Thursday, 22 May 2014

নেমেসিস



আরো একবার ভির  রাস্তায় মিশে গেলো কিছু অজানা অতীত।
ধুলোমাখা  সন্ধায় ফিরে পেল চেতনা তার পাপ বিদ্ধ শৈশব। 
মাতৃগর্ভের উত্স্যর দাবি কেড়ে নিল প্রেম ভালোলাগার অবোধ্য শিহরণ।

মানুষ  মৃত হলে সংজ্ঞায়িত ডেড বডি ,
উদাহরণে ফুল ধুপ পোড়া  মালসা ,
প্রগারো  সংলাপে স্মৃতিচারণ অথবা নিয়মতান্ত্রিক ক্রন্দন ৬ মাস   পেরিয়ে গেলে
শুকানো  রজনীগন্ধায় ফিকে বাকি সব। 
মানুষ  মরে বারবার। পেরিয়ে এসে তিন  কুড়ি ষাট। 
রাত বাড়লে , বেডরুম এ হিমায়িত জীবন্ত লাশ। 

 বিভাজিত চেতনার দায় নিয়ে দিন যাপনের খেলায় মুক্ত শরীরের উঠোনে নিকোনো দাওয়ার মতো ,
অথবা বন পথে চলে যাওয়া মানুষের  পায়ের ছাপের রাস্তা যে ভাবে চিনিয়ে দেয় -
সব পথ নিরুদ্দেশে নয়  ধাবিত। 
পরিচিতি মুছে ফেলা সহজ কথা নয় 
আধুনিক কায়দায় এ জীবন যতটাই স্বচ্ছন্দ , ঠিক ততটাই একান্তে অসহায়।

বস্তূত পক্ষে দন্দ মূলক বস্তুবাদের চিন্হিত মল্লভূমিতে 
বাকি সব ক্রমাগত রুপান্তরিত প্রতিক্রিয়াশিলতায়। 
সেই নীতি ফিরিয়ে আনছে বারবার কিছু অগম্য পথের দিক নির্দেশ। 
 রূপান্তর এর চোখ ফুঁড়ে দেখবার সময়ে বোঝে 
নেমে এসেছে মাথার ওপর স্থবির  অতীত।
আদিমতার পূর্ণ আস্ফালন।
অনায়াস অক্লেশে জীবন যাপন দন্দহীন। 
এক মুঠো বালিতে হারালো জলকণা তার ঠিকানা,
অরণ্য দাবানলে ছারখার ,
চুলোয় জ্বলছে কিছু পাতা বর্ণহীন।

চেনা পথ এ নামে রোজ সিসিফাস র পাথরের চাই 
মৃত্যুর সাজানো ঘরে আনুবিস এর প্রশ্নাতীত আধিপত্যে,
নওয়াছে মাথা ব্রম্হার 
পথের পাসে পিপড়ের সুরুঙ্গে 
সস্তা ঠিকানায় সাদা খই।

Wednesday, 21 May 2014

A PROBE



Moaning beside the crust of bread, One day, I used to give up food.

Thinking of fulfilling dream, I discarded the reality that would

Perhaps excite the excuse of staying alive.

Drinking the floating bubbles over the stream,

And checking the balance of despair lay upon my bed,

I bought the blowing wind that might push me up awake

Till my old love would come and say

“The fresh and decent glimpses of smooth eyes

Have already found its place in the gloomy patches of

peeling darkness.”



Vulnerability stares now with unmitigated fear.

In snooze, I tremble in nightmare.

Smelting the sympathy from long drawn silence,

For a moment, hiding myself under the creased bedspread,

With passive nonchalance, entwining mercy and disgrace,

Somehow, manage to escape the hunger, screaming within the

Tattered existence,

I wait and count the moments to forget the empty bowl,

That seeks for food, that cries for water,

And to be fulfilled with morsel of desire.

For the sake of forgetting, to be buried and redeemed

The soul, that‘s splintered and inert-

I hung upon my old life, reeling in the mire of sloughed despair.




Tuesday, 20 May 2014

A NEW JUDGEMENT

IS THERE ANY PROMISE OF HEAVEN, IF I DON’T SIN?
OR OF HELL, IF I COMMIT CRIME
IT’S NOT THE PAIN TO BE SHAMELESS.
THE AFFLICTION IS NOT TO RESIGN FROM THE PAST,
BUT TO ACCEPT THE CONFLICTING PRESENT.
AS THE LOVE WRESTLES WITH HATRED OR
THE BLUE VEINS LIE TOGETHER WITH THE ARTERIES CRIMSON,
AMIDST THE DEBRIS, GRASS SPROUTS.
SLURPING THE PARTING KISS OF KINDNESS,
THAT TRANSFIXES THE MOTION OF CIRCULAR TIME.
HERE IN THE CAVERNS OF INFERNO, SCRIPTING THE PARABLE OF LOVE,
THESE WORDS CAN NOT BE MORE SERIOUS AND PROFOUND.
UNLESS YOU FEEL THE SAME PULSE, OF EMBRACE TREMULOUS.
GOD CAN NOT ALONE BE THE JUDGE
OF SIN AND CRIME,
CRIME BEGETS ANGER, SIN IS OF CLOUD NINE!

Sunday, 18 May 2014

FUTURE

FUTURE LIES IN IGNORANCE AND HOPE
THE SHIMMERING HOPE...TO REMAIN ALIVE..WITHIN THE EYES
THE HOPE THAT HAS BEEN SPLAYED TO EXTEND THE MEANING OF LIFE
THE IGNORANCE SOMETIMES COMES AS A BLESS
IF IT'S A LOSS OR PAIN, OR REDOUBLED GAIN.
CHANCE THAT HAS BEEN LOST, OR THE WAVES
THAT WHINE AND LEAVE ME TOSSED!
IT'S ALL ABOUT SPACE, AND IRREVOCABLE TIME
WAS IT THE INVARIABLE PAST, IS IT THE CLUMSY PRES
ENT OR
WILL IT BE THE TIPSY FUTURE AGAIN?
THE MOMENT IS TO LOSS, TO HOPE, TO DREAM.
AND FUTURE IS NOT THE GRAVE BUT TO DRAIN AGAIN !

Friday, 16 May 2014

বৈপরীত্য

মৃত্যুর ছদ্দবেশ ধরে  শুয়ে থাকা....
সময়ের পাল্টে নেওয়া চোখ। 
সবুজ ঘাসে বাদামী রঙ ,
ধুসরতা-বিপন্ন  পরিযায়ী  র সাদা ডানায় 
শহর এর কালিমাখা ছোপ। 

পকেটে  ভরে খুচরোর  আশ্বাস। 
সরলরেখায় নৈতিক জীবন। 
মুহূর্ত আনন্দর পিছনে লুকিয়ে থাকা অনেকটা পরিশ্রম। 
 অথবা 
এক ছুট্টে অনুপ্রবেশের অবাধ্য শিহরণ। 
আলাদা নিয়মে চলে প্রতিফলন এবং প্রতিসরণ !
ভিন্ন আইন এ মরে অপরাধী বা বিপ্লবী !
সংজ্ঞা আলাদা করে বাঁচে মোমবাতি বা চিতার আগুন!

দুটো চোখ



দুটো  চোখ, স্রেফ দুটো চোখ আর ভাঁজ ধরা কপাল উঙ্কি মারছে জানালা দিয়ে। সামনে রঙ্গন ঝারের ঘন সবুজ এর আড়ালে র ওপারে বড় রাস্তার মোড়ে একটা আইসক্রিম ওয়ালা র গাড়ি তে রঙ বেরঙ ছবি। সেসব দৃশ্য ঘোলাটে চোখের ধুসর মনি পেরিয়ে অপটিক লোব এ প্রতিফলিত হছে কিনা আণুবীক্ষণিক বিশ্লেষণের দায়ভার বা মাথা ব্যাথা নেই। চোখ দুটো তাও তাকিয়ে আছে , রোজ ই যেমন থাকে ; দেখে...দেখেই চলে । মাটী থেকে চোখের দুরত্য প্রায় ১০০ ফুট এর বেশি ।

ফ্ল্যাট এর লিফট বেয়ে নেমে এল কিছু লোক। খুব রাগ, গজগজ করতে করতে। টাক পরে যাওয়া একটা লোক বিড়বিড় করে এলোমেলো পায়ে ওদের দিকে না তাকিয়ে দেখে নিল লিফট এর অবস্থান। সেই চোখ দুটো এখনও তাকিয়ে।

ডোর বেল বাজছে। এপার্টমেন্ট এর একটা ফ্ল্যাট এ পার্টি র উদ্দামতা। সুবেশা নর নারি দের ডানায় গভীর হোল শহুরে রাত। পোকাদের সমবেত কোরাস এ র মধ্যেও গার্ড এর চোখে নিভুন্ত কামনার দংশন। মধ্য রাতের শরীর জুড়ে সুরার সহ-বাস।

একটা সাদা গাড়ি র পিছনে কিছু সাদা পোশাকের লোকজন। গার্ড এর সচকিত চাহনির কাছে বৃথাই প্রশ্নের উত্তর আশা।

ঘোলাটে চোখ ঢেকে দিয়েছে মথ এর যূথ। নিবিড় আশ্রয় ঘুমন্ত শহর। নেশার ঘোর কাটার আগেই সকালে লুকাল রঙ্গিন রাস্তা। মুছে গেল জল এর তোরে যাবতীয় অ-সুখ।


Wednesday, 14 May 2014

শাম্ব’র ছেঁড়া পাতা



রূপসা কোন নাম নয় , একটা নদীও নয় যে বয়ে যাবে কলকলিয়ে। রূপসা আমার বিমূর্ত ধারনা যে সিগারেট এর ধোঁয়া হয়ে ভেসে যায় বারবার ।আমার আসক্তির চূড়ান্ত বিন্দু কে নারা দিয়ে।
এখনও রাত আসে আমার কাছে ; মায়াবী চাদরটাতে দেখতে পাছহি বেশ কয়েকটা ফুটো। এগুলো তো সেলাই এর ফোঁড়ে জোড়াতালি লাগবেনা।
গভীর ঘুম হাতছানি দিয়ে ডাকে। তবুও পৌঁছাতে পারিনা অতল খাদের গভীরে , মৃত্যু উপত্যকার খাদে দৌড়ে গিয়ে কিনারায় দাঁড়িয়ে আছি। মুহূর্ত কেটে যাছে নিঃশব্দে।
আজকাল আর সেরকম কাউকে মন এ ধরে না। চেতনারা প্রায় অবশ। ঝুলন্ত বাদুড়ের পাখায় ভর দিয়ে দুঃস্বপ্নরা এসে রক্ত শুষে নেয়, চেটে নেয় স্বেদবিন্দু। দেবদারু গাছ পুড়ছে আগুন...পূর্ণিমার চাঁদের রুপালী আগুন বড়ই ভয়ঙ্কর।
এলোমেলো জীবন টাকে ইস্তিরি চালিয়ে ভাঁজ মুক্ত করছি আজো । রোজ হাসতে হবে তাই।
রূপসা তবুও তুমি ঝাপসা হছনা আজ, এখন ও।
চূড়ান্ত সত্যি এটাই।

TUCHHO

ধরা যাক  কেন্দ্রের ঠিক তুমি  চিতকার করছো। 
আমি পরিসীমায় দাড়িয়ে কিছু অকাজে ব্যস্ত্য  

কফিন তৈরী করা জরুরি কাজ !
ভালবাসা অলসতা 
গীটার  বাজানো মারিজুয়ানা। ..
ল্যামিনেসন  এর ওপারে আমি হাঁটছি। 

প্লাটফর্ম এ খাঁজকাটা ছায়া। 
লোকাল ট্রেন এ নামছে ভালবাসা রোজ ই 
গত  দশ  বছর ধরে। 

তাহলে যেটা পাওয়া  গেলো -

তুমি চিত্কার করে যাবে আজন্মকাল। 
কফিন এ বন্দী  মারিজুয়ানা। 
মুক্ত গিটার এ উত্তর পুরুষ। 
বিরতিহীন ভালোবাসা।

যাঁরা হঠাত করেই খাওয়াতে চায়

  হাঁটু মুড়ে বসো, মুড়িমাখা হাতে দেবো- ঝাল মুড়ি। চিবিয়ে চিবিয়ে খাবে সাথে আচারের টুকরো আম। পা ছড়িয়ে বসো তারপর, মেলে দাও গল্পের শাড়ি। অবাক বিস্...