মাকে নিয়ে আজ এসেছিলাম মিশন হসপিটাল এ।জরুরি কিছু টেস্ট ছিল ইকো ecg ইত্যাদি। মায়ের সিরিয়াল নম্বর আসলে মা গেল ভেতরে। আমি বসে আছি। যথারীতি চোখ ঘুরছে এদিক ওদিক। চোখ গেল এক দম্পতির দিকে। পাকা চুলে সিঁদুর পরা জেঠিমা প্রায় খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে এলেন। পিছনে ওনার স্বামী। ভাবলাম এই জেঠিমার নিশ্চই হাঁটুর ব্যাথা বা নির্ঘাত আর্থ্রাইটিস এর চিকিৎসার জন্য এসেছেন। ওনার হাত কাঁধ ছুঁয়ে ছিল জেঠুর হাত।
কিছুক্ষন পর আমার সন্দেহ তা ভুল প্রমাণিত হলো।না এক্ষেত্রে জ্যেঠিমা নয়, জ্যেঠুর সমস্যা। পক্ককেশ মানুষটি যথেষ্ট দুর্বল। এক জায়গায় বসে পড়লেন।আর ওনার সহধর্মিনী এক এক করে সব ফর্মালিটি গুলো সারছিলেন। সব সেরে এসে একটা হাত স্বামীর কাঁধে রেখে বললেন "বসতে হবে, দেরি হবে একটু"।সেই জেঠুর দৃষ্টি তখন মেঝেতে।কথা বলতে কষ্ট হচ্ছে বুঝলাম। একবার শুধু তাকালেন ,চোখে ক্লান্তি বা কষ্টের রেখা বলিরেখার ভাঁজে ফুটে উঠেছে।
জেঠিমা জল এর বোতল খুলে কিছুটা ওনার মুখে ঢেলে দিলেন।
সহধর্মিনী র সাথে অপেক্ষায়।দীর্ঘ নয় যদিও, তবুও বয়সের কাছে সেটাই বেশ পরিশ্রম এর ব্যাপার।
আমার মা বাবা কেও রোজ দেখি। সংসারের খুঁটি নাটি নিয়ে তর্ক বিতর্ক এর মাঝে একটা আগলে রাখার ভাব। দুজনের দুরকম।
আমি চেষ্টা করি পাশে থাকার। কিন্তু এই দম্পতি
বারবার আশ্বাস দিয়ে যাচ্ছেন দৃষ্টি তে
সাহচর্য, নাকি শুধুই পাশে থাকা অথবা বহু বছরের নির্ভরতার আশ্বাস।
কিছুক্ষন পর আমার সন্দেহ তা ভুল প্রমাণিত হলো।না এক্ষেত্রে জ্যেঠিমা নয়, জ্যেঠুর সমস্যা। পক্ককেশ মানুষটি যথেষ্ট দুর্বল। এক জায়গায় বসে পড়লেন।আর ওনার সহধর্মিনী এক এক করে সব ফর্মালিটি গুলো সারছিলেন। সব সেরে এসে একটা হাত স্বামীর কাঁধে রেখে বললেন "বসতে হবে, দেরি হবে একটু"।সেই জেঠুর দৃষ্টি তখন মেঝেতে।কথা বলতে কষ্ট হচ্ছে বুঝলাম। একবার শুধু তাকালেন ,চোখে ক্লান্তি বা কষ্টের রেখা বলিরেখার ভাঁজে ফুটে উঠেছে।
জেঠিমা জল এর বোতল খুলে কিছুটা ওনার মুখে ঢেলে দিলেন।
সহধর্মিনী র সাথে অপেক্ষায়।দীর্ঘ নয় যদিও, তবুও বয়সের কাছে সেটাই বেশ পরিশ্রম এর ব্যাপার।
আমার মা বাবা কেও রোজ দেখি। সংসারের খুঁটি নাটি নিয়ে তর্ক বিতর্ক এর মাঝে একটা আগলে রাখার ভাব। দুজনের দুরকম।
আমি চেষ্টা করি পাশে থাকার। কিন্তু এই দম্পতি
বারবার আশ্বাস দিয়ে যাচ্ছেন দৃষ্টি তে
সাহচর্য, নাকি শুধুই পাশে থাকা অথবা বহু বছরের নির্ভরতার আশ্বাস।
No comments:
Post a Comment