Tuesday, 31 May 2016

বাঙালি এবং পর্দা

বাঙালি দের পাশের বাড়ির পর্দার প্রতি আগ্রহ টা চোখে পড়ার মতো।যদিও নিজের বাড়ির জানালা পর্দা দিয়ে বেশ পরিপাটি করে মুড়ে রাখে অধিকাংশ বাঙালি।কিন্তু অন্যের পর্দার ওপারে উঁকি দিয়ে অন্যের সংসারে র ফাঁক ফোকর খোঁজার ব্যাপারে বাঙালির চিরকাল আগ্রহ কিন্তু হাস্যকর হলেও বেশ এডভেঞ্চারস।
পর্দা প্রীতি র পাশাপাশি নিজেকে আড়ালের চেষ্টা তার সাথে অন্য কারুর অস্তিত্বের গোপন ডেরায় চোখ কুঁচকে তাকানো নিতান্তই নিরামিষ নয়।

রিপুর আড়াল আবডালে র নিঃশব্দ চলাচলের সাক্ষী পর্দা  যদিও নেহাত ই ভিজে বিড়ালের মতো জানালায় মিইয়ে থাকে।কখনো প্রেয় কখনো বা শ্রেয়।

বিপদ টা অন্য জায়গায়।একবার ঝড় দিলে আর সময়মতো জানালা না বন্ধ করলে ধুলোবালি আর পরশ্রীকাতরতা মাখামাখি হয়ে ঘর নষ্ট করে। আবার নষ্টনীড় এর বাসা টি যখন জন্ম লাভ করে গুটি গুটি পায়ে হাঁটতে শুরু করে অমনি পর্দা র আড়াল অনিবার্য্যতা লাভ করে।ইস্ট সিদ্ধি কার্যসিদ্ধি র মাঝের স্পেসে পর্দা অবশ্যই বাঞ্চনীয়।

বাঙালি বাঁচে পর্দায়
পান আর জর্দায়
পরচর্চা  ...
(পরকীয়ায়?)😜

Monday, 30 May 2016

পুনরাবৃত্তি

বাজারের দর বাড়ুক।
বেড়ে চলুক চিৎকার।
দেখছ কেমন খেলেছি খেলা
মগজ টি যে বেশ পরিষ্কার।
ফেলেছি টাকা ,সময় ও দিলাম
বাদ দিইনি কোনো কিছুই।
ট্রাডিশন টাও রেখেছি ধরে
যদিও নয় আদ্দিকেলে।
সৎ বলতে যা বোঝো তা
দেখলে পাবে আমাকেই।
যুধিষ্ঠির থাকলে পরে
স্বর্গে যেতাম এক ছুটে।
হাঁ করে তাকিয়ে আছো
বিশ্বাস কি হচ্ছেনা এর পরে?

বউ হলো দ্রৌপদী আমার।
ধর্ম আছে আমার পাশে।
পাশা খেলা নেই যদিও
জুয়া আছে ময়দানে।
পড়বে নতুন মহাভারত
android আর স্মার্টফোনে।

Friday, 27 May 2016

ওপাড়ে

বেড়ে গেছে আণবিক কণ্ঠরোধ।
পারমাণবিক হয়েছে সভ্যতা-বহু আগেই।
ইলেকট্রন প্রোটন রা সাইদ এর বাইনারি!
আমি সেজেছি নিউট্রন।
যদিও ঋণাত্মক আদপে।
ধাক্কা খাচ্ছে ধারণারা দেওয়ালে ।
প্রতিহিংসারা ধন্যাত্নক সজীব পর্দার ওপারে।

Thursday, 26 May 2016

দ্বন্দমূলক ছন্দমূলক

একটা হাত জানালা খোঁজে।
অন্য চোখ আটকায় পরিসীমা।
মেঘ যদিও নামছে বেশ দ্রুত
বৃষ্টি এসে মিলালো সীমানা।

সেই চোখটি র ঘুম নেই আজ
অবাধ্য ছাঁট নাড়ছে কড়া-
বিপদ ভারী আসলো বটে
কী বিড়ম্বনায় পড়া!

হাত নামলো স্বপ্ন ছুঁতে
জলে এঁকে আল্পনা।
মুহূর্তেরা আসলো কাছে
সঙ্গে নিয়ে ফিরলো গুমোট কথা।

সেই চোখটি ক্লান্ত এখন
ধূসর পাঁচিল দেখে।
হাতের মাঝে বৃষ্টি গোলাপ
সিক্ত রেখায় ঢেকে।

এক ঘরেতে পাশ ফেরে
চোখ ,অন্যতে হাত জাগে।
চোখের শাসন ফুরিয়ে গেলে
হাতের কলম বাঁচে।

সঙ্গে তুমি

সঙ্গে তুমি থাকো।
বৃষ্টিস্নাত বিকেলে চায়ের
কাপের মতো।
সঙ্গে তুমি আছো
গাছের ডালে আটকে
থাকা শেষ পাতাটির মতো।
সঙ্গে তুমি চলো,
পিছিয়ে পড়ার আগে
দুই হাত টা ধরো।
সঙ্গে তুমি বেঁচো
ঠোঁটের হিসেব বুঝিয়ে দিতে
রং তুলিটা ধরো।

Wednesday, 11 May 2016

দৃশ্যতই

ভয় পেয়েছি,যখন টিভি তে দেখেছি চোখ
খোবলানো লাশ।
থমকে গেছি দেখে কি করে দ্রুত রক্ত ওঠে
মুখে ;
বালুচরে আটকানো ঝিনুক উঁকি মারে
বরফি কাটা জানালার ওপারে।
জল দিয়ে মুছে ফেলা বাস্তব ইতিহাস হয়ে
প্রমান দিয়েছে জটিল কুটিল প্রশ্নের।
এত শাড়ী,সালোয়ার ছিঁড়ে ফেলেছে ঔপনিবেশিকতার মহামারী-প্রমানের অভাবে
সবই বেকসুর খালাস।
সব দেখেই চলেছি আমি।

সভ্যতার মর্গে চোখ খোলা জীবন্ত লাশ।

যাঁরা হঠাত করেই খাওয়াতে চায়

  হাঁটু মুড়ে বসো, মুড়িমাখা হাতে দেবো- ঝাল মুড়ি। চিবিয়ে চিবিয়ে খাবে সাথে আচারের টুকরো আম। পা ছড়িয়ে বসো তারপর, মেলে দাও গল্পের শাড়ি। অবাক বিস্...