আগামী কাল বিজয়া দশমী , আজ নবমী নিশি। একটা বছরের অপেক্ষা। আরো কিছু দিন চলে যাওয়া। কাজে ফিরে যাওয়ার সময়। যে যার মতো পথ চলা.......অথবা এড়িয়ে যাওয়া। দিনের শেষে বিছানায় আড্ডা, গল্প, খুনসুটির উপকরণ সেই রোজকার মতোই তলানিতে। শুধু দিন যাপনের মায়া নাকি চূড়ান্ত absurd একটা অস্তিত্বের কাছে পরাজিত হয়ে মেনে নেওয়া যে , যাইহোক জীবনটা সুন্দর। অথবা ঢোঁক গিলে বলে চলা নির্ভুল সংলাপ।
দুর্গাপুজো বাঙালি জাতির উত্সব বললে তার ব্যাপ্তি কে খাটো করা হয়। আবার শাস্ত্র অনুযায়ী মাত্রই শক্তির আরাধনা তো সেই নারী জাতির প্রতি সন্মান প্রদর্শন। সৃষ্টির আদি মাতা যেমন ইভ , সেরকমই দেবী কালিকাও আদি মাতা বা এনসিয়েন্ট crone . কিন্তু দূর্গা যেন চির নতুন, বলা বাহুল্য দূর্গা সেই শক্তি যিনি প্রত্যেকটা নারীর মধ্যে বিরাজমানা। তাই তিনি নারী শক্তির মূর্ত প্রতীক।
শাস্ত্র নিয়ে আমার জ্ঞান নেই. তাই সেই নিয়ে আলোচনা করাটা আমার পক্ষ্যে সেই অন্ধের হস্তি দর্শনের মতোই হবে. কিন্তু এই দুর্গাপুজো আমার কাছে এক অন্য মাত্রা বয়ে আনে। এই পুজো একদিকে যেমন শাস্ত্র নির্ধারিত, আচার অনুসারী , আবার অত্যাধুনিক ও. এই উত্সব আমাদের ঘরে ফেরার উত্সব। নিজেদের শিকড় কে চেনার সুত্র। এক পরিবারে আবার নিজেদের প্রায় ভুলে যাওয়া স্বজনদের কে কাছে টেনে নিয়ে পরিপূর্ণতার উত্সব। সেখানে সংসারে মেয়ের ফেরা টা অনিবার্য্য , আবার অনস্বীকার্য্য ঐকান্তিকতা । তাই এই উত্সবের মধ্যে লুকিয়ে থাকা ঘরে ফেরার টান কে উপলব্ধি করাতেই রয়েছে সার্থকতা, ঐহিক জীবনের পুরিপুর্ণতার আস্বাদন।
আগামী কাল বিজয়া দশমী , সেই দিন টিকে মনে রেখে -
তারা রা দৃশ্য -অদৃশ্য হতে হতে পেরিয়ে যাবে আরো একটি রাত.
মুখ চোরা বোবা শব্দের আঁকা আল্পনা মোছার দিন।
এত কিছু সাজ শহর সেজেছে , আলো মাখা মাখি রাত।
সকালের চোখ মুছিয়ে দেওয়া শিশির , পদ্ম মধু.....
সন্ধ্যে নামার আগে পাখিদের উড়া -উড়ি।
কালো জলে প্রতিমার রামধনু।
দুর্গাপুজো বাঙালি জাতির উত্সব বললে তার ব্যাপ্তি কে খাটো করা হয়। আবার শাস্ত্র অনুযায়ী মাত্রই শক্তির আরাধনা তো সেই নারী জাতির প্রতি সন্মান প্রদর্শন। সৃষ্টির আদি মাতা যেমন ইভ , সেরকমই দেবী কালিকাও আদি মাতা বা এনসিয়েন্ট crone . কিন্তু দূর্গা যেন চির নতুন, বলা বাহুল্য দূর্গা সেই শক্তি যিনি প্রত্যেকটা নারীর মধ্যে বিরাজমানা। তাই তিনি নারী শক্তির মূর্ত প্রতীক।
শাস্ত্র নিয়ে আমার জ্ঞান নেই. তাই সেই নিয়ে আলোচনা করাটা আমার পক্ষ্যে সেই অন্ধের হস্তি দর্শনের মতোই হবে. কিন্তু এই দুর্গাপুজো আমার কাছে এক অন্য মাত্রা বয়ে আনে। এই পুজো একদিকে যেমন শাস্ত্র নির্ধারিত, আচার অনুসারী , আবার অত্যাধুনিক ও. এই উত্সব আমাদের ঘরে ফেরার উত্সব। নিজেদের শিকড় কে চেনার সুত্র। এক পরিবারে আবার নিজেদের প্রায় ভুলে যাওয়া স্বজনদের কে কাছে টেনে নিয়ে পরিপূর্ণতার উত্সব। সেখানে সংসারে মেয়ের ফেরা টা অনিবার্য্য , আবার অনস্বীকার্য্য ঐকান্তিকতা । তাই এই উত্সবের মধ্যে লুকিয়ে থাকা ঘরে ফেরার টান কে উপলব্ধি করাতেই রয়েছে সার্থকতা, ঐহিক জীবনের পুরিপুর্ণতার আস্বাদন।
আগামী কাল বিজয়া দশমী , সেই দিন টিকে মনে রেখে -
তারা রা দৃশ্য -অদৃশ্য হতে হতে পেরিয়ে যাবে আরো একটি রাত.
মুখ চোরা বোবা শব্দের আঁকা আল্পনা মোছার দিন।
এত কিছু সাজ শহর সেজেছে , আলো মাখা মাখি রাত।
সকালের চোখ মুছিয়ে দেওয়া শিশির , পদ্ম মধু.....
সন্ধ্যে নামার আগে পাখিদের উড়া -উড়ি।
কালো জলে প্রতিমার রামধনু।
No comments:
Post a Comment