Wednesday, 15 August 2018

আমরা কেউ ওদের নই



প্রতিবাদ করতে পেরেছিল সুজেট।
শেষ চেষ্টা করেছিল নির্ভয়া
আটকাতে ক্ষুধার্ত হাত।
না,আসিফা জানতো না প্রতিবাদ
বা প্রতিরোধ।
নিতান্ত কচি আঙ্গুল পুতুল ছুঁয়ে দেখেছিল।
পুরুষাঙ্গ নয়।

গলা মোম হাতে পড়লে মোমবাতি মিছিলে
হাত কাঁপে। আলো সরে যায়।
মুখে কালো কাপড় বেঁধে মৌন থেকে
দখল করা যায় কাগজের প্রথম পাতা।
তারপর তো কত নদী ,নালা পেরিয়ে
বিচার থমকায় নাবালকের কোঠায়।

তখন ভদ্র মানুষ হঠাৎ করে তিন বাঁদর
হয়ে ওঠে। মানবাধিকার টাধিকার কি
সব যেন গজিয়ে ওঠে ঝাঁকিয়ে দেয় বিবেকের
ঝুঁটি। মৃত্যু নয়,বাঁচার অধিকার যে সবারই।

আসিফা শেখেনি বাঁচা কাকে বলে।বা লড়াই।
আমরা সুশীলরা যারা একটু ইশ আহারে ওমা
মেয়েটা আমারই মেয়ের বয়সী বলে জিভ চুকচুক করি
হয়তো মিছিলে হাঁটি কিসের তাড়নায় সেটাও
তো স্পষ্ট নয়।

আমরা নাকি মানুষ! মানবিক হতে হয়।
হ্যাঁ এটা ঠিক মানুষের মতো দেখতে
বটেই। আসিফা মানুষ ছিলোনা।
মানবাধিকার ওর জন্য নয়।

No comments:

Post a Comment

যাঁরা হঠাত করেই খাওয়াতে চায়

  হাঁটু মুড়ে বসো, মুড়িমাখা হাতে দেবো- ঝাল মুড়ি। চিবিয়ে চিবিয়ে খাবে সাথে আচারের টুকরো আম। পা ছড়িয়ে বসো তারপর, মেলে দাও গল্পের শাড়ি। অবাক বিস্...