কত কিছু যে করার বাকী।
দিন ফুরিয়ে যাওয়ার আগে
সব কাজ শেষ করে ফেলার টার্গেট নিয়ে এগোতে দেখি বেলা শেষ হয়ে এলো, তবুও এগোতে পারিনি একচুলও। সেই একই জায়গায় দাঁড়িয়ে আছি। অর্থহীন জীবন তবুও মরুভূমি হয়নি।
স্বপ্ন দেখার অভ্যেসে প্রতিদিন জল পাচ্ছে সময়।
তীব্র ,ভীষণ তীব্র একটা ছটফটানি কামড়াচ্ছে ঘিলু।
পাপবোধ নাকি অমেরুদন্ডী সহনীয়তা অন্দরের মানুষ টাকে শেষ করছে রোজ?
এখন এই বোধ ঘিরে ধরে-
আমি কী, অথবা কেন?
Sunday, 26 November 2017
সময় ফুরাচ্ছে দ্রুত
Sunday, 19 November 2017
মন খারাপ কে
মন খারাপ-তুই দূরে থাক।
একটা হিংসুটে দুস্টু পাজি বজ্জাত।
নিজের কোনো রং নেই।
আমার আছে অনেক রং
লাল হলুদ কমলা বেগুনি
আসমানি নীল রামধনু একঝুড়ি।
মাঝে মাঝে কেড়ে নিতে, চুরি করতে
তুই চলে আসিস নির্লজ্জ।
অনেকগুলো সময় পুড়িয়ে মন খারাপ
তুই ভাবেছিলিস রং আমার শেষ।
কিন্তু কতটা ভুল তুই নিজেই ভাবিস বল?
নাহলে দেখ যেই আমি তুলি ধরলাম তুই
ঢাকলি মুখ, যেই আমি নিজেকে সাজালাম
তুই পিছিয়ে গেলি কয়েক পা।
এখন আমি আঁচড় কাটতে শিখেছি।
বেসুরো গলায় গলা সাধার পর থেকে
তুই বেপাত্তা। এলোমেলো নাচ শুরু করতেই
পায়ে লাগলো মোচড়। সেই দেখে তোর কি
হাসি, ভাবখানা এমন যেন বেশ হয়েছে, এবার
ব্যথার সাথে আমি বসবো জাঁকিয়ে।
আরে হিংসুটি তুই জানিস না।
সৃষ্টির রং ধুয়ে দেয় তোর কালিমা, অগোচরে তোরই।
Thursday, 16 November 2017
শিশু দিবসে নিজেকে
বয়স বাড়ছে চুলে পাক।
সমাজ বলছে গম্ভীর থাক।
মা বলছে হয়েছ বড়।
বকবক টা কমাও আরও।
পেশার দাবী বিজ্ঞ হও।
টাকা বলছে হিসেবি হও।
সংসার চায় সব কিছুই
সময় , শরীর যা আছে তাই।
হয়েছি বড় অনেক জ্বালা
বিরক্তি আর রাগ মেশাই।
তবুও কিন্তু ফিক ফিক ফিক
হাসছি দেখো বাচ্চা তাই।
Saturday, 30 September 2017
অনুসন্ধান
এই যে দেখছ কত সহজে তেতো র থেকেও ভয়ানক ঘটনা ভাতের থালায় চটকে গিলে ফেললে।
আবার শুনে অম্বল হলেও জোয়ান আদার আরকে দিব্বি তো হজম করে ফেললে আধ্যাত্নিক খুন -ধর্ষণ।
গরম তেলের মধ্যে জল পড়লে চিড় চিড় আওয়াজে হলুদ ফেলে দাও একটু। আওয়াজ থেমে যাবে।
কিন্তু মাঝরাতে ভুখা পেটা নেড়ি কুকুর রা ঠিক চিৎকার করবে, অচেনা কেউ পাড়ার গলিতে মুখ ঢোকালে।
সে তুমি কুকুর , কুত্তা যাই বলো,সারমেয় র নিশ্চিত স্বর্গপ্রাপ্তি তো আটকাতে পারবেনা। তোমার ঘুম ভাঙবে, অবশ চোখ না খুলেই পাশ ফিরে আবার ততোধিক গভীর নিদ্রায়।
ওই লালু ভুলু কালু থামতে শিখেনি , ওদের যাত্রা পথ
গলিপথ পেরিয়ে মুক্তি খোঁজে ।
যুধিষ্ঠির ও নরক দেখেছিলেন, এখনো সবাই দেখে মাছের চোখ নিয়ে।
ধার্মিক শীৎকার চাপা পড়ার পর, পাড়ার কুকুর জেগে থাকে-বোধহয় ছায়াপথে স্বর্গ খোঁজে।
Thursday, 10 August 2017
As much as in life and death
When the endless waiting chews slowly
When the final is over, yet the result is like the waiting list of a train, meandering far.
Throbbing with hopes and despair,the dilemma hangs on the time.the foetus is safe within the womb and the dead is kept within the vault, both the places are immune to light.
Yet the child is divine, and the dead don't mind. Life tracks the beat - pounding heart beats and quivering lips.
Life hinges on engulfing waiting.
Sunday, 6 August 2017
আমার শহর তোমার শহর
ভিড় চেনায় জীবন।
কোলাহল আঁকে ছবি।
শপথে মিছিল হাঁটে
তোমার আমার আলাদা শহর
পূবদক্ষিনে রাখা।
পথ পেরিয়েও তোমার শহর
তবু কত চেনা, কত জানা।
তুমি ই তো সেই মানুষ
প্রত্যয়ী আশাবাদী।
ঘুম ভেঙে রোজ চলা শুরু
যার, আস্তিনে ঘাম মুছে।
শব্দ টাও তো আলাদা হয়না
তেলে ফোড়ন দিলে।
সত্যি তুমি পর নও
প্রতিদিন ওঠ বেঁচে।
আমরা সবাই সাধারন তাই
হিসেব শেষে মেলে।
Wednesday, 26 July 2017
ত্রুটি মার্জনীয়
যে পথে মিছিল হাঁটে
পতাকায় মুড়ে।
খানা খন্দ ফোঁকড় যা আছে
থাকুক বেঁচে বেড়ে।
প্রতিশ্রুতি প্রতিজ্ঞা নয়।
থাকে বোঝার ভুল।
আশা কেবল ফাঁকি
শুধু দুঃখের মূল।
সমাধানে সব শেষ
সমস্যায় বাঁচা।
জীবনে গোল খেলে
অংকে বড়ো কাঁচা।
তর্ক বিতর্কে জমে
সন্ধ্যা আসর।
নেপোয় মারে দই
ফুরালে ভোট বাসর।
Friday, 7 July 2017
মেয়েটি
যে মেয়েটি সাজে, কাজল চোখে টান
যে মেয়েটি গলা ছেড়ে গায় গান
হোক না বেসুরো, তবুও দিয়ে মন প্রাণ।
সেই একটি কন্যে, যে লেখে মনের কোণে,
আলপনা দেয় খাতার পাতায় নীল কলমের টানে।
সেই মেয়েটি খুব চেনা, তবুও অচেনা রয়ে যায়
যুদ্ধ শেষে , সব হারিয়ে তবুও বাঁচতে চায়।
বাঁচতে হবে যখন যেমন জীবন সুযোগ দেয়।
একটা দিন চলে যাওয়া? সব হারানো নয়।
সাপটে নিয়ে দিনগুলো সব চেটে পুটে খাই।
একটা জীবন, জানালা অনেক, খোলা হাওয়া চাই।
সেই মেয়েটি যেকোনো মেয়ে -সে, বা তুমি, আমি,
নিজের প্রতি ভালোবাসা, সে যে ভীষণ দামী।
দেবী এবং সেলফি
একদা হইলো ঝগড়া ভীষণ ডেলফি শহরে বসিয়া।
এথেনা কহিলেন ওগো দেব তুমি আছো অজ্ঞাত রহিয়া?
চমকিয়া কন দেবতা এপোলো এ কি কহিতেছ দেবী।
নিশ্চই দেব, ভাবিয়া দেখুন ভুল কি কহিলাম আমি।
চির যৌবনা, স্নিগ্ধ শোভিতা ,রূপবতী দেবী হইয়া
এ জীবন মোর বৃথাই রহিল সেলফি ব্যতীত হইয়া।
Wednesday, 5 July 2017
জঙ্গি
বাবা জঙ্গিরা দেখতে কেমন হয়?
তিন বছরের মেয়ের লাল টুকটুকে ঠোঁটে কঠিন প্রশ্ন বাবাকে বেশ বিব্রত করে। বাবা বলেন "মা , জঙ্গি রা আমাদের মতোই দেখতে, কিন্তু ওদের ইয়া বড় বড় দাড়ি থাকে, আর চোখ গুলো লাল, তোকে পেলে খেয়ে নেবে ওদের এত বড় হাঁ।ওরা শান্ত মানুষ কে মারে, মেরেই ফেলে" ছোট্ট মেয়েটি বাবার কথা শুনে চোখ বড় করে, তার ওই চোখ জঙ্গিদের চেহারার বিশালতা মাপার চেষ্টা করে। "আচ্ছা বাবা, তাহলে পাশের বাড়ির দাদুর ও তো অনেক বড় দাড়ি, আর কার্তিক কাকু রোজ বাড়ি ফেরে চোখ লাল হয়ে থাকে, গায়ে কি গন্ধ বিচ্ছিরি, তাহলে দাদু আর কাকু দুজনেই কি জঙ্গি"?হটাৎ এরকম প্রশ্নে বাবা হকচকিয়ে যান। "না মা, তা হবে কেন, ওরা তো ভালো লোক"।বাচ্ছা রা সব সময় যা শোনে তাকে বাস্তবের সাথে মিলিয়ে নিতে চায়।না পারলে কল্পনার হেঁসেলে হাত বাড়ায়। ফুল নামের মেয়েটিও তার ব্যতিক্রম নয়। "জানতো বাবা ঝুনু মেসো মাসি কে রোজ মারে, মাসি মা কে কেঁদে বলছিল। দেখো বাবা মাসি বড় হয়ে গেছে, দুস্টুমিও করেনা আমার মতো, তাও মেসো মারে,তাহলে মেসো ও জঙ্গি। " বাবা দেখলেন ভারী বিপদ হলো তো? একটু থেমে মেয়ের কোঁকড়ানো চুল ঘেঁটে পরম যত্নে মেয়ে কে বুকে বসায়। "কি জানতো মা, জঙ্গীরা যখন বোম ফাটায়, মানুষ মরে ওরা মন্ত্র বলে।" "কি মন্ত্র বাবা?" "যে মিন্ত্র দিয়ে কাউকে একদম ভ্যানিশ করে দেয়া যায়, সে আর কথা বলতে পারেনা, নড়তে ও না,তারার দেশে চলে যায়।" মেয়ে ভাবে তারার দেশ এ গিয়ে সবাই নিশ্চয় খুব কষ্টে থাকে। সে বাবাকে বলে "বাবা, তুমি দেখেছিলে কালিপুজোর সময় একটা লোক লোক গোট টাকে কি করলো,গত টা স্ট্যাচু হয়ে গেলো আর তার আগে একটা দাদু কি সব মন্ত্র বলছিল। তাহলে ওরাও জঙ্গী?
বাবা ভাবলেন বেশ মুশকিল হলো, এই মেয়ে এত পেকেছে। একে নিয়ে কি করা যায়। মেয়েকে কোলে নিয়ে বাইরে বেরিয়ে আসা স্থির করলেন। "চল মা ঘুরে আসি"। ঘরটা যাওয়ার নাম শুনে মেয়ে আনন্দে নেচে উঠলো। মেয়ের হাসিমুখ দেখে বাবা বললেন, "দ্যাখ মা , জঙ্গী রা হঠাৎ আক্রমণ করে দেয়, হঠাৎ করে ঝাঁপিয়ে পড়ে, কেউ কাঁদলেও তাকে ছাড়েনা"।বলেই বাবা হালুম শব্দ করে কপট লাফানোর ভঙ্গিতে দুহাত থাবার মতো করে লাফালেন মেয়ের দিকে। মেয়ে কিন্তু একটুও চমকাল না। খিলখিল করে হেসে বলে উঠলো, "তাহলে বাবা ,তুমিই জঙ্গী।তুমি ঠাম্মাকে সেদিন কত্তোজোরে মেরেছিলে, ঠাম্মা কাঁদছিল,তাও তুমি মারছিলেই।"
যাঁরা হঠাত করেই খাওয়াতে চায়
হাঁটু মুড়ে বসো, মুড়িমাখা হাতে দেবো- ঝাল মুড়ি। চিবিয়ে চিবিয়ে খাবে সাথে আচারের টুকরো আম। পা ছড়িয়ে বসো তারপর, মেলে দাও গল্পের শাড়ি। অবাক বিস্...
-
আমি ভালো বা ভালো না - এইসব ভাবতে ভাবতে কেটে গেলো সহস্র বছর. মিশেছিলাম সীতা হয়ে মাটির কোষে। নিরুপায় জন্ম অতিক্রান্ত হচ্ছেনা। গলিপথ, র...
-
এক - অতঃপর মাঝরাত পেরিয়ে আরেকটা দিন এলো . না , তার ঘরে নয় , পিচ ঢালা রাস্তার ওপর আলো পড়ে , আর কিছু অতসী ফুল কে ছু...