Friday, 20 June 2014

পর্য্যবেক্ষণ

আমার মা কে আমি কাঁদতে দেখিনি। 
তাই আমি যখন কাঁদি , মা র হাত পিঠে 
কান্না র রাশ টানে।
 আমার মা কে আমি অভিযোগ করতে  শুনিনি,
কারুর বিরুদ্ধেই নয়। 
অনেকগুলো বচ্ছর চুপ করে থাকার অজুহাত খুঁজতে গিয়ে 
মায়ের ভাষা আর  সাবলম্বী  নেই। 
সব কিছু কত সহজেই না নিতে পারে-
কলের জল, রান্নার নুন, সাবানের ফেনা র 
কাছে ঋণী  জীবনে মায়ের পাওয়া 
ঠাকুর ঘর, শাঁখা  , পলা, বাতাবি লেবু ,
কাঠ বিড়ালি, কপালে ষোলো  আনা সিন্দুর।
  মাটির ঘরে পেরিয়ে  গেল আঠাশ বছর।
এখনো মায়ের  পাটভাঙ্গা শাড়ী  মানে ,
সযত্নে সাজানো মাড়  দেওয়া কাপড়।  
মায়ের চলার পথে নদীর ছাপ ,
হলুদ মাখা হাতের আশ্বাস। 
নিকোনো উঠোনে চেনা পৃথিবী।
চোখের গভীরে আশ্রয়ের চেনা ছাউনি। 
নীরবতায়  জন্মান্তরের প্রশ্বাস। 



No comments:

Post a Comment

যাঁরা হঠাত করেই খাওয়াতে চায়

  হাঁটু মুড়ে বসো, মুড়িমাখা হাতে দেবো- ঝাল মুড়ি। চিবিয়ে চিবিয়ে খাবে সাথে আচারের টুকরো আম। পা ছড়িয়ে বসো তারপর, মেলে দাও গল্পের শাড়ি। অবাক বিস্...