Wednesday, 25 June 2014

অন্যদের মতো

বেপরোয়া ঈশারা 
অন্ত্যজ জীবনের কাছে অপাংতেও  নয়। 
ভদ্রতার মুখোশ অবস্য আড়ালে আবডালে 
উঁকি দিয়ে দেখে নেই নীল  জল
নিশ্চুপে গা ধোয়ার অভিপ্সায়। 
চাহিদার রেখা স্পষ্ট  করে 
এঁকে দিল যাযাবর মেয়ে !
আমি শহুরে  মধ্যবিত্ত। 
কাক ভেজা ভোরে অপেক্ষা করি -
জাগ্রত শরীরে সভ্যতার বস্ত্রখন্ডে। 
রিমোটে পাল্টাচ্ছি ইচ্ছামতো  
মুখোশের চলমান ছবি। 
আমার সম্বল গভীর রাতে 
স্ত্রীর শরীরে আলপিনের ব্যাস্ত্য আঁকিবুকি।

 যাযাবর মেয়ে পাল্টায়না;
একবিংশ শতকে তার চিবুকের 
উল্কি নয় সাবেক কালের কোনো প্রত্নতত্বের নিদর্শন। 
আমার কাছে দুস্প্রাপ্য বিরতিহীন ঘুম.
রোজ  রাতে ঘুম কিনে বাড়ি ফিরি !
বড্ড মায়া ঘেরা জীবনে কার্পন্যে 
nitrokontin  আষ্ট্রে পৃষ্ঠে জড়ানো প্রাণ ভোমরা। 

যাযাবর মেয়ে অভিমানে বাঁচে না। 
আমি সমস্যায় গৌতম বুদ্ধ। 
শ্বাপদের  শাদন্ত শান  দিচ্ছি  .....
আগ্রাসনে প্রতিপন্ন পৌরুসত্ব  !
সুযোগের সদ্বাবহারে কাল্পনিক ধর্ষক।
 
 
অথচ আমি কিন্তু বাকিদের মতই 
মধ্যবিত্ত ছাপোষা মানুষ ! 
  


Tuesday, 24 June 2014

অন্তরালে

তুমি ভালো থেকো,
 চোখের আলতো  পালকের ছোয়া য়।
তুমি ভালো রেখো,
নিস্পাপ প্রেম ভালবাসায়।
তুমি এঁকে দিয়ো সুখ পাখির ডানায় .
তোমার প্রেম উন্মুক্ত আকাশ।
তোমার  ঘৃনা রোজের আক্ষেপ।
তোমার বুকে কালো দাগ শিলালিপি।
মহান পুরুষ এঁকেছে hiroglyphics 
উদারতার ক্ষমতায়নে।   

সেসব অতীত এখনও বর্তমান এ হানা দেয়। 
তুমি শুক্লা দ্বাদশীর চাঁদ নও। 
ভূমিকম্পের পর  কোথাও কোথাও 
উষ্ণ পস্রবণ জেগে  ওঠে!
তুমি অজানা কিছু স্রোত ,
নাছোরবান্দা প্রতিরোধ।
অনুকম্পায় অবিচল............
অসহনীয় যন্ত্রনায় খুঁটে 
খাওয়া জীবনের বোধ !
 সময়াতীত অনুভব। 



 

আমি নারী

আমি ভালো বা ভালো না -
এইসব ভাবতে ভাবতে কেটে গেলো  সহস্র বছর.
মিশেছিলাম সীতা  হয়ে মাটির কোষে।
নিরুপায় জন্ম অতিক্রান্ত হচ্ছেনা।
গলিপথ, রাজপথ অথবা অবহেলিত শুন্য ভাঁড়ার
অথবা নষ্ট ধুলোমাখা সন্তাপে
তোমার সন্ততি আড়ালে মুক্তি চেয়েছিলো !


সাজানো বাগানে সব ছিল ঠিক।
পাশাপাশি ছিলো  ঈশ্বরের  ষড়যন্ত্র।
চমত্কার সাজানো প্লট -থ্রিলার থেকে নয় কিছু কম।
ইশ্বর নাকি সর্বজ্ঞ ,
স্বর্গের উদ্যানে সরীসৃপ এসেছিল লুকিয়ে.
 জ্ঞান বৃক্ষের টোপ এ ধরা দেব আমি জানতেন ঈশ্বর !
ঈশ্বর  নয় অপরাধী !
আমায় ঘেন্না করে শাস্ত্র ,
আমি অর্বাচীন , বিচার , বুদ্ধি , বিবেচনাহীন নিতান্ত মূর্খ্য।

আস্ফালনে বীরপুরুষ বলে পরিচিত আমার পঞ্চ স্বামী!
আমি পাঞ্চালী !-তোমাদের জুয়ার পণ।
সহজ লভ্য -আমি নারী।
যেইদিন  সভ্যতার মুখোশে মুখ ঢেকে
দেখেছিলে বিবস্ত্র আমায় !
ক্রমান্বয়ে  একে একে মুখের ভাষা হারিয়েছিলে
মানগন্য সভাসদ , পরম শ্রদ্ধেয় আদি পিতামহ।

অবলা কি একা আমি ?

 চাহিদার উর্ধে আমি মানবী অথবা দেবী।
চাহিদার আড়ালে আমি মেয়ে মানুষ। 
আমি সর্বংসহা তামদের গর্ব ,কল্পনার বাস্তবায়ন! 
আমিইই ভবিষ্যত প্রসবিনী -
যুগান্তরের গৃহযুদ্ধের শেষ বেলায় 
বস্তুতপক্ষে অন্তহীন নিরুচরিত 
কমলে - কামিনী !
 
 

Monday, 23 June 2014

SIMPLICITY

Rather I would hear later
The splashing of waves
and chirping of birds.
Someone is shouting through
The box, chattering and promising
To give a better world.

There are too many men-

Selling ice candy, beads, yarn and fabric.
Across the village, beside the mound,
Where women sit and gossip.
Or paint their nails with color
And daub their feet with henna
For ceremonies.

Weaving the stories upon the clothes
With yarn, beads and hope-
They sing the songs-
Of a baby yet to be born
Or the child lost her mother,
Or the neighbor's wife,
Beaten every now and then.
Or about the monsoon of last year.

Giving ear to the "passing by" stories
Of flimsy moments, sliding through thin air,
I'll fill my basket with their small contentment
Reducing the burden of never ending desire.

Sunday, 22 June 2014

নাগরিক সন্ত্রাস

ল এন্ড অর্ডার বজায় রাখতে জারি জরুরী  অবস্থা।
বিক্ষোভ এ শামিল  মূলত কিছু প্রান্তিক প্যাটার্ন এর
রং চটা মানুষের দল।

জ্যামিতিক জীর্ণতা  চোখে মুখে :
রাষ্ট্র বলছে তুষের আগুন জ্বলছে।
ছড়াচ্ছে  সন্ত্রাসবাদ।

আমি দেখছি -ক্ষুধার্থ মানুষ।
দুবেলার ভাতের খোঁজে।
বিপ্লবের সংজ্ঞা মানে
পেটের আগুন!

চে' কে তারা চেনেনা।
শীতে  কুড়ানো শালপাতা য়
সেঁকে  নেয় ধুলো মাখা পরিস্থিতি।

রাষ্ট্রের আখ্যানে 'সন্ত্রাসবাদ বসাচ্ছে  থাবা'।
প্রতিরক্ষায়  সাজানো বুলেট,বেয়নেট।
টিভি বলছে সত্তরের দশক ফিরে এলো নাকি ।

সন্ধ্যে নামলে গৃহস্ত শঙ্খ  বাজে।
বিরল কামনায় ওরা স্বপ্নে দেখেছিল
বেল কুঁড়ির মত ভাত।

বিপ্লব দীর্ঘজীবি হোক বা না হোক,
ওরা নেমেছিল পথে।
চৌরাস্তার মোড়ে র মিছিল  আমিও  দেখেছি  আড়চোখে।

ওরা নাগরিক নয়,
ওরা টেররিস্ট। 
বিপজ্জনক সন্ত্রাস।



















সুখী মানবী



ওরে মেয়ে তুই কোথায় থাকিস বল?
ঢেউ  এর মাঝে ঝিনুক ভাসে। 
পুড়ায় আগুন ভালোবেসে। 
মাঝ আকাশে তারাদের খেলা,
ছুঁয়েছে তোর  ঠোঁট।
তাই বুঝি আজ অমন মুখে ,
ভাসে বড় সুখ।  
রাতের আলোয় কালোর মাঝে ,
রূপের হাটে  সবার সাথে।
আলাদা যে তুই বড্ড বেশী। 
তাইত তোকে ভালবাসি। 
অন্ধকারের মাঝে তোর  ,
ঝলসে ওঠে অমন হাসি।
বাসী চাঁদের আলো র মাঝে ,
জীবন হলো বানভাসি।




 


চেনা মুহুর্তে-চেনা আলাপ

আমার মধ্য বয়সী রাত। 
একা থাকা অভ্যেস।
চেনা মুহূর্তরা তোমার মতোই উদ্বৃত্ত।
সেফ গেমে স্নায়ু একঘেয়ে ,
রক্তচাপ বাড়ছে ক্রমেই....
যদিও আয়ত্ত শোক
পুতুল নাচের আঙ্গিনায়।

আমি নিরুপায় নই।
করপরেসনের  হাই ড্রেন উপচাচ্ছে!
রাস্তার মুখে নোংরা নষ্ট
শরীর ধোয়া জলে,
মশা র সঙ্গম।

তোমার কঠিন তুচ্ছতা
আমাকে পুড়ায়  না ঠিকই।
আমার অসহায়তা অভিনয়।
রূপকথার ভয়ংকর দৈত্যটি
বেশ লুকিয়ে বাড়ছে ....
অগাধ বিশ্বাসে আঁচ তুলেছি
জ্বাল দিয়ে ফুটিয়ে নেবো  বাসী সুখ
মিথো ভোজী সময়ের।

তারপর রাতের কান্না মুছিয়ে দেবো
একা আমি অহংকার।
জরায়ু  অভিমুখে বাড়ছে দ্রুত অক্টোপাস।

তোমার সমকামী  বসন্ত।

আমার নেমেসিস ,মুখোমুখি সিসিফাস।  





যাঁরা হঠাত করেই খাওয়াতে চায়

  হাঁটু মুড়ে বসো, মুড়িমাখা হাতে দেবো- ঝাল মুড়ি। চিবিয়ে চিবিয়ে খাবে সাথে আচারের টুকরো আম। পা ছড়িয়ে বসো তারপর, মেলে দাও গল্পের শাড়ি। অবাক বিস্...