Saturday, 11 October 2014

আত্মজা

আমাকে কেউ ভয় পেতে দেখেনি।  ভাঙতেও না। 
আর্তনাদ চাপা দিয়ে সাঁতার কেটে পৌঁছেছি  কথা র দ্বীপে। 
তারপর সব চুপ হয়ে গেলে কবিতায় কেঁদেছি। 
ঝুল ঝাড়া দেওয়ালে এঁকেছে সবুজ ঘর , কালচে পাখি ,
কমলা রোদ, আমারই  আত্মজা। ইন্চি মাপের কব্জায় ওর  যাওয়ার 
সময় আসতে আসতে আরো ২ বচ্ছর  নীরবতা পালন করে 
নেবো। অতঃপর  ফিরিয়ে দেবো আমার মায়ের কথা। ...জন্মান্তরের 
আলো -আঁধারী।  কুড়োনো  শেষ রাত পাশ বালিশের আদরে। 
শরীর থেকে কবিতা হওয়ার অন্তর্বর্তী পথে জলরঙ  এ ভরে যাবে আঁকা বাঁকা contour . 
এখন আমি প্রবন্ধ লিখি ,  মিথ ভাঙি পেন এ।  
২ বছর পরে উত্তরাধিকার -কবিতার ,আত্মজার মায়াঘেরা চোখে।

No comments:

Post a Comment

যাঁরা হঠাত করেই খাওয়াতে চায়

  হাঁটু মুড়ে বসো, মুড়িমাখা হাতে দেবো- ঝাল মুড়ি। চিবিয়ে চিবিয়ে খাবে সাথে আচারের টুকরো আম। পা ছড়িয়ে বসো তারপর, মেলে দাও গল্পের শাড়ি। অবাক বিস্...