Thursday, 31 July 2014

....... নি

ক্লান্তি ক্ষমা চায়নি ,
প্রেম ক্রুসে শেষ নিশ্বাস ফেলেনি।
কত কিছু স্মৃতি বেঁচে থাকেনি,
যদি ও আপস এ বিবাদ মেটেনি।
এবং, যদিও, অথবার দ্বন্দে তাল কাটেনি।
 সমালোচনায় সমাধান মেলেনি।
মৃত্যুর কাছে ভয় পাইনি
এখনো ক্লান্তি ক্ষমা চায়নি।


Wednesday, 30 July 2014

এরকমই

ওই সব আপত কালীন মুহুর্তে , ভাবনারা জ্বলে 
ওঠে মোমবাতির মত। তখন আমি বলবনা বলবনা 
করেও বলে ফেলি , স্বাভাবিক নিয়মে পৃথিবী চললেও 
আমার ছায়াপথ আলাদা , কিছুটা অস্বাভাবিক , যদিও তোমাদের 
দৃষ্টির পরিসীমা নির্ভেজাল নয়,সততা  অভিনয়ে....

ওই সব যুদ্ধকালীন মুহুর্তে , চিন্তারা  শান  দেয়  অভুক্ত 
শরীরে খিদের মত। তখন শত বারণ থাকলেও 
অভিযোগের তীর তাক করি নিরুপায়  অভিমানে 
জোড়াতালি দেওয়া সমাজের গায়ে , বাস্তুদোষ এ ;
সর্বংসহা  অন্ধকারে নখের টুকরো চাঁদ জাগে .......

ওই সব মৃত্যুকালীন মুহুর্তে , উপলব্ধিরা গভীর হয়ে ওঠে 
দার্শনিকের মত। হঠাত করে স্পষ্টতর হয়  ভীর   থেকে 
সরে যাওয়া শ্রেয় ,যদিও প্রেয়  নয়।  ঘৃনা অথবা ভয় 
আলাদা করে রাখে মৃতুকে দিনযাপনের মায়ায় ;
উচ্ছিষ্ট দিনের বিরতিতে অনুশোচনা  প্রক্ষালক প্রাযস্চিত্তে .....

Tuesday, 29 July 2014

শাস্ত্র জ্ঞান

 মোহো -
স্বপ্ন দেখছি রোজ , শুন্যে র বুকে ঘর বাড়ি ,
বাড়ছে পাঁজরে চাহিদার কার্ভ , এক সুত্রে সবই আমার।
চেনা ছকে চলতে গিয়ে গিয়ে হাঁফিয়ে উঠে খুঁজতে বেরিয়েছি 
আরেকটা দেশ [অবশ্যই মধ্যবিত্তের নয়] ,
তোমার বুক ;অল্প চেনা তেই  অনেক কিছুই আজ আমার মুঠোয়। 
 
কাম -
অন্যথায় আমরা দুজনে একক,অভিসারী দৃষ্টিতে সমুদ্র সমান 
ভালবাসা , আলিঙ্গনে নোনতা ব্যস্ততা,- হুবহু তৈরী করছি 
ঠিক যেমনটা শাস্ত্র  বুঝিয়ে দিয়েছে সেই কোন কালে ;
দ্বার আগলে ঢেউ।  সঙ্গী  পাগল বাতাস , 
আঁকড়ে ধরা ছবি , দৃষ্টিহীন সম্বন্ধে উষ্ণতার স্পর্শ। 

লোভ-
অসাধারণ সব মহার্ঘ্য রাতে  হিসাব করছি 
খ্যাপা  ষাঁড় এর লাফালাফি, কাল,আজ , আগামী র সূচকে 
বাজি রেখেছি যাবতীয় সঞ্চয়। একা ঘরে মুক্তি খুঁজি ,
দেওয়ালের  ওপারে পাস ফেরে তৃষ্ণা ; মরে মরুক আক্ষেপে। 
আমার আছে পাওয়ার নেশায় ভাসা , সমুদ্রের ঢেউ এ বাদামের খোলায়। 

মাত্সর্য  -
যখন দেখি চারপাশে সবাই কেমন পাল্টাচ্ছে নিজেকে 
রঙে , ঢঙে , মোবাইলে , ট্যাবে, ছবিতে , বিশ্বাস কর ,
নিজের ওপর ঘেন্নায় কুঁকড়ে যাই। যা কিছু কেনা যায় , 
সব ই তো তোমাদের হাতে।
তবে আমি  বা কেন  নই ? ইস যদি আমিও ....



মদ -
 ভেবে নিতে পারো  যা খুশি , যা শুনেছ  
বিশ্বাস করছ , করতেই পার , আমার কিছু কি এসে যায় ?
প্রতিবারের মতই তো ফিরবে আমার কাছেই , জানা কথা ,
তাও কেন চোখ রাঙানো ? আস্পর্ধা র বাড়াবাড়ি , অযথা ন্যাকামি ?
ভুলে যাও কেন , সবটাই তো আমার , নির্ভরতায় পোষা প্রাণী হওয়া  এখনো  কি বাকি ?


 ক্রোধ 
তুমি আর আমি মোটেই  এক নই। 
একসাথে থাকা মানে এই নয় নিয়ম মানা ....
আদেশ করছ কাকে ? আসলে তো সবটাই      
তোমার খেলা।ভুল বুঝিও  না, আমি সব জানি। 
একটা ভুলের মাশুল গুনছি , আগুনে জ্বলছি। 

 *********************************
 সংযমী  সত্বায়  শ্রদ্ধাস্পদ শাস্ত্রজ্ঞানী।






Monday, 28 July 2014

যুদ্ধের আঙ্গিনায়

গানের মতো  সন্ধ্যে নামলে তোমাকে প্রনাম করি। 
কাজলে সাজিয়ে চোখ , সমর্পনে কিছু কিছু অপটু অঞ্জলি 
গুছিয়ে দিলাম পুণ্য শোক।

মানবিক হাওয়া য়  ভেসে বেড়ানো 
পোড়া  ধুপের উত্সবে সামিল দেব কন্যারা ভীষণ  যুদ্ধের পর 
নতুন করে সাজছে।

মুছে  দিতে  জরায়ুতে যুদ্ধের ঘ্রাণ 
বন্ধ্যা হলো  মৃত সৈনিকের স্ত্রী; সভ্যতার ঘরে হানা দেওয়া লুঠেরা 
দৃষ্টি ফেরায়  ভদ্র মানুষের তথাকথিত বিবেকে।


জীবিত এবং মৃতের কথোপকথনে জ্বলছে তেপান্তর ,

নৈবেদ্যর থালায় ছেঁড়া ফুলের পাপড়ি, প্রতিশোধের 
দেবতা অভিযানে, লাশকাটা ঘরে  উদ্দাম  উল্লাসে   ....

গভীর আলোচনায় বাদি -বিবাদি
সভ্য ঔপনিবেশিকতায়   ঠোকরানো  এপিটাফে। 






কবিতার জন্ম

একটু অন্ধকারের মায়ায় পরক্ষে  খুঁজলাম কবিতা।
আবেগকে দীর্ঘক্ষণ আলিঙ্গন করে মুক্তি দিয়ে লিখতে 
বসেছি প্রতক্ষ্য স্বপ্নের কুটুম্বিতা। সম্ভাবী  আলাপে যে লুকিয়ে ছিল 
এত কথা, জানতে পারিনি। দেখা হওয়ার  পর নিঃশব্দে  কাটলো 
অ -সুখের বিহ্বলতা , আচম্বিতে চিলেকোঠায় বৃষ্টিফোঁটা। 
ভাষা সর্বস্ব  জীবনে ক্লান্ত খাতার পাতায় আঙ্গুল বুলিয়ে 
পরভোজী চিহ্ন  এঁকেছি।  প্রতিবেশী বিবর্ণতা ভরিয়েছিল 
নিকোনো উঠোন।  আপাতত চাপা  আছে পেপার ওয়েটে 
নীতিকথার পান্ডুলিপি। বৃশ্চিক দংশালে  শরীরে কল্পনার আঁকিবুকি। 
খুঁজে পাওয়া গেলো  প্রত্নতাত্ত্বিক শিলালিপি। অবধ্য  অধিকারে
বারবার অদৃশ্য রক্তপাতে ,মাঝরাতে কবিতার উঁকি !

Sunday, 27 July 2014

SOME WAYS TOWARDS ABSENCE

As if I want to forget the diurnal course of love!
On the ride of extravagance, ignoring the pillow
In the blue tinged bed room, engaged  in fight
Against the nightmares and devastation of jarring plight
I divide equally the fractured selves of translucence.

Night knows everything -warmth, hunger, desire and waiting.
Under the tides of stretching moonlight, I behold  at the trapped tears
Looking for the ease of stillness and quietude, twisted substitute
For concluding trepidation; perpetual motionless sight
Which stares at the remembrances of  clustered nothingness.

Now, it is the moment for transient  breath, crumbling spirit.
Hours of eternal distance ,determining the aim of naked hatred,
Fasten the resolutions of blames against unexplained objectives
Of leaving suddenly the ways of survival-the  arena of  light.
Though, the moments, breaching the faiths, earn ambivalence.

In bestiality and unscrupulousness, love topples  losses incandescence !





 .


জন্মদিনে

তোকে দেখে যে সূর্য্য হাসে তা আমি বলবনা। 
তবে তোর  হাসিতেই তো পেলাম সুন্দরের সংজ্ঞা। 
তুই মানবী , অশ্রু তে ঝরে পরে দৈবী  সত্বা। 
তুই বিভ্রমে আকুল হয়ে খুঁজিস এলোমেলো ইচ্ছা দের। 
ফুলের রামধনু আঁকিস মৌনতায় , মুগ্ধ বিকেলে। 
রাতের ব্যালকনি তে জাগিয়ে তুলিস আশাবরীর মহল ,
মুছে নিয়ে রোজকার অদৃষ্টের কালোছাপ। 
এক ফোঁটা  আকাশ জানালায় নামে  কবিতা হয়ে ,
দাঁড়ি , কমা , সেমিকোলনের বন্ধনীতে সিন্দুক করে 
জমিয়েছিস  লবনাক্ততা ।  প্রতিদিনের ভুলের বৃত্তে 
গড়ে নিয়েছিস গোছানো সংসার। না মেটা ক্ষুধায় 
কুড়িয়ে নিলি কাব্যময়তার ছবি , বাস্তবিকই তোর  অহংকার। 
 ভালো থাকার মাঝে ভালবাসার উপসংহার।


 

Saturday, 26 July 2014

বেড়ে ওঠার পর

তখন আমি আরো বড় হয়ে যাব।
ভিড়ের মাঝে মিশে থেকে ভিড় ফুঁড়ে
জেগে উঠবে মাথা , গলা বাড়িয়ে  দেখে নেব
অপরাধ , হিংসার ছাঁচে ঢালা নীল  জন্ম, শরীর গলা ইতিহাস
আগুন ঝলসানো আকাশে মেঘ হয়ে উঁকি দেবো।
তখন আমি তোমার থেকেও বেশি অভিমানী হব।
যতটা অভিমান গচ্ছিত রেখেছ উপার্জনের পর.....
বিন্দু বিন্দু, টিপ টাপ আশ্লেষে আয়োজনে ত্রুটি তো রাখোনি।

অথচ তুমি জাননা বড় হচ্ছি আমিও। 
দেখাতে পারি আমিও স্বর্গের সিঁড়ি। 
দামোদরের কালো তটে  বিষন্ন  মনোলগ এ  অস্ত্র 
শানাচ্ছে ক্ষোভ এবং প্রতারণা । 

দগ্ধ হতে হতে বড় হয়ে গেছি  ......

নিবিড়  করে পেয়ে গেলাম ঘোর  হতাশা। 
বড় হয়ে গেছি , বুঝিয়ে দিলো  মহাকাব্যে 
সীতা  , দ্রৌপদীর  সহনশীলতা  !






মুখ এবং মুখোশ

মুখ আর মুখোশ  মিলে  গেলো।
সমীকরণে পরে থাকলো শুন্য।
মুখ দেখতে চাই না এখন ,
মুখোশ টা  ঢের  ভালো।
নগ্ন মুখ আকর্ষনীয়  নয়
সাজানো মুখে প্রতিফলিত অন্ধকারে
অবিকৃত মোহো।  মুখ ঢেকে নিলাম
মুখোশে তাই , শেষবারের মতো।  

সাজানো আবর্তে

"তোমার ছবি বেশ সুন্দর" , চিরকুটে জানালে তুমি। 
আচ্ছা ছবির থেকে জীবন্ত মানুষ কি কম ভালো ?
ছবিতে ঘাম নেই, কান্না নেই, বুনো গন্ধ নেই। 
দোষ  চোখে পরবেনা, দেখা যাবেনা দৈনন্দিন চড়া দাগের সীমা।
রোজকার নালিশ অথবা খুঁত গুলো এড়ানো বেশ সোজা। 

শুধু মাত্র এক ঢাল কালো চুল ঢেকেছে পিঠ ,
তোমার কল্পনার বাসা এলিয়ে পরেছে কাঁধের ওপর।
হাসি ছড়াচ্ছে  সদ্দ্য স্কেলিং করা incisors  থেকে canine 
মাপ মতো  দৈর্ঘ্য প্রস্থে। ভঙ্গিমাতে তুমি খুঁজে পেলে আপ্যায়ন। 
"আচ্ছা তুমি খুব ফর্সা না?" অধর্য্য প্রশ্নে, জানবার অদম্য ইচ্ছায়
তুমি জানতে চেয়েছিলে, না নিজের উত্তর নিজেই পাবে এনিয়ে 
আত্মবিশ্বাসী ছিলে , সেটা স্পষ্ট হয়নি।

এপারে বসে ভেবেছি  আসলে সবটাই তো ফটোশপ এর ষড়যন্ত্র। 
তোমার কাছে ফর্সা হওয়া নিয়মতান্ত্রিক প্রবাদ।

প্রোফাইল পিকচার এ ধুলো পরবেনা। 
বারবার পাল্টাচ্ছি রূপ , বহুরূপী আমি 
দুনিয়ার সামনে নিজেকে ঢেকে রেখেছি....
বিজ্ঞাপনের  রং মিশিয়ে। শূন্যস্থানের ব্যাপ্তি অনেক বড়। 
ফেসবুকে সেতু সেরকম ই এক ছবির হাসি , 
ধ্যানমগ্ন প্রহেলিকায়  প্রসংশা  কুড়াচ্ছি  রোজ। 
সাজানো জগতে জীবন্ত আমি 'র  ছবি মূল্য পাচ্ছে  বেশ বেশী ই।



যাঁরা হঠাত করেই খাওয়াতে চায়

  হাঁটু মুড়ে বসো, মুড়িমাখা হাতে দেবো- ঝাল মুড়ি। চিবিয়ে চিবিয়ে খাবে সাথে আচারের টুকরো আম। পা ছড়িয়ে বসো তারপর, মেলে দাও গল্পের শাড়ি। অবাক বিস্...