আরো একবার ভির রাস্তায় মিশে গেলো কিছু অজানা অতীত।
ধুলোমাখা সন্ধায় ফিরে পেল চেতনা তার পাপ বিদ্ধ শৈশব।
মাতৃগর্ভের উত্স্যর দাবি কেড়ে নিল প্রেম ভালোলাগার অবোধ্য শিহরণ।
মানুষ মৃত হলে সংজ্ঞায়িত ডেড বডি ,
উদাহরণে ফুল ধুপ পোড়া মালসা ,
প্রগারো সংলাপে স্মৃতিচারণ অথবা নিয়মতান্ত্রিক ক্রন্দন ৬ মাস পেরিয়ে গেলে
শুকানো রজনীগন্ধায় ফিকে বাকি সব।
মানুষ মরে বারবার। পেরিয়ে এসে তিন কুড়ি ষাট।
রাত বাড়লে , বেডরুম এ হিমায়িত জীবন্ত লাশ।
বিভাজিত চেতনার দায় নিয়ে দিন যাপনের খেলায় মুক্ত শরীরের উঠোনে নিকোনো দাওয়ার মতো ,
অথবা বন পথে চলে যাওয়া মানুষের পায়ের ছাপের রাস্তা যে ভাবে চিনিয়ে দেয় -
সব পথ নিরুদ্দেশে নয় ধাবিত।
পরিচিতি মুছে ফেলা সহজ কথা নয়
আধুনিক কায়দায় এ জীবন যতটাই স্বচ্ছন্দ , ঠিক ততটাই একান্তে অসহায়।
বস্তূত পক্ষে দন্দ মূলক বস্তুবাদের চিন্হিত মল্লভূমিতে
বাকি সব ক্রমাগত রুপান্তরিত প্রতিক্রিয়াশিলতায়।
সেই নীতি ফিরিয়ে আনছে বারবার কিছু অগম্য পথের দিক নির্দেশ।
রূপান্তর এর চোখ ফুঁড়ে দেখবার সময়ে বোঝে
নেমে এসেছে মাথার ওপর স্থবির অতীত।
আদিমতার পূর্ণ আস্ফালন।
অনায়াস অক্লেশে জীবন যাপন দন্দহীন।
এক মুঠো বালিতে হারালো জলকণা তার ঠিকানা,
অরণ্য দাবানলে ছারখার ,
চুলোয় জ্বলছে কিছু পাতা বর্ণহীন।
চেনা পথ এ নামে রোজ সিসিফাস র পাথরের চাই
মৃত্যুর সাজানো ঘরে আনুবিস এর প্রশ্নাতীত আধিপত্যে,
নওয়াছে মাথা ব্রম্হার
পথের পাসে পিপড়ের সুরুঙ্গে
সস্তা ঠিকানায় সাদা খই।
No comments:
Post a Comment