চুঁয়ে পড়া জল
বিন্দু বিন্দু জমে
ঘট ভরে যায়।
হঠাৎ প্লাবন আসে।
মুখ ভাসে ।
চেনা মা দর্পনে
প্রতিবিম্ব কাঁপে।
ঝাপসা চোখ
ফিরে তাকায়
আগামী বছরের পানে।
Tuesday, 11 October 2016
শুভ বিজয়ায়
এই ক'দিন
যে যেমন পারছে নিচ্ছে কুড়িয়ে
প্রেম,আনন্দ, আলো, বুক ভরা গান।
খুচরো খুচরো সময় গীটারের তার
পুজো আসে, পুজো যায়
জৌলুসে কোলাহলে রাত পেরিয়ে দিন এসে বলে
"কতটুকুই বা সঞ্চয়,কতটাই বা খরচ,
মাঝে শুধু ব্যবধান দিন কতক।"
সেখানে শুধু এলোমেলো আনন্দরা ইস্ত্রি হয়ে যায়,
পাটভাঙা মুহূর্তেরা যে বাকি তিনশ দিনের,
বছরভরের তহবিলে সঞ্চয়ী বাঙালি
তুলে রাখে মাধুকরী -
বাকি দিন গুলো যে বং এ দের জন্যে।
Monday, 3 October 2016
Concentration Camp
Within the confinement of four walls,
Within the periphery of province
Across the border of the States
Everywhere there is the eternal
Concentration camp.
And within myself ,there is several shadows confined within the morals and precepts.
Nowhere to go, neither a place to exhale, only to sigh
Within this concentration camp.
কারুর অপেক্ষায়
ভিজে কাপড় শুকোতে দিয়েছি।
দুপুর গড়িয়ে বিকাল।
অবুঝ সন্ধ্যে ধার করেছি,
আচমকা বাতাস বেখেয়াল।
গুঁড়ো গুঁড়ো হাওয়ায়
জমাট বাঁধছে গল্প।
আরেকটা প্রেম হাতছানি দেয়
শাড়ী লিখছে কবিতা স্বল্প।
এটুকুই থাক, টুকরো শ্বাস
বাসা বাঁধুক বুকে।
আলতো চুমু এঁকে দিলাম
রাতভাসি চোখে।
Saturday, 1 October 2016
প্যারাডক্স
যে লোকটার কারখানা বন্ধ তাকে জিজ্ঞাসা করলে জানবে শুধু অক্সিজেন নয়,তার জীবনে কার্বন ডাই অক্সাইড বাঁচার রূপরেখা আঁকে।
বন্ধ কারখানার চিমনি থেকে ধোঁয়া বেরোয় না।
এদিক ওদিকের সবুজ অক্সিজেন ছড়ায়।
কিন্তু খিদে মেটায় কি?
অনেকের কাছে বিষ টাও যে বাঁচার জন্য ভীষণ জরুরী।
Tuesday, 27 September 2016
পিতৃপক্ষ 3
বাবা হওয়ার পর মানুষ কেমন ভীতু হয়ে যায়।
স্পষ্ট কথা ইঙ্গিতে পরিণত মনস্কতায় রূপ পায়।
অল্প স্বল্প পরিসরে নিজেকে গুটিয়ে নেয় আস্ফালন
বাবা জানে চেনা গন্ডি কেটে সন্তান আগলানো।
অথবা ভাঁজ পরা শার্ট কোঁচকানো।
পরিচয়ের ভাষা বাসগৃহে কড়া নাড়ে,
বন্দী পুরুষ বাবা হয়ে যায় রক্তের সম্ভাষণ এ।
বাবার জগৎ শেষ হয়েছে মাঝরাতে ভাঙা ঘুমে।
বাবা নিজেই জানেনা অন্ধকারের ছায়া আর কতই বা প্রলম্ব হবে।
ইচ্ছেমতন চাহিদা রা এলোমেলো অবসন্ন হয়ে তোষকের তলায় লুকোবে।
ছোট আঙ্গুলগুলো মুঠোর দেওয়ালে এলিয়ে পড়ার পরেও বাবা জাগে
অবয়বে নয় ,গোপনে আরো গভীর কোথাও বাবা
দলিল লেখে -স্থাবর অস্থাবর ইচ্ছের তালিকায় অজস্র কাটাকুটি।
ভালোবাসা মাখা অপূর্ণতারা তর্পণ এ বাসা বাঁধে।
বাবাদের কথা প্রজনমান্তরিতে -সব বাবারাই জানে।
Monday, 26 September 2016
ট্রানজিশন
তুমি বেঁচে থাকতে চাও।
শহুরে সভ্যতা তোমায় শিখিয়েছে হায়েনার হাসি,
শ্বাপদের লক্ষ্য;পুতুলনাচের মুদ্রা নকল করা মজলিস। সমস্তটাই পাল্টে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে কত ছবি আঁক বা কবিতা।
স্তবের প্রতি ছত্রে ছত্রে আত্মবিক্ষনের কপট ভঙ্গিমা।
তুমি যে ভালো নেই-সকাল বেলায় তোমার ভারী ফুলো চোখে করা যেন লিখে দিয়ে গেছে।
ক্লোরিন জল ছিটিয়ে বাঁচতে চাও রোজ কৃত্রিমতায়। কল্পনার পেঁজা আকাশ তোমার জন্য নয়।মায়াবী দেওয়ালের ওপারে বন্ধু খুঁজে নাও
স্বমেহন স্বত্তার নির্গমনের অছিলায়।
এরকম তো কথা ছিলনা।
কাগজ পোড়া ছাই তো জমছেনা কোথাও।
মেসেজ ইনবক্সের কথা দগ্ধ করে-
মোছার পরেও ধরে রাখে হার্ড-ডিস্ক
যেখানে ধরা আছে সমস্ত নগ্নতা।
তোমার অভ্যন্তরে লুকানো আর্কিটাইপের ভয়,
রুক্ষতা ,জান্তব ব্যর্থতা, আত্মবিস্মৃতির গোপনীয়তা।
তাই তুমি পা টিপে টিপে আড়ি পাত...
ভয়ঙ্কর জিগিষায় মাদক মিশিয়ে গিলছ শূন্যতা।
ঈশ্বর পরিহাসময় ভেবে একেকটা তাস ফেলেছো
আর অপেক্ষা করেছ টেক্কার।
যৌনতার কাছে জিতে গিয়েও হেরে গেছো।
বিনিময় দরদাম দিয়ে জোড়া ধড় মুণ্ডু ছিঁড়ে
দৌড়েছ। তারপর তো খবরের কাগজে লিখেছিল-
"অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তির মৃতদেহ উদ্ধার ডাউন লাইনে।" কিন্তু কোথাও লেখা ছিলনা কেন
শেষে তো তুমি মানুষ হতেই চেয়েছিলে,
কোনো শ্বাপদ কি আত্মহত্যা করে কখোনো?
Monday, 19 September 2016
পিতৃপক্ষ -2
কালো ঢেউ তোলা রাতে,জঠরে জল বাড়ে।
ক্রমাগত বিন্দু বিন্দু করে।
আশা,গল্পকথার প্রাণীর নড়াচড়া।
ছোট অপেক্ষারা বিলীয়মান-
চিড় ধরা পথে জীবন নামলো শয্যায়
জীবনের হাত ধরে।
কাঠের আগুন,তপ্ত জল কাহিনী লেখে
ভাত ফোটার। ধোঁয়ায় ফ্যানের মাখো মাখো
ঘ্রাণ বুক ভরে নেওয়া।
খিদে প্রকান্ড বাস্তব-জীবন সম্মোহন!
নিয়ন্ত্রিত আঁচে বাঁচার খোরাকি;রসদে যাপন।
সেই আগুন,পরিধি বিস্তৃত।
দৈর্ঘ্যে সাড়ে তিন, প্রস্থে আড়াই।
এখানে ধোঁয়ার গন্ধে বিচ্ছেদ ভর করে।
ফুলকিরা স্বাধীন,ভিন্ন রূপে ফিরে আসে আগুন
আয়ুর শেষে জল ধোয়া ছাই।
Sunday, 18 September 2016
পিতৃপক্ষ
নৌকো বাঁধা ঘাটে।
বৈতরণী পারাপার-
স্তব্ধতা বালুচরে।
তিল বিন্দু চিল, ভীত বাতাস।
পত্রজ তরঙ্গ মেশা
স্মৃতির ইতিহাস।
নিভু প্রদীপের আঁচে
দর্পণে ছায়াভাস।
Thursday, 15 September 2016
দূষণ
নোংরা কালো বিচ্ছিরি ধোঁয়া?
মুখ ঢাকছ রুমালে!
নিঃশ্বাসে বিষ মিশল তবু-
যতই থাকো খেয়ালে।
আদপে সব বিষাক্ত তাই
মুখ ঢেকেই বা করবে কি?
মিথ্যা শোনা অভ্যস্ত কানে
কান চাপা দাও দেখি।
ঝুড়ি ঝুড়ি রোজ মিথ্যা ওড়াও
প্রকাশ্যে বা গোপনে।
দূষিত যখন অভ্যন্তর
মুখ ঢাকা কেন রুমালে।
যাঁরা হঠাত করেই খাওয়াতে চায়
হাঁটু মুড়ে বসো, মুড়িমাখা হাতে দেবো- ঝাল মুড়ি। চিবিয়ে চিবিয়ে খাবে সাথে আচারের টুকরো আম। পা ছড়িয়ে বসো তারপর, মেলে দাও গল্পের শাড়ি। অবাক বিস্...
-
আমি ভালো বা ভালো না - এইসব ভাবতে ভাবতে কেটে গেলো সহস্র বছর. মিশেছিলাম সীতা হয়ে মাটির কোষে। নিরুপায় জন্ম অতিক্রান্ত হচ্ছেনা। গলিপথ, র...
-
এক - অতঃপর মাঝরাত পেরিয়ে আরেকটা দিন এলো . না , তার ঘরে নয় , পিচ ঢালা রাস্তার ওপর আলো পড়ে , আর কিছু অতসী ফুল কে ছু...