Thursday, 15 September 2016

দূষণ

নোংরা কালো বিচ্ছিরি ধোঁয়া?
মুখ ঢাকছ রুমালে!
নিঃশ্বাসে বিষ মিশল তবু-
যতই থাকো খেয়ালে।
আদপে সব বিষাক্ত তাই
মুখ ঢেকেই বা করবে কি?
মিথ্যা শোনা অভ্যস্ত কানে
কান চাপা দাও দেখি।
ঝুড়ি ঝুড়ি রোজ মিথ্যা ওড়াও
প্রকাশ্যে বা গোপনে।
দূষিত যখন অভ্যন্তর
মুখ ঢাকা কেন রুমালে।

Thursday, 8 September 2016

You and Me

Let us go then
To keep the promise
The sacred vows
Of love,something more
To cherish our dream
That has been woven
Together.
Lips upon lips
And the soul burning with
Desire,- fumes of sparks
Within the cloud that suddenly bursts...

Let's go there in the land of
Reverie to delve into the mine of
Eternity that exists forever

Saturday, 3 September 2016

শিরোনামে

যুদ্ধ কিংবা কূটনীতি
কালোটাকা অথবা দুর্নীতি-
শিরোনামে মহামানব ,
বিস্ফোরণে তুমি আমি।
রাজ্য ওয়ারী খবর পেরিয়ে
দেশ ব্যাপী ডামাডোল।
বিশ্বযুদ্ধ পরিস্থিতি
ভীষন গন্ডগোল।
মাথা মোচড়ানো শিশুর শবে
জমাট কালচে রক্ত
সভ্যতা আসলে দ্বন্দ্ব মূলক
বাস্তব বড় শক্ত।
প্রতিশ্রুতিও আছে,
টাকে চুল যাবে গজানো।
দাম্পত্য হবে মধুর আরো
সস্তা অফারে কাম্য।

ঝালমুড়ি শেষে কাগজের ঠোঙা
ডাস্টবিনে পায় ঠাঁই।
যা কিছু খবর বাসী হলে পরে
স্তূপীকৃত ডাঁই।

খবরে নেই তোমার আমার রোজকার ঝগড়া।
শিরোনামে যায়না  দেখা ছোট ছোট কান্নারা।
খবর ফুরালে নতুন খবর খুঁজবে দেশবাসী।
আমি তুমি শিরোনামে নেই ,কখনো হবোনা বাসী।

Tuesday, 23 August 2016

সকালে সুস্থই তো ছিল

হঠাৎ করে যারা মারা যায় তারা মৃত্যুর পূর্বে সুস্থই থাকে।
তবুও মরে যায় অজানিতে।
ওই যে শোরুম এর নতুন গাড়িটা র মতোই ঝকঝকে -
সাজানো খাবারের লোভ সামলাতে না পেরে
দু ফোঁটা নোলা হঠাৎ পড়ে যাওয়ায় অপ্রস্তুত তুমি কেমন যেন কুকুর হয়ে যাও।অসুখ সেরকমই লুকিয়েছিল শরীরে বা আরও গভীর কোথাও।
তারপর ঠিক সামলাতে না পেরে লুকোচুরি খেলে অসুখ  এলো শ্বাদন্ত নিয়ে।
সুস্থ  তুমি ছিলেনা আসলে।

Wednesday, 17 August 2016

রোজ বাস এ

তুমিও যেখানে রোজ ,আমিও তাই
এক বৃত্তে দেখি আর হাঁটি....
পৌঁছাচ্ছি না যদিও কেউ
গন্তব্য আছে ঠিক করাই।
দ্রুততম পায়ে বাসের সিঁড়ি
ধাক্কা লাগছে অসতর্কতায়।
আড়চোখে দেখানো সিট
নামবে কেউ সামনে তাই।
খুচরো ঝগড়া ,একটু sorry
আর অনেক চাপা বিরক্তি।
এগোচ্ছিনা কেউ ,বাড়ছে গল্প
হাসির দৈর্ঘ্য -সান্ত্বনা ব্যাস এতটাই।

Monday, 4 July 2016

দাঁড়িপাল্লা

সব্জী মাপার মতো ওজন করি অভিমান,
কতটা ক্ষোভ জমলো?
নিঃশ্বাস প্রশ্বাসে, জাহাজবন্দি ইতিহাসে
আদপে কতটা খেদ থাকলো।
বাক্সবন্দি রাগ,ফ্রেম বন্দি হাসি-
পাশাপাশি দাঁড়িপাল্লায় রাখো,
আয়তন ভিন্ন, ভর যে একই।
তুমি ছাড়ছ কিছু রোজ
আমার ও বছরগুলো বিনির্মিত।
শহীদ অথবা গিনিপিগ সেজে নিরপরাধী ।
প্রতিপক্ষ জুডাস; অনেক ক্লান্তি পেরোনো
রাত বিনিময় চায়-দাঁড়িপাল্লায় দুটো মানুষ-
পারস্পরিক দোষারোপ-
ঘুরপথে দুজনেই ক্ষমা চায়।

Monday, 13 June 2016

Humidity

Walking in dream
I ve counted the  drops
Of song.
In murmur a million words
Have been scaled
And weighed...
Before I speak
Deeply with the sighs
Of firewood.
Brushing up the
Memories ,finally
I ve calculated...

The sweat upon my lip
The drops of rain beneath the widow seal
And the tears on the screen

Are playing together
Secretly-telling the tales
Of salty humidity.

Saturday, 4 June 2016

কবিতার দরদাম

কবিতা আশ্রয় পেয়েছিল
খরচের খাতার পিছনের পাতায়।
হিসেবের সমান্তরালে শব্দের জাল।
বেসুরো রাস্তায় বিছিয়েছিলো ছায়াপথ।
একটা খেলা চলছিল বেশ।
তেল ,নুন,লঙ্কা, চালের দর রান্নাঘর পেরিয়ে
শোবার ঘরে অন্য একটা ঘর-অবিন্যস্ত দুপুর-
বেঁচে থাকার রসদ।অন্য ভাবে
অস্তিত্ব যাপন।মাসের শেষ বা শুরুর
সাপ-লুডোর ফাঁস গলিয়ে কালচে
কার্নিশে বেঁচে থাকা সবুজ ফার্ণের মতো
কবিতা টিঁকেছিলো রোজনামচায়।

শব্দ খরচ হলে কথা বাড়ে,কবিতা নয়।
অক্ষর জুড়ে বাঁধানো লেখার মিনে কাজে
ধাত্র তোমার চর্চিত চিন্তন।
অর্থ বর্ষ পেরোলে পুরোনো কাগজের দিস্তায়
খরচের খাতার স্থান।কবিতা বিকোয় দরদাম এ।
পুরোনো খাতার দামে ভাবনারা দাঁড়িপাল্লায়-

তুচ্ছ আঁকিবুঁকি এখন কাগজের ঠোঙায়।

Tuesday, 31 May 2016

বাঙালি এবং পর্দা

বাঙালি দের পাশের বাড়ির পর্দার প্রতি আগ্রহ টা চোখে পড়ার মতো।যদিও নিজের বাড়ির জানালা পর্দা দিয়ে বেশ পরিপাটি করে মুড়ে রাখে অধিকাংশ বাঙালি।কিন্তু অন্যের পর্দার ওপারে উঁকি দিয়ে অন্যের সংসারে র ফাঁক ফোকর খোঁজার ব্যাপারে বাঙালির চিরকাল আগ্রহ কিন্তু হাস্যকর হলেও বেশ এডভেঞ্চারস।
পর্দা প্রীতি র পাশাপাশি নিজেকে আড়ালের চেষ্টা তার সাথে অন্য কারুর অস্তিত্বের গোপন ডেরায় চোখ কুঁচকে তাকানো নিতান্তই নিরামিষ নয়।

রিপুর আড়াল আবডালে র নিঃশব্দ চলাচলের সাক্ষী পর্দা  যদিও নেহাত ই ভিজে বিড়ালের মতো জানালায় মিইয়ে থাকে।কখনো প্রেয় কখনো বা শ্রেয়।

বিপদ টা অন্য জায়গায়।একবার ঝড় দিলে আর সময়মতো জানালা না বন্ধ করলে ধুলোবালি আর পরশ্রীকাতরতা মাখামাখি হয়ে ঘর নষ্ট করে। আবার নষ্টনীড় এর বাসা টি যখন জন্ম লাভ করে গুটি গুটি পায়ে হাঁটতে শুরু করে অমনি পর্দা র আড়াল অনিবার্য্যতা লাভ করে।ইস্ট সিদ্ধি কার্যসিদ্ধি র মাঝের স্পেসে পর্দা অবশ্যই বাঞ্চনীয়।

বাঙালি বাঁচে পর্দায়
পান আর জর্দায়
পরচর্চা  ...
(পরকীয়ায়?)😜

Monday, 30 May 2016

পুনরাবৃত্তি

বাজারের দর বাড়ুক।
বেড়ে চলুক চিৎকার।
দেখছ কেমন খেলেছি খেলা
মগজ টি যে বেশ পরিষ্কার।
ফেলেছি টাকা ,সময় ও দিলাম
বাদ দিইনি কোনো কিছুই।
ট্রাডিশন টাও রেখেছি ধরে
যদিও নয় আদ্দিকেলে।
সৎ বলতে যা বোঝো তা
দেখলে পাবে আমাকেই।
যুধিষ্ঠির থাকলে পরে
স্বর্গে যেতাম এক ছুটে।
হাঁ করে তাকিয়ে আছো
বিশ্বাস কি হচ্ছেনা এর পরে?

বউ হলো দ্রৌপদী আমার।
ধর্ম আছে আমার পাশে।
পাশা খেলা নেই যদিও
জুয়া আছে ময়দানে।
পড়বে নতুন মহাভারত
android আর স্মার্টফোনে।

যাঁরা হঠাত করেই খাওয়াতে চায়

  হাঁটু মুড়ে বসো, মুড়িমাখা হাতে দেবো- ঝাল মুড়ি। চিবিয়ে চিবিয়ে খাবে সাথে আচারের টুকরো আম। পা ছড়িয়ে বসো তারপর, মেলে দাও গল্পের শাড়ি। অবাক বিস্...