Sunday, 25 June 2017

অভিমান

অভিমান তবুও কমে কই?
এত কথা হয়ে গেছে, ক্ষমা
পরম ধর্ম জেনেও
অধর্ম কে আপন করে নিতে ভালো লাগে বেশ।
অধর্মের এত সুখ কেন?
যা নিজের মন থেকে চাওয়া যায়
বনাম সমাজ যা শেখাল
তার মাঝেই ধর্ম অধর্মের নো ম্যান্স ল্যান্ড।
আর ওই পতিত জমিতেই অভিমান ,রাগ , ক্ষোভ
জন্মে জল পেয়ে বেড়ে হয় আগাছার মতো।
আদর লাগে না, যত্ন চায় না।
তবুও বেড়ে ওঠে।

শব্দ'র মায়ায় জড়িও না,
অভিমান শব্দ চায় না কখনো।

Friday, 23 June 2017

রান্নাঘরের কবিতা

রোজ ই তো কবিতা লিখি।
যেইনা মাত্র আমি বললাম, তুমি তাকালে এমন ভাবে , মনে হলো
বাবা রাও জানতে পারলে এতটা চমকায় না যে তাদের
ছেলেরা কখন রাজনীতির রং পাল্টেছে।
এতটাই আশ্চর্য হলে যে শেষে কথা হারিয়ে বেঁকালে ঠোঁট।

আমি বললাম আমি কি লিখতে পারিনা?না হয় কবিতার বই এ আমি নেই। ছাপার অক্ষর আমার জন্য নয়। তা'বলে কি শুধু অক্ষরেই কবিতা লেখা যায়?

প্রতিদিন আট টায় স্কুলে যাওয়ার আগে সাজানো ভাতের থালা,ডাল সমেত দুটো পদ। গোছানো বাক্স
তোমার প্রিয়। বিদ্যালয়ে আমার হাতের নাম যে তোমার
কাছেই শোনা।

মাপমত সবজি , ফোরণ, তেল, নুন, মশলা ,আগুন
মিলিয়ে সময়ে সময়ে জলের ছিঁটে দিয়ে খুন্তির ঝনাত ঝনাত শব্দ উঠলে একফাঁকে কপালের ঘাম মুছে আবার বসে পরি ছুরি নিয়ে। মাপমত সব কিছুই হওয়া তোমার অলিখিত চাওয়া যে।

বলো, এটা কি কবিতা নয়?

Tuesday, 20 June 2017

To my unborn child...

I've not heard the voice
I ve not seen how would you ve cried.
Through the veins ,the blood that flows
Given you the heart beat and The whimper
Of bothered sigh.

I've dreamt so many things
To tied your hair with a string
Or to bake cake on a Saturday night
With the chocolate on the top
That I always lick like a greedy dog
And you too would like, likewise hoped.

Yes, it was yesterday's and the thing of
Past. The same blood that's called menstruation, was your life blood.
And every time , when I bleed i dare, i fear never.
With the twitch on my lips,
I tremble but make laughter.

But , now you re in my mind.
Yah , i fear , i do care.

Monday, 12 June 2017

মায়াবী

প্রতিবেশী কাকের দুটো ঠোঁটের মাঝে বেঁচে থাকার মায়া বাস করে।
সুপ্রাচীন গাছের কোটরে লুকিয়ে থাকে পক্ষীশাবক,
নাভি ছেঁড়া বাচ্ছার মতোই তুলতুলে নরম।
এক ঝাঁক রাস্তা পাঁচমাথার মোড়ে হঠাৎ করে জট খুলে ফেলে।
বাঁধানো চৌকাঠে অস্পষ্ট লক্ষীর চরণ ছাপ, গৃহস্থ সিঁদুর , শাঁখের ফুঁ এ মিশে তুলসী গাছ বাঁচিয়ে রাখে।
মাঠ পেরোনো ছেলেটা হঠাৎ সন্ধ্যের মুখে ভয় পায়।
পয়লা বা সংক্রান্তি র মাস কাবারি হিসেব এর ফাঁকে
সত্যিগুলো কল্পনা হয়ে দৌড়ায় একটু শখের আদলে।
সমাধি র প্রান্তদেশে মৃতের গন্ধ থামিয়ে দেয় ঘড়ির কাঁটা।

মায়াবী সব ইচ্ছে ,ঘটনারা তোমার ,আমার, সবার হৃদয়ে তাঁত বোনে।
নিপুন উৎকন্ঠায় বেঁচে থাকার মায়া এ পৃথিবীর ছায়াকে আঁকড়ে ঘুমায়-
আগামীর আয়নায় স্তব্ধতা নেই,শিরায় জন্ম স্রোত বয়ে যায়।

মায়াবী

প্রতিবেশী কাকের দুটো ঠোঁটের মাঝে বেঁচে থাকার মায়া বাস করে।
সুপ্রাচীন গাছের কোটরে লুকিয়ে থাকে পক্ষীশাবক,
নাভি ছেঁড়া বাচ্ছার মতোই তুলতুলে নরম।
এক ঝাঁক রাস্তা পাঁচমাথার মোড়ে হঠাৎ করে জট খুলে ফেলে।
বাঁধানো চৌকাঠে অস্পষ্ট লক্ষীর চরণ ছাপ, গৃহস্থ সিঁদুর , শাঁখের ফুঁ এ মিশে তুলসী গাছ বাঁচিয়ে রাখে।
মাঠ পেরোনো ছেলেটা হঠাৎ সন্ধ্যের মুখে ভয় পায়।
পয়লা বা সংক্রান্তি র মাস কাবারি হিসেব এর ফাঁকে
সত্যিগুলো কল্পনা হয়ে দৌড়ায় একটু শখের আদলে।
সমাধি র প্রান্তদেশে মৃতের গন্ধ থামিয়ে দেয় ঘড়ির কাঁটা।

মায়াবী সব ইচ্ছে ,ঘটনারা তোমার ,আমার, সবার হৃদয়ে তাঁত বোনে।
নিপুন উৎকন্ঠায় বেঁচে থাকার মায়া এ পৃথিবীর ছায়াকে আঁকড়ে ঘুমায়-
আগামীর আয়নায় স্তব্ধতা নেই,শিরায় জন্ম স্রোত বয়ে যায়।

Saturday, 10 June 2017

আলাদা নয়

বরফেও আগুন লাগে।
নিঃশব্দে মাতৃগর্ভে নাড়ি বেয়ে
অপরিণত ভ্রুনের জমাট বাঁধা
রক্তের মতোই আগুন ধেয়ে আসে।
লাভা স্রোত আর রক্ত মিলে মিশে যায়।
কিছু প্রাণ পোড়ে, কোথাও বা আগুন
ঢাকে ছাই।

Thursday, 8 June 2017

প্রয়োজনীয়

চায়ের কাপে কতটা চিনি দেবে না আদেও দেবেনা সেটা তোমার ইচ্ছে।
তবে কিছু টা আদর মিশিও উষ্ণতার সাথে।
কফি ব্ল্যাক তোমার ভালো লাগে ,আমার অবশ্য কেমন যেন টিতকুটি স্বাদ পোষায় না।
তবে বেশ খানিকটা তর্ক হবে এই মাপ রেখে মগ ভোরো।
ভারী ভারী সব চিন্তাগুলো কে যেভাবে ঠিক বইয়ের পাতায় তুমি জুড়ে দাও, আর পডিয়াম জুড়ে গমগম করে বেজে যায় তোমার ভরাট স্বর।
তার কিছুটা আমার জলের গ্লাসে মিশিয়ে রেখো।
এক নিঃশ্বাসে ,হাঁসফাঁসে গিলে ফেলবো ঠিক বাঁচার জন্য।
এই ভাবে সবকিছুই জড়িয়ে থেকো  তুমিও।

Tuesday, 6 June 2017

আমেন

পাশাপাশি চলা ফুরায় না।
শেষ বিকেলে ঘর ফেরতা পাখি গুলোর মতোই ঝগড়া করে আবার কোমর ধরে হেঁটে চলা।
একই বাসায় ফিরতে হবে নিয়ম মতো।
জীবনের অনেক গুলো চিহ্ন থাকে। ভালোবাসা, অপমান ,রাগ উপেক্ষার। সুগভীর ক্ষত হৃদয় জুড়ে থাকে,রাস্তা ঘাটে জল জমা খানা খন্দের মতো।
মৃতপ্রায় আয়নায় মুখের জরিপ এঁকে বেঁকে যায়।
পৃথিবীর ভরবেগ এ পাল্লা দিয়ে দৌড়ায় আমি তুমি
আমাদের অবসাদ। ছুঁয়ে ফেলবে বুকসমান জল, আঁজলা ভরে নেবে গান, ধুয়ে নিতে দালির ঘড়ি।
আগুনে কান রেখে সত্যি জানতে গিয়ে রিক্ত।
এ শরীর মাটি পাবে, জলের কিনারে। শতজীর্ণ
শ্লোকে মুক্তির আমেজে নোনতা দিগন্তে মিলিয়ে যাবে কোনো একদিন।
সেদিনও কোনো ভ্রুন নালী ছিঁড়ে শেষ হবে।চড়া ফ্লুরোসেনটের তলায়।

না- মানুষ মাটি পাবেনা কখনো।

Friday, 2 June 2017

নিজেকে ভালোবাসো

এক পশলা বৃষ্টির গন্ধ মেখে দেখো
সারা রাত কাঁদার পর।
ভোরের আলো ফুটলে ক্লান্ত পা ফেলে
হেঁটে নিয়ো ঘাসে।
অথবা খুব চেনা জানালায়
দেখে নিয়ো বরফি কাটা আকাশ।
রান্না ঘরের কোনায় রাখা নুন তেল শিশির
মশলার কৌটো লঙ্কা আদার ঝাঁজে
তুমি যে আগুনে প্রতিদিন শিল্প তৈরি করো
পেটের দাবানল নেভাতে,
সেই আগুন তুলে রাখো একদিন প্লিজ ।
শুকনো খটখটে রংতুলির বাক্স  না হয় ভিজিয়ে নিলে
ছাদের কলে।
তারপর কেটে ফেললে আঁচড় , মূল্যহীন
কিন্তু জট পাকানো মনের মতোই তা সত্যি ভীষণ।

মাঝে মাঝে  ডাকো।
না রবীন্দ্রনাথ কে নয়, বরং বেগম আখতার
যে জোছনা কে আড়ি করে দিয়েছিল।
আবার ভাব করে নাও না ।
পুরোনো আঁতাত গুলো যতটা পারো ঝালিয়ে নাও।

তারপর নিজেকে ভালোবেসে দেখো।
বিশ্বাস করো আরো কিছুদিন পেরিয়ে যাবে বেঁচে থেকে

মানুষের মতো।

উর্বরতা অথবা উন্নতি

তুমি প্রমান দিয়েছো অত্যাচার উর্বর  ভীষণ।
একেক করে মাঠ নদী আকাশ কে
বন্দি করার পর কি অত্যাচার টাই না করেছ।
বাঁধ দিলে, জমির বুক চিরে গুঁজে দিলে বীজ।
আকাশের সীমানা পেরিয়ে সাদা বাগানে যেদিন
উদ্ধত রকেট তোমার পৌরুষের সাক্ষী হলো
তুমি হাসলে।

কথা দিয়েছিলে , শব্দের শিকলের বেড়ি পরিয়ে
পেয়েছিলে উপত্যকা; সবুজ , নরম তুলতুলে ঘাস,
হাতপা ছড়ানো গাছের ফাঁকে টুপটাপ শিশির পড়তো।
এখন আছে কিছু , নেই অনেকটাই,।
তোমার সভ্যতার রুচিবোধ সেজেছে নতুন ডিজাইন এ।
উপত্যকা র ক্ষত বেড়েছে।
আসলে সব গাছের মধ্যেই লুকিয়ে থাকে ক্রুশ এর ছায়া।
প্রকৃতি তবুও জেসাস হতে পারলো কই?

যাঁরা হঠাত করেই খাওয়াতে চায়

  হাঁটু মুড়ে বসো, মুড়িমাখা হাতে দেবো- ঝাল মুড়ি। চিবিয়ে চিবিয়ে খাবে সাথে আচারের টুকরো আম। পা ছড়িয়ে বসো তারপর, মেলে দাও গল্পের শাড়ি। অবাক বিস্...