বৃষ্টির আশ্বাস এ লেখা হয়েছিল লাগামছাড়া দিনের সংলাপ।
কুলুঙ্গিতে লক্ষী র ঝাঁপি র প্রদীপের আলো নিয়ে মা যখন বসত সেলাই নিয়ে
আমরা ভাইবোনেরা পড়তাম সহজ পাঠ , কিশলয়।...
ভেবে নিতাম বড় হলে একদিন ঠিক পেয়ে যাব বাবার কাছে
যা অনায়ত্ত , মুঠোর মধ্যে একচিলতে পৃথিবী।
ঝাপসা আয়নায় ভাঙ্গাচোরা মুখের তোবড়ানো যন্ত্রণা ....
বেঁকে যাওয়া পিঠ নিয়ে বাবার ঘরে ফেরার প্রতিক্ষায়
উঠোনের এদিক ওদিক মায়ের বিচরণ।..
"বাবা কখন আসবে মা"?-নিরীহ প্রশ্নে সচকিত মা
বন্ধকী জীবনের কাছে অসহায় বিশ্বাস।
বাবা র ঘরে ফেরা র মধ্যে যে সাহস বা নির্ভরতা লুকিয়ে থাকত
জানতাম আমি আর মা.
এমনকি পোষা কুকুরটা লেজ নাড়ত অবিরত।
ভাই জানত ওর জন্য আসবে লেবু লজেন্স , মা র কাজ
ছিল থলে খুলে ভাগ করে নেওয়া রাত আর অনাগত সকালের
আনাজপাতি।
আমি অপেক্ষা করতাম মাসের পয়লা তারিখ।
একটা কি দুটো গল্পের বই।
নিতান্ত্য ছেলেমানুষী আবদার এ কখনো এদিক ওদিক।
সেই পয়লা তারিখ বছর ঘুরে মাস পেরিয়ে আসে আজও ......
অপেক্ষা নেই , মা এখন আর দরজায় করা নাড়ার আওয়াজে ছুটে যায় না.
ভাই সময় আমার ঘড়ি থেকে ঠিক ১২ ঘন্টা পিছনে।
আমার দু কামরা ফ্ল্যাটের ব্যালকনিতে বৃষ্টি এসে ভিজিয়ে দেয় গোলাপের কুঁড়ি।
তবুও অপেক্ষায় আছি, জড়িয়ে নিয়ে প্রত্যাশা।
চাঁদমামা , শুকতারা এখনো যে বাবার গন্ধ মাখা।
বাইরে গেলে মা র মুখে "দুগ্গা দুগ্গা"-
নিরুত্তর অপেক্ষায় .....উত্তরে চাঁদমামা শুকতারা।
কুলুঙ্গিতে লক্ষী র ঝাঁপি র প্রদীপের আলো নিয়ে মা যখন বসত সেলাই নিয়ে
আমরা ভাইবোনেরা পড়তাম সহজ পাঠ , কিশলয়।...
ভেবে নিতাম বড় হলে একদিন ঠিক পেয়ে যাব বাবার কাছে
যা অনায়ত্ত , মুঠোর মধ্যে একচিলতে পৃথিবী।
ঝাপসা আয়নায় ভাঙ্গাচোরা মুখের তোবড়ানো যন্ত্রণা ....
বেঁকে যাওয়া পিঠ নিয়ে বাবার ঘরে ফেরার প্রতিক্ষায়
উঠোনের এদিক ওদিক মায়ের বিচরণ।..
"বাবা কখন আসবে মা"?-নিরীহ প্রশ্নে সচকিত মা
বন্ধকী জীবনের কাছে অসহায় বিশ্বাস।
বাবা র ঘরে ফেরা র মধ্যে যে সাহস বা নির্ভরতা লুকিয়ে থাকত
জানতাম আমি আর মা.
এমনকি পোষা কুকুরটা লেজ নাড়ত অবিরত।
ভাই জানত ওর জন্য আসবে লেবু লজেন্স , মা র কাজ
ছিল থলে খুলে ভাগ করে নেওয়া রাত আর অনাগত সকালের
আনাজপাতি।
আমি অপেক্ষা করতাম মাসের পয়লা তারিখ।
একটা কি দুটো গল্পের বই।
নিতান্ত্য ছেলেমানুষী আবদার এ কখনো এদিক ওদিক।
সেই পয়লা তারিখ বছর ঘুরে মাস পেরিয়ে আসে আজও ......
অপেক্ষা নেই , মা এখন আর দরজায় করা নাড়ার আওয়াজে ছুটে যায় না.
ভাই সময় আমার ঘড়ি থেকে ঠিক ১২ ঘন্টা পিছনে।
আমার দু কামরা ফ্ল্যাটের ব্যালকনিতে বৃষ্টি এসে ভিজিয়ে দেয় গোলাপের কুঁড়ি।
তবুও অপেক্ষায় আছি, জড়িয়ে নিয়ে প্রত্যাশা।
চাঁদমামা , শুকতারা এখনো যে বাবার গন্ধ মাখা।
বাইরে গেলে মা র মুখে "দুগ্গা দুগ্গা"-
নিরুত্তর অপেক্ষায় .....উত্তরে চাঁদমামা শুকতারা।
No comments:
Post a Comment