Tuesday, 24 February 2015

IN BETWEEN

The distance between you and me- like gospel and gossip.
All about make believe with trusting lips and trysting alleys.
Oft the god speaks-of sacrifice, of gain, of promise;
And what you seek, upon it ,my hope relies. 
Compulsion is to live and necessity rests on lie and deny.
Memory finds alternative in forgetting ,  only fools cry!




 

Monday, 23 February 2015

বসন্তের আলাপ

সময় পেলে ভাবতে  পারি ভালো। 
পাঠিয়ে দেবো  শেষ বিকেলে বসন্তের ওই আলো। 
আরেকটু বসলে  দেরী কি  খুব হবে ?
হত্যাকারী তুমিও প্রেমী ,  কবিতা শানাও বুকে। 
এক প্রহরের চাঁদের গায়ে পলাশ মাখা ভুল। 
বিরক্তি টা বাদ দিয়ে দাও ,শরীর ডোবাক কূল। 
এইভাবে রোজ লিখতে পারি  রাত প্রহরের শেষে 
ঘাম ঝরানো ভীষণ ঘুমে তোমায় ভালোবেসে !


Sunday, 22 February 2015

জনতা জানে

 জনতা জানে লেভেল ক্রসিং ..
সিগনালে চোখ জরিপ করে 
জীবন মৃত্যু। 
রোজনামচার টিফিন বাক্স খুলে খেয়ে নেয় 
আলুনি বসন্ত।
জনতা জানে ছুরির অনুশীলন ,
রাজনীতি , মৌখিক পর্যটন, । 
ভাগাভাগি এবং  ঘৃণার গণতান্ত্রিকরণ।

 

Saturday, 21 February 2015

বাংলায়

রোজ ই  চায়ের কাপে কবিতা লিখে পাঠিয়ে দি   শুন্যতায়-
বাংলায়।
টেবিলে মিছি মিছি  আঁকিবুঁকি কেটে আঁকতে চাই , না দেখা উপত্যকা-
বাংলায়  ।
বৃষ্টি ভাঙ্গা ঘুমে এজন্ম-পরজন্ম গুলিয়ে স্বপ্ন দেখি , হাওয়া  ঘেরা  জানালায়-
বাংলায়।
উঠোন, কুলুঙ্গি , গাছ কৌটো , কড়ি অথবা কড়ি কাঠের ফোকরে কান্না ঢাকি -
বাংলায়।
হাতে থাকা বয়স মুচড়ে নামের  জন্ম -মৃত্যু র ডাকে নিশব্দে অপেক্ষা করি -
বাংলায়।
ফিকে দিগন্তে বোঝা নামিয়ে , আঁজলা  ভরা ঘুম পাড়ানি গান শুনি  -
বাংলায়।
অন্ধকারে একা হয়ে যাওয়ার পর কথা বলি  আত্মসমীক্ষায় -
বাংলায়।

তবুও লুকাই  নিজেকে ভাসিয়ে ,অন্য ভাষায়।  আসলে লজ্জা বোধহয় !







Thursday, 19 February 2015

খুঁজে চলা

 আমি খুঁজছি না বেশি কিছু.....
সামান্য বাক্যালাপ ,অসামান্য মুহূর্ত ,
গল্পের অধিকার। হেঁটে চলা চিন্তার স্পন্দন। 
রং ঢালা সময় , ভাবনার হিসেব-নিকেশ ,
স্বপ্নরা আগু -পিছু। 
নিস্পৃহ খিদের প্রক্ষালনে নিভন্ত আগুনের 
ছায়ার অবয়বে আশ্বাস। 
মুঠোর আঙ্গুলে ছায়াপথ , আঁকা বাঁকা ,
 উঁচু নিচু  ঝাপসা রাত। 

Monday, 16 February 2015

স্বপ্ন -ঘুম

স্বপ্ন উপত্যকায় ভালোবাসারা  হাত ধরে হাঁটে। 
দার্শনিক পর্যটক  জাগে কোজাগর রাত। 
ভিজে বালি , বালিয়াড়ি  , জমাট জীবন ছবি 
রং মাখে সাদা মেঘ , জ্যোত্স্নার কানাগলি। 
বকের ডানায়  বসন্ত নামে , ইতিহাসজোড়া  ঢেউ কথা -
কাফেতেরিয়ায় সহজিয়া , ছায়ারা সংগ্রামী। 
বিপরীত শব্দরা খেলা করে, ম্যাগট -মৃতদেহ  সহবাস !
কাঁটা চামচের এঁটো সসে খুলে যাওয়া আবরণ ,
রাত ২ টো য়  ডায়াজেপাম -কমছে চেনা  স্বপ্নের আয়তন। 




Sunday, 1 February 2015

বইমেলা


আরেকটা দাবার দান ,
কিম্বা চোরা স্রোতের টান। 
ছবি চেনাছ্হে পরিনত বয়েস !
ধার বাকি সব শেষ। 
যতদুরে যেতে চাওয়া ইচ্ছেরা খাতায়  সীমাবদ্ধ। 
পাতার ভাঁজে ভাঁজে বইমেলা ,
হারানো সময়ের চেনা গন্ধ।

Tuesday, 27 January 2015

বীক্ষণ

 ঝুল বারান্দায় হাওয়ার  অবিরত রং মাখা বিকেলের কানাকানি। পেরিয়ে গেল আরেকটা দিন , চাপা পড়ল আত্ম-মগ্ন অপরাধ। 
ফানুসএ উড়িয়ে দিলাম কিছু ছাইদানির  DEPRESSION ;
পলকা কারুকাজে ফুটিয়ে তোলা বিষন্ন অপরাধ। 
জামদানি মেঘলা রাত , সাবধানে ফিরিয়ে দিলাম প্রেমের অজুহাত। 

Monday, 19 January 2015

প্রতিদিন এবং স্বাধীনতা

একটা অসহনীয় ব্যথা তাকে কুরেকুরে খাচ্ছিলো।  এটা বেকারত্ব বা প্রেমে ভাঙ্গার .নয়।  তাও তো হয়ে গেল চাকরি প্রায় ৫ বছর।  অনেক রং নাম্বার ঘেঁটে  ঠিক নম্বর' র লোক কে পেয়ে যাবার মতোই সে পেয়ে গেছিলো  এই চাকরি , বড় আকাঙ্খার , স্বপ্নের সেই চাকরি রং চটে গিয়ে এরপর আস্তে আস্তে  গলায় চেপে বসেছে। ভালবাসা যখন দায়বদ্ধতায়  রুপান্তরিত হয় ,তখন মুক্তির পথ খোঁজা অনিবার্য্য হয়ে দাঁড়ায়।  তার ক্ষেত্রেও এটা  ব্যতিক্রম নয় . ৯-৫ টার  গতানুগতিক পথের  মাঝে একটু অচেনার খোঁজ  পেলেই সে হাঁ  করে তাকিয়ে দেখে;আজকাল ব্যতিক্রম কেও মন মেনে নিতে পারেনা। বাড়ি ফেরা  নিতান্তই দেওয়ানী  মামলা, শুরুর সময় জানা আছে , শেষ আদেও  নেই।

প্রেম এসেছে তার জীবনে, অনেকবার । একটা কথা তার দুর্বোধ্য থেকে গেলো  আজও। কোনো সম্পর্ক কে টেনে নিয়ে যেতে তার এত ভয় কেন? স্বাধীনতা হারানো ভয় ? নাহ , তাও নয়। কারণ স্বাধীন সে কোনদিন ই ছিলো না সে অর্থে।না তো বন্ধুদের সাথে ঘুরতে যাওয়া , না সিনেমা দেখা ,আর বাইরে রাত কাটানো স্বপ্নেও সে ভাবতে পারেনা। তবুও প্রেম এসেছিলো , নিয়ম করে  সে প্রেমে পরেছে, শিহরিত হয়েছে, ঘেমেছে, চমকেছে, আবার নিশ্চুপ ও হয়ে গেছে। ইউনিভার্সিটি  র ক্লাস শেষ  করে পার্ক এও ঘুরেছে। যদিও দুর্গাপুর এ তার পক্ষে এসব ছিলো বাস্তবে অসম্ভভ অকল্পনীয়।  সেখানে ভয় ভীতি ছিল , কিন্তু কলকাতায়  এসে সে সব এর আর কোনো বালাই ছিলনা। 

তুলনামূলক স্বাধীনতা বিষয়টি নতুন শুনতে মনে হলেও আদপে আমরা সবাই কিন্তু জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত গুলো কে তুলনা করে চলি।   কিছুদিন আগের বেকারত্ব কে আজ তার নতুন ভাবে দেখতে ইচ্ছা জাগে। স্বাধীনতা ছিল কিছুটা, এখন টাকা কিছু কম নয়। ৮বি  রুটের বাস এ বাদুর ঝোলা জীবন সকাল ৮ টায়  শুরু হয়ে ট্রেনে কামরা, লাইনের খোয়া, হকার র ঘাম,টয়লেটর আম্লিক  গন্ধ   মিশে থাকা সময় বিকেল পেরিয়ে তাদের এক কুচি ফ্ল্যাট  এ যখন উপস্তিত হয়, তখন দেয়াল ঘড়িটা  আপেক্ষিক স্বাধীনতায় দৌড়ে বলে দেয় বিক্ষিপ্ত জীবনের প্রক্ষেপন। 

রাত ১২ টায়  পেঁচা জানালা পাশ দিয়ে ডেকে  যায়।   ঘরের টিকিটিকি দুটো কথোপকথন চালিয়ে যায় ; রাগ ,দুঃখ , অভিমান ক্ষোভ সে ভাষায় অস্পষ্ট, মানবীয় বুদ্ধিতে দুর্বোধ্য। রাতের ওজন বেড়ে চলার পর থমকে গেছে এসি র নরমাল মোড এ। এরপর ভোর  র আলো  এক ঝটকায় লাথি  মেরে অন্ধকার কে ডাস্টবিনে পাঠিয়ে দিয়ে পরিস্কার করে দেবে রাস্তা পথ ঘাট প্রাতভ্রমন কারীদের জন্য। মোবাইল অন করলে ঝাঁকে ঝাঁকে বার্তা  পৌছে জানিয়ে দেবে দায়িত্ব , ব্যস্ত্যতা , অনিবার্য্যতা। 

"ফুলঝোর।  ফুলঝোর " চিত্কারে তার সম্বিত ফিরলো; শাড়ি  র আঁচল  জড়িয়ে কাঁধে আর পিঠে ব্যাগ ২টো  নিয়ে সে নামলো  গলি রাস্তায়, অন্ধকার জমে উঠেছে  তেলেভাজার গন্ধ, চড়া দাগের হিন্দি গান  এবং গরমগরম রাজনৈতিক বিশ্লেষণে।  ব্যাগ র ফোন বেজে উঠলো হঠাত।  ছোট্ট  হ্যালো র ওপ্রান্তে কর্কশ শব্দের অবিন্যস্ত বাক্যবান। কালকের ছুটি বাতিল হলো।  কিন্তু কালকেই তো ফাইনাল হিয়ারিং , তাকে যেতেই হতো।  আগাম চিঠি দিয়ে রেখেছিল সে।  অথচ মোবাইল না থাকলে সে খবর তার কাছে তো আসতো  না।  তাকে যেতেও হত না। 

*********************************************************************************

 
?????????????????????????????????????????????????????????
???????????????????????????????????????????????????????????????

ব্রেকিং নিউস - সন্ত্রাসের ষড়যন্ত্র বানচাল -গ্রেফতার সরকারী কর্মচারী।  উদ্ধার তার নাম এ ব্যবহৃত সিম কার্ড। উদ্দেশ্য স্পষ্ট নয়।  গ্রেফতার আরো কিছু সন্দেহভাজন।

তবে গ্রেফতার হওয়া সন্ত্রাসবাদীদের কাছে  পাওয়া তথ্য অনুযায়ী  মোবাইল টি ভাঙ্গা অবস্থায় এ কুড়িয়ে পেয়েছিলো  তারা। 
 আপাতত সেই বছর ৩৫ এর মহিলা পুলিশি  হেফাজতে।







Thursday, 15 January 2015

মুখোমুখি: ধর্ম-কবিতা

ক্রুশে র  অন্ধকার মুছে মোমবাতির  ছায়া বাড়ায় মসিহার মৃদু হাস্য।
আফসোস ভুলে ছায়া  ছিঁড়ে ঝালিয়ে নেওয়া
ছেলে ভোলানো নৈতিক উপমা।
মিওসিস  বিভাজনে দল  বাড়ে , নদীর বুকে মন্ত্র ছুঁড়ে
আত্মতৃপ্তি , পুণ্য গড়ার কারিগর হাত ধুয়ে পবিত্র
গন্ধ মেখে সাধু সাজে ।  মাথার নীচে  প্রিয়তম
পুঁটলি বাঁধা অনুবিক্ষণিক ষড় রিপুর উপাচার , মহাশুন্যে
কুয়াশা ঝুলছে ;
পৃথিবী মহা প্রলয়ের পর হঠাত শান্ত হলে জেগে দেখবো
নোয়া  আর মনু কবিতা লিখছে-

খেলা শুরু হবে , মৃত্যু বিহীন রক্তাক্ত জীবন
একদিন পৃথিবীর পরিসীমা কমিয়ে বদলে দেবে গতি।

পরজন্ম লাভের আশায় পাশ ফেরে ধার্মিক  বিপন্নতা;
আশা -নিরাশা ভাঙ্গে গড়ে বাস্তবের কবিতা। 







যাঁরা হঠাত করেই খাওয়াতে চায়

  হাঁটু মুড়ে বসো, মুড়িমাখা হাতে দেবো- ঝাল মুড়ি। চিবিয়ে চিবিয়ে খাবে সাথে আচারের টুকরো আম। পা ছড়িয়ে বসো তারপর, মেলে দাও গল্পের শাড়ি। অবাক বিস্...