Saturday, 23 December 2017

অভ্যন্তরে

sabornichakraborty.blogspot.com/in

কিছু পথ দূরে হেঁটে যায়।
জানা কিছু শেষ হয় গলির মোড়ে।
মাথা নিচু করে যে পথ লুকিয়েছে
গভীর কোথাও, সে পথে অনেক গল্প
লুকিয়ে;চোখের আড়ালে বাঁচে অনুভব।
আমার একলা জানালায়
তার নিত্য আনাগোনায় পথে
ধুলো জমেনি কোথাও।
শুধু চলে গেছে 10 টা বছর।
আমার আর তার, সেই বিস্মৃত
আগস্টের বিকেলে দুচাকার হাইওয়ে।
অভ্যন্তরের ছায়াপথ।

Monday, 27 November 2017

তখন - এখন

দরজায় এখন আর কেউ কড়া নাড়ে না।
আসলে কড়া এখন রাখা দস্তুর নয়।
ডোর বেল বাজে, ভিতরে লোক আছে নাকি
তালা সে যখন বোঝার উপায় নেই, তখন অপেক্ষা
করেই দেখা যাক।

সিঁড়ির ভাঁজে পায়ের শব্দ শুনলে অপেক্ষায় কেউ
কান পাতেনা। কোথায় কে সব জানে গুগুল, অদৃশ্য কাঁপা তরঙ্গে জানায় যেসব বন্ধুরা খুব কাছে
তাদের হাত ঈশারায় ডাকা যাক।

চিঠি র অপেক্ষা পেন ফ্রেন্ড ,সদ্য কৈশোর পিওন এর সাইকেল এ ক্রিং ক্রিং শোনেনি। মেসেঞ্জার এর
পিং এর মত আওয়াজ কি?ধারণা নেই।
চিঠি কমনীয় উষ্ণতা ভোলা যাক।

Sunday, 26 November 2017

সময় ফুরাচ্ছে দ্রুত

কত কিছু যে করার বাকী।
দিন ফুরিয়ে যাওয়ার আগে
সব কাজ শেষ করে ফেলার টার্গেট নিয়ে এগোতে দেখি বেলা শেষ হয়ে এলো, তবুও এগোতে পারিনি একচুলও। সেই একই জায়গায় দাঁড়িয়ে আছি। অর্থহীন জীবন তবুও মরুভূমি হয়নি।
স্বপ্ন দেখার অভ্যেসে প্রতিদিন জল পাচ্ছে সময়।
তীব্র ,ভীষণ তীব্র একটা ছটফটানি কামড়াচ্ছে ঘিলু।
পাপবোধ নাকি অমেরুদন্ডী সহনীয়তা অন্দরের মানুষ টাকে শেষ করছে রোজ?
এখন এই বোধ ঘিরে ধরে-
আমি কী, অথবা কেন?

Sunday, 19 November 2017

মন খারাপ কে

মন খারাপ-তুই দূরে থাক।
একটা হিংসুটে দুস্টু পাজি বজ্জাত।
নিজের কোনো রং নেই।
আমার আছে অনেক রং
লাল হলুদ কমলা বেগুনি
আসমানি নীল রামধনু একঝুড়ি।
মাঝে মাঝে কেড়ে নিতে, চুরি করতে
তুই চলে আসিস নির্লজ্জ।

অনেকগুলো সময় পুড়িয়ে মন খারাপ
তুই ভাবেছিলিস রং আমার শেষ।
কিন্তু কতটা ভুল তুই নিজেই ভাবিস বল?
নাহলে দেখ যেই আমি তুলি ধরলাম তুই
ঢাকলি মুখ, যেই আমি নিজেকে সাজালাম
তুই পিছিয়ে গেলি কয়েক পা।
এখন আমি আঁচড় কাটতে শিখেছি।
বেসুরো গলায় গলা সাধার পর থেকে
তুই বেপাত্তা। এলোমেলো নাচ শুরু করতেই
পায়ে লাগলো মোচড়। সেই দেখে তোর কি
হাসি, ভাবখানা এমন যেন বেশ হয়েছে, এবার
ব্যথার সাথে আমি বসবো জাঁকিয়ে।

আরে হিংসুটি তুই জানিস না।
সৃষ্টির রং ধুয়ে দেয় তোর কালিমা, অগোচরে তোরই।

Thursday, 16 November 2017

শিশু দিবসে নিজেকে

বয়স বাড়ছে চুলে পাক।
সমাজ বলছে গম্ভীর থাক।
মা বলছে হয়েছ বড়।
বকবক টা কমাও আরও।
পেশার দাবী বিজ্ঞ হও।
টাকা বলছে হিসেবি হও।
সংসার চায় সব কিছুই
সময় , শরীর যা আছে তাই।

হয়েছি বড় অনেক জ্বালা
বিরক্তি আর রাগ মেশাই।
তবুও কিন্তু ফিক ফিক ফিক
হাসছি দেখো বাচ্চা তাই।

Saturday, 30 September 2017

অনুসন্ধান


এই যে দেখছ কত সহজে তেতো র থেকেও ভয়ানক ঘটনা ভাতের থালায় চটকে গিলে ফেললে।
আবার শুনে অম্বল হলেও জোয়ান আদার আরকে দিব্বি তো হজম করে ফেললে আধ্যাত্নিক খুন -ধর্ষণ।
গরম তেলের মধ্যে জল পড়লে চিড় চিড় আওয়াজে হলুদ ফেলে দাও একটু। আওয়াজ থেমে যাবে।

কিন্তু মাঝরাতে ভুখা পেটা নেড়ি কুকুর রা ঠিক চিৎকার করবে, অচেনা কেউ পাড়ার গলিতে মুখ ঢোকালে।
সে তুমি কুকুর , কুত্তা যাই বলো,সারমেয় র নিশ্চিত স্বর্গপ্রাপ্তি তো আটকাতে পারবেনা। তোমার ঘুম ভাঙবে, অবশ চোখ না খুলেই পাশ ফিরে আবার ততোধিক গভীর নিদ্রায়।

ওই লালু ভুলু কালু থামতে শিখেনি , ওদের যাত্রা পথ
গলিপথ পেরিয়ে মুক্তি খোঁজে ।
যুধিষ্ঠির ও নরক দেখেছিলেন, এখনো সবাই দেখে মাছের চোখ নিয়ে।

ধার্মিক শীৎকার চাপা পড়ার পর, পাড়ার কুকুর জেগে থাকে-বোধহয় ছায়াপথে স্বর্গ খোঁজে।

Thursday, 10 August 2017

As much as in life and death

When the endless waiting chews slowly
When the final is over, yet the result is like the waiting list of a train, meandering far.
Throbbing with hopes and despair,the dilemma hangs on the time.the foetus is safe within the womb and the dead is kept within the vault, both the places are immune to light.
Yet the child is divine, and the dead don't mind. Life tracks the beat - pounding heart beats and quivering lips.

Life hinges on engulfing waiting.

Sunday, 6 August 2017

আমার শহর তোমার শহর

ভিড় চেনায় জীবন।
কোলাহল আঁকে ছবি।
শপথে মিছিল হাঁটে
তোমার আমার আলাদা শহর
পূবদক্ষিনে রাখা।
পথ পেরিয়েও তোমার শহর
তবু কত চেনা, কত জানা।
তুমি ই তো সেই মানুষ
প্রত্যয়ী আশাবাদী।
ঘুম ভেঙে রোজ চলা শুরু
যার, আস্তিনে ঘাম মুছে।
শব্দ টাও তো আলাদা হয়না
তেলে ফোড়ন দিলে।

সত্যি তুমি পর নও
প্রতিদিন ওঠ বেঁচে।
আমরা সবাই সাধারন তাই
হিসেব শেষে মেলে।

Wednesday, 26 July 2017

ত্রুটি মার্জনীয়

যে পথে মিছিল হাঁটে
পতাকায় মুড়ে।
খানা খন্দ ফোঁকড় যা আছে
থাকুক বেঁচে বেড়ে।
প্রতিশ্রুতি প্রতিজ্ঞা নয়।
থাকে বোঝার ভুল।
আশা কেবল ফাঁকি
শুধু দুঃখের মূল।
সমাধানে সব শেষ
সমস্যায় বাঁচা।
জীবনে গোল খেলে
অংকে বড়ো কাঁচা।
তর্ক বিতর্কে জমে
সন্ধ্যা আসর।
নেপোয় মারে দই
ফুরালে ভোট বাসর।

Friday, 7 July 2017

মেয়েটি

যে মেয়েটি সাজে, কাজল চোখে টান
যে মেয়েটি গলা ছেড়ে গায় গান
হোক না বেসুরো, তবুও দিয়ে মন প্রাণ।
সেই একটি কন্যে, যে লেখে মনের কোণে,
আলপনা দেয় খাতার পাতায় নীল কলমের টানে।
সেই মেয়েটি খুব চেনা, তবুও অচেনা রয়ে যায়
যুদ্ধ শেষে , সব হারিয়ে তবুও বাঁচতে চায়।

বাঁচতে হবে যখন যেমন জীবন সুযোগ দেয়।
একটা দিন চলে যাওয়া? সব হারানো নয়।
সাপটে নিয়ে দিনগুলো সব চেটে পুটে খাই।
একটা জীবন, জানালা অনেক, খোলা হাওয়া চাই।

সেই মেয়েটি যেকোনো মেয়ে -সে, বা তুমি, আমি,
নিজের প্রতি ভালোবাসা, সে যে ভীষণ দামী।

দেবী এবং সেলফি

একদা হইলো ঝগড়া ভীষণ ডেলফি শহরে বসিয়া।
এথেনা কহিলেন ওগো দেব তুমি আছো অজ্ঞাত রহিয়া?
চমকিয়া কন দেবতা এপোলো এ কি কহিতেছ দেবী।
নিশ্চই দেব, ভাবিয়া দেখুন ভুল কি কহিলাম আমি।
চির যৌবনা, স্নিগ্ধ শোভিতা ,রূপবতী দেবী হইয়া
এ জীবন মোর বৃথাই রহিল সেলফি ব্যতীত হইয়া।

Wednesday, 5 July 2017

জঙ্গি

বাবা জঙ্গিরা দেখতে কেমন হয়?
তিন বছরের মেয়ের লাল টুকটুকে ঠোঁটে কঠিন প্রশ্ন বাবাকে বেশ বিব্রত করে। বাবা বলেন "মা , জঙ্গি রা আমাদের মতোই দেখতে, কিন্তু ওদের ইয়া বড় বড় দাড়ি থাকে, আর চোখ গুলো লাল, তোকে পেলে খেয়ে নেবে ওদের এত বড় হাঁ।ওরা শান্ত মানুষ কে মারে, মেরেই ফেলে" ছোট্ট মেয়েটি বাবার কথা শুনে চোখ  বড় করে, তার ওই চোখ জঙ্গিদের চেহারার বিশালতা মাপার চেষ্টা করে। "আচ্ছা বাবা, তাহলে পাশের বাড়ির দাদুর ও তো অনেক বড় দাড়ি, আর কার্তিক কাকু রোজ বাড়ি ফেরে চোখ লাল হয়ে থাকে, গায়ে কি গন্ধ বিচ্ছিরি, তাহলে দাদু আর কাকু দুজনেই কি জঙ্গি"?হটাৎ এরকম প্রশ্নে বাবা হকচকিয়ে যান। "না মা, তা হবে কেন, ওরা তো ভালো লোক"।বাচ্ছা রা সব সময় যা শোনে তাকে বাস্তবের সাথে মিলিয়ে নিতে চায়।না পারলে কল্পনার হেঁসেলে হাত বাড়ায়। ফুল নামের মেয়েটিও তার ব্যতিক্রম নয়। "জানতো বাবা ঝুনু মেসো মাসি কে রোজ মারে, মাসি মা কে কেঁদে বলছিল। দেখো বাবা মাসি বড় হয়ে গেছে, দুস্টুমিও করেনা আমার মতো, তাও মেসো মারে,তাহলে মেসো ও জঙ্গি। " বাবা দেখলেন ভারী বিপদ হলো তো? একটু থেমে মেয়ের কোঁকড়ানো চুল ঘেঁটে পরম যত্নে মেয়ে কে বুকে বসায়। "কি জানতো মা, জঙ্গীরা যখন বোম ফাটায়, মানুষ মরে ওরা মন্ত্র বলে।" "কি মন্ত্র বাবা?" "যে মিন্ত্র দিয়ে কাউকে একদম ভ্যানিশ করে দেয়া যায়, সে আর কথা বলতে পারেনা, নড়তে ও না,তারার দেশে চলে যায়।" মেয়ে ভাবে তারার দেশ এ গিয়ে সবাই নিশ্চয় খুব কষ্টে থাকে। সে বাবাকে বলে "বাবা, তুমি দেখেছিলে কালিপুজোর সময় একটা লোক লোক গোট টাকে কি করলো,গত টা স্ট্যাচু হয়ে গেলো আর তার আগে একটা  দাদু কি সব মন্ত্র বলছিল। তাহলে ওরাও জঙ্গী?
বাবা ভাবলেন বেশ মুশকিল হলো, এই মেয়ে এত পেকেছে। একে নিয়ে কি করা যায়। মেয়েকে কোলে নিয়ে বাইরে বেরিয়ে আসা স্থির করলেন। "চল মা ঘুরে আসি"। ঘরটা যাওয়ার নাম শুনে মেয়ে আনন্দে নেচে উঠলো। মেয়ের হাসিমুখ দেখে বাবা বললেন, "দ্যাখ মা , জঙ্গী রা হঠাৎ আক্রমণ করে দেয়, হঠাৎ করে ঝাঁপিয়ে পড়ে, কেউ কাঁদলেও তাকে ছাড়েনা"।বলেই বাবা হালুম শব্দ করে কপট লাফানোর ভঙ্গিতে দুহাত থাবার মতো করে লাফালেন মেয়ের দিকে। মেয়ে কিন্তু একটুও চমকাল না। খিলখিল করে হেসে বলে উঠলো, "তাহলে বাবা ,তুমিই জঙ্গী।তুমি ঠাম্মাকে  সেদিন কত্তোজোরে মেরেছিলে, ঠাম্মা কাঁদছিল,তাও তুমি মারছিলেই।"

Wednesday, 28 June 2017

ওয়াইফাই

প্রাক্তন প্রেমিকার সামনে বসে একদা প্রেমিক। ভাগ্য খারাপ ভিড় ট্রেন বলে কোথাও বিকল্প সিট নেই।  বাঁচিয়ে দিয়েছে স্মার্ট ফোনের ইন্টারনেট। কিন্তু ওই যে বলে যেখানে বাঘের ভয় সেখানে সন্ধ্যে হয়। চলন্ত ট্রেনে মাঝে2 নেট কেটে যায়।
প্রেমিকের অগত্যা ভরসা ওয়াই ফাই। যদি কেউ অন করে রাখে তো।সে ওয়াই ফাই অন করে সার্চ করে। পেয়েও যায় । প্রেমিকার ওয়াইফাই অন। বুকের মধ্যে রক্ত যেন বেশি মাত্রায় চলকে ওঠে প্রত্যাশা 90 লেখায়।বলা যায় ধুপ ধাপ। ওদিকে জানালার ধারে বসা প্রেমিকার চোখ আকাশের দিকে। বোঝা যাচ্ছেনা তাপ উত্তাপ এর বিক্রিয়া আদেও কিছু প্রক্রিয়া করছে কিনা।
প্রেমিক টি আড়চোখে তাকায়। ওয়াইফাই পেয়ে এদিকে ফেবু র মেসেজে জানান দিচ্ছে নতুন সম্পর্ক বেশ ভালো মতোই অক্সিজেন পেয়ে সচল।

নির্দিষ্ট স্টেশন আসে। প্রত্যাশা নেমে যায়। ওয়াইফাই ও কেটে যায়। আবার ইন্টারনেট সচল হয়।নতুন সম্পর্কে র নিরবিচ্ছিন্নতায় আকর্ষণ ক্রমশ বেড়েই চলে। ব্যস্ততার মাঝে, প্রচন্ড ভিড়ে হারিয়ে যেতে যেতেও দোলে ওঠে পুরোনো সম্পর্কের সুতো বাঁধা পুতুল।

কোনো মোবাইলে এ বেজে ওঠে
"তুমি রবে নীরবে হৃদয়ে মম"

Monday, 26 June 2017

হিসেব

লেগিংসের গায়ে নাছোড় কাদা, শার্টের কলারে চেপে বসা ঘামের দাগে লেবুর রসের মহিমা। অথবা খুশকিতেও। চুল গজাতে পিয়াঁজ এর রস। মাসের শেষে শ্যামপুর বোতলে জল ঢেলে কাজ চালিয়ে নেওয়া।
ট্রেনে বসে সেন্সক্সের খবরের পাশে কম খরচে
গোপন রোগ গোপনে সারার নির্ভেজাল প্রতিশ্রুতি।

সস্তার ফাঁকে পরকীয়া ,দায়হীন যৌনতা,
সপ্তাহান্তে বার ঠাকুর , আগস্টে দেশপ্রেম; মাঝে মাঝে ধর্মনিরপেক্ষতার ডিওডোরেন্ট
গায়ে মেখে নজরুল ,রবীন্দ্রনাথ। চৈত্র সেল অথবা মা শীতলা র ট্রাপিজ এ মনসার ঢাক।

শর্টকাটে দার্জিলিং জ্বলে, অনুভূতিতে আত্মঘাতী জেহাদ।

Sunday, 25 June 2017

অভিমান

অভিমান তবুও কমে কই?
এত কথা হয়ে গেছে, ক্ষমা
পরম ধর্ম জেনেও
অধর্ম কে আপন করে নিতে ভালো লাগে বেশ।
অধর্মের এত সুখ কেন?
যা নিজের মন থেকে চাওয়া যায়
বনাম সমাজ যা শেখাল
তার মাঝেই ধর্ম অধর্মের নো ম্যান্স ল্যান্ড।
আর ওই পতিত জমিতেই অভিমান ,রাগ , ক্ষোভ
জন্মে জল পেয়ে বেড়ে হয় আগাছার মতো।
আদর লাগে না, যত্ন চায় না।
তবুও বেড়ে ওঠে।

শব্দ'র মায়ায় জড়িও না,
অভিমান শব্দ চায় না কখনো।

Friday, 23 June 2017

রান্নাঘরের কবিতা

রোজ ই তো কবিতা লিখি।
যেইনা মাত্র আমি বললাম, তুমি তাকালে এমন ভাবে , মনে হলো
বাবা রাও জানতে পারলে এতটা চমকায় না যে তাদের
ছেলেরা কখন রাজনীতির রং পাল্টেছে।
এতটাই আশ্চর্য হলে যে শেষে কথা হারিয়ে বেঁকালে ঠোঁট।

আমি বললাম আমি কি লিখতে পারিনা?না হয় কবিতার বই এ আমি নেই। ছাপার অক্ষর আমার জন্য নয়। তা'বলে কি শুধু অক্ষরেই কবিতা লেখা যায়?

প্রতিদিন আট টায় স্কুলে যাওয়ার আগে সাজানো ভাতের থালা,ডাল সমেত দুটো পদ। গোছানো বাক্স
তোমার প্রিয়। বিদ্যালয়ে আমার হাতের নাম যে তোমার
কাছেই শোনা।

মাপমত সবজি , ফোরণ, তেল, নুন, মশলা ,আগুন
মিলিয়ে সময়ে সময়ে জলের ছিঁটে দিয়ে খুন্তির ঝনাত ঝনাত শব্দ উঠলে একফাঁকে কপালের ঘাম মুছে আবার বসে পরি ছুরি নিয়ে। মাপমত সব কিছুই হওয়া তোমার অলিখিত চাওয়া যে।

বলো, এটা কি কবিতা নয়?

Tuesday, 20 June 2017

To my unborn child...

I've not heard the voice
I ve not seen how would you ve cried.
Through the veins ,the blood that flows
Given you the heart beat and The whimper
Of bothered sigh.

I've dreamt so many things
To tied your hair with a string
Or to bake cake on a Saturday night
With the chocolate on the top
That I always lick like a greedy dog
And you too would like, likewise hoped.

Yes, it was yesterday's and the thing of
Past. The same blood that's called menstruation, was your life blood.
And every time , when I bleed i dare, i fear never.
With the twitch on my lips,
I tremble but make laughter.

But , now you re in my mind.
Yah , i fear , i do care.

Monday, 12 June 2017

মায়াবী

প্রতিবেশী কাকের দুটো ঠোঁটের মাঝে বেঁচে থাকার মায়া বাস করে।
সুপ্রাচীন গাছের কোটরে লুকিয়ে থাকে পক্ষীশাবক,
নাভি ছেঁড়া বাচ্ছার মতোই তুলতুলে নরম।
এক ঝাঁক রাস্তা পাঁচমাথার মোড়ে হঠাৎ করে জট খুলে ফেলে।
বাঁধানো চৌকাঠে অস্পষ্ট লক্ষীর চরণ ছাপ, গৃহস্থ সিঁদুর , শাঁখের ফুঁ এ মিশে তুলসী গাছ বাঁচিয়ে রাখে।
মাঠ পেরোনো ছেলেটা হঠাৎ সন্ধ্যের মুখে ভয় পায়।
পয়লা বা সংক্রান্তি র মাস কাবারি হিসেব এর ফাঁকে
সত্যিগুলো কল্পনা হয়ে দৌড়ায় একটু শখের আদলে।
সমাধি র প্রান্তদেশে মৃতের গন্ধ থামিয়ে দেয় ঘড়ির কাঁটা।

মায়াবী সব ইচ্ছে ,ঘটনারা তোমার ,আমার, সবার হৃদয়ে তাঁত বোনে।
নিপুন উৎকন্ঠায় বেঁচে থাকার মায়া এ পৃথিবীর ছায়াকে আঁকড়ে ঘুমায়-
আগামীর আয়নায় স্তব্ধতা নেই,শিরায় জন্ম স্রোত বয়ে যায়।

মায়াবী

প্রতিবেশী কাকের দুটো ঠোঁটের মাঝে বেঁচে থাকার মায়া বাস করে।
সুপ্রাচীন গাছের কোটরে লুকিয়ে থাকে পক্ষীশাবক,
নাভি ছেঁড়া বাচ্ছার মতোই তুলতুলে নরম।
এক ঝাঁক রাস্তা পাঁচমাথার মোড়ে হঠাৎ করে জট খুলে ফেলে।
বাঁধানো চৌকাঠে অস্পষ্ট লক্ষীর চরণ ছাপ, গৃহস্থ সিঁদুর , শাঁখের ফুঁ এ মিশে তুলসী গাছ বাঁচিয়ে রাখে।
মাঠ পেরোনো ছেলেটা হঠাৎ সন্ধ্যের মুখে ভয় পায়।
পয়লা বা সংক্রান্তি র মাস কাবারি হিসেব এর ফাঁকে
সত্যিগুলো কল্পনা হয়ে দৌড়ায় একটু শখের আদলে।
সমাধি র প্রান্তদেশে মৃতের গন্ধ থামিয়ে দেয় ঘড়ির কাঁটা।

মায়াবী সব ইচ্ছে ,ঘটনারা তোমার ,আমার, সবার হৃদয়ে তাঁত বোনে।
নিপুন উৎকন্ঠায় বেঁচে থাকার মায়া এ পৃথিবীর ছায়াকে আঁকড়ে ঘুমায়-
আগামীর আয়নায় স্তব্ধতা নেই,শিরায় জন্ম স্রোত বয়ে যায়।

Saturday, 10 June 2017

আলাদা নয়

বরফেও আগুন লাগে।
নিঃশব্দে মাতৃগর্ভে নাড়ি বেয়ে
অপরিণত ভ্রুনের জমাট বাঁধা
রক্তের মতোই আগুন ধেয়ে আসে।
লাভা স্রোত আর রক্ত মিলে মিশে যায়।
কিছু প্রাণ পোড়ে, কোথাও বা আগুন
ঢাকে ছাই।

Thursday, 8 June 2017

প্রয়োজনীয়

চায়ের কাপে কতটা চিনি দেবে না আদেও দেবেনা সেটা তোমার ইচ্ছে।
তবে কিছু টা আদর মিশিও উষ্ণতার সাথে।
কফি ব্ল্যাক তোমার ভালো লাগে ,আমার অবশ্য কেমন যেন টিতকুটি স্বাদ পোষায় না।
তবে বেশ খানিকটা তর্ক হবে এই মাপ রেখে মগ ভোরো।
ভারী ভারী সব চিন্তাগুলো কে যেভাবে ঠিক বইয়ের পাতায় তুমি জুড়ে দাও, আর পডিয়াম জুড়ে গমগম করে বেজে যায় তোমার ভরাট স্বর।
তার কিছুটা আমার জলের গ্লাসে মিশিয়ে রেখো।
এক নিঃশ্বাসে ,হাঁসফাঁসে গিলে ফেলবো ঠিক বাঁচার জন্য।
এই ভাবে সবকিছুই জড়িয়ে থেকো  তুমিও।

Tuesday, 6 June 2017

আমেন

পাশাপাশি চলা ফুরায় না।
শেষ বিকেলে ঘর ফেরতা পাখি গুলোর মতোই ঝগড়া করে আবার কোমর ধরে হেঁটে চলা।
একই বাসায় ফিরতে হবে নিয়ম মতো।
জীবনের অনেক গুলো চিহ্ন থাকে। ভালোবাসা, অপমান ,রাগ উপেক্ষার। সুগভীর ক্ষত হৃদয় জুড়ে থাকে,রাস্তা ঘাটে জল জমা খানা খন্দের মতো।
মৃতপ্রায় আয়নায় মুখের জরিপ এঁকে বেঁকে যায়।
পৃথিবীর ভরবেগ এ পাল্লা দিয়ে দৌড়ায় আমি তুমি
আমাদের অবসাদ। ছুঁয়ে ফেলবে বুকসমান জল, আঁজলা ভরে নেবে গান, ধুয়ে নিতে দালির ঘড়ি।
আগুনে কান রেখে সত্যি জানতে গিয়ে রিক্ত।
এ শরীর মাটি পাবে, জলের কিনারে। শতজীর্ণ
শ্লোকে মুক্তির আমেজে নোনতা দিগন্তে মিলিয়ে যাবে কোনো একদিন।
সেদিনও কোনো ভ্রুন নালী ছিঁড়ে শেষ হবে।চড়া ফ্লুরোসেনটের তলায়।

না- মানুষ মাটি পাবেনা কখনো।

Friday, 2 June 2017

নিজেকে ভালোবাসো

এক পশলা বৃষ্টির গন্ধ মেখে দেখো
সারা রাত কাঁদার পর।
ভোরের আলো ফুটলে ক্লান্ত পা ফেলে
হেঁটে নিয়ো ঘাসে।
অথবা খুব চেনা জানালায়
দেখে নিয়ো বরফি কাটা আকাশ।
রান্না ঘরের কোনায় রাখা নুন তেল শিশির
মশলার কৌটো লঙ্কা আদার ঝাঁজে
তুমি যে আগুনে প্রতিদিন শিল্প তৈরি করো
পেটের দাবানল নেভাতে,
সেই আগুন তুলে রাখো একদিন প্লিজ ।
শুকনো খটখটে রংতুলির বাক্স  না হয় ভিজিয়ে নিলে
ছাদের কলে।
তারপর কেটে ফেললে আঁচড় , মূল্যহীন
কিন্তু জট পাকানো মনের মতোই তা সত্যি ভীষণ।

মাঝে মাঝে  ডাকো।
না রবীন্দ্রনাথ কে নয়, বরং বেগম আখতার
যে জোছনা কে আড়ি করে দিয়েছিল।
আবার ভাব করে নাও না ।
পুরোনো আঁতাত গুলো যতটা পারো ঝালিয়ে নাও।

তারপর নিজেকে ভালোবেসে দেখো।
বিশ্বাস করো আরো কিছুদিন পেরিয়ে যাবে বেঁচে থেকে

মানুষের মতো।

উর্বরতা অথবা উন্নতি

তুমি প্রমান দিয়েছো অত্যাচার উর্বর  ভীষণ।
একেক করে মাঠ নদী আকাশ কে
বন্দি করার পর কি অত্যাচার টাই না করেছ।
বাঁধ দিলে, জমির বুক চিরে গুঁজে দিলে বীজ।
আকাশের সীমানা পেরিয়ে সাদা বাগানে যেদিন
উদ্ধত রকেট তোমার পৌরুষের সাক্ষী হলো
তুমি হাসলে।

কথা দিয়েছিলে , শব্দের শিকলের বেড়ি পরিয়ে
পেয়েছিলে উপত্যকা; সবুজ , নরম তুলতুলে ঘাস,
হাতপা ছড়ানো গাছের ফাঁকে টুপটাপ শিশির পড়তো।
এখন আছে কিছু , নেই অনেকটাই,।
তোমার সভ্যতার রুচিবোধ সেজেছে নতুন ডিজাইন এ।
উপত্যকা র ক্ষত বেড়েছে।
আসলে সব গাছের মধ্যেই লুকিয়ে থাকে ক্রুশ এর ছায়া।
প্রকৃতি তবুও জেসাস হতে পারলো কই?

Sunday, 14 May 2017

মায়ের গল্প


একবার লক্ষী ঠাকুর তার পেঁচা কে একটা মুক্তোর মালা দিয়ে বললেন "পেঁচা তোর চোখে যে সব থেকে সুন্দর তুই এটা তাকে পরিয়ে দিবি"।
পেঁচার তো মহা আনন্দ।এ আবার এমন কি কঠিন কাজ।এক দিনের মধ্যেই শেষ করে ফেলব।পেঁচা ভাবলো মনে2।

এরপর পেঁচা তার যাত্রা শুরু করলো। বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ড ঘুরলো।কিন্তু কাউকেই তার ঠিক সুন্দর বলে মনে হচ্ছেনা। পেঁচা ভাবলো মহা বিড়ম্বনা তো।কি করা যায়। এই নিয়ে পেঁচা যখন বিস্তর চিন্তা মগ্ন হঠাৎ ওর মনে পড়েছে ওর ছানা কে ও ফেলে রেখে এসেছে ,দেখার কেউ নেই।

পড়িমরি করে পেঁচা ছুটলো তার ছানা কে দেখতে।এসে দেখলো ছানা না খেতে পেয়ে কাঁদছে।পেঁচা সঙ্গে সঙ্গে খাবার জোগাড় করে নিয়ে এসে ছানার মুখে তুলে দিল। পেটভরে গেলে ছানার মুখে ফুটলো তৃপ্তির হাসি।

তখন পেঁচার মনে হলো তার ছানার সেই হাসির থেকে পৃথিবীতে আর এর বেশী কোনো সুন্দর কিছু নেই।

তাই শেষমেশ সেই মুক্তোর মালা তার বাছার গলায় পরিয়ে বললো

"আমার ও সোনা ,চাঁদের ও কণা, ভুবনে তুলনা নাই রে।"

Monday, 8 May 2017

এপার ওপার

বড়ো  হাসপাতালের কাঁচ ঢাকা জানালার ফাঁক গলে বাসা বাঁধে পায়রা।
বন্ধ জানালার হিমায়িত শীতের ওপাড়ে দুই শালিখ বসে
ঠুকে দেয় কাঁচ।

এদিকে বেডে চলে রক্ত ,অক্সিজেন, স্যালাইন।
অবশ শরীরে জ্ঞান নামে ফোঁটায় ফোঁটায়।
মুখে মাস্ক,চোখে ঘোর ,সময় পেরোয় গলি পেরোনো
বিড়ালের মতো।
ইশারা ভাষা হয়ে জানে যা যা হারিয়েছে কেউ।

বিকেল আসে,কাল তোমার ছুটি বলে কেউ।

কিছু বিচ্ছেদ উদ্বেগ ওষুধ ইনজেকশন এর ঝাঁজেও
ঘর বাঁধে শালিখ চড়াই।
সাদা চাদর এর জমাট ঠান্ডা মুক্তি খোঁজে ওদিকের আকাশে।

জিওন কাঠি কেবল রাধাচূড়া ফুল।

Monday, 17 April 2017

পথ

নিস্পন্দ জাহাজ দাঁড়ালো বন্দরে।
কাঁপলো জল, কক্ষপথ ছেড়ে তরঙ্গ
অনিয়ত।নির্দিস্ট লক্ষ্যে কম্পাস।
মাজেলান অনির্দিষ্ট পথ পেরিয়েছিলেন।
যা ছিল ছায়াপথ কল্পনার।

উঠের পায়ের ছাপ মরু ছাড়িয়ে
কখন যে চলে এসেছিল পর্বত ডিঙিয়ে।
মুসাফির বা কাবুলি রাহেমত রা বীন আর বিনিময়ের
সুর মাপতে অথবা সুদের হিসেব শেষে
পেয়েছিলো মাটি;অচেনা দেশের মাটি একটু
বেশি ভিজে এই যা ।

রেশমী পথ বেয়ে কারা এনেছিল
বসন আভূষণ,তাদের নাম লেখা নেই
কিন্তু এসেছিলো অনেকে।আতর, কাঁচ , রেশম, পশম,
মশলা মাখা গন্ধ লেগে আছে বইয়ের পাতায়।
ইতিহাসের অলিন্দে বদ্ধ বাতাস ভারী হয়ে যায়।

ইতিহাস, সাহিত্য, বিকিকিনি,
আলো অন্ধকার ব্যাকগ্রাউন্ড এ অমসৃণ ঢাল বেয়ে
পথ খুঁজে দেয় নতুন মোড়,
ফা হিএন তাই আজও রাস্তায়।

Tuesday, 4 April 2017

দেখা


এ পৃথিবীর মায়া যত বাড়ে
দেখার ইচ্ছেরা ততটাই বেড়ে ওঠে।
কিন্তু দৃষ্টি বড্ডো ভারী হয়ে আসে।
একসময় পর্দা ফেলে দেয় শরীর
দেখতে দেবেনা বলে।
চোখের বোঝা বাড়ে;
যোগ বিয়োগের অংকে নিরুদ্দিষ্ট দৃষ্টি
পথ খুঁজে পায়।

বন্ধ হওয়ার আগে
কিছু ঘ্রাণ খুঁজে নেয় চোখ।
সেইসব দৃষ্টিরা ছবি হয়
অথবা কবিতা বীতশোক।

Monday, 3 April 2017

রাইস স্যুপ

তারপর এক চিমটে বিট নুন দিলে স্বাদ খুলবে আরও।সঙ্গে যদি পাও গোলমরিচ গুঁড়ো তাহলে তো কথাই নেই।
জমে যাবে ডিনার।ওজন কমবে দ্রুত।
থাকবে স্লিম , তন্বী আরো।

একবাটি ভাতের ফ্যান রোজ ফেলা যায়।
জমে জমে ড্রেন বন্ধ হয়।

রাইস স্যুপ হয় নাকি?
কেউ খায়?কৈ জানিনাতো।

Saturday, 1 April 2017

সভ্যতার মূল্য

আজ শেষ পিরিয়ড এ এইট এ ছিলাম।ঘুলঘুলি তে চড়াই দম্পতি বাসা করেছে বেশ কিছুদিন।ডিম পেড়েছে বোধহয়।ভালোই লাগে ক্লাসের মাঝে ওদের কিছমিচ।
তা আজ যখন পড়াচ্ছিলাম ভীষণ গরমের জন্য জানালা বব্ধ ছিল।দরজাও।হঠাৎ চোখের নিমেষে স্বামী চড়াই ফ্যান এর ব্লেডে ধাক্কা খেয়ে শেষ হয়ে গেলো কিচ্ছু বোঝবার আগেই।
যাইহোক মন ভীষণ খারাপ ।পড়ানোর সময়ে মন বসাতে পারছিলাম না।অবাক হলাম এরপর।স্ত্রী চড়াই পাখিটি বারবার বাসার কাছে যাচ্ছে ভয়ঙ্কর অস্থির হয়ে আছে। এদিক ওদিক ওড়াউড়ি শুরু করেছে। সেই অভিশপ্ত ফ্যান এর কাছে বারবার যাচ্ছে।বাধ্য হয়েই ফ্যান বব্ধ  করলাম এতো গরম থাকলেও।
কিন্তু পাখিটার উদ্ভ্রান্ত অবস্থাটা গেলোনা।একবার বাসায় যায় আরেকবার বাইরে।খুঁজেই চলেছে...

বুঝলাম সভ্যতার দাম খুব কম নয় কিছু।

Thursday, 23 March 2017

প্রলেপ

আমার অতীত জানে কতটা গভীর ক্ষত।
প্রলেপ দিয়ে রাখা ঘা সময়ের সাথে শুকিয়েছে।
একটা দাগ জুড়ে গেছে ।নিরুদ্দিষ্ট এর সন্ধানে
কাজে লাগতে পারে যদি কেউ খোঁজে।
ব্যাথা গুলো মনে করিনা।
আমার সন্তান  প্রশ্ন করেছে
মা তোমার হাতের দাগ টা কি?
সত্যি বলতে পারিনি ওকে  রোজ পড়াচ্ছি যদিও
সদা সত্যি বলিও।
ভয় পাচ্ছি কোথাও
সত্যি টা জেনে বললে পরেই ও কি বাঁচবে আদেও?
কিছু সত্যি ভীষণ সত্য ,থাকা ভালো গোপনেই।
বাজারি সত্য ভীষণ গরম সেঁকে নি সকলেই।

থাক তবে থাক গোপন সত্য গোপন মনের কোণে।
হাতের দাগ পরিচয় পাক পোড়া চিহ্ন বলে।
দাগ শুধু দাগ যে নয় আমি কেবল জানি
দেশভাগের পর বাঙাল ভয়াল বিপদ বড়োই মানি।
বোঝা বাড়ালো , ভাগ বসালো নতুন দেশের মাঝে

দাগ টা কিন্তু প্রশ্ন করে বেমক্কাই কোন সুখে কিছু মানুষ
উদ্বাস্তু সাজে?

Monday, 13 March 2017

প্রতিশ্রুতি -যা কিছু পেতে পারি

যুদ্ধ থামার পর টি শার্টে লিখে দেবো
আলগা পেন্সিলের
স্কেচে নিঃশর্ত ঢেউয়ের আভাস।
আকাশ কে পনবন্দী করতে
পেরে  রাজসাজে যুদ্ধ
জয় করে ফেলার পরমুহূর্তেই
অদৃশ্য করে দেবো মনগড়া ইতিহাস।

পথ ভুলে যেতে পারো তুমি অযথাই
যদিও মনে করিয়ে দেবে ছায়াপথের
আবছা আভাস। মায়াবী লেনদেন
ফুরালে কাগজের টুকরো পোড়ে।
কর্পোরেশনের বোঝা বাড়ায়
বেঁচে থাকার নিঃশ্বাস।

পর্দারা ভেজে , ভারী হয় বাতাস।
জলরঙে এঁকে দিতে অন্তর্লীন
সমুদ্রের বালিমাখা রোদ একরাশ।

Sunday, 12 March 2017

আরেক বসন্তে

ঝুপসি চাঁদ রং মাখে না।
আবির ছড়ায়।
আগত বসন্ত যেমন প্রেম দেয়,
নতুন পাতার বর্ণ কবিতার খাতায়।

তেমন ই ফুরোয় না কোনো কিছুই,
শুধুই অপেক্ষায়...

যাঁরা হঠাত করেই খাওয়াতে চায়

  হাঁটু মুড়ে বসো, মুড়িমাখা হাতে দেবো- ঝাল মুড়ি। চিবিয়ে চিবিয়ে খাবে সাথে আচারের টুকরো আম। পা ছড়িয়ে বসো তারপর, মেলে দাও গল্পের শাড়ি। অবাক বিস্...