Tuesday, 4 April 2017

দেখা


এ পৃথিবীর মায়া যত বাড়ে
দেখার ইচ্ছেরা ততটাই বেড়ে ওঠে।
কিন্তু দৃষ্টি বড্ডো ভারী হয়ে আসে।
একসময় পর্দা ফেলে দেয় শরীর
দেখতে দেবেনা বলে।
চোখের বোঝা বাড়ে;
যোগ বিয়োগের অংকে নিরুদ্দিষ্ট দৃষ্টি
পথ খুঁজে পায়।

বন্ধ হওয়ার আগে
কিছু ঘ্রাণ খুঁজে নেয় চোখ।
সেইসব দৃষ্টিরা ছবি হয়
অথবা কবিতা বীতশোক।

Monday, 3 April 2017

রাইস স্যুপ

তারপর এক চিমটে বিট নুন দিলে স্বাদ খুলবে আরও।সঙ্গে যদি পাও গোলমরিচ গুঁড়ো তাহলে তো কথাই নেই।
জমে যাবে ডিনার।ওজন কমবে দ্রুত।
থাকবে স্লিম , তন্বী আরো।

একবাটি ভাতের ফ্যান রোজ ফেলা যায়।
জমে জমে ড্রেন বন্ধ হয়।

রাইস স্যুপ হয় নাকি?
কেউ খায়?কৈ জানিনাতো।

Saturday, 1 April 2017

সভ্যতার মূল্য

আজ শেষ পিরিয়ড এ এইট এ ছিলাম।ঘুলঘুলি তে চড়াই দম্পতি বাসা করেছে বেশ কিছুদিন।ডিম পেড়েছে বোধহয়।ভালোই লাগে ক্লাসের মাঝে ওদের কিছমিচ।
তা আজ যখন পড়াচ্ছিলাম ভীষণ গরমের জন্য জানালা বব্ধ ছিল।দরজাও।হঠাৎ চোখের নিমেষে স্বামী চড়াই ফ্যান এর ব্লেডে ধাক্কা খেয়ে শেষ হয়ে গেলো কিচ্ছু বোঝবার আগেই।
যাইহোক মন ভীষণ খারাপ ।পড়ানোর সময়ে মন বসাতে পারছিলাম না।অবাক হলাম এরপর।স্ত্রী চড়াই পাখিটি বারবার বাসার কাছে যাচ্ছে ভয়ঙ্কর অস্থির হয়ে আছে। এদিক ওদিক ওড়াউড়ি শুরু করেছে। সেই অভিশপ্ত ফ্যান এর কাছে বারবার যাচ্ছে।বাধ্য হয়েই ফ্যান বব্ধ  করলাম এতো গরম থাকলেও।
কিন্তু পাখিটার উদ্ভ্রান্ত অবস্থাটা গেলোনা।একবার বাসায় যায় আরেকবার বাইরে।খুঁজেই চলেছে...

বুঝলাম সভ্যতার দাম খুব কম নয় কিছু।

Thursday, 23 March 2017

প্রলেপ

আমার অতীত জানে কতটা গভীর ক্ষত।
প্রলেপ দিয়ে রাখা ঘা সময়ের সাথে শুকিয়েছে।
একটা দাগ জুড়ে গেছে ।নিরুদ্দিষ্ট এর সন্ধানে
কাজে লাগতে পারে যদি কেউ খোঁজে।
ব্যাথা গুলো মনে করিনা।
আমার সন্তান  প্রশ্ন করেছে
মা তোমার হাতের দাগ টা কি?
সত্যি বলতে পারিনি ওকে  রোজ পড়াচ্ছি যদিও
সদা সত্যি বলিও।
ভয় পাচ্ছি কোথাও
সত্যি টা জেনে বললে পরেই ও কি বাঁচবে আদেও?
কিছু সত্যি ভীষণ সত্য ,থাকা ভালো গোপনেই।
বাজারি সত্য ভীষণ গরম সেঁকে নি সকলেই।

থাক তবে থাক গোপন সত্য গোপন মনের কোণে।
হাতের দাগ পরিচয় পাক পোড়া চিহ্ন বলে।
দাগ শুধু দাগ যে নয় আমি কেবল জানি
দেশভাগের পর বাঙাল ভয়াল বিপদ বড়োই মানি।
বোঝা বাড়ালো , ভাগ বসালো নতুন দেশের মাঝে

দাগ টা কিন্তু প্রশ্ন করে বেমক্কাই কোন সুখে কিছু মানুষ
উদ্বাস্তু সাজে?

Monday, 13 March 2017

প্রতিশ্রুতি -যা কিছু পেতে পারি

যুদ্ধ থামার পর টি শার্টে লিখে দেবো
আলগা পেন্সিলের
স্কেচে নিঃশর্ত ঢেউয়ের আভাস।
আকাশ কে পনবন্দী করতে
পেরে  রাজসাজে যুদ্ধ
জয় করে ফেলার পরমুহূর্তেই
অদৃশ্য করে দেবো মনগড়া ইতিহাস।

পথ ভুলে যেতে পারো তুমি অযথাই
যদিও মনে করিয়ে দেবে ছায়াপথের
আবছা আভাস। মায়াবী লেনদেন
ফুরালে কাগজের টুকরো পোড়ে।
কর্পোরেশনের বোঝা বাড়ায়
বেঁচে থাকার নিঃশ্বাস।

পর্দারা ভেজে , ভারী হয় বাতাস।
জলরঙে এঁকে দিতে অন্তর্লীন
সমুদ্রের বালিমাখা রোদ একরাশ।

Sunday, 12 March 2017

আরেক বসন্তে

ঝুপসি চাঁদ রং মাখে না।
আবির ছড়ায়।
আগত বসন্ত যেমন প্রেম দেয়,
নতুন পাতার বর্ণ কবিতার খাতায়।

তেমন ই ফুরোয় না কোনো কিছুই,
শুধুই অপেক্ষায়...

Wednesday, 8 March 2017

নারী যাপন

ব্লাড রেড-পিঙ্ক পার্পল
সত্যি-গল্প বিজ্ঞাপন
দ্বন্দ্বমূলক নারী যাপন

Tuesday, 14 February 2017

সন্দীপ কে

খিদে চোখে একথালা ভাত।
খালি বোতলের শেষ দুফোঁটা জল।
প্রচন্ড শীতের কামড় বাঁচতে
কিছুটা পুরোনো চাদরের ওম।
লোড শেডিং এ ঘামে ভেজা শরীরে
মাঝরাতের বিদ্যুৎ তাড়িত হওয়ার আদর।

একসাথে জ্বলে ওঠে সলতে মোম
ছাদের কিনারে পানচেত পাহাড়ের লোভ
দুহাত আঁকড়ে দৌড়, আরো দূর।
সবদিন গুলোই শ্বাসে প্রশ্বাসে।

ভালোবাসার কোনো দিন নেই।
ভালোবাসা একসাথে বেঁচে ফেরার মানে।

Tuesday, 7 February 2017

ভিক্ষা

শহর বিক্রি করছে নিজেকে রোজ,
ছবিতে, বিনিময়ে, পয়সায়।
ভিখারি হাত পাতলে দারিদ্রতা বিকোয় চড়া দামে।
মাথার বিনিময়ে কিছু লোক পেয়ে যায়
খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান।
ঘুম এবং শরীর প্রতিদ্বন্দীতায়
এগিয়ে যেতে যেতে ভবিষ্যৎ পুঁজির স্বপ্ন দেখে।
প্রতিটা দিন ভিক্ষাবৃত্তির জন্ম হয়
অনেকটা অনিচ্ছায়, অথবা স্বেচ্ছার আপোষে!
নির্মেদ দক্ষতায়।

Wednesday, 1 February 2017

আজ অকাল ফাগুন

হলুদ আঁচলে লাল বুটি।
উত্তরের হাওয়ায় কৃষ্ণচূড়া
স্পর্ধা চোখে মাপছে-
বসন্ত আর কদিন বাকি?

যাঁরা হঠাত করেই খাওয়াতে চায়

  হাঁটু মুড়ে বসো, মুড়িমাখা হাতে দেবো- ঝাল মুড়ি। চিবিয়ে চিবিয়ে খাবে সাথে আচারের টুকরো আম। পা ছড়িয়ে বসো তারপর, মেলে দাও গল্পের শাড়ি। অবাক বিস্...