Tuesday, 27 January 2015

বীক্ষণ

 ঝুল বারান্দায় হাওয়ার  অবিরত রং মাখা বিকেলের কানাকানি। পেরিয়ে গেল আরেকটা দিন , চাপা পড়ল আত্ম-মগ্ন অপরাধ। 
ফানুসএ উড়িয়ে দিলাম কিছু ছাইদানির  DEPRESSION ;
পলকা কারুকাজে ফুটিয়ে তোলা বিষন্ন অপরাধ। 
জামদানি মেঘলা রাত , সাবধানে ফিরিয়ে দিলাম প্রেমের অজুহাত। 

Monday, 19 January 2015

প্রতিদিন এবং স্বাধীনতা

একটা অসহনীয় ব্যথা তাকে কুরেকুরে খাচ্ছিলো।  এটা বেকারত্ব বা প্রেমে ভাঙ্গার .নয়।  তাও তো হয়ে গেল চাকরি প্রায় ৫ বছর।  অনেক রং নাম্বার ঘেঁটে  ঠিক নম্বর' র লোক কে পেয়ে যাবার মতোই সে পেয়ে গেছিলো  এই চাকরি , বড় আকাঙ্খার , স্বপ্নের সেই চাকরি রং চটে গিয়ে এরপর আস্তে আস্তে  গলায় চেপে বসেছে। ভালবাসা যখন দায়বদ্ধতায়  রুপান্তরিত হয় ,তখন মুক্তির পথ খোঁজা অনিবার্য্য হয়ে দাঁড়ায়।  তার ক্ষেত্রেও এটা  ব্যতিক্রম নয় . ৯-৫ টার  গতানুগতিক পথের  মাঝে একটু অচেনার খোঁজ  পেলেই সে হাঁ  করে তাকিয়ে দেখে;আজকাল ব্যতিক্রম কেও মন মেনে নিতে পারেনা। বাড়ি ফেরা  নিতান্তই দেওয়ানী  মামলা, শুরুর সময় জানা আছে , শেষ আদেও  নেই।

প্রেম এসেছে তার জীবনে, অনেকবার । একটা কথা তার দুর্বোধ্য থেকে গেলো  আজও। কোনো সম্পর্ক কে টেনে নিয়ে যেতে তার এত ভয় কেন? স্বাধীনতা হারানো ভয় ? নাহ , তাও নয়। কারণ স্বাধীন সে কোনদিন ই ছিলো না সে অর্থে।না তো বন্ধুদের সাথে ঘুরতে যাওয়া , না সিনেমা দেখা ,আর বাইরে রাত কাটানো স্বপ্নেও সে ভাবতে পারেনা। তবুও প্রেম এসেছিলো , নিয়ম করে  সে প্রেমে পরেছে, শিহরিত হয়েছে, ঘেমেছে, চমকেছে, আবার নিশ্চুপ ও হয়ে গেছে। ইউনিভার্সিটি  র ক্লাস শেষ  করে পার্ক এও ঘুরেছে। যদিও দুর্গাপুর এ তার পক্ষে এসব ছিলো বাস্তবে অসম্ভভ অকল্পনীয়।  সেখানে ভয় ভীতি ছিল , কিন্তু কলকাতায়  এসে সে সব এর আর কোনো বালাই ছিলনা। 

তুলনামূলক স্বাধীনতা বিষয়টি নতুন শুনতে মনে হলেও আদপে আমরা সবাই কিন্তু জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত গুলো কে তুলনা করে চলি।   কিছুদিন আগের বেকারত্ব কে আজ তার নতুন ভাবে দেখতে ইচ্ছা জাগে। স্বাধীনতা ছিল কিছুটা, এখন টাকা কিছু কম নয়। ৮বি  রুটের বাস এ বাদুর ঝোলা জীবন সকাল ৮ টায়  শুরু হয়ে ট্রেনে কামরা, লাইনের খোয়া, হকার র ঘাম,টয়লেটর আম্লিক  গন্ধ   মিশে থাকা সময় বিকেল পেরিয়ে তাদের এক কুচি ফ্ল্যাট  এ যখন উপস্তিত হয়, তখন দেয়াল ঘড়িটা  আপেক্ষিক স্বাধীনতায় দৌড়ে বলে দেয় বিক্ষিপ্ত জীবনের প্রক্ষেপন। 

রাত ১২ টায়  পেঁচা জানালা পাশ দিয়ে ডেকে  যায়।   ঘরের টিকিটিকি দুটো কথোপকথন চালিয়ে যায় ; রাগ ,দুঃখ , অভিমান ক্ষোভ সে ভাষায় অস্পষ্ট, মানবীয় বুদ্ধিতে দুর্বোধ্য। রাতের ওজন বেড়ে চলার পর থমকে গেছে এসি র নরমাল মোড এ। এরপর ভোর  র আলো  এক ঝটকায় লাথি  মেরে অন্ধকার কে ডাস্টবিনে পাঠিয়ে দিয়ে পরিস্কার করে দেবে রাস্তা পথ ঘাট প্রাতভ্রমন কারীদের জন্য। মোবাইল অন করলে ঝাঁকে ঝাঁকে বার্তা  পৌছে জানিয়ে দেবে দায়িত্ব , ব্যস্ত্যতা , অনিবার্য্যতা। 

"ফুলঝোর।  ফুলঝোর " চিত্কারে তার সম্বিত ফিরলো; শাড়ি  র আঁচল  জড়িয়ে কাঁধে আর পিঠে ব্যাগ ২টো  নিয়ে সে নামলো  গলি রাস্তায়, অন্ধকার জমে উঠেছে  তেলেভাজার গন্ধ, চড়া দাগের হিন্দি গান  এবং গরমগরম রাজনৈতিক বিশ্লেষণে।  ব্যাগ র ফোন বেজে উঠলো হঠাত।  ছোট্ট  হ্যালো র ওপ্রান্তে কর্কশ শব্দের অবিন্যস্ত বাক্যবান। কালকের ছুটি বাতিল হলো।  কিন্তু কালকেই তো ফাইনাল হিয়ারিং , তাকে যেতেই হতো।  আগাম চিঠি দিয়ে রেখেছিল সে।  অথচ মোবাইল না থাকলে সে খবর তার কাছে তো আসতো  না।  তাকে যেতেও হত না। 

*********************************************************************************

 
?????????????????????????????????????????????????????????
???????????????????????????????????????????????????????????????

ব্রেকিং নিউস - সন্ত্রাসের ষড়যন্ত্র বানচাল -গ্রেফতার সরকারী কর্মচারী।  উদ্ধার তার নাম এ ব্যবহৃত সিম কার্ড। উদ্দেশ্য স্পষ্ট নয়।  গ্রেফতার আরো কিছু সন্দেহভাজন।

তবে গ্রেফতার হওয়া সন্ত্রাসবাদীদের কাছে  পাওয়া তথ্য অনুযায়ী  মোবাইল টি ভাঙ্গা অবস্থায় এ কুড়িয়ে পেয়েছিলো  তারা। 
 আপাতত সেই বছর ৩৫ এর মহিলা পুলিশি  হেফাজতে।







Thursday, 15 January 2015

মুখোমুখি: ধর্ম-কবিতা

ক্রুশে র  অন্ধকার মুছে মোমবাতির  ছায়া বাড়ায় মসিহার মৃদু হাস্য।
আফসোস ভুলে ছায়া  ছিঁড়ে ঝালিয়ে নেওয়া
ছেলে ভোলানো নৈতিক উপমা।
মিওসিস  বিভাজনে দল  বাড়ে , নদীর বুকে মন্ত্র ছুঁড়ে
আত্মতৃপ্তি , পুণ্য গড়ার কারিগর হাত ধুয়ে পবিত্র
গন্ধ মেখে সাধু সাজে ।  মাথার নীচে  প্রিয়তম
পুঁটলি বাঁধা অনুবিক্ষণিক ষড় রিপুর উপাচার , মহাশুন্যে
কুয়াশা ঝুলছে ;
পৃথিবী মহা প্রলয়ের পর হঠাত শান্ত হলে জেগে দেখবো
নোয়া  আর মনু কবিতা লিখছে-

খেলা শুরু হবে , মৃত্যু বিহীন রক্তাক্ত জীবন
একদিন পৃথিবীর পরিসীমা কমিয়ে বদলে দেবে গতি।

পরজন্ম লাভের আশায় পাশ ফেরে ধার্মিক  বিপন্নতা;
আশা -নিরাশা ভাঙ্গে গড়ে বাস্তবের কবিতা। 







Monday, 5 January 2015

অফুরান অপেক্ষায়

আরো একবার ভালবাসার কবিতা লিখতে বসেছি .
অন্যের গান ঠোঁটে নিয়ে তোমাকে দিচ্ছি   রাতে ...
মুঠোফোনে ঘোর , বাস্তবের লড়াই ভাগফল ;
অবশিস্টে নিঃসঙ্গতা . ছায়া মানুষ হয়েই থেকে যাবে শেষ অব্দি ?
নীল মেঘ জড়ানো রোদে তোমার ঋণ। শর্তহীন।
আগুন চাইছে আড় ভাঙ্গা পরিযায়ী কবিতা। তরঙ্গে নতুন কাহিনী।

Wednesday, 31 December 2014

ON THE EVE OF ANOTHER NEW YEAR

The unexpected jerks and quirks leaving the clue 
Of dwindling heart ,the hatred of being lonely,covered with 
Floating scraps and halting breath may be not good enough to
Say -eat up the dregs of life ,running behind the storm at midnight.

While throwing words  against the wall of moments immune to love,
I've found myself in the limbo pent up . yes, there is granny to tell the
Fractured tales,  the annals of swollen uterus, with a chuckle-expression dubious.
The craziness of the sunken eyes murmur the note of the days spent or seconds ,yet 
To be unveiled. with equal smile she covers the wounds of thousand years.

The circle comes to full, after the midnight. after some excuses suddenly 
I've discovered the language of the descending night ,telling the mirth of 
Despair, swallowing the twisted tale of truth and moonshine. the twilight 
Captures the journey towards another Ithaca with the recorded emptiness
Of the horizon, crimson ,deferring the secret of existence, for another millennium.
 


Tuesday, 30 December 2014

টুকরো কথা -২

আজ ছুটি থাকলেও অফিসে কাজের জন্য যেতে হয়েছিলো। ছিলাম একাই প্লাটফরম এ বসে...মানে চেনা সেরকম কেউ ছিলনা।যাইহোক বসেছিলাম বেশ। পাশের  একজন ভদ্রলোক তার জুতো  পালিশ করাচ্ছেন।  মনে হলো ওনারা দুজন পূর্ব পরিচিত।আমি শ্রোতা হয়ে তাদের কথোপকথন শুনছি। যিনি জুতো  পালিশ করছেন বেশ একগাল হেসে বললেন "বাবু,ছেলেটা মাধ্যমিক  দিচ্ছে  এবার। পাস করে গেলে আমার মতো  পালিশ করতে হবে না , ওকে আমি পড়াব ,একটা টেস্ট পেপার কিনে দিয়েছি। দেখি কি করে। "

ভাগ্যিস হীরক রাজা র কথা উনি শোনেন নি -"লেখা পড়া  করে যে , অনাহারে মরে সে "

শিক্ষিত  বুদ্ধিজীবী ছত্রাক সম সমাজের বুকে মাথা উঁচু করে বাঁচতে চাওয়া গুল্ম , মহীরুহ হবে তো ?



Saturday, 27 December 2014

পড়ন্ত বিকেলবেলায়

শুনব   না বলেও  শুনে ফেলছি রোজ ,চারিদিকে মৃত্যুর মনোলগ। 
হত্যার শব্দ যান্ত্রিক -ধাতব। শিক্ষিত  বাঁদর  জানে তেলা বাঁশে  উঁচুতে ওঠার মন্ত্র।
প্রতিদিন  তোলপাড়এ   নীতি শিক্ষার ডুগডুগি বাজাতে আষাড়ে গল্প - লেখক মিডিয়া , দেখছি  মূর্খ্য -
স্থানীয় সংবাদ , জাতীয় খবর হয়ে ওঠার রাস্তায় রক্ত জমাট। ধোঁয়া  উড়ছে প্রতিবাদী ঠোঁটে।
শীতকাল তো দিব্বি ভালোই -খবরে, কবরে , আগুনে!সিদ্ধিলাভ সহজ  , নিরপেক্ষ নির্বানে।



Saturday, 20 December 2014

টুকরো কথা

রোজ শনিবার এর মতই আজ ফিরছিলাম আপ জম্মু ত্বাই  এক্সপ্রেস ট্রেন এ। রিসার্ভড কম্পার্টমেন্ট এর একজনের সিট এ বসেছি। দিব্বি ভালো জায়গা, জানালার পাশে। ঘুম ঘুম আসছে।সামনে বসা অল্পবয়সী যুবক , এক ঝলক দেখেই বুঝেছি সামরিক বাহিনীর লোক। যাইহোক যথেষ্ট ভদ্র ব্যবহার। এর মধ্যে আমার তো অভ্যাস মত হালকা ঘুম আসছে। হঠাত দেখি ওয়াইন এর গন্ধ।চোখ খুলে দেখি সেই যুবক যথা রীতি পান এ ব্যস্ত। অদ্ভুত লাগলো , খারাপ ভাবলেও ভ্রুক্ষেপ করলাম না। কারণ তার সিট এই আমি বসে আছি। কে ছাড়তে চায় ওই আরামের জায়গা। যাকগে আমার তো কোনো ক্ষতি হচ্ছে না. উচ্ছনে যাওয়া ছেলে পুলের দল  সব।
ইতিমধ্যে ট্রেন পানাগড় চলে এসেছে। যুবক তির মোবাইল এ হঠাত ফোন , যা আঁচ করলাম তাতে বুঝলাম মা ফোন করে কাঁদছে , এদিকে ছেলের চোখেও জল।  আমি ভাভ্লাম বাহ বেশ ভালো melodrama .
ফোন এ কথা বলা শেষ করার পর হঠাত সেই  যুবক টি হিন্দি তে আমাকে বললো  -"দিদি আপ বুরা নাহি মান রাহী হ্যায় তো , ময়ান  পি রহা হু। " আমি তো একটু চমকালাম এ বলে কি।  মুখে বললাম "নাহি জি, আপকি ফিয়াক্র কি কি বাত নাহি ".. হঠাত করে দেখলাম ছেলেটার চোখে জল।  আর্মি তে ৮ বছর রয়েছে , ঘর বাড়ি ছেড়ে। ১মাসের ছুটি শেষ. আবার কাজের জায়গায় ফেরা। এই দিন তা নাকি তার কাছে অসম্ভভ কষ্টের।মা বাবা কে ছেড়ে যাওয়া। ফ্যামিলি কে ছেড়ে যাওয়া। নিজেই বলে ফেল্লো  ফোর্স এ যত আত্মহত্যা র ঘটনা ঘটে প্রায় সবটাই  এই frustration  থেকে।
স্কুল এ জব করি জেনে বললো  "লাকি হো  আপ , পরিবার কে সাথ ওআক্ত বিতাতি হো ".

শেষে নামার সময় বললো  "দিদি আগার আপকো বুরা লাগা তো ময়ান মাফি মান্গ্তা  হু ".তখন পরিবার ছেড়ে যাওয়ার কষ্ট চোখে।
কথায় কথায় জানালো ফেব্রুয়ারী তে ওর বিয়ে।  ওর জীবন ভালো কাটুক।

এই দীর্ঘ্য ৮ বছর ট্রেন যাত্রার জীবনে আরো কিছু নতুন অভিজ্ঞতার সঞ্চয় হলো।

 এরা আছে বলেই আমরা নিশ্চিন্তে ঘুমাতে যেতে পারি।
 বিচিত্র জীবন , নানা ঘটনা আঁচর ফেলে যায়। ..
কষ্টকর হলেও জীবনের নানা বাঁক  গুলো কে ছুঁয়ে যায় এই ট্রেন। লাইন এর প্রতি টা  বাঁক  এর মতই।

Tuesday, 16 December 2014

FOR THOSE WHO NEVER SAID GOOD BYE

That was the day, when the door promised some new moments, yet to be seen...
The seconds were tickled with dream-between  the breath the wink.
Long was the path-, journey was deferred,sometimes despair crept in
And perched lips sang the dirge, when the guns rattled and the rose beat  the funeral drum.

There were the others , seeking for blood; Some of them laid dead while the others cheered.
When the sin,chasing behind, tore the drooping eyes, moaning became faulty, as nothing was there
To be meditated, and haughtiness begot shame on civilized  face. Only the dead rose from the cell
To expiate and tell -fanaticism only fan the flames of crimson eyes, setting the books  ablaze.

That was not the hour to brood, or the minute to feel sad. The corpses demanded justice
And angles were waiting to fill the bucket to wash away the stain. None can write the truth
Except the hands, raised to save themselves from  the bullets; history will bear the thread
Of massacre on the pages. And what can't be sung or can't be undone, needs revision.....

As the dead, never says good bye and the solitude speaks of nothing but death and sublimation!






Tuesday, 9 December 2014

সামান্য কথা


তোমার অন্ধকার , আন্তর্জাতিক শুন্যতা, কঠিন জমাট আবেগ 
ছিঁড়ে ফেলে আচমকাই বলে ফেলি , -"অন্য ভাষায় দিয়ে গেলাম দুর্বোধ্য 
স্তব্ধতা। " তোমার খবর পাচ্ছি রোজ রাজ পথে।বিরতি   গিলে নিচ্ছে 
রামধনু , চায়ের লিকার , জরুরী  কফি কাপ। তোমার ঠোঁটে আলোর 
জোওয়ার , ভূত এ পাওয়া পুরনো পিয়ানোর সুর , সমুদ্রের বর্ণমালা 
পরিচয়ে কয়েক মুহূর্ত ভুল করা ডুয়েট , কাফের ছিলে না তুমি। 
নিয়ম বেঁধেছে ছোটা , বন্ধ ঘরে ধুলোর আল্পনা। 
বাকি সব ভালোবাসা  জন্ম মৃত্যুর সীমারেখা , নাগরদোলা -
এই তো  আছি , ঠিক আছি , ভালো আছি; তলিয়ে দেখলে 
দেখতে পাবে , নটী র দলিলে রাত পোকাদের গান;
ভুলে যাওয়া ভালো, দেওয়াল  উঠলে স্বভবতই হাহাকার ! 
দৃশ্যতই অযাচিত টুঁটি টিপে ধরা উল্লাস-তবুও আশ্বাস  বিরুদ্ধ সংলাপ .

 


যাঁরা হঠাত করেই খাওয়াতে চায়

  হাঁটু মুড়ে বসো, মুড়িমাখা হাতে দেবো- ঝাল মুড়ি। চিবিয়ে চিবিয়ে খাবে সাথে আচারের টুকরো আম। পা ছড়িয়ে বসো তারপর, মেলে দাও গল্পের শাড়ি। অবাক বিস্...