Saturday, 8 November 2014

আমাকে ভালো বোলো না !

সেদিন বলেছিলে -"তুমি বেশ ভালো  ,
আজকাল যা দেখছি , তার থেকে তুমি ঢের ভালো " .
সেই প্রথম অসহ্য লেগেছিলো সাজিয়ে রাখা ভালোমানুষির রূপ।
 এই ভালোমানুষী রূপটা তৈরী করেছি 
পরম যত্নে ,সচেতনতায় ; কিছুটা আদর্শের ফোড়ন এ ছোকে 
নিয়ে দিব্বি সাঁতলেছি নৈতিকতা , মূল্যবোধে বাঙালিয়ানা।
 ........................................................................

কনসেনট্রেনসন ক্যাম্প এ র বধ্যভূমি ,প্রতিফলন -প্রতিসরণের কাটাকুটি ;
বিঁধছে তীর , পাপবিদ্ধ শরীর , পবিত্র মুখোশ , খন্ডিত সভ্য -স্বরূপ। 
....................................................................................

নিজেকে চিনছি , আলোকবর্ষ দৌড়ে করেছি পার। 
রোজনামচার গলার দড়ি , আদপে আমি খারাপ , নষ্ট মেয়ে !
আপাদমস্তক আক্ষেপে দীর্ণ , কি ভীষণ শরীরী।  



মনখারাপের দিন পেরিয়ে

গুনে গুনে আটদিন পেরিয়েছে। 
সাত রাত আকাশ গলে যাবার পর 
নতুন মাটি কামড়ে আজকের সকাল ঠিক 
বেরিয়ে এলো মেঘ চেরা গলা দিয়ে টুপ করে। 
এখন আমরা হাঁটতে পারি , প্রশ্ন উত্তর গুলো 
যেগুলো জমে গেছে মৃতের শহরে, ফেলে দিতে পারি। 
সন্দেহ - স্বীকারোক্তির মাঝে কিছুটা স্বপ্ন  কাঁধে মাথা রাখে ....
আগামী সুখের  দর্পনে পরিমিতি। 
মুঠো বন্দী রুমালে অপার্থিব গোধূলি -ধোঁয়া মাখা রাতের খুনসুটি -আড়ি। 


Monday, 3 November 2014

পরজীবী

 অনেক কিছুই হতে গিয়ে হয় না। 
যেমন আমার উল্টো পথে হাঁটা। 
মরালি  ইমমরাল তুমি নও। 
ছাঁকনিতে এথিক্স  র দলা 
তলানিতে আবেগের জীবাশ্ম। 
তুমি বাসর ঘরে নার্সিসাস। 
হাংরি জেনারেসন সত্যি বলেছে। 
নির্গমনের ডাক শরীর জুড়ে,
স্বপ্ন কুড়ে খাচ্ছে ডেভিড !

 যুদ্ধে যাব যখন হলই না ,
এবং অতীত rewind  করে অস্পষ্ট ছবি
ফিরিয়ে দিলো না বৃষ্টি ভেজা ঘাস। 
অনেক কিছুই না হবার মাঝে 
চিত্কার করি , ঘুমের ভাঁজে -অন্তত জীবিত ;
বলা বাহুল্য যদিও স্বপ্নেরা পরগাছা।

 

Wednesday, 29 October 2014

সভ্যতার কাছে

আমি কথা বলি একা , একলা মেয়ের ঘরে 
স্বাধীন চিলেকোঠা। আমি শ্রম দি , যদিও শ্রমিক 
হওয়া মানা। শব্দ -বন্ধ- জব্দ  ভূগোল ,ইতিহাস চেনা গলি:
হাড় -হাভাতে সময় কাটছে, জানালা ফেরতা  ইচ্ছের নীল পরী। 
বেঁচে উঠি বারবার , হারিয়ে ফেলেও আগলে রেখেছি স্বপ্নের 
গুটি পোকা।  তোমার জন্য প্রজাপতি না হই , রেশমে শঠতা ঢাকা। 
আমি একাই গান গাই , খাঁচাটা এখনো শুন্য হয়নি ,
প্রশ্ন গুলো আড়ালে গেছে;  ভাষণ , প্রতিশ্রুতি -ভীষণ সত্যি। 
উলঙ্গ রাজারা প্রকাশ্যে নাচে -গান গায় সাম্যের। 
আদিম মানুষ উষ্ণতা খোঁজে , যুধিষ্ঠির সাজে কূটনীতি। 
একলা প্রশ্ন, নীরবতা অথবা  অবোধ্য শিলালিপি। 

অন্তত  একটিবার ঝড় হয়ে বাঁচি -   স্বাধীনতার আরও কাছা -কাছি
 

Monday, 27 October 2014

নিঃশব্দের আড়াল

একপ্রকার অপেক্ষায় তোমায় লেখা। 
পর্দা জুড়ে আশার প্রতিশ্রুতি ,
যতটা দেখতে পাচ্ছি আলো -আঁধারী  সন্ধ্যে বেলায় ,
মুখ ফিরে তুলে নি ধুলো আর জমাটি বাঁশির  সুর। 
 মাইক এ ঘোষণা হবে আরো কিছু পর -
কোনো নিরুদ্দিস্টের  সন্ধানে। 
গোলাপ শুকিয়ে লাল মাটি রিক্ত পাহাড়ে। 
 

Saturday, 25 October 2014

আকাশী-নীল শার্ট

তোমার রং এ তোমাকে খুঁজে পাই। 
আকাশের নীল লেগে থাকুক পাশ বালিশে। 
তোমার রঙ এ সেজেছে বিকেল 
এত ভাঙ্গা-চোরার পরেও তোমার-আমার অন্ত-মিল 
আমার ছুটি তোমার কাছে। 
একটু পারফিউম নীল শার্ট এ। 
বুক-পকেটে রুমাল রেখেছো ,
ওড , লিরিক পেরিয়ে লিখতে শুরু করেছি 
দৈনন্দিন মহাকাব্য।
 

Wednesday, 22 October 2014

ছায়ান্ধকার এবং আমি

অনেক আলোর মাঝে অন্ধকার। 
কাগজের চতুর্ভুজ ,ছায়া সামন্তরিক। 
আলো অন্ধকার কে চায়। 
ঠিক যেমন চাইছি তোমাকে।
মঞ্চের পাশের আবছায়ায় 
জোয়ার ভাঁটা মাখে আবেগ। 
সেটা ভালবাসা নয়। 
নিটোল মুখের সাথে দেখা হয় বারবার। 
আর বচ্ছর চলচ্চিত্র উত্সব ছিলো। 
এবার রাজনীতির ইস্তেহার। 
নারীবাদ তাপ নেয় ক্লিভেজে। 
জানালা ছুঁয়ে হাজার তারা। 
কথা দেওয়া শেষ হলে ভুলে যেতে হয়। 
আগুন জ্বালালে দমকল। পোড়ালে  অহংকার !
ব্যাকগ্রাউন্ড এ শপিং মল ,
মরালিটি উপড়ে  শীত ঘুম , 
প্রেম- অপ্রেম -সাঁতারে সমান্তরাল।

Tuesday, 21 October 2014

এই তো দেখছ

আমার শোকে কেঁদোনা .মাঝ রাস্তায় দাঁড়িয়ে শোক সভা 
বেমানান। স্পষ্টতই কষ্ট। অসপষ্ট- হাঁফ ছেড়ে পালন নীরবতা  । 
ফীড ব্যাকে আফশোষ।  জটিল  ন্যাকামির বিচিত্র ভালো মানুষ ।  
"আমার পরাণও যাহা চায় তুমি তাই " -নির্গুণ হাহাকার।
................................................................................
চৌরাস্তায় এক্সিডেন্ট , খবরের শবদেহ -সন্ধানে রিপোর্টার।  


 

Monday, 20 October 2014

মা 'কে


 সবাই দেখে তোমার রূপ। আর পাঁচ জনের দৃষ্টি তে তুমি সুন্দর ঠিক ই 
নতুন আলোর মাঝে এক পশলা ফুলকি। .আঁচল এ ভালবাসার কারুকাজ।
সময় ফাঁকি দিয়ে যাওয়ার পর যখন তলিয়ে দেখি অতীত 
আর স্বপ্নে বুনি অনাগত ভবিষ্যত , অথবা এক লহমা চাহনি ...
তুমি ফিরে এস বারবার। কবিতার পাতায়। শব্দের মায়াবন্ধনে। 
তোমার চক্ষুদানে কল্পনা মেলেছে রামধনু।
জং ধরা অন্হিক গতির বাঁকে ঈশারায় ছড়িয়ে দাও সুরের বিন্দু। 
তোমার ছোঁয়ায় বাঁচুক নিঃশেষিত পৃথিবী। 

 

আড়ালে

তোমার অলস ভালবাসায় জড়িয়ে রাখো ভোরের শিশির।
সন্তাপের অজ্ঞাত আগুন জ্বালানোর আগে অনেকেই চলে যাবে।
পিছুটানে একলা ব্যালকনি।  তুমি অসামান্য অভিমানে ভর 
দিয়ে সরীসৃপ হও নি এখনো ; তাই এক কুঁচি জ্যোতস্না দেখে 
হেসে ফেলো। অন্দরমহলে আদি ঢেউ পৌঁছায়না। 
তাতে কি হলো ? দিন আসবে , রাত পুড়বে সোনালী জলে। 
একেকটা কবিতার বৃতি ফুটিয়ে রঙিন ফুল আঁকবে মুঠোফোনে। 
আশ্বিনের দুপুরে সামান্য কিছু আফসোস দেখে পারস্পরিক সম্পর্কের বিনির্মানের 
ইতিহাস জাফরির জানালায় লিখে দেবে আলোর বরফি। 
ধরে নেওয়া x  আর হাতে রইলো এক' র কাছে আপাদমস্তক বিকিয়ে দাওনি!
 অন্তত কিছুটা সকাল ময়লা হয়নি ।ডাক নামে ভালবাসা , আংশিক অভিমানী। 

 

 




যাঁরা হঠাত করেই খাওয়াতে চায়

  হাঁটু মুড়ে বসো, মুড়িমাখা হাতে দেবো- ঝাল মুড়ি। চিবিয়ে চিবিয়ে খাবে সাথে আচারের টুকরো আম। পা ছড়িয়ে বসো তারপর, মেলে দাও গল্পের শাড়ি। অবাক বিস্...