ফুলশয্যা
সপ্তম বিবাহবার্ষিকী। ধরিত্রী এলবাম নামিয়ে বিয়ের ছবি গুলো দেখছিল। প্রতিবার দেখে। কৃষ্ণ এখনো ফেরেনি কাজ থেকে। একটু দেরি হবে। রাতে একসাথে ডিনার করবে বলে আগে থেকেই টেবিল বুক করেছে।
এলবাম টা খুললেই কত ঘটনা পুরাঘটিত বর্তমান হয়ে ওঠে। সাত পাক, অগ্নিসাক্ষী, সিঁদুর দান থেকে ফুল শয্যার খাটের ছবি শুধু দুজনের। এখনো তারা দু জন তিন জন হয়নি। ফ্রেমে বন্দি হয়নি কোনো নতুন নরম মুখ।
প্রতি বছর বিবাহ বার্ষিকী তে কৃষ্ণ নিয়ম করে ওকে সারপ্রাইস দেয়। সবসময় ওর চেষ্টা ও ভালো থাকুক।হাসি মুখে থাকুক। একের পর এক চেষ্টা যখন ধরিত্রী কে শক্ত করে তোলে, ওর হাসি মুখ ফেটে চৌচির হয়, কৃষ্ণ কিন্তু ঠিক বুঝে যায় কি ভাবে ভিজিয়ে দিতে হয় স্নেহের পরশে। অনেক খানি নিশ্চিন্ত, তবুও কি শান্তি মেলে? একবার ঘড়ির দিকে সে তাকায়।হ্যাঁ তাদের বিয়েটা ছিল গোধূলি লগ্নে।
ডিনার শেষে ঘরে ফিরে এলো ওরা।নাহ সারপ্রাইস কৃষ্ণ এখনো দিলোনা। মনের কোণে একটা প্রশ্ন উঁকি দিয়ে যায়।তবে কি কৃষ্ণ...নাহ, কি জানি। ভেবে ও চুপ করে যায়। ঘুম না আসলেও নিয়ম মতো বিছানায় ও যায়। লাইট নিভিয়ে দেয়।কৃষ্ণ ড্রয়িং রুমে কি সব কাগজ নিয়ে বসেছে। ধরিত্রী জানে ওগুলো অফিসের দরকারি কাগজ। মনে হয় খুব দরকারি।না হলে সচরাচর ও অফিসের কাগজ বাড়িতে নিয়ে আসেনা।
ঘড়ির কাঁটা প্রায় পনে 12টা। কৃষ্ণ এসে বেডরুমের লাইট জ্বালায়। একটু বিরক্ত হয় ধরিত্রী। কিন্তু চুপ করে থাকে। কৃষ্ণ এসে গালে আলতো চুমু দেয় ওর। চোখ ঢেকে দিয়ে বলে সারপ্রাইস। চোখ খুললে দেখে একটা ফর্ম। একটা adoption agency র। কিছুটা দ্বিধা নিয়ে ধরিত্রী অস্ফুটে বলে নিজের তো আর নয়। কৃষ্ণ হোহো করে হাসে। বলে 'নিয়ম মতো কাগজ বানালে সেই baby টাও তোমার নিজের।'কিন্তু' 'না কোনো কিন্তু নয়, আমিই বা তোমার নিজের কে ছিলাম, রেজিস্ট্রি র কাগজ টা তে সাইন করেছিলাম বলেই না তোমার বাবা নিশ্চিন্তে আমার হাতে তোমার হাত টা তুলে দিয়েছিল।পাগল একটা'।
কৃষ্ণ এই কথা বলে ওকে জড়িয়ে ধরে। ও কেঁপে ওঠে। কি সহজে কৃষ্ণ বুঝিয়ে দেয় আপন বলে কেউ হয়না,আপন করে নিতে হয়, নিতে জানতে হয়। এই জন্যই সে সখা, স্বামী বা তার ও বেশি কিছু মনে হয়।
জীবনের নিশ্চিন্ত ফুলশয্যা বোধ হয় তার জীবনে আজই আলিঙ্গন করে যায়।
সপ্তম বিবাহবার্ষিকী। ধরিত্রী এলবাম নামিয়ে বিয়ের ছবি গুলো দেখছিল। প্রতিবার দেখে। কৃষ্ণ এখনো ফেরেনি কাজ থেকে। একটু দেরি হবে। রাতে একসাথে ডিনার করবে বলে আগে থেকেই টেবিল বুক করেছে।
এলবাম টা খুললেই কত ঘটনা পুরাঘটিত বর্তমান হয়ে ওঠে। সাত পাক, অগ্নিসাক্ষী, সিঁদুর দান থেকে ফুল শয্যার খাটের ছবি শুধু দুজনের। এখনো তারা দু জন তিন জন হয়নি। ফ্রেমে বন্দি হয়নি কোনো নতুন নরম মুখ।
প্রতি বছর বিবাহ বার্ষিকী তে কৃষ্ণ নিয়ম করে ওকে সারপ্রাইস দেয়। সবসময় ওর চেষ্টা ও ভালো থাকুক।হাসি মুখে থাকুক। একের পর এক চেষ্টা যখন ধরিত্রী কে শক্ত করে তোলে, ওর হাসি মুখ ফেটে চৌচির হয়, কৃষ্ণ কিন্তু ঠিক বুঝে যায় কি ভাবে ভিজিয়ে দিতে হয় স্নেহের পরশে। অনেক খানি নিশ্চিন্ত, তবুও কি শান্তি মেলে? একবার ঘড়ির দিকে সে তাকায়।হ্যাঁ তাদের বিয়েটা ছিল গোধূলি লগ্নে।
ডিনার শেষে ঘরে ফিরে এলো ওরা।নাহ সারপ্রাইস কৃষ্ণ এখনো দিলোনা। মনের কোণে একটা প্রশ্ন উঁকি দিয়ে যায়।তবে কি কৃষ্ণ...নাহ, কি জানি। ভেবে ও চুপ করে যায়। ঘুম না আসলেও নিয়ম মতো বিছানায় ও যায়। লাইট নিভিয়ে দেয়।কৃষ্ণ ড্রয়িং রুমে কি সব কাগজ নিয়ে বসেছে। ধরিত্রী জানে ওগুলো অফিসের দরকারি কাগজ। মনে হয় খুব দরকারি।না হলে সচরাচর ও অফিসের কাগজ বাড়িতে নিয়ে আসেনা।
ঘড়ির কাঁটা প্রায় পনে 12টা। কৃষ্ণ এসে বেডরুমের লাইট জ্বালায়। একটু বিরক্ত হয় ধরিত্রী। কিন্তু চুপ করে থাকে। কৃষ্ণ এসে গালে আলতো চুমু দেয় ওর। চোখ ঢেকে দিয়ে বলে সারপ্রাইস। চোখ খুললে দেখে একটা ফর্ম। একটা adoption agency র। কিছুটা দ্বিধা নিয়ে ধরিত্রী অস্ফুটে বলে নিজের তো আর নয়। কৃষ্ণ হোহো করে হাসে। বলে 'নিয়ম মতো কাগজ বানালে সেই baby টাও তোমার নিজের।'কিন্তু' 'না কোনো কিন্তু নয়, আমিই বা তোমার নিজের কে ছিলাম, রেজিস্ট্রি র কাগজ টা তে সাইন করেছিলাম বলেই না তোমার বাবা নিশ্চিন্তে আমার হাতে তোমার হাত টা তুলে দিয়েছিল।পাগল একটা'।
কৃষ্ণ এই কথা বলে ওকে জড়িয়ে ধরে। ও কেঁপে ওঠে। কি সহজে কৃষ্ণ বুঝিয়ে দেয় আপন বলে কেউ হয়না,আপন করে নিতে হয়, নিতে জানতে হয়। এই জন্যই সে সখা, স্বামী বা তার ও বেশি কিছু মনে হয়।
জীবনের নিশ্চিন্ত ফুলশয্যা বোধ হয় তার জীবনে আজই আলিঙ্গন করে যায়।
No comments:
Post a Comment