Sunday, 22 June 2014

চেনা মুহুর্তে-চেনা আলাপ

আমার মধ্য বয়সী রাত। 
একা থাকা অভ্যেস।
চেনা মুহূর্তরা তোমার মতোই উদ্বৃত্ত।
সেফ গেমে স্নায়ু একঘেয়ে ,
রক্তচাপ বাড়ছে ক্রমেই....
যদিও আয়ত্ত শোক
পুতুল নাচের আঙ্গিনায়।

আমি নিরুপায় নই।
করপরেসনের  হাই ড্রেন উপচাচ্ছে!
রাস্তার মুখে নোংরা নষ্ট
শরীর ধোয়া জলে,
মশা র সঙ্গম।

তোমার কঠিন তুচ্ছতা
আমাকে পুড়ায়  না ঠিকই।
আমার অসহায়তা অভিনয়।
রূপকথার ভয়ংকর দৈত্যটি
বেশ লুকিয়ে বাড়ছে ....
অগাধ বিশ্বাসে আঁচ তুলেছি
জ্বাল দিয়ে ফুটিয়ে নেবো  বাসী সুখ
মিথো ভোজী সময়ের।

তারপর রাতের কান্না মুছিয়ে দেবো
একা আমি অহংকার।
জরায়ু  অভিমুখে বাড়ছে দ্রুত অক্টোপাস।

তোমার সমকামী  বসন্ত।

আমার নেমেসিস ,মুখোমুখি সিসিফাস।  





Saturday, 21 June 2014

eta monsooner jonyo


eta sob bangalider jonyo


dhar newa chinta


sobbar mone porbe eta


আশ্বাস [বিশ্ব সঙ্গীত দিবসে]

অন্য  জীবনে  পৌছে দিলো  চেনা গলি ।
বাস্তবের কাটফাটা দিনে মেঘ ছোপানো বৃষ্টির
রাস্তায়  নামলো  নদী ।
মাধুকরী , সবুজ বাড়ি, চাবি কাঠি হারানো
রূপকথার সিন্দুক ,ভাসলো  জলকাদার দ্রবনে।

কন্যার চোখে ভাবনায় ছল্কাছে
বুনে দেওয়া স্বপ্নের প্রহর।
উষর পায়ে সোহাগে জড়ালো
শাপলা শালুক।

নির্লিপ্ত পাশ  ফেরার একঘেয়েমি
আপাতত সরিয়ে রাখো
আরেকবার মুঠো বন্দী করি উদ্বায়ী ভালবাসা।
সুটকেসে যৌনতার কান্ডজ্ঞানহীন নির্লিপ্তিতে
নির্দয় ঘুমের বাহানা।

ছেলেটি লিখতে রাজি হলো  আবার
আদরের কাব্য।
কলা বিনুনি , লাল পাড়  শাড়ী , মায়াবীচিত্রের উঁকি ঝুঁকি।

মেয়েটি র  চাপা ঠোঁটে গান
হয়ে ভাসলো অপার সম্ভবনা ,
বিষাদের কালরাত্রি তে বেহুলা র ভেলায়
জীবনের আগমন।

সঙ্গীত সময়াতীত ,
পরিতৃপ্ত বাতাস ঠিকানা দিলো 
ঘুমপাড়ানির।
আগলাচ্ছে নবীন প্রজন্ম ,
মাখিয়ে জীবনের মানে - আলাপে প্রলাপে
প্রলম্বিত সুরে পূর্ণ  অনুরণনের পেয়ালা।








 

তার প্রতিদিন

চোখের পাতায় কালো ছোপ ,
ক্লান্তিকর দিনের শেষে নিজেকে আয়নায় দেখা।

রং উঠে গেছে ঠোঁটের,
উঁকি মারছে পোড়া মাটি র আলিঙ্গন।
মনের আয়না পারদ চটা ধুসর..........
এঁকে-বেঁকে যাওয়া অবয়ব। 

শরীরে শ্রান্তি।,
বিছানার খাঁজে মুখ লুকিয়ে,
পুরনো সম্পর্কের শবকে 
বয়ে নিয়ে যেতে যেতে,
কান্নাকে গিলে ফেলা -

কাল আবার ধুসর আয়নার হাতছানি।

"রোমন্থন "-একটি আত্মবিক্ষণ

অনেক ভেবেছি  আমি,
বৃথা কাটিয়েছি কাল এই পৃথিবীর বুকে।
পরতে পরতে ধুলো জমে যাওয়া  ধরনীর প্রতি স্তরে 
মিছেই খুঁজেছি অলিক পাথরে।

যাকে চেয়েছি আগুনে ভালবাসায় ,
যাকে খুঁজেছি বহু মানুষের চোখের ভাষায় ,
পিছন ফিরতেই দেখি সে অদৃশ্য !
হঠাত আবিস্কার করি তাকে কাঁচের বিকারে ,
ফরম্যালিন এ নিমজ্জিত ,অবিকৃত প্রাণহীন।

কিছু পাবার লোভে 
আঘাত হেনেছি বারবার 
মর্গের মৃতদের বুকে।
মূল্যহীন রক্ত ঝরেছে 
শোনিত শরীর সম্বন্ধীয় জিগীষায়। 

অনেক কাল তো কাটালাম
পৃথিবীর বুক চেঁছে তুলে যাবতীয় সম্পদ।
চলে যাওয়া সময় রা মাঝরাতে হানা দেয়।,
দুঃস্বপ্নরা এসে ভির করে। ; কঙ্কালসার দেহ মিছিলের পুরোভাগে।
পালানোর দরজা গুলো  বন্ধ হয় চকিতে। 
নিরর্থক প্রমত্ত্তায় কাটানো রাত 
উন্মীলিত  নয়নে চেয়ে থাকে।

"যেতে হবে " সময় দিছে জানান ,
হোচঁট এর পদে পদে। 

Friday, 20 June 2014

যখন অন্ধকার

যখন অন্ধকার আমায় দৃষ্টি দেয় -
অনেক রাতে একা হয়ে গিয়ে
 দেখে নি নিজেকে।

যখন অন্ধকার আমায় ভালবাসে-
পুরনো চেতনার জাগিয়ে তোলে ,
হৃদয়ে লুকিয়ে থাকা ব্যর্থ্য প্রয়াস গুলোকে।

যখন অন্ধকার আমায় কাছে ডাকে-
অভস্ত্য হাথের ইশারায় -
ছুটে যাই আমি অতল সমুদ্রের খাদে।

যখন অন্ধকার বলে "আমি শুধু চাই তোমাকে"
সামনে থেকে সরে যায় মেঘ, ফুটে ওঠে
শত শত তারারা আলোর ফুলকি নিয়ে।

যখন অন্ধকার ফিরিয়ে নেই মুখ ,দিয়ে  উতপ্ত নিশ্বাস-
তখন অন্ধকার আমায় দেকে বলে -
"যাবে নাকি বন্ধু সময় তো এলো এবার".


পর্য্যবেক্ষণ

আমার মা কে আমি কাঁদতে দেখিনি। 
তাই আমি যখন কাঁদি , মা র হাত পিঠে 
কান্না র রাশ টানে।
 আমার মা কে আমি অভিযোগ করতে  শুনিনি,
কারুর বিরুদ্ধেই নয়। 
অনেকগুলো বচ্ছর চুপ করে থাকার অজুহাত খুঁজতে গিয়ে 
মায়ের ভাষা আর  সাবলম্বী  নেই। 
সব কিছু কত সহজেই না নিতে পারে-
কলের জল, রান্নার নুন, সাবানের ফেনা র 
কাছে ঋণী  জীবনে মায়ের পাওয়া 
ঠাকুর ঘর, শাঁখা  , পলা, বাতাবি লেবু ,
কাঠ বিড়ালি, কপালে ষোলো  আনা সিন্দুর।
  মাটির ঘরে পেরিয়ে  গেল আঠাশ বছর।
এখনো মায়ের  পাটভাঙ্গা শাড়ী  মানে ,
সযত্নে সাজানো মাড়  দেওয়া কাপড়।  
মায়ের চলার পথে নদীর ছাপ ,
হলুদ মাখা হাতের আশ্বাস। 
নিকোনো উঠোনে চেনা পৃথিবী।
চোখের গভীরে আশ্রয়ের চেনা ছাউনি। 
নীরবতায়  জন্মান্তরের প্রশ্বাস। 



যাঁরা হঠাত করেই খাওয়াতে চায়

  হাঁটু মুড়ে বসো, মুড়িমাখা হাতে দেবো- ঝাল মুড়ি। চিবিয়ে চিবিয়ে খাবে সাথে আচারের টুকরো আম। পা ছড়িয়ে বসো তারপর, মেলে দাও গল্পের শাড়ি। অবাক বিস্...