Saturday, 12 July 2014

FORGIVING

The awful eternal bond, invisible, inextricable shines in darkness.
When the words fail to describe, letters loss the power to frame,
When the mind fails to set out for labyrinthine escape,
There we find the root, gnarled and coiled   ;
 Thousands years have already been elapsed.
The worn out leaves can't be crushed in the cider press .
Only tears can bind the chord, the invisible bond between;
The power  packed king in  the fairy tale,
The stolen gems from the midnight's dream 
In tear - begetting madness, to consecrate the dead ,
I was there to witness, the exchange of justice and bribe,
Along with the shadow, strange and wrecked,
Forgiving the made up tales and stories of love and sacrifice.



 


 

Friday, 11 July 2014

প্রকান্ড সততা

শিখতে পারিনি  আধুনিকতার পাঠ ,অশান্ত যুগে র উপযোগী সংলাপ।
ভাবতে গিয়ে দেখালাম, সততার সমার্থক মানে পিছিয়ে পরেই থাকা । 
দৃশ্য দেখেও না দেখে  তুমি গিলছ ভাতের দলা ,
 অস্তিত্যহীন ধারাভাস্যে  কান পেতে  অথচ কি অবলীলায় চুমুক দিলে 
চায়ের কাপ এ। লিখেছিলে  বেশ কিছু সমলোচনা জনপ্রিয় দৈনিকে ,প্রশংসা  জুটেছে 
বটে, মাত্রারিক্ত বার বেজেছে android  র সুর ।আপাতত বিরোধী পক্ষে তোমার উদ্বৃত্ত স্বর। 
ফুঁসে উঠেছ চেনা রোষে  আগের বারের মতোই, অথচ কি আশ্চর্য্য দেখো -
 পাল্টাচ্ছে দিন, বদলে নেওয়া রঙে , ছোপালে  নিজের শুভ্র বসন 
মানুষ থাকবে বলে। সত্যি মানুষ, মিথ্যা মানুষ , অমানুষের দলে  ,
[আমিইই শুধু] না- মানুষ হয়ে রয়েই গেলাম দিনবদলের কালে। 



 

Thursday, 10 July 2014

এখনো বেঁচে আছি

এক বার বাঁচার ইচ্ছা এক সমুদ্র মৃত্যুর মাঝে  ,
বারবার জীবনের মানে মূল্যহীন  প্রমানিত। 
জেনেছি প্রাজ্ঞ নীতি কথা, জীবন মানে কষ্ট প্রলম্বিত,
দুঃখের  সমাহারে নিমজ্জিত ক্ষনিকের আনন্দ বার্তা। 
 মৃত্যু আসলে জীবনের পরিবাহী, বিচ্ছেদ সমাহর্তা।
সমাক্ষ রেখা নিরক্ষ অভিসারী , অভিমান অনাহুত ,
 সমাধানে তাই মৃত্যু রেখেছি, সাজিয়ে শয্যা রাজিত।
জানি সমাধান আছে , সহজেই অনুমেয়।
বাঁচতে চাইছি তবুও জেনে জীবন নয়তো নমনীয় । 
তাই বেঁচে থাকছি এখনো নিয়ে   বোঝাটা বড্ড  ভারী। 
মৃত্যুর মুখে লাগাম পরিয়ে সহস্র ক্রোশ  হাঁটি।

Wednesday, 9 July 2014

চেনা গল্পে

ইতিমধ্যে তারা পৌঁছে গেলো   স্টেশন এ।
মধ্যরাতে বাঁকা চাঁদের অপলক হাসিতে দুলতে দুলতে
মেঘ সরে সরে যাচ্ছিল ; চেনা পথ, আরো চেনা বসতী ,
শেওলা  বাঁধানো পুকুর ঘাটে , রেল লাইন পেরিয়ে
চাঁদভাসি রাতের খোলায় সহবাসে মিশছিল জন্ম মৃত্যু
আদিগন্তে।  দীর্ঘায়িত ছায়ায় ঘর গেরস্থালি কাটাচ্ছে অবসর
ক্লান্ত দিনের পর। এই ভাবে এক ঝুরি সুখ পুকুরের জলে ডুবিয়ে নিয়ে
কোঁচড় ভরেছিলো  তারা , যাত্রা শুরুর আগে।

প্রেম ময় জীবন হাতড়ে  গভীরতায় ডুবেছিল ওরা;
ওরা মানে আর পাঁচটা ছেলে মেয়ের মত  স্বপ্নাবিষ্ট চোখ
দু জোড়া , খিদের দাবি অপান্গ্তেও।  ধরা পড়ছে  মন্তাজ সুখ সম্বলিত দিনের।
সুরম্য ভবিষ্যত।  যদিও নিন্দায় পুড়বে  মুখ।  তবুও অন্ধকারে প্রস্থান।  
কিছু প্রেম জন্মাচ্ছে রোজ প্লাটফর্ম র ভিড়ে ,কিছু যাচ্ছে জলাঞ্জলি 
বিচ্ছেদের কবরে। ওরকম আরেকটা গল্পে
অক্লেশে ভালবাসা দৌড়াচ্ছে শেষ লোকাল ট্রেনে!


বৃষ্টি মাখা কবিতা

আমার মুঠোয় বৃষ্টি এলো রঙিন স্বপ্ন নিয়ে। 
রং মাখিয়ে পাল্টে দিলো  নতুন জীবন দিয়ে।
দিন খানেকের ধুলো বালি, খুচরো  যত তাপ,
মুছিয়ে দিয়ে পাঠিয়ে দিলো নতুন দিনের ডাক। 
মেঘ ভাঙানো জলের ফোঁটা য় জাগলো নতুন প্রাণ,
বর্ষা এলো , জানালা ঘিরে, প্রাণ খোলা গান। 
মাঝ দুপুরে কষ্ট -ঠাসা প্রশ্ন যত ছিল,
বৃষ্টি দিল ছুটি তাদের চিরদিনের মত। 
একলা আমি ছাদের ধরে, বৃষ্টি মুঠোয় নিয়ে,
ইচ্ছা যত ছিলো , ছুটি দিলাম তোমায় চেয়ে
অনেকদিনের  বিরতিতে পেলাম অক্ষর  ,
লিখে দিলাম সবুজ পাতায় চেনা উত্তর ।  



Tuesday, 8 July 2014

শান্তিপূর্ণ বিপ্লব

খুব শান্ত সহজ ভাবে বুঝিয়ে দিলাম
আমি অরাজনৈতিক , বেপরোয়া জীবনে
হাতে রয়েছে যদিও, বসন্ত বাতাস আপাতত
ভল্টে  বন্দী অস্ফুট। বাসর সজ্জায় কামনার  গন্ধ
রজনী গন্ধায়  জড়িয়ে খোঁপায় গুন্জেছি  কৃত্রিম
ভালবাসার শিহরণ।  তারপর ও আমি নৈতিক।

অভিমান নেই , কোটি লক্ষ মানুষের ভিড়ে
আমি একা , যাবজ্জীবন  সংসারী.........
ভাবের ঘরে আঁকড়ে বাঁচি ভন্ডামি , দ্বায়িত্য বোধে
আড়াল  সন্তাপ, সিঁদুরে মেশানো
ক্ষমা, ঘেন্না , পাপ , হাতের তালুতে অনাগত ভবিষ্যতের
রাজপথ, নৈর্বেক্তিক প্রশ্ন চুমুক দিয়ে গলাধকরণের পর
বলি আমি অসহায়। অপর্যাপ্ত অনুশোচনায় আমৃত্যু সংশয়।

আমি আর ভুল করিনা, ভুল লিখিনা  হলুদ মাখা হাতে। 
অভস্ত্য আলাপে হাসি, কান্না গোপন  রেখেছি অপরিচিত 
করে।  আমি সত্য বাদী।  সহজ সরল, করুনা  ভেজা
অরাজনৈতিক মুখোশে চতুরতার আড়ালে 
লুকানো সন্ত্রাসের বস্তা সেলাই করছি ;

যাবজ্জীবন চব্বিশ বছরেও শেষ হয়নি। 





Monday, 7 July 2014

সুখের ভাষা

আমার কাছে সুখ আছে।
শরীর জোড়া এক মাঠ সুখ
ভরপুর।  সুখের বিছানায় দিয়েছি মেলে
অসুখের পালক , নিভু  আঁচে শুকিয়ে নিয়েছি   ।
অসম্ভভ ভাবে তোমাকে চেয়েছি
জংলা পাহাড়ের শীর্ষে ...অতিবাহিত
কাল বুনো জমিতে ছড়াচ্ছে  প্রশমন ;
ক্লান্তির ঘুম পেরিয়ে ভুল ভ্রান্তি রা
আপাতত ঝুলিতে নিশ্চিত।
সুখের কাছে পবিত্রতা ফিকে !
নিবিড় সুখ রাজহাঁস র গ্রীবা।
 জড়ালাম আঙ্গুলে, ঝিনুকের সন্তান
মুক্তোতে স্বস্তি আসুক একচালা ঘরে।


শৈল্পিক নির্বুদ্ধিতা

 ঘুমের কাছে থাক না কিছুটা সত্যি।
সেসব অশান্ত কিছু বার্তা , আমাকে দিয়েছিলে
মাঝ রাতে ; চাদরে মুখ ঢেকে
প্রমান করি আমি ঘুমাচ্ছি, অন্যান্য দিনের মতোই
সব কিছু ঠিক ঠাক , পিল কিম্বা হিসেবী বিশ্বাস।

আসলে অনেক দিন ঘুম নেই।
মুহুর্তে দেখি নাইট  বাল্ব র আলোতে
মাকড়সা বাসা  বাঁধছে , আমার বলতে ইচ্ছা করে
ভাঙ্গন তো আসবেই।
শাসন, শোষণ এ টিকে যাওয়া ঘরে
তুচ্ছ মাকড়সা  অগাধ বিশ্বাসে বুনে চলে জাল।

সাধ্যাতীত মানিয়ে নেওয়া ;
পেরিয়ে গেছে মাপকাঠি , 
পাশে শুয়ে  মনে পরে অন্য মুখ।
আমি তার্কিক নই , লজ্জা মাখিয়ে চোখ সরিয়ে নি।
অটুট সংসারে শৈল্পিক জোড়াতালি।
রন্ধ্রে রন্ধ্রে ক্ষোভ , প্রতিদিন বাড়ছেই,
সম্মোহনের  জাদু বাস্তবতা তাবিজ করেছি।
আরো ৬ মাসে বাড়বে দুরত্ব।
নিন্দা, ঘেন্না ধুয়ে নেওয়ার পরও কিন্তু
পিছু ছাড়বেনা নির্বুদ্ধিতা!

মাকড়সা বাসা বেঁধে যাবে।
যদি কিছু হয়-এই ভেবে 
পাশা পাশি রাত কেটে যাবে ,
সত্যি জানবে বালিশ , ফিসফিস  রাতের চাদরে।

Sunday, 6 July 2014

আসলে কি?

বিদ্যুতের খুঁটিতে হেলান দিয়ে দাঁড়াও -
জ্বলবেনা , তার ছুঁলে মৃত্যু অনিবার্য্য।

জীবনচক্রে সুদর্শন চক্রের ভূমিকা নগন্য।
কৃষ্ণ অসীম শক্তিশালী।
শ্রাদ্ধের পিন্ড খাদ্য নয়।
ভার্চুয়াল আপেক্ষিক সত্য।

হোমের আগুন নিভলে
কপালে মাখি ভস্মের দাগ।
বলির শোনিতের সহিংসতায়
রাঙিয়ে প্রতিপন্ন ছদ্ম অহিংসতা।


আঁকড়ে বাঁচি অসহায়তা -
জটপাকানো সম্পর্কে অদ্ভূত নীরবতা।
বিবদমান সত্তাদের আস্ফালনে
জান্তব কেনাবেচা।

সাধারণত আমরা সবাই মেকী  মানুষ ।
ক্ষেত্র বিশেষে পশু অথবা অপদেবতা।




নির্জনতার সংলাপ

ভাবনারা লাগামছাড়া হয়ে বাঁচবে। 
তোমার  কপাল ছুঁয়ে। 
পাশ ফিরলে দেখতে পাব স্থির দৃষ্টিপটে 
লেখা আছে অনেকটা কাব্যময় রাত। 
গভীরতার মোড়কে তোমার আশ্বাস।
প্রতি পদক্ষেপে সচেতন চিন্তার প্রতিফলন ;
মুহূর্ত নির্বাক।চলমান আর সব !
বেঁধে নিলাম অগোচরে তোমার নিশ্বাস-
গীটার  , ডায়েরি , শুকনো গোলাপ এ 
প্রশ্ন উত্তর লেখা আছে ঐতিহাসিক সময়ের।
অযত্নে ঝরে পরা সোহাগী আমন্ত্রণে ,
ভিড় রাস্তায়, ট্রাফিকে বা ট্রেনে, 
ফাঁসুরের  বিদীর্ণ বিবেকে, বুলেটের উচ্ছারণে 
জন্মানো মৃত্যুর অবয়বে 
গোপনে, প্রকাশ্য অস্থিরতায় যুযুধান 
প্রতিপক্ষের কাছে ভাবনারা কথা 
বলে যায় , আক্ষেপের সুরে। 
তোমার প্রেম জোনাকি র ওড়া উড়ি 
অগাধ অতীতে , বিপন্ন বর্তমানে। 
 
 

যাঁরা হঠাত করেই খাওয়াতে চায়

  হাঁটু মুড়ে বসো, মুড়িমাখা হাতে দেবো- ঝাল মুড়ি। চিবিয়ে চিবিয়ে খাবে সাথে আচারের টুকরো আম। পা ছড়িয়ে বসো তারপর, মেলে দাও গল্পের শাড়ি। অবাক বিস্...