Saturday, 30 August 2014

প্রেমিক এবং একটি কবিতা

তুমি বিরল প্রেমিক , শুন্যে গল্প আঁকো , অশান্ত ঈশান কোনের 
ধুলো ঝড়  চিঠি লিখেছে তোমার প্রেমের। যুদ্ধচেতনায় সারমেয় কুল 
কি প্রবল পরাক্রান্ত। রাস্তায় যানজটে গালাগালি, ঠেলাঠেলি। 
রোজ ই  ফুসফুসে কমছে আত্মবিশ্বাস  , জিভ দিয়ে 
নিকোটিন ঠোঁটে সৌন্দর্য্য জরীপ  কর বেওয়ারিশ বিকেলে। সুবোধ 
সেজে যদিও  রাখো পুষে রাগ , adrenalin  আগল দিয়ে। 
এটিএম দিচ্ছে উগরে মহার্ঘ্য কাগজ। 
তখন তুমি মহাপুরুষ একাকী। ভালবাসার অবাক চিহ্ন
ভিক্ষার ঝুলিতে বইতে বইতে আক্ষেপ করে কবিতা লেখা শেষ করে 
হাই তোলো অনুভূতি জড়িয়ে।  দৌড়াতে গিয়ে থমকে যাও; 
গচ্ছিত জীবনের দাবী  বুকের ভিতর হাপর হয়ে সাহস যোগায়। 
অকপট আবেগ টপ টপ ঝরে পরে , আমাকে শিখিয়ে দিও কি 
করে বাঁচবো , খোলামুখ সম্পর্কে ধ্বস নামছে দ্রুত ; পাত্সংস্থানে 
ভূমিকম্প ছিঁড়ে ফেলে রোজনামচা। 
বাস্তবিকই কি প্রেমের কাছে গুটি পায়ে অতিক্রান্ত বিষন্নতা? 
শুন্যে লিখে দিও আবার শেষের কবিতা।


Friday, 29 August 2014

নির্ণয়

মেমোরী কার্ডে ধরা মুগ্ধতায় অবস্থান বদলাচ্ছে ভাসমান 
শুন্যতা। উড়তে থাকা অন্ধকারের ডানায়  বিলীন হয় আঁচড়র 
শব্দ।  তুমি রয়েছো  নিরুদ্দেশে , অবশেষে বৃষ্টি নামলো  কবিতা হয়ে। 
সুখ গুলো মুঠো ভরে  কুড়িয়ে নিয়েছি মাঝ রাতে; বাকি থাকলো 
পর্যায় সারণী , রসায়নের ফর্মুলায় ত্রুটি বিচ্যুতি গবেষণা। 
পিপড়ে রা সাংকেতিক সমাজতন্ত্রে ক্লিনিকালী  সঠিক ,
প্রেসক্রিপসন এ N -TEN ,ভীষণ  ভালবাসা সুদেমূলে  পিতৃতান্ত্রিক।

Thursday, 28 August 2014

প্রয়োজন ফিরে যাওয়া

সস্তা ব্যথা জমিয়ে নামতা  গুণছ মাঝবয়সে প্রাত্যহিক ব্রাশ এ ,
কৌতুহলে , অনুভবে ,শুন্যতায়। সীমানা পেরোয়  নি কোনোদিন  ই 
ব্যাঙ্ক ব্যালান্স , দাম্পত্য  খাটের চৌহদ্দী। সংঘাতে অশ্বথামা হত ইতি [গজ],
সেলামিতে অনির্দিষ্ট ইচ্ছারা  বিসর্জিত।  কেউ কাউকে না ভোলার প্রতিশ্রুতি 
দিয়ে বেমক্কা ভুলে যাওয়া অঙ্গীকার।  বিপ্লবের আশায় গুণছ দিন 
যদি da  যেতো  বেড়ে এক লাফে অথবা বিচ্ছিরি সম্পর্ক গুলোর  শিকড় 
উপড়ে  চালচুলোহীন হয়ে একধারে নিস্কন্টক অস্তিত্বর  সম্বল এ ঘাড়  গুঁজে 
শুষে  নিতে হাওয়ার রক্তক্ষরণ। আড়ি -ভাব , মনস্তাপ , চেনাঅচেনা 
ধাঁধায়,  ধার বাকি খেরোর খাতায় অন্তত পটভূমি তৈরী করা যেতো 
উদ্বাস্তু কল্পনাদের ক্যাম্প।  জরুরী  অবস্থায় মিছিলে হাঁটবে তো ?
চলভাষে ব্যস্ততার মাঝে অথবা ক্লান্ত খবরে সূর্যদয়ের  শ্লোগান। 
স্বার্থপর হিসাবী পদক্ষেপে নোঙ্গর ফেলেছো , নিস্ক্রিয় অভীপ্সায়  
আলগোছে সামলাচ্ছ ঠুনকো  রাতের গ্লাস। মৃতজীবী ছায়ায় সুসংহত 
ক্ষেপনাস্ত্রে দার্শনিক বিরম্বনা। আরো একবার নগ্নতায় ঢাকুক তোমার 
পৃথিবী ,শিখে নিও দীর্ঘায়িত অন্ধকারে কুন্ডলিনীর অশ্রুত সংলাপ।

Wednesday, 27 August 2014

সন্ধানে

 আমাকে ডেকেছিল শঙ্খচিল জীবনানন্দের পাতায়।
অন্য মনে হেঁটেছি  লক্ষ্য বছর। 
সত্যি  হাঁটি নি আদেও !
শুধু ভেবেছি ; নরম বিকেলে ভরন্ত কবিতার মতো ই 
গুছিয়ে রেখেছি বালির কনা। করবীর পাপড়িতে আলতো  ছাপ রেখে 
গেছে মুগ্ধতা। আসলে অযথা মায়ায় তোমায় ফিরে পাওয়ার বিভ্রমে 
ঈশ্বরের  উত্তর খুঁজে চেনা ছকে সমাধান অলীক  বীজগণিত। 
সমস্ত শর্ত নির্বিশেষে ঢেউ এর ডাকে রসকলি ঝিনুকের রং এ ;
মৃত্যুর কাছে জন্ম ঋণ শোধ করা।  আল্পনা আঁকছে চির ধরা রঙিন মেঘ। 
এখন নদীর নতুন পথ খোঁজা।

Thursday, 14 August 2014

SO AGAIN WE LOVE

It's nothing for me to have the moon, pale and masked.
As The spiritual you hides desires , interest creeps up 
To decipher the unknowable truth of introduction and interest.
When the wind gallops on the feet, closely i inspect the heart
Of the earthly you that dances on the floor on moving waltz.
Celebrating the raptures with eyes sparkling and naked lips,
The ocean reflects light of deepest brightness in fabled silence .
So, let us paint  together the April days , dipped into substantial touch.
Only the wise can built the castle of love with fiery wonder.
 

Wednesday, 13 August 2014

স্বীকারোক্তি ইচ্ছার

এত ভুল আসলে হয়েই যায় , নির্বিচারে চুমু খেয়ে।
খুব বেশি বলে ফেললাম কি ? যে কোনো সময় দুরুন্ত ঝড়  আছড়ে  পড়েছে
সমুদ্রের তীরে,  অববাহিকায়। শুধু তোমাকেই সাহস করে বলতে পারি
ক্ষমা না চেয়ে, আরো বহু বছর ভুল করে যাব এই ভাবে।
তুমি যেন ঠিক সব কিছু রেখেছো লুকিয়ে । কুলুঙ্গিতে স্বপ্ন গুলো সাজানো আছে।
দুঃ সংবাদ আগে ভাগে টের  পেয়ে যাওয়ার মতই আন্দাজে
 নিচ্ছ ধরে প্রতারণা। দ্বি প্রহরে salesman  ভাঙিয়েছে স্বপ্ন ঝালানো ঘুম ,
লজ্জার প্রতিবর্ত ক্রিয়ায় একাই হেসেছ বারবার।
এরকমই কোনো দুপুরে চক্ষুদানের  কল্পনা। আরো কতবার জঞ্জালে
ঢেকে দেবে শিহরণ ? রঙ এ ঠাসা বাক্স, অপেক্ষায় ক্যানভাস।
পোর্ট্রেট এরকমই হোক- নষ্ট অভিমানের অহংকারের পলাশ ।


Monday, 11 August 2014

TIED DOWN

i was there,beside the river ,
waiting for the move, 
across the stream, 
on the feverish motion.
dipping the feet,
 in the current, 
to feel the pulse 
of echoing vein, 
that contains the
 unsullied passion.
now the trance is
over.and sadly i
discover,that my boat
 is tied to the shore.
the dream can 
only weave the desires,
generating despair.
 so,now I'm waiting
 for the minute of 
eternal voyage,
 in rotten ecstasy
 and subdued hunger.

নিয়মের চোখে

আমাকে বলে দেওয়া নিয়ম আর শেখানো  নীতিকথা শাসন 
করে চলেছে অনন্তকাল। নিরুপায় সমাজ ছোটো  হচ্ছে রোজ আসিডে ,ধর্ষণে,
খুনে। চোখ ভর্তি খিদে নিয়ে গোগ্রাসে গিলছ তুমি; সভ্যতার মুকুটে 
ভদ্রতার পালকে লুকিয়েছো  ইচ্ছার গুহা। লজ্জা শুধুই তাই একা আমারই!
 ইতিমধ্যে নিয়ম বসাচ্ছে  কার্ফেউ। জমাট বাঁধা জীবনে বিলাপ প্রস্থান প্রত্যাশী । 
কাটিয়ে দিয়েছ সহস্র বছর গবেষণায়,আহ্বানে  সুন্দর আগামী।
 বলতে পেরেছ সংগ্রামের ইতিহাসে রক্ত কতটা দামী।
জীবনকে ছুঁড়ে ফেলেছ কি অবলীলায় মহাকাশে, মাঝ দরিয়ায় !
সময়এর  রুমালে মুছে গেছে যুদ্ধ, ধুয়ে গেছে মৃত ছায়ারা।
বেঁচে যাওয়া ,পড়ে  থাকা বাসী রীতিনীতি  র  অতন্দ্র পাহারা ,
জীবন্ত জীবাশ্মের উচ্ছিস্ট দাফন  দিয়ে অন্ধ সেজে ভন্ডামি 
নিয়মতান্ত্রিকতার উর্ধে  শাসনের জোড়াতালি , সাংবিধানিক সিংহাসনে মহাপুরুষ মহাজ্ঞানী। 

Friday, 8 August 2014

একটু থামুন

আসলে আপনি দেখছেন অনেক কিছুই যদিও ,বাদ যাচ্ছে বেশ কিছুও। 
 অনেক তো দৌড়ালেন ,শেষে হাঁফিয়ে বসে মুখ ঢেকেছেন। ...
ওই ঘেমো  মুখ আর ভিজে যাওয়া শার্ট লেপ্টে গেছে ; 
তখন আশা করেছেন এক মুঠো হাওয়া ধুয়ে যদি দিয়ে যেতো  ক্লেদ।

আপনি দেখেন  হাইওয়ে র  অভিমুখ ,জড়িয়ে নিয়ে অপার সুখ। 
নির্দিষ্ট  ঠিকানা বরাদ্দ জীবনে, ভুল হওয়া মানা। স্বপ্ন গুলো এলার্ম হয়ে 
আপনাকে জাগিয়ে দেয়  । সামান্য খুদের মতো    জীবনে 
ভেঙ্গেছেন বারবার।  ...বরন্চ দৃষ্টি পাল্টে নিন। 

কত সহজ, একবার ফিরে তাকানো সবুজ মাঠে, রামধনু আঁকা আকাশে ;
এলোমেলো রং মাখা মেঘে।দেখুন না তারার গয়না ভরা রাতের শরীর , 
ঘন হয়ে আসা চাঁদের আলো। একটু থামুন , ফিরে দেখুন ,
একা হয়ে যাওয়ার আগে  , চেনা শহরের অচেনা আবরণ। 



 
 

Tuesday, 5 August 2014

কবিতার পর

প্রেমে পড়তে সময় লাগেনি। 
যখন একটা হৃদয়ের অলিন্দে রক্ত প্রবাহ বাড়ে,
শুন্যতা ভরে দেওয়া দিবা  স্বপ্ন গুলো ছোটা  ছুটি
করে , হঠাত নিরবতা ভেঙ্গে গেছিলো  ঠিক সে মুহুর্তে। 
আলো মানে না কোনো সিগনালের  রঙ। 
ভীষণ সত্যি  মনে হওয়া রূপকথারা দিশাহীন ,
কর্তব্যে র তাগিদে মস্তিস্কের  অতন্দ্র বিরোধিতায়
বাঁধ  দিয়েছে অলিন্দ নিলয়। 
পরিধি র কাছে প্রশ্নপত্র হাতে শেষের কবিতা। 

প্রেমে মুক্তি পেতে বড্ড দেরী হয়ে গেলো
সমস্ত গোলাপ, পলাশ , বসন্ত বাতাস ফিরে গেছে 
যে যার মতই ; প্রবন্ধ লিখছে নাস্তিক আত্মবীক্ষায়   ।


যাঁরা হঠাত করেই খাওয়াতে চায়

  হাঁটু মুড়ে বসো, মুড়িমাখা হাতে দেবো- ঝাল মুড়ি। চিবিয়ে চিবিয়ে খাবে সাথে আচারের টুকরো আম। পা ছড়িয়ে বসো তারপর, মেলে দাও গল্পের শাড়ি। অবাক বিস্...