Saturday, 22 December 2018

The Voice

Yes I do scream.
I scream aloud.
Whisper has lost the power.
Even not murmur.
That can protest.
Not the meek and mild
As I was once thought to be.
After my birth , more the don'ts
've been tagged, less the do's.
At the very age of nine.
I cry in fear to see the drops
Only seen when my mother hand
Got cut while doing house hold work.
Hush ,says mom ,"now you are  grown up enough
You should know how to hide that patches
Of monthly affair."
But I fainted, pained not knowing how
Since the cramps can not be subdued with
Womanly gestures.

Yes I do scream now.
That day when you made love
It too caused pain though giving pleasure.
But I was mute , since your hand was not
Caressing but retires hopelessly
Just a few minutes after everything has been done.

Yes I do scream now.
That day when my blood,mixed with
The opaque caged in the uterus ,grew gradually
Within the swollen womb.and suddenly
Fall on the floor putting numerous questions to be asked by the twitching brows or
Cracked lips or shaggy jwas of an elder one.
Swallowed so many times ,instead of
Opening the lacrimals to show
How lonely i was.

Yes I do scream now.
In dream.
So you can't call me Hysteriac.

Wednesday, 21 November 2018

ভয় পাই

আমি ভয় পাই।
হ্যাঁ ঠিকই শুনেছেন।
ভয় আমার শিরায় শিরায়
দৌড়ে কখন যে অবশ করে
দিয়ে যায় স্নায়ু।
হ্যাঁ ভয়, যে ভয় পেতে শুরু করেছিলাম
সে ভয়ের ছায়াগাছ টা ডালপালা মেলে
দুদ্দারিয়ে অন্ধকারে বেড়ে উঠেছে।
তার কলশপত্রির মতো পাতা
চেপে ধরে আমার টুঁটি।
এক লহমায় একটু
ঘরঘরে আওয়াজের পর স্তব্ধতা-
সেই ভয় টা আজ কাল আমার
সমস্ত অনাক্রম্যতাকে গুঁড়ো করে
ভেঙেচুরে ফেলে দিয়েছে ।

সংখ্যায় প্রকাশ করবে এমন মাপ কোথায়?
স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক নীচে
নেমে যাওয়া আবেগকে।

সত্যি কি ভয়ঙ্কর ভয় বলুন তো।

ঠিকই ধরেছেন ,এটা যে একা হয়ে যাওয়ার ভয়।

Monday, 24 September 2018

এরপরেও



যখন ফাঁকা হাত শূন্যতা মাপে
বলে দেয় তুমি ঠিক কতটা একলা
সেই মুহূর্তে আঁজলা ভরে তুলে নিয়ো জল
প্রতিফলনে পাবে তোমার চেহারা।
একা নও তুমি।
 যখন চোখের কোনে চিকচিকে জলের রেখা
উপচে পড়বে, কখনো দেখছো তার স্বাদ?
হ্যাঁ নোনতা।ভীষণ নোনতা।
তাহলে ভাবছো কেন জীবন টা মিষ্টি?
সে আশা টাই যে করা বৃথা।
  যখন বুকের মাঝে গভীর শ্বাস।
দীর্ঘ্যস্বাস হয়ে বেরোয় ,ঠিক সেই সময়ে
কব্জির শিরা চেপে ধরলে বুঝবে কি ভীষণ
স্রোত তোমার শরীরে চলছে তো চলছেই।

তারমানে দাঁড়ালো যে তুমি মৃত নও।
একাকিও না। তোমার সাথে তোমার ছবি আছে।
ছন্দবদ্ধ আওয়াজে তোমার অস্তিত্ব।

এরপরও কী বলবে সব টাই ফাঁকা, তোমার বলে কিছু নেই?

@পিকিন

Sunday, 19 August 2018

ছবি কবিতারা পর্ব 2

কুয়াশা মাখা জানালার ওপারে ছিল দিগন্ত বিস্তৃত ধান ক্ষেত।
ফিরছিলাম আমরা।
তোমার হাত আমার কোলে।
যেন বহুযুগের চেনা কোনো বন্ধুর ছোঁয়া।
গল্প আঁকছিলাম জানালায়।তুমি দিয়েছিলে রং।
 এভাবেই জমেছিল ফেরার পথের নীরব কথোপকথন।দ্যাখো ফিরে এসেছে আবার সেই দিন ঠিক এক বছর পরে। চলনা হারাই আরো একবার নিজেদের কুয়াশা মাখা গল্পের ভিড়ে।

Wednesday, 15 August 2018

ঘুম ডাকে

রাতে হঠাৎ হঠাৎ ঘুম ভেঙে গেলে অজান্তেই মোবাইলে হাত চলে যায়। ডাক্তার নিষেধ করেছেন বারবার। তবুও কেমন একটা অভ্যাস এ পরিণত হয়েছে। 35 বছর বয়সেই ঘুম তাকে ছেড়ে যাচ্ছে এই ভাবনাটা মেনোপজ হওয়ার থেকেও ভয়ঙ্কর। পাশে রাখা জলের বোতল খুলে শুয়েই সে মুখে কিছুটা জল ঢালে,কিছুটা গড়িয়ে পড়ে বালিশে। ভালোই হয়।ঠান্ডা অনুভূতি টাও যদি ঘুম আনতে পারে।
আজ রাত 2টো নাগাদ ঘুম ভাঙলে সে দেখে ফ্ল্যাটের জানালা দিয়ে দূরে dsp এর ধোঁয়া রাতের আকাশ কে লালচে করে দিয়েছে। এত বড় কারখানার আলো, ফ্লাইওভার এর লাম্প পোষ্ট , nh2 এর রাত জাগা ট্রাকের আলো।সব আলো অনেক অনেক দূর থেকে জ্বলতে থাকে। বেড রুমের অন্ধকারে আলো গুলো আরো উজ্জ্বল বলে মনে হয়।
ঘুমের ওষুধ সে খায় না। ডাক্তার দিতে চেয়েছিলেন।ও না করে দিয়েছে। ওষুধ খেয়ে ঘুম ডেকে আনার মধ্যে যেন কোনো গৌরব নেই। বরং এখন যা পরিস্থিতি তাতে ওর কাছে এই আধ ঘুম জাগরণ আস্তে2 গা সওয়া হয়ে উঠেছে। প্রতিদিন রাতের বেলা দুর্গাপুর শহর খোলস ছাড়ে। ঘুমের আড়ালে ঢাকা পরে সে শহর এর তলায় লুকিয়ে থাকা আরো অনেক রূপ তার ফুটে বেরোয়। লালচে অন্ধকার,হলদে আলো আর রাস্তায় নতুন লাগানো led chain ।একেক দিকে একেক রকম আলোর চরিত্র রা ঠিকরে পড়ছে রাস্তায়.।কিন্তু ফ্লাই ওভার এর নিচে র জায়গাটা আলো নেই বলে এত উঁচু জায়গা থেকে দেখা যায়না। মোবাইল হাতে নিয়ে ফেসবুক খুলে সে একবার নোটিফিকেশন বার চেক করে।কিছুই নেই। হোয়াটস এপ এ কিছু গ্রুপ মেসেজ ঢোকে। সে খোলে না। বরং মোবাইল পাশে সরিয়ে জানালা দিয়ে আলোর বিন্দু গুলি দেখতে থাকে। একসময় আকাশ কালো থেকে ধূসর হয়। একটু একটু করে ধূসর আলো জেগে ওঠে ,হাউসিং এ র গাছে পাখি র ঘুম ভাঙা ডাকে তার চোখ বন্ধ হয়ে আসে।

কাল থেকে বিছানা টা সে জানালার ঠিক পাশে সরিয়ে এনেছে। রাতের আলো শেষ হলে পাখির ঘুম ভাঙলে তার রাত শুরু হয়। মোবাইলে র পাখির ডাক এলার্ম টার আর দরকার হচ্ছেনা। ভোরের ক্যানভাস এ দিনের প্রথম ছবি সে এঁকে চলে সুপ্তির টানে। বুঝিবা ঈষৎ হাসি ঝুলে থাকে আধ খোলা ঠোঁটের ফাঁকে।

খ্যাপামির যত কিছু



মাঝে মাঝে গলা ছেড়ে গান গাই।
আবার পাগলের মতো নাচতে গিয়ে হোঁচট খাওয়ার মজাই আলাদা।
ছন্দ ছাড়া কবিতার শিকড় তুলে তাকে গদ্য বানিয়ে উঁচু গলায় তুলে আছড়ে ফেলে
তার দফা রফা করে যদিও শিল্পী হইনা, কিন্তু বেশ
হালকা ভাব আর ফুরফুরে মন হয়।

খাতার পিছনের পাতা গুলোতে ওই যে পেন দিয়ে কি সব কিমভূত কিছু হাত পা মাথাওয়ালা দাগ দি
অথবা আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে চোখে মোটা কাজল লাগিয়ে লিপস্টিক ঠোঁটে ঢেবরে দিয়ে
হা হা হা হা হা হা,হি হি হি হি হি।
মা বলে কি বিশ্রী, ভূতের মতন আর কী।

তখন মনে হয় , নাহ মরিনি, এখনো বেঁচে আছি।

টুকরো টাকরা

সকাল থেকেই আকাশের মুখ ব্যাজার। কাল অনেক রাত অব্দি টুপ টাপ বৃষ্টি র পিয়ানো তে ভুলে যাওয়া পুরোনো সুর মনে করিয়ে দিয়েছে। রাত গভীর হওয়ার সাথে সাথে অনুভূতির কৌণিক বিন্দুরা বারবার খুঁচিয়ে তুলেছে সেই 16 বছর বয়স কে। বৃষ্টি মানে আদ্যন্ত রোমান্টিসিজম এর ভাব কে পণ্য করে তোলার প্রচেষ্টা নিতান্তই বুর্জোয়া বলে 32 বছর বয়সে এসে অবহেলা করে ছুঁড়ে ফেলতে পারলাম না। সে এলো , অনেকদিন পর হারানো 16 বছর। বুঝলাম যত দিন যাচ্ছে পুরোনো মদের মতো তার গুন বেড়ে চলেছে।ক্রমশ মহার্ঘ্য হচ্ছে কারণ টা সেই একই।আজ থেকে 16 বছর আগে ও সে ছিল সহজলভ্য।দিন দিন তার পথ হয়ে উঠেছে অগম্য।
16 তে বুদবুদের মতই অনেক মুখ ভেসে বেড়াতো।সচেতন অচেতন অর্ধচেতনে একতরফা প্রেমের কড়া নাড়া। কিন্তু 32সে এসে বারবার atm এর ব্যালান্স চেক করার প্রবণতায় সেই সব কোথায় যে পালালো উড়ে।
কাল রাতে অনেকদিন পর ফিরে পেয়েছিলাম আবার। বিবাহিত জীবন মানেই হিটলারি নিয়ম এই ভাবনা কে কখনই সমর্থন যোগ্য বলে মনে করিনি। জীবন সঙ্গীও মনে করেন না। দুজনে একসাথে থাকতে পারিনা। বেশিরভাগ দিন থাকে অপেক্ষায়। তবুও ওই যে পড়ে পাওয়া চোদ্দ আনার মতো মাসে 4 টি দিন পাই নিজেদের কে সঙ্গ দেওয়ার ,তার মাঝেও অবলীলায় দুজনে দেখে চলি বিপরীত সৌন্দর্যের আকর্ষণ।চলে হাসি মত বিনিময় নি সংকোচে।
তাতে মনে হয়না সম্পর্কে অবনতি হয়।বরং বন্ধুতা বাড়ে।
কাল রাতে যখন 16 বছর কে ফিরে পেলাম , বুঝলাম না মরিনি এখনো ভিতরে। তবে সেই বুদবুদ গুলো আর নেই। পরিবর্তে গাঢ় স্বাদ,গভীর ঝিম ধরানো- জীবন সঙ্গীর সাথে কাটানো 3 বছরের মধ্যে সেই সব দিনগুলো গোপন কুঠুরিতে রাখা দামী মদ।
Oh for a draught of vintage that hath been cooled in deep delved earth.
সম্পর্ক আরো পুরোনো হোক তোমার সাথে। নাহ স্বামী হিসেবে নয়। প্রেমিক হিসেবে ।কর্তৃত্বে নয়, উস্কে দেয়া আবেগের সাথে। অপেক্ষায় আছি।

হঠাৎ ফেরত পাওয়া 16 বছর তোমাকে দিতে ।বর্ষা যাপনে।

তিনটে বালিশ



বালিশের সাথে বিলাসিতা শব্দ টা বেশ যায়। বিশেষ করে আমার সাথে।নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারে বিছানার গদির বিলাসিতা না পেলেও বালিশ কিন্তু পেয়েছি। মাথার বালিশ,পাস বালিশ থেকে কোল বালিশ হওয়ার যাত্রাপথ সেই জন্মের 8 দিন থেকে শুরু হয়ে বত্রিশ বছর অব্ধি present perfect continuous.একের পর এক ধাপ পেরিয়েছি ,আর কোলবালিশ টাও ঠিক সেরকম।
বালিশের প্রতি দুর্বলতা আমার বেশ বেশী। তবে এর সাথে সাম্প্রতিক অতীত এর কোনো ঘটনার সাথে তুলনা টানা কিন্তু বৃথা।
3টে বাঁদর যেমন জীবনের নৈতিক শিক্ষা,তিনটে বালিশ ও আমার জীবনে তাই। আরামের 3তে স্তর।আয়োজন, উপভোগ, নিদ্রা।
বলা বাহুল্য আমার মাতৃ দেবী যারপরনাই বিরক্ত হয়ে আমার সাধের কোল বালিশ দুটো কেড়ে নিয়েছিলেন এক রাতে। তারপর ঘুম ভাঙলে দেখা যায় মাথার বালিশ এর অবনমন ঘটে সেটি হাতের পাসে, আর পা টি ঘুমের ঘোরে এমন বেঁকে গেছে যে সকালে উঠে কাই কেত্তন। মা বুঝলেন এ নেশা যাওয়ার নয়।

যায় ও নি। তবে মাঝে2 বিরক্ত প্রকাশ করে ফেলেন মা। আয়োজন, উপভোগ স্তর কে সুগভীর সুপ্তি তে পথ চিনিয়ে নিয়ে যাওয়া, দুঃখের বিকিরণ কে শুষে ঘুমপাড়ানিয়া হয়ে চোখে ভর করা বা মাঝে2 কর্তা র সাথে বালিশ নিয়ে মেকি যুদ্ধ- সবেতেই অনায়াস যাওয়া আসা।বালিশের কোলে মাথা রেখে যৌবনের গন্ধ শুষে নেওয়া।

বালিশ বাস্পমোচনের মতোই নেসসারি ইভিল
বালিশে  অনাবিল বিলাসিতা।

জটিল হিসেব

ছোট ছোট ঘটনা গুলো বরাবর আমার মন কে ছুঁয়ে যায়। রাস্তায়,বাসে ,ভিড়ের মাঝে যে সব না দেখা গল্প রা জন্মায় তাদের কথা বলতে গিয়ে মনে হয় এতো আমার নিজেরই কথা। আজ স্কুল থেকে বাড়ি ফিরছিলাম।যথারীতি ভিড় বাস।কেবিন এ কোনোরকমে জায়গা পেয়েছি। পানাগর বাস স্ট্যান্ড থেকে আরো অনেকের সাথে উঠলো একজন সদ্য বিবাহিতা ,তার স্বামী এবং শাশুড়ি মা।
ভিড় বাস।জায়গা নেই। রাজবাঁধ আসলে 2টো সিট ফাঁকা হলো।একটি কেবিন এ অন্য টি সামনের সিটে।শ্বাশুড়ি মা কেবিন এ বসলেন। বধূটি প্রথম সারির প্রথমে। স্বামী বউটির পাশে দাঁড়িয়ে।শ্যামলা সদ্য বিবাহিতা যুবতীর চওড়া সিঁদুর, গয়না আর লাজুক মুখ অবনত ,মাঝে মাঝে একবার আড়চোখে কর্তা কে দেখে নেওয়া।
আমাদের nh2 তে বেশ কিছু বাম্প আছে। ঝাঁকুনি অবধারিত। এর মধ্যে স্বামী টি ঝাঁকুনি খেয়ে হাত রেখেছে বউটির কাঁধে। একটু হাসি খেলে যায় দুজনের মুখে। ইতিমধ্যে শাশুড়ি মা র ব্যাপারটা পছন্দ হলো কিনা জানিনা,উনি বারবার ডাকছেন পুত্র কে কারণ মুচিপাড়া তে সিট ফাঁকা হবে।কিন্তু পুত্র চুপ। এদিকে মায়ের ডাক।ওদিকে তাকিয়ে দেখি বউটির হাত আলতো করে ছুঁয়ে আছে স্বামীর জিন্সে।

পিছনে বারবার ঘাড় ঘুরিয়ে শাশুড়ি মা দেখছেন আর ডাকছেন তার পুত্র কে বারবার। যথারীতি মুচিপাড়াতে বাস কিছুটা ফাঁকা হলো। কেবিন ও খালি হলো। কিন্তু বউটির পাশের সিট খালি হবে সিটি তে। স্বামী ঠায় দন্ডায়মান।

কেবিনে মা এর মুখ কিছুটা বিষন্ন পড়ন্ত বেলায়। হয়তো বা একটু রাগ বা বিরক্তি। একটাই কথা চাপা স্বরে -মাথা খারাপ ,নয় কেউ এভাবে সিট ছেড়ে দেয়।"

সম্পর্কের দ্বন্দ্ব, অধিকার ,ভালোবাসা গুলো কেন যে এত তাড়াতাড়ি  জট পাকানো আর ঘোলাটে হয়ে যায়!

পড়ে পাওয়া 4

বৃষ্টির জমা জলে ঝপাং ঝপাং।
 গরমে ঘামাচিরা মেখে নিতো নাইসিল।
পাউডার শেষ হলে কৌটো জমানো খুচরো ,
তার মাঝে একটা সিঁদুর মাখা ষোলোআনা।
কতটা মূল্যবান ছিল ধুলোমাখার বেলা।
অবেলায় নেগেটিভ ফিল্ম এ রোদের ফিল্টার।
 সাদা টেপে ছোট ছোট নকশি ফুল তোলা বাগান।
কল্পনাতে কত শত অভিযান।

হারিয়েছি অনেক যার সবটাই ভালো।
আমার শৈশব তুমি হাত ধরে চলো।

যাঁরা হঠাত করেই খাওয়াতে চায়

  হাঁটু মুড়ে বসো, মুড়িমাখা হাতে দেবো- ঝাল মুড়ি। চিবিয়ে চিবিয়ে খাবে সাথে আচারের টুকরো আম। পা ছড়িয়ে বসো তারপর, মেলে দাও গল্পের শাড়ি। অবাক বিস্...