Sunday, 18 May 2014

FUTURE

FUTURE LIES IN IGNORANCE AND HOPE
THE SHIMMERING HOPE...TO REMAIN ALIVE..WITHIN THE EYES
THE HOPE THAT HAS BEEN SPLAYED TO EXTEND THE MEANING OF LIFE
THE IGNORANCE SOMETIMES COMES AS A BLESS
IF IT'S A LOSS OR PAIN, OR REDOUBLED GAIN.
CHANCE THAT HAS BEEN LOST, OR THE WAVES
THAT WHINE AND LEAVE ME TOSSED!
IT'S ALL ABOUT SPACE, AND IRREVOCABLE TIME
WAS IT THE INVARIABLE PAST, IS IT THE CLUMSY PRES
ENT OR
WILL IT BE THE TIPSY FUTURE AGAIN?
THE MOMENT IS TO LOSS, TO HOPE, TO DREAM.
AND FUTURE IS NOT THE GRAVE BUT TO DRAIN AGAIN !

Friday, 16 May 2014

বৈপরীত্য

মৃত্যুর ছদ্দবেশ ধরে  শুয়ে থাকা....
সময়ের পাল্টে নেওয়া চোখ। 
সবুজ ঘাসে বাদামী রঙ ,
ধুসরতা-বিপন্ন  পরিযায়ী  র সাদা ডানায় 
শহর এর কালিমাখা ছোপ। 

পকেটে  ভরে খুচরোর  আশ্বাস। 
সরলরেখায় নৈতিক জীবন। 
মুহূর্ত আনন্দর পিছনে লুকিয়ে থাকা অনেকটা পরিশ্রম। 
 অথবা 
এক ছুট্টে অনুপ্রবেশের অবাধ্য শিহরণ। 
আলাদা নিয়মে চলে প্রতিফলন এবং প্রতিসরণ !
ভিন্ন আইন এ মরে অপরাধী বা বিপ্লবী !
সংজ্ঞা আলাদা করে বাঁচে মোমবাতি বা চিতার আগুন!

দুটো চোখ



দুটো  চোখ, স্রেফ দুটো চোখ আর ভাঁজ ধরা কপাল উঙ্কি মারছে জানালা দিয়ে। সামনে রঙ্গন ঝারের ঘন সবুজ এর আড়ালে র ওপারে বড় রাস্তার মোড়ে একটা আইসক্রিম ওয়ালা র গাড়ি তে রঙ বেরঙ ছবি। সেসব দৃশ্য ঘোলাটে চোখের ধুসর মনি পেরিয়ে অপটিক লোব এ প্রতিফলিত হছে কিনা আণুবীক্ষণিক বিশ্লেষণের দায়ভার বা মাথা ব্যাথা নেই। চোখ দুটো তাও তাকিয়ে আছে , রোজ ই যেমন থাকে ; দেখে...দেখেই চলে । মাটী থেকে চোখের দুরত্য প্রায় ১০০ ফুট এর বেশি ।

ফ্ল্যাট এর লিফট বেয়ে নেমে এল কিছু লোক। খুব রাগ, গজগজ করতে করতে। টাক পরে যাওয়া একটা লোক বিড়বিড় করে এলোমেলো পায়ে ওদের দিকে না তাকিয়ে দেখে নিল লিফট এর অবস্থান। সেই চোখ দুটো এখনও তাকিয়ে।

ডোর বেল বাজছে। এপার্টমেন্ট এর একটা ফ্ল্যাট এ পার্টি র উদ্দামতা। সুবেশা নর নারি দের ডানায় গভীর হোল শহুরে রাত। পোকাদের সমবেত কোরাস এ র মধ্যেও গার্ড এর চোখে নিভুন্ত কামনার দংশন। মধ্য রাতের শরীর জুড়ে সুরার সহ-বাস।

একটা সাদা গাড়ি র পিছনে কিছু সাদা পোশাকের লোকজন। গার্ড এর সচকিত চাহনির কাছে বৃথাই প্রশ্নের উত্তর আশা।

ঘোলাটে চোখ ঢেকে দিয়েছে মথ এর যূথ। নিবিড় আশ্রয় ঘুমন্ত শহর। নেশার ঘোর কাটার আগেই সকালে লুকাল রঙ্গিন রাস্তা। মুছে গেল জল এর তোরে যাবতীয় অ-সুখ।


Wednesday, 14 May 2014

শাম্ব’র ছেঁড়া পাতা



রূপসা কোন নাম নয় , একটা নদীও নয় যে বয়ে যাবে কলকলিয়ে। রূপসা আমার বিমূর্ত ধারনা যে সিগারেট এর ধোঁয়া হয়ে ভেসে যায় বারবার ।আমার আসক্তির চূড়ান্ত বিন্দু কে নারা দিয়ে।
এখনও রাত আসে আমার কাছে ; মায়াবী চাদরটাতে দেখতে পাছহি বেশ কয়েকটা ফুটো। এগুলো তো সেলাই এর ফোঁড়ে জোড়াতালি লাগবেনা।
গভীর ঘুম হাতছানি দিয়ে ডাকে। তবুও পৌঁছাতে পারিনা অতল খাদের গভীরে , মৃত্যু উপত্যকার খাদে দৌড়ে গিয়ে কিনারায় দাঁড়িয়ে আছি। মুহূর্ত কেটে যাছে নিঃশব্দে।
আজকাল আর সেরকম কাউকে মন এ ধরে না। চেতনারা প্রায় অবশ। ঝুলন্ত বাদুড়ের পাখায় ভর দিয়ে দুঃস্বপ্নরা এসে রক্ত শুষে নেয়, চেটে নেয় স্বেদবিন্দু। দেবদারু গাছ পুড়ছে আগুন...পূর্ণিমার চাঁদের রুপালী আগুন বড়ই ভয়ঙ্কর।
এলোমেলো জীবন টাকে ইস্তিরি চালিয়ে ভাঁজ মুক্ত করছি আজো । রোজ হাসতে হবে তাই।
রূপসা তবুও তুমি ঝাপসা হছনা আজ, এখন ও।
চূড়ান্ত সত্যি এটাই।

TUCHHO

ধরা যাক  কেন্দ্রের ঠিক তুমি  চিতকার করছো। 
আমি পরিসীমায় দাড়িয়ে কিছু অকাজে ব্যস্ত্য  

কফিন তৈরী করা জরুরি কাজ !
ভালবাসা অলসতা 
গীটার  বাজানো মারিজুয়ানা। ..
ল্যামিনেসন  এর ওপারে আমি হাঁটছি। 

প্লাটফর্ম এ খাঁজকাটা ছায়া। 
লোকাল ট্রেন এ নামছে ভালবাসা রোজ ই 
গত  দশ  বছর ধরে। 

তাহলে যেটা পাওয়া  গেলো -

তুমি চিত্কার করে যাবে আজন্মকাল। 
কফিন এ বন্দী  মারিজুয়ানা। 
মুক্ত গিটার এ উত্তর পুরুষ। 
বিরতিহীন ভালোবাসা।

Tuesday, 13 May 2014

..........KE.........

অচেনা রংচঙ  এ দুনিয়ায় ভেসে থাকা মায়াজাল এ। 
আপন করে নেয়া এক লহমায় !
 "হাই " তোলা শব্দ একটা খোঁচার পর,
ক্রমে ক্রমে বাড়তে থাকা শব্দের বিন্যাস ....

ড্রয়িং রুম পেরিয়ে বেডরুম এ এসে পড়লে তুমি। 
তারপর তো হাত ধরে হাঁটা। .
নিত্য ভাতের থালায় তোমাকে খুঁজে পাওয়া। 
স্নানে র জল এ তোমার  প্রতিফলন। 
ক্রিকেটের উল্লাসের মাঝে   চাপা হাসির মোড়ক ,
কিম্বা নানারকম মুখভঙ্গী ,
ওরা নাকি কার্টুন , স্মাইলি !
বাস্তবিক ই তা তোমার এক্সপ্রেশন। 

রিসার্ভার  এ জমিয়ে রাখা মুহূর্ত  সহ-বাস ,
খরার মাঝে প্লাবনের ভবিষ্যত। 
শ্বাস  নিতে নিতে খেয়াল করিনি 
জেগে উঠবে অনিবার্য দ দীর্ঘ্যশ্বাস। 
দূরত্ব  যদিও শুধু  বালিশ  এর সাথে পাসে রাখা চাদরের ,
তবু কেন যে এত অনতিক্রম্য বোঝা ভার ?
পশ্রয়  আস্কারার সেকেন্ড মিনিট স্থবীর। .
যদিও চলমান বাকি সব !

এতদিন রাতজাগার পর চোখে বড্ড ভারী ঘুম.......
ডুবে গেলাম আরো একবার জমাট ইনবক্স এ। 
নদীর পুরনো বাঁকের  খাঁজে 
ঘোলাটে আঁজলা  জল!

Saturday, 10 May 2014

PORICHITO EBONG CHENA

পরিচিত  হওয়া ঠিক কতটা যায় ?
চেনা আর পরিচিত কি এক?
সমুদ্র তীর  , বালিয়াড়ি , ঝিনুক বা তুমি  
কোনটা পরিচিত অথবা চেনা - এত সহজ এ কি যায় বলা.

পরিচিতি  শুরু  কলেজের  দিনে।
তারপর আসলো চেনার সময়। 
ঠিক কতগুলো দিন একসাথে থাকলে 
কাউকে চেনা খুব সহজ হয়?
 যেমন চিনেছি তোমার শরীরের খাঁজ ,
কুড়ি বছর ধরে.
পাশ  ফেরা, হাই তোলা, জল খাওয়া বা  আচানো। 
গরমে স্নানের শেষে সেই চেনা বুনো গন্ধ। 
হঠাত টুকরো বিকেলে আরো চেনা হওয়ার  মুহুর্তে দেখলাম 
কোথাও  যেন মিনিট আর সেকেন্ডের মাঝে 
বিবর্ণতার রেখা!

ধীরে ধীরে কখন যে  চেনা থেকে মিশে গেছো  পরিচিতদের ভিড়ে। 
গন্ডিটা  কেটে দিয়ে গেছে অন্য আরেক পরিচিতই। 

চেনা আর পরিচিত র হলদে দন্দ। .......
জানালায় বসে হিসাব করতে গিয়ে দেখলাম 
পেকে গেছে দশ  -বিশ  টা  চুল !

কুড়ি বছর একসাথে ,
তবুও চিনতে পারলাম কি মনের ভাঁজ ?

এখন তুমি আমার পরিচিত ঠিক ই , তবে 
চেনা নও। 

RESURRECTION

THE MUSIC WAS LOST.
MEMORIES CAN'T BE MORE BITTER,
WHEN YOU TWITCH.

LEAVE ME FOR ANOTHER MILLENNIUM.
LET'S BRING THE ILLUMINATION.
HALLUCINATION PLAYS BACK.
YOU CAN'T BE MY DESTINY ALONE!

IN SMOKE, I DETECT YOU.
DISSECTING THE TRAUMA,
THAT WAS NOT GREY
HOW CAN I PAY BACK TEQUILAS
IN MY PRESENT REINCARNATION!

***************************************

MUSIC, LINGERING UPON MY LIPS AND FINGERS.
LICKING LIFE WITH SEVERED SOUL!
WON'T WE LOVE TWICE?
ONLY MUSIC RESURRECT US ALONE!
......PIKIN

Tuesday, 6 May 2014

AMAR PARIJAAT

পারিজাত বসন্ত ভুলেছে,
পারিজাত হারিয়েছে স্বর্গ। 
নির্যাতিত, পদদলিতা,
সাদা পাপড়িতে কালচে রক্ত !
চেনা চেনা পথে ,আধভেজা ভোরে  পারিজাত ঘুমাতে  পারেনা। 
ভাসমান অস্তিত্যে শিকড়ের টান বাস্তবিক ই হাস্যকর। 
যে ভাবে ভোর  হয় , আবার  নামে রাত। 
যে সখ   জাগিয়ে রাখে  মাঝ রাতের শহর ,পথঘাট। .
হাসি,রাগ,অভিমান যে দাড়িপাল্লায় বেশ হালকা ,
আর ভালবাসা পরাকাষ্ঠা। 
পারিজাত নেভায় এল রোজকার মতোই ,
নিজেকে ঢেকে নিয়ে অন্ধকারের মোড়কে। 
জেগে থাকে নিস্পাপ তারা ,জ্বলজলে কপালের টিপ.
ইন্দ্রের অমোঘ  হাত  কেড়ে নেয়  বারবার.......


তবুও বেঁচে  থাকে পারিজাত। 
অতীতের মূলধনে  বর্তমানের কারবার

Friday, 2 May 2014

AMI AR TRIBHUJ

সবসময়  ভাবতে পারা যায় না ,
বোঝার ক্ষমতাও শেষ হয়ে আসে। 
ভাগফল পৌনপুনিক......
ভাগশেষ  এর রাশি শূন্য হইনি !
তিনটে বিন্দুর সরল রেখা সংযোগে ,
আমি তুমি আর ভাগফল। 
ভাগশেষ  এ  আরো তিন। ..
আরো একটা জ্যামিতিক প্রকরণের অভিমুখে ,
আমি, আত্মজা আর অন্য কেউ। 
অন্তহীন বিবমিসার মাঝে মুক্ত জানালায়  পড়েছে  ছায়া তাই। 
বুক কাঁপে  প্পুরোনো ভাগের অঙ্কে। 
কেউ কেউ বলেছিল বটে....
আদিম রিপুর আঁধার, কান্নায় বড়ই  ফিকে। 
কিন্তু জংলা জমি আবাদী।
স্বপ্নও দেখায় ভারী। 
ত্রিভুজের আঙ্গিনায় নতুন আমি, আত্মজা, আর অজানা অস্তিত্য অশরীরী

যাঁরা হঠাত করেই খাওয়াতে চায়

  হাঁটু মুড়ে বসো, মুড়িমাখা হাতে দেবো- ঝাল মুড়ি। চিবিয়ে চিবিয়ে খাবে সাথে আচারের টুকরো আম। পা ছড়িয়ে বসো তারপর, মেলে দাও গল্পের শাড়ি। অবাক বিস্...