দুহাতে রেখেছি বন্ধুতা মুঠোভর্তি।
শ্রমন এর ঝুলি তে যা যা থাকে
দিনযাপন এর রসদ-বৈভবে নয়।
শরীরে জমেছে ক্লেদ,মনে ক্রোধের স্ফুরন।
হাঁটবো তবুও,দিন শেষে প্রজন্ম ফুরিয়ে
গিয়ে নতুন জন্মের সলতে তে ছুঁয়ে দেবে-
শেষ অথবা শুরু মাঝে থাক বাঁচার আগুন।
এক এক টা ভালোবাসা রোদে মেলে দি।
ক্লিপ আটকে দি, এলোমেলো হাওয়া যাতে উড়িয়ে না নেয়।
ভেসে থাকে হাওয়ায়, এদিক ওদিক ।
বিকেলে স্কুল থেকে ফিরে শুকনো কাপড় তুলে নিয়ে আসার সময় দেখি পড়ন্ত রোদে তোমার
টিশার্ট শুকিয়েছে।তবে কলারের কাছে আধ ভেজা।
সেখানে এখনো মিশে সাবানের গন্ধের সাথে ডিওডোরেন্ট।
তখন হয়তো তুমি ট্রেনে, ঘুম চোখে নেমে আসে বিকেলের ছায়া।
ক্লান্ত শরীর কে টেনে নিয়ে যাও ল্যাব এ।
বিশ্বাস করো ওই ভেজা গন্ধের আদরে কেটে যায়
ছটা দিন।
আলমারি থেকে জামাকাপড় নামাই তোমার। অনেক গুলো রান্নার মাঝে খুব তাড়াতাড়ি।
ধোয়া কাপড়ে আবার মিশবে তোমার ঘাম, ডিও।
যা রেখে যাও তুমি প্রতিবার ।
আমাকে যা প্রেমিকা করে রাখে তোমার অপেক্ষার।
sabornichakraborty.blogspot.com/in
কিছু পথ দূরে হেঁটে যায়।
জানা কিছু শেষ হয় গলির মোড়ে।
মাথা নিচু করে যে পথ লুকিয়েছে
গভীর কোথাও, সে পথে অনেক গল্প
লুকিয়ে;চোখের আড়ালে বাঁচে অনুভব।
আমার একলা জানালায়
তার নিত্য আনাগোনায় পথে
ধুলো জমেনি কোথাও।
শুধু চলে গেছে 10 টা বছর।
আমার আর তার, সেই বিস্মৃত
আগস্টের বিকেলে দুচাকার হাইওয়ে।
অভ্যন্তরের ছায়াপথ।
দরজায় এখন আর কেউ কড়া নাড়ে না।
আসলে কড়া এখন রাখা দস্তুর নয়।
ডোর বেল বাজে, ভিতরে লোক আছে নাকি
তালা সে যখন বোঝার উপায় নেই, তখন অপেক্ষা
করেই দেখা যাক।
সিঁড়ির ভাঁজে পায়ের শব্দ শুনলে অপেক্ষায় কেউ
কান পাতেনা। কোথায় কে সব জানে গুগুল, অদৃশ্য কাঁপা তরঙ্গে জানায় যেসব বন্ধুরা খুব কাছে
তাদের হাত ঈশারায় ডাকা যাক।
চিঠি র অপেক্ষা পেন ফ্রেন্ড ,সদ্য কৈশোর পিওন এর সাইকেল এ ক্রিং ক্রিং শোনেনি। মেসেঞ্জার এর
পিং এর মত আওয়াজ কি?ধারণা নেই।
চিঠি কমনীয় উষ্ণতা ভোলা যাক।
হাঁটু মুড়ে বসো, মুড়িমাখা হাতে দেবো- ঝাল মুড়ি। চিবিয়ে চিবিয়ে খাবে সাথে আচারের টুকরো আম। পা ছড়িয়ে বসো তারপর, মেলে দাও গল্পের শাড়ি। অবাক বিস্...