ছোট ছোট ঘটনা গুলো বরাবর আমার মন কে ছুঁয়ে যায়। রাস্তায়,বাসে ,ভিড়ের মাঝে যে সব না দেখা গল্প রা জন্মায় তাদের কথা বলতে গিয়ে মনে হয় এতো আমার নিজেরই কথা। আজ স্কুল থেকে বাড়ি ফিরছিলাম।যথারীতি ভিড় বাস।কেবিন এ কোনোরকমে জায়গা পেয়েছি। পানাগর বাস স্ট্যান্ড থেকে আরো অনেকের সাথে উঠলো একজন সদ্য বিবাহিতা ,তার স্বামী এবং শাশুড়ি মা।
ভিড় বাস।জায়গা নেই। রাজবাঁধ আসলে 2টো সিট ফাঁকা হলো।একটি কেবিন এ অন্য টি সামনের সিটে।শ্বাশুড়ি মা কেবিন এ বসলেন। বধূটি প্রথম সারির প্রথমে। স্বামী বউটির পাশে দাঁড়িয়ে।শ্যামলা সদ্য বিবাহিতা যুবতীর চওড়া সিঁদুর, গয়না আর লাজুক মুখ অবনত ,মাঝে মাঝে একবার আড়চোখে কর্তা কে দেখে নেওয়া।
আমাদের nh2 তে বেশ কিছু বাম্প আছে। ঝাঁকুনি অবধারিত। এর মধ্যে স্বামী টি ঝাঁকুনি খেয়ে হাত রেখেছে বউটির কাঁধে। একটু হাসি খেলে যায় দুজনের মুখে। ইতিমধ্যে শাশুড়ি মা র ব্যাপারটা পছন্দ হলো কিনা জানিনা,উনি বারবার ডাকছেন পুত্র কে কারণ মুচিপাড়া তে সিট ফাঁকা হবে।কিন্তু পুত্র চুপ। এদিকে মায়ের ডাক।ওদিকে তাকিয়ে দেখি বউটির হাত আলতো করে ছুঁয়ে আছে স্বামীর জিন্সে।
পিছনে বারবার ঘাড় ঘুরিয়ে শাশুড়ি মা দেখছেন আর ডাকছেন তার পুত্র কে বারবার। যথারীতি মুচিপাড়াতে বাস কিছুটা ফাঁকা হলো। কেবিন ও খালি হলো। কিন্তু বউটির পাশের সিট খালি হবে সিটি তে। স্বামী ঠায় দন্ডায়মান।
কেবিনে মা এর মুখ কিছুটা বিষন্ন পড়ন্ত বেলায়। হয়তো বা একটু রাগ বা বিরক্তি। একটাই কথা চাপা স্বরে -মাথা খারাপ ,নয় কেউ এভাবে সিট ছেড়ে দেয়।"
সম্পর্কের দ্বন্দ্ব, অধিকার ,ভালোবাসা গুলো কেন যে এত তাড়াতাড়ি জট পাকানো আর ঘোলাটে হয়ে যায়!
ভিড় বাস।জায়গা নেই। রাজবাঁধ আসলে 2টো সিট ফাঁকা হলো।একটি কেবিন এ অন্য টি সামনের সিটে।শ্বাশুড়ি মা কেবিন এ বসলেন। বধূটি প্রথম সারির প্রথমে। স্বামী বউটির পাশে দাঁড়িয়ে।শ্যামলা সদ্য বিবাহিতা যুবতীর চওড়া সিঁদুর, গয়না আর লাজুক মুখ অবনত ,মাঝে মাঝে একবার আড়চোখে কর্তা কে দেখে নেওয়া।
আমাদের nh2 তে বেশ কিছু বাম্প আছে। ঝাঁকুনি অবধারিত। এর মধ্যে স্বামী টি ঝাঁকুনি খেয়ে হাত রেখেছে বউটির কাঁধে। একটু হাসি খেলে যায় দুজনের মুখে। ইতিমধ্যে শাশুড়ি মা র ব্যাপারটা পছন্দ হলো কিনা জানিনা,উনি বারবার ডাকছেন পুত্র কে কারণ মুচিপাড়া তে সিট ফাঁকা হবে।কিন্তু পুত্র চুপ। এদিকে মায়ের ডাক।ওদিকে তাকিয়ে দেখি বউটির হাত আলতো করে ছুঁয়ে আছে স্বামীর জিন্সে।
পিছনে বারবার ঘাড় ঘুরিয়ে শাশুড়ি মা দেখছেন আর ডাকছেন তার পুত্র কে বারবার। যথারীতি মুচিপাড়াতে বাস কিছুটা ফাঁকা হলো। কেবিন ও খালি হলো। কিন্তু বউটির পাশের সিট খালি হবে সিটি তে। স্বামী ঠায় দন্ডায়মান।
কেবিনে মা এর মুখ কিছুটা বিষন্ন পড়ন্ত বেলায়। হয়তো বা একটু রাগ বা বিরক্তি। একটাই কথা চাপা স্বরে -মাথা খারাপ ,নয় কেউ এভাবে সিট ছেড়ে দেয়।"
সম্পর্কের দ্বন্দ্ব, অধিকার ,ভালোবাসা গুলো কেন যে এত তাড়াতাড়ি জট পাকানো আর ঘোলাটে হয়ে যায়!