্রাক।সোনালী ইশারায়
কয়েক বিন্দু শিশির
জমে।পাতায় চোখে অথবা
আরো গভীর কোথাও।

রূপান্তর

কিছু কিছু মৃত্যু জীবন কে থামিয়ে ভীষণ জীবন্ত হয়ে ওঠে।
তর্ক বিতর্ক ছাপিয়ে জমে ওঠে ফুল।
শ্বাস প্রশ্বাস ইতিহাস হয়ে ওঠার পর
সাহিত্য খোঁজে দর্শন।
তারপর রূপকথা -অবিশ্বাস আধো বিশ্বাস।
প্রবাদ প্রতিম , মূর্তি হয়ে দাঁড়ায় চৌরাস্তার মোড়ে।
সূর্যের অবস্থানে ছায়া গলে পড়ে
পূবে, দক্ষিণে ,পশ্চিমে।
সেখানে আমি ,তুমি ,সে -আশ্রয় নেয়।
কিন্ত ছায়ার জন্ম রোধী রোদ
মূর্তির মাথার উপরে এলে
ক্লান্ত ভিখারিও ত্যাগ করে স্ট্যাচু র কঙ্কাল।

শহরের মিছিল ঝলসায় পাদদেশে।
নেতার বয়ান শানাচ্ছে বর্তমান।

হা -ঘরে জনতার চোখে নেতার জন্ম হয়।
মন্ত্রী ঘুমালে   মূর্তির আবির্ভাব।
দৃশ্যতই  দৈনিক ভাবলেশ হীনতায়।

যাঁরা হঠাত করেই খাওয়াতে চায়

  হাঁটু মুড়ে বসো, মুড়িমাখা হাতে দেবো- ঝাল মুড়ি। চিবিয়ে চিবিয়ে খাবে সাথে আচারের টুকরো আম। পা ছড়িয়ে বসো তারপর, মেলে দাও গল্পের শাড়ি। অবাক বিস্...